আমড়ার যত গুণাবলী

অনলাইন ডেস্ক

আমড়ার যত গুণাবলী

মৌসুমি ফল খেলে শরীরের সাথে সাথে মনও সুস্থ থাকে। তাই তো এখন বাজারে গেলেই চোখে পড়ে সবুজ রঙের আমড়ার। দামি ফল আপেলের চেয়ে আমড়ায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের পরিমাণ বেশি। তাই শরীরের জন্য বেছে নিতে পারেন আমড়া। আমড়া খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এটি কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি সুস্বাদু আচার, চাটনি ও জেলি তৈরি করা যায়। অনেকে তরকারি হিসেবে রান্না করে খান। বহুমুখী উপকারিতার কারণে অনেকেই নিয়ম করে আমড়া খাচ্ছেন। প্রতিদিনের দূষণভরা জীবনে সুস্থ থাকার টোটকা এখন আমড়া। 

আমড়া :
আমড়ার ইংরেজি নাম Hog Plum. একপ্রকার ফল যা মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষে ফলে। বৈজ্ঞানিক নাম Spondias pinnaata Kurz. বা Spondias mombin, পরিবার: Anacardiaceae। বাংলাদেশ ছাড়াও আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা এবং ইন্দোনেশিয়ায় এই গাছটি জন্মে।

আমড়া ব্লাড পিউরিফায়ারের কাজ করে। স্ট্রেসের জাল বিছানো সমাজ জীবনে শরীর সুস্থ রাখাই যেখানে চ্যালেঞ্জ, সেখানে আমড়া থাকতে হবে অবশ্যই। 

এই ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি আর ক্যালসিয়াম। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। দামেও সস্তা। গুণে মহার্ঘ। তাই আমড়া খান রোজ। শরীর সুস্থ রাখতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আমড়ার গুণাবলী-
রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। স্ট্রোক ও হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চর্বি কমিয়ে হৃত্‍‍পিণ্ডে সঠিক ভাবে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে

চিনির পরিমাণ কম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। আমড়ার খোসায় থাকা আঁশ বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম দাঁত ও মাড়ি শক্ত করে। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত, পুঁজ বের হওয়া প্রতিরোধ করে।

আমড়া পিত্ত ও কফ নাশ করে, কণ্ঠস্বর পরিষ্কার রাখে। নিয়মিত আমড়া খেলে চুল, নখ, ত্বক সুন্দর থাকে।

অরুচি দূর করে, শরীরের অতিরিক্ত উত্তাপ কমায়। আমড়ায় থাকা অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আরও পড়ুন:


বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত করোনার মতো বারবার রূপ পরিবর্তন করছে: বাহাউদ্দিন নাছিম

টিকা নেয়ার পরেও করোনা পজিটিভ ফারুকী

স্বামীর পর্নকাণ্ড: মানহানির মামলা নিয়ে শিল্পাকে আদালতের ভর্ৎসনা


 

এ মৌসুমের দারুণ ফল হিসেবে তাই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ কিংবা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আমড়া খেতে পারেন। আমড়ায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। ফলে সহজেই সুস্থ থাকতে পারবেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

অ্যালার্জি'তে ভুগছেন, তাহলে সমাধান জানুন

অনলাইন ডেস্ক

অ্যালার্জি'তে ভুগছেন, তাহলে সমাধান জানুন

যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের খুব সাবধানে থাকতে হয়। সামান্য এদিক–সেদিক হলেই শুরু হয়ে যায় চুলকানি, চোখ লাল, ত্বকে লালচে দানা ওঠা ইত্যাদি। অ্যালার্জি আছে এমন অনেকেরই ঘর ঝাড়ামোছা করলেই ত্বকে চুলকানি শুরু হয়ে যায়। আবার কারও কারও ধুলাবালির সংস্পর্শে এলেই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। কোনো কোনো ওষুধের অ্যালার্জিতে তো জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে। অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখো মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি।

অ্যালার্জি
আমাদের শরীর সবসময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ প্রচেষ্টাকে রোগ-প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয়, এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়। অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বহিরাগত বস্তুগুলোকে অ্যালার্জি উৎপাদক বা অ্যালার্জেন বলা হয়। অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস দুই ধরনের
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
ঘন ঘন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া
নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া
চোখ দিয়ে পানি পড়া

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলোর চেয়ে তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্বকাল বেশি হয়।

সংস্পর্শজনিত অ্যালার্জিক ত্বক প্রদাহ
চামড়ার কোথাও কোথাও শুকনো, খসখসে, ছোট ছোট দানার মতো উঠা। বহিস্থ উপাদান বা অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে ত্বকে প্রদাহ বলে তাকে অ্যালার্জিক কনট্রাক্ট ডারমাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
ত্বকে ছোট ছোট ফোসকা পড়ে ফোসকাগুলো ভেঙে যায়।
চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে ত্বকের বহিরাবরণ উঠে যায়।
ত্বক লালচে হয় এবং চুলকায়; চামড়া ফেটে আঁশটে হয়

অ্যালার্জিক কনজাংটাইভাইটিস
চোখ চুলকানো ও চোখ লাল হয়ে যায়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াজনিত অ্যালার্জি

এটি খুবই মারাত্মক। অ্যালার্জেন শরীরের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি শুরু হয়ে যেতে পারে। নিচে উল্লিখিত উপসর্গগুলো হতে পারে।

চামড়া লাল হয়ে ফুলে উঠে ও চুলকায়।
শ্বাসকষ্ট, নিঃশ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো আওয়াজ হয়।
মূর্ছা যেতে পারে।
রক্তচাপ কমে গিয়ে রোগী শকে চলে যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা
রক্ত পরীক্ষা : বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কি না তা দেখা।
সিরাম আইজিইর মাত্রা : সাধারণ অ্যালার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইর মাত্রা বেশি থাকে।
স্কিন প্রিক টেস্ট : এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন অ্যালার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর অ্যালার্জি আছে তা ধরা পড়ে।
প্যাঁচ টেস্ট : এ পরীক্ষা রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।

বুকের এক্স-রে : হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে নেওয়া দরকার; যে অন্য কোনো কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কি না।

স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসের ক্ষমতা দেখা : এ পরীক্ষা করে রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

সমন্বিতভাবে অ্যালার্জির চিকিৎসা হলো
অ্যালার্জেন পরিহার : যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায় অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

ওষুধ প্রয়োগ : অ্যালার্জিভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে অ্যালার্জির উপশম অনেকটাই পাওয়া যায়।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোয় এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে অ্যালার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অবহিত করেন। এটাই অ্যালার্জিক রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

অনলাইন ডেস্ক

মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

প্রায়শই আমরা একটা কথা শুনে থাকি “দাঁত ব্রাশ করতে গেলে মাড়ি থেকে রক্ত আসে”, “সকালে ঘুম থেকে উঠে থুথু ফেললে তাতে রক্ত দেখা যায়”, কিন্তু কেন এই রক্ত আসে দাতে? আজ জানবেন মাড়ি থেকে রক্তপাতের আদ্যেপান্ত।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত রোগে ভোগেন। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বুঝতে হবে, আপনার মাড়িতে জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ হয়েছে। আসুন জেনে নিই এমন সমস্যার সম্ভাব্য কিছু কারণ ও প্রতিরোধ।

রক্ত পড়ার কারণ
* মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার প্রধান ও অন্যতম কারণই হচ্ছে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করা। দাঁতের ওপর লেগে থাকা খাদ্যকণাগুলোর সাদা প্রলেপ পড়ে, যাকে আমরা ডেন্টাল প্লাগ বলি। ২৪ ঘণ্টা পর এ ডেন্টাল প্লাগ শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস হয়। এ ক্যালকুলাসই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার অন্যতম কারণ।

* ক্যালকুলাস দাঁত ও মাড়ির মাঝখানে অবস্থান করে এবং প্রতিনিয়ত নরম মাড়ির সঙ্গে ক্যালকুলাসের ঘর্ষণের কারণে খুব সহজেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। মাড়ির ফোলা এবং প্রদাহের কারণও এ ক্যালকুলাস। এটাকে বলা হয় জিনজিভাইটিস।

ক্রমশই জিনজিভাইটিস বেড়ে গিয়ে যখন প্রকট আকার ধারণ করে, তখন একে বলা হয় পেরিওডন্টাইটিস। এ অবস্থায় দাঁতটা ধীরে ধীরে মাড়ি থেকে সরে যায় এবং নড়তে থাকে।

তা ছাড়া আরও কিছু কারণ রক্ত পড়ার জন্য দায়ী হতে পারে। যেমন-

ঠিকমতো ফ্লসিং না করা

লিউকোমিয়া(এক ধরনের রক্তের ক্যানসার)

রক্ত পাতলাকারী ওষুধ

স্কার্ভি, ভিটামিন সি’র ঘাটতি

ভিটামিন কে’র ঘাটতি


প্রতিকার
এ সমস্যা প্রাথমিক যত্নের মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে অনেক সময় যদি ভালো না হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সকালে ঘুম থেকে জেগে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দু’বার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

ভালোমানের পেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘদিন এক টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না।

ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের মাধ্যমে দুই দাঁতের মাঝখানে লেগে থাকা খাদ্যকণা দূর করতে হবে।

নিয়মিত ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- আমলকী, কমলালেবু, বাতাবিলেবু, আমড়া ইত্যাদি।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


সুতরাং আপনার যদি মাড়ি থেকে রক্ত আসার সমস্যা থাকে, তাহলে দেরি না করে নিকটস্থ রেজিস্টার্ড ডেন্টাল সার্জনকে দেখান, পরামর্শ ও চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন। মনে রাখবেন, রোগ যত দ্রুত ধরা পড়ে, তা সেরে যাবার সম্ভাবনা তত বেশি থাকে। ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, চিকিৎসার সময় ও খরচ- দুইয়েরই সাশ্রয় হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মুহূর্তেই কমবে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা

অনলাইন ডেস্ক

মুহূর্তেই কমবে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা

সাধারণত অতিরিক্ত অ্যাসিড থেকে পেটে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা হয়। সঙ্গে থাকে পেট ফোলাভাব বা ফাঁপা ও হজম জনিত সমস্যা। এই সমস্যা দূর করতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা জরুরি। 

পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেট ফুলে ওঠে বা চিনচিন করে ব্যথা করে এমন সমস্যা হলেই মুঠো মুঠো গ্যাস্ট্রিকের বড়ি খান, অথবা অ্যাসিডিটির সিরাপ খান। তাতে খানিকটা আরাম মেলে অবশ্য, কিন্তু সেই সমস্যা যদি আবার হয় তখন?কেমন হয়  যদি ঘরোয়াভাবে এ রোগটি খুব সহজেই প্রতিরোধ করা যায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করা যায়। ঘরোয়া উপায়েই রেহাই পাবেন, দেখে নিন কীভাবে…

কলা খেতে আমরা সকলেই কমবেশি ভালবাসি। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় এর বিকল্প হয় না। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড। এটি অ্যাসিড রিফ্লাক্সের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে একটা করে কলা খান খালি পেটে। কিছুদিনের মধ্যেই আপনি উপকার পাবেন। তবে ১-২ টা কলা ঠিক আছে। কোনও কিছুই বেশি খাওয়া উচিৎ নয়।

মুহূর্তেই আপনার গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমাতে পারে মৌরি। খাওয়ার পরে মৌরি চিবিয়ে খেলে অ্যাসিড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। রাতের বেলা ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানিতে মৌরি ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খালি পেটে খান। কিংবা গরম পানিতে মৌরির সঙ্গে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন। এইভাবেও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


তুলসী পাতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই। তুলসী পাতা পাকস্থলীতে শ্লেষ্মার মতন পদার্থ উৎপাদনে সাহায্য করে। সকালে উঠে আপনি চা খান তো! ওই চায়ের মধ্যে কয়েকটা তুলসী পাতা ফেলে দিন। চায়ের সঙ্গে ফুটতে দিন, খালি পেটে সেই চা খান, এতে চায়ের স্বাদ হবে দারুণ। আর আপনিও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন। কারো যদি সকালে চা খাওয়ার অভ্যাস না থাকে তাহলে তিনি হালকা গরম পানিতে তুলসী পাতা দিয়ে খেতে পারেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রাজধানীর কিছু এলাকা ডেঙ্গুর হটস্পট

অন্তরা বিশ্বাস

রাজধানীর বেশ কিছু জায়গা ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত হয়েছে। অনেকেই জটিল শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কেউ কেউ শকে চলে যাচ্ছেন। তাই সিটি কর্পোরেশন ও সাধারণ মানুষকে আরও বেশি তৎপর ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

মিরপুরের বাসিন্দা হাসানের বয়স ২৪ বছর। ১০ দিন ধরে জ্বর। সাথে নানা জটিলতা। চার দিন ধরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডেকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি। চিকিৎসকরা বলছেন শরীরের ভেতরে  রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

হাসানের সাথে বোন ময়নারও ডেঙ্গু। ২০ বছর বয়সী ময়না গর্ভবতী। হাসান ও ময়না দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে মা পারভীন বেশ বিপাকে আছেন।

হাসান-ময়নার মত এমন অনেকেই ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। কারও কারও শারিরীক অবস্থা জটিল। কোথা থেকে মশা কামড়েছে জানেন না। 

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে বেশিরভাগ রোগী পাওয়া গেল মিরপুর আর মোহাম্মদপুর এলাকার। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের  যাত্রাবাড়ী, দোলাইরপাড়, শনির আখড়া, জুরাইন ও মুরাদপুর ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে জুরাইনের অবস্থা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এবি এম আব্দুল্লাহ বলেন, জ্বর আসলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। না হলে রোগী শকেও চলে যেতে পারেন।

চলতি বছরে ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। আর মারা গিয়েছের অর্ধশতাধিক।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

একযুগে ম্যালেরিয়া কমেছে ৯৩ শতাংশ

অন্তরা বিশ্বাস

ম্যালেরিয়া নির্মূলে স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ দরকার। অনেক বেশি ম্যালেরিয়া টেস্টও করা দরকার। শুধু অর্থ বরাদ্দই নয় তার সঠিক ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতার বিষয়েও জোর দিতে হবে। কালের কণ্ঠ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ম্যালেরিয়ার আখড়া বলা হয়। বর্তমানে বান্দরবান আর খাগড়াছড়িতে ম্যালেরিয়া বাহিত মশা এনোফিলিসের আনাগোনা সবচে বেশি। এই এলাকায় ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের গবেষণা আরও বলছে, দেশের ১৩টি জেলার ৭২টি উপজেলায় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব।

২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে ম্যালেরিয়া নির্মূল করার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। কিন্তু করোনাকালে ম্যালেরিয়ার দিকে মনোযোগ কিছুটা কমেছে।

‘ম্যালেরিয়ায় কোভিডের চ্যালেঞ্জ’ শিরোনামে কালের কণ্ঠ এক গোলটেবিল বৈঠকে উঠে আসে এসব বিষয়। ব্রাকের সহযোগিতায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইডাব্লিউএমজি মিলনায়তনে বক্তারা, ম্যালেরিয়াকে কিভাবে নির্মূল করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করেন।  

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


ম্যালেরিয়ার টেস্ট বাড়ানোর পরামর্শ দেন বক্তারা। আন্ত:মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার নির্মূলের বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার কথাও বলেন তারা।

এক যুগ ব্যবধানে ২০০৮ থেকে ২০২০ এ ম্যালেরিয়া রোগী কমেছে ৯৩ শতাংশ। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর