ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ আজ

অনলাইন ডেস্ক

 ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ আজ

মহামারী করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিতে সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। এ সময় ব্যাংকের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলবে। তবে আজ লেনদেনসহ ব্যাংকের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত ২৮ জুলাই জারি করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ ও ৪ আগস্ট রোববার ও বুধবার সকল ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

আগামী ২, ৩ ও ৫ আগস্ট ব্যাংক লেনদেন সকাল ১০টা হতে দুপুর ২.৩০টা পর্যন্ত চলবে।

তাছাড়া গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে জারি করা নির্দেশনার অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে।

ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে পরিপালনপূর্বক সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসমূহসহ ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে।

বিধি-নিষেধ চলাকালে গ্রাহকদের হিসাবে নগদ/চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা/অনুদান বিতরণ, একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকের সকল গ্রাহকের এবং ওই সুবিধা বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান এবং জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত ব্যাংকিং সেবা চালু রাখতে হবে।

বিধি নিষেধ চলাকালে ব্যাংকগুলোকে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। একই সঙ্গে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

আরও পড়ুন


এবার পর্নোগ্রাফি শুটিংয়ের অভিযোগে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার

সাকিবের সামনে রেকর্ড গড়ার হাতছানি, যেখানে তিনিই হবেন প্রথম

চিত্রনায়িকা একার বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় দুই মামলা

বরিশাল শেবাচিমে আরও ১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার কমেছে


সমুদ্র/স্থল/বিমান বন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা/উপ-শাখা/বুথসমূহ সার্বক্ষণিক খোলা রাখার বিষয়ে আগের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর/কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনাক্রমে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিতপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বিধি-নিষেধ চলাকালে যে সকল শাখা বন্ধ থাকবে সে সকল শাখার গ্রাহক সেবা কার্যক্রম খোলা রাখা শাখার মাধ্যমে সম্পাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বন্ধ করা শাখার গ্রাহকগণের গ্রাহক সেবা প্রাপ্তি বিষয়ে অবহিত করতে ওই শাখার দৃশ্যমান স্থানে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে।

বিধি-নিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা/কর্মচারিদের অফিসে যাতায়াতের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে চলাচলের সময় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

প্রবাসীদের বন্ডের মুনাফাও কমলো

অনলাইন ডেস্ক


প্রবাসীদের বন্ডের মুনাফাও কমলো

জাতীয় সঞ্চয়পত্রের স্কিমগুলোর মুনাফার হার কমানোর পর প্রবাসীদের বন্ডের মুনাফার হারও কমিয়েছে সরকার। এর ফলে দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশিরা ডলারে যেসব বিনিয়োগ করেন, তাদেরও মুনাফা কমবে। তবে নতুন করে বিনিয়োগ করা বন্ড থেকে শুধু মুনাফা কমবে। আগের কেনা বন্ডে মেয়াদ পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত আগের মুনাফা দেওয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ আজ এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে সঞ্চয়পত্রের পাশাপাশি প্রবাসীদের বিভিন্ন বন্ডের মুনাফার হার কমানো হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা ডলারে তিনটি ক্যাটাগরির বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এগুলো হলো:- ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড। এসব বন্ড বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস, দেশি ব্যাংকের বিদেশি শাখা ও বাংলাদেশ ব্যাংকে শাখায় পাওয়া যায়। এসব বন্ডের বিপরীতে দেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারেন প্রবাসীরা। বিনিয়োগ করা অর্থ চাইলে আবার বিদেশেও ফেরত নেওয়া যায়। এসব বন্ডে বিনিয়োগ করে সিআইপি সুবিধার পাশাপাশি আয়ে করমুক্ত সুবিধাও পাওয়া যায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেসব প্রবাসী নতুন করে বন্ড কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। আগের কেনা প্রবাসী বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত আগের হারে মুনাফা পাবেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ডে মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যায় ১২ শতাংশ। এখন থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ শতাংশ। আর ৫০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার হবে ৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন:


টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার


ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড তিন বছর মেয়াদী। এই বন্ডে বিনিয়োগে মুনাফার হার পরিবর্তন করা হয়নি। বর্তমানে এই বন্ডে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার সাড়ে ৭ শতাংশ। তিন বছর মেয়াদী ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডেরও মুনাফার হার পরিবর্তন করা হয়নি। মেয়াদ শেষে এ বন্ডের মুনাফার হার ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের টাকার মান যেভাবে বেড়েছে, তার বিপরীতে দর হারিয়েছে পাকিস্তানের রুপি। গত দশ বছরে টাকার মান পাকিস্তানি রুপির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) কারেন্সি এক্সচেঞ্জের এক সাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে,বাংলাদেশের ১০০ টাকার জন্য এখন ১৯৮ পাকিস্তানি রুপি খরচ হচ্ছে। 

অথচ স্বাধীনতার পরপর চিত্রটা ছিল উল্টো। তখন পাকিস্তানের ১০০ রুপির মান ছিল বাংলাদেশের ১৬৫ টাকা।

এক্স ই নামের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমানে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৭ আর পাকিস্তানের ৪ দশমিক ১ শতাংশ। বর্তমানে ১ ডলার কিনতে পাকিস্তানের স্থানীয় মুদ্রা ১৬৯ রুপি লাগছে।
 
সেখানে ১ ডলার কিনতে বাংলাদেশে লাগছে মাত্র ৮৫ থেকে সাড়ে ৮৫ টাকার মতো। ২০১১ সালের নভেম্বরেও পাকিস্তানি ৮৬-৮৭ রুপিতে মিলতো ১ মার্কিন ডলার। আর ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৯৮ থেকে ১০৭ রুপিতে পাওয়া যেতো এক ডলার।

আরও পড়ুন:


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


অন্যদিকে, ২০১১ সালের অক্টোবরে ৭৫ টাকায় পাওয়া যেতো ১ মার্কিন ডলার। যা ২০১২ সালে ৮৪ টাকা ছাড়ালেও পরের ৪ বছর ডলারের দাম ৭৭ থেকে ৭৯ টাকার মধ্যেই ছিল।

২০১৭ থেকে এখন পর্যন্ত ডলারের দাম ৮০ থেকে ৮৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে। সার্বিক বিচারে বাংলাদেশের টাকার মান বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে শক্ত অবস্থানেই আছে। এবং প্রায় এক দশক ধরে অনেকটাই স্থিতিশীলতা ধরে রেখেছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

১৯ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভোক্তাদের অভিযোগ ১৩ হাজারের বেশি

রিশাদ হাসান

২০২০-২১ অর্থ বছরে দেশের ১৯টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভোক্তাদের অভিযোগ ১৩ হাজারের বেশি। এছাড়াও শেষ দুই মাসে অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে আরও ৬ হাজার। 

প্রতিষ্ঠানগুলোর চমকপ্রদ অফারে প্রলুব্ধ হওয়ার কারনেই এই দশা বলছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। তাই এধরনের অফারে ক্রেতাদের লোভে না পড়ার পরামর্শ দিচ্ছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। 

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এখানে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নামে অভিযোগ দিতে এসেছেন দুই ব্যক্তি। অধিদপ্তরের তথ্যমতে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত দেশের মোট ১৯টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভোক্তাদের অভিযোগ ১৩ হাজার ৩১৭টি। এরচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো সবশেষ দুই মাসে অভিযোগ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৩০৪টি। 

সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ইভ্যালির ৭ হাজার ১৩৮টি। ই-অরেঞ্জের নামে শুরুতে মাত্র ১০টি অভিযোগ থাকলেও মাত্র ৭ দিনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৪৩টিতে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অফারের নামে গ্রাহকের সাথে প্রতারণা দেশের ই-কমার্স ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আকর্ষণীয় অফারে প্রলুব্ধ না হয়ে প্রতিষ্ঠান বুঝে পন্য ক্রয়ের পরামর্শ দিচ্ছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

তিনি জানান, এই মুহূর্তে দুটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রধান আইনের আওতায় থাকায় ভোক্তাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে পারছে না ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়

সুলতান আহমেদ

স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা, প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়। দিনরাত খেটেও মুখে হাসি ফিরেছে শ্রমজীবী মানুষের। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারীতে যারা চাকরি হারিয়েছে তাদের কাজে ফেরানো আর নতুনদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ব্যবসায়ীরা এজন্য তাকিয়ে আছেন বাড়তি ব্যাংক ঋনের দিকে। পুরান ঢাকার নবাবপুর রোড… দীর্ঘ যানজট লেগেই রয়েছে। তবে এত যানজটের পরও জনমনে অস্বত্বি নেই। 

মহামারী করোনা আর টানা লকডাউন থেকে ফিরে যানজট দেখেও যেন ভালো লাগে খেটে খাওয়া মানুষের। লকডাউনে কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় সব শ্রমিককেই চলতে হয়েছে ধারদেনা করে। সেই ঋণ শোধ করতে সকাল থেকে রাত অবধি পরিশ্রমের কমতি নেই শ্রমিকদের। বলছেন, লকডাউনের দিনে আর ফিরতে চায় না তারা। 

ব্যস্ততার কমতি নেই ব্যবসায়ীদেরও। পুরো দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তবে এই সময়ে প্রধান বাধার নাম, পুঁজির অভাব। 

এদিকে লকডাউনের প্রভাব থেকে আগেই মুক্ত হয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। আগস্ট শেষে মোট রপ্তানি হয়েছে ৩৩৮ কোটি ডলার। যা তার আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। 

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দেওয়ায় ৭ বছরের 

নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মারপিট (ভিডিও)

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে


অর্থনীতির এই স্বাভাবিক যাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান তৈরি করা। এজন্য ব্যবসায়ীদের চাওয়া বাড়তি ব্যাংক লোন। তবে সেই ঋণ যাচাই বাছাই করে সঠিক জায়গায় দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। 

এছাড়া বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়ায় যাতে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেই দিকে নজর দেয়ার পরামর্শও বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’

‘নগদ’থেকে তিন গুণ আয় পেল ডাক বিভাগ

অনলাইন ডেস্ক

‘নগদ’থেকে তিন গুণ আয় পেল ডাক বিভাগ

ডাক বিভাগের সেবাগুলোর মধ্যে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-ই সবচেয়ে সফল। সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের অংশ হয়ে ওঠা ‘নগদ’ ২০২০-২১ অর্থ বছরে তাদের আয় থেকে ডাক বিভাগের অংশ হিসেবে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৭৭ টাকার রাজস্ব বুঝিয়ে দিয়েছে।

চুক্তি অনুসারে, ‘নগদ’-এর সেবা থেকে মোট আয়ের ৫১ শতাংশ ডাক বিভাগের প্রাপ্য। বাকি ৪৯ শতাংশ পায় ‘নগদ’ লিমিটেড। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থ বছর ‘নগদ’ থেকে ডাক বিভাগ ১ কোটি ১২ লাখ টাকা আয় পেয়েছিল। শেষ হওয়া অর্থ বছরে যা বৃদ্ধি পেয়ে তিন গুণ হয়।

সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে ‘নগদ’ কর্তৃপক্ষ ডাক বিভাগের প্রাপ্য অংশের চেক হস্তান্তর করে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. আফজাল হোসেন ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলমের হাত থেকে চেকটি গ্রহণ করেন। এ সময় ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিনসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চেক গ্রহণের পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আফজাল হোসেন বলেন, ডাক বিভাগ ও থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড ২০১৭ সালে চুক্তির মাধ্যমে ‘নগদ’ সেবা চালু করে। সময়ের পরিক্রমায় নানা চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে ‘নগদ’ এখন ভালো একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সচিব মো. আফজাল হোসেন বলেন, দেশে যতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা রয়েছে, তার মধ্যে ‘নগদ’ একটি শক্ত জায়গা করে নিয়েছে। ‘নগদ’-এর গ্রাহক ও আয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ‘নগদ’-এর লেনদেন শুরু করেন। ‘নগদ’-এ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মালিকানা রয়েছে, এটা সর্বজন স্বীকৃত। 

আরও পড়ুন


আশ্রয়ণ প্রকল্প: এটা তো দুর্নীতির জন্য হয়নি, এটা কারা করলো?

আগের স্ত্রীকে তালাক না দিয়েই মাহিকে বিয়ে করেছে রাকিব

আমরা কখনো জানতামও না যে এই সম্পদ আমাদেরই ছিলো

নাশকতার মামলায় নওগাঁর পৌর মেয়র সনিসহ বিএনপির ৩ নেতা কারাগারে


 

এ সময় ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম বলেন, শুরু থেকে ‘নগদ’ ডাক বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। শেষ হওয়া বছরে ডাক বিভাগ যে আয় পেয়েছে তা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। আগামী দিনে দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে ‘নগদ’ ডাক বিভাগকে আরো বেশি রাজস্ব দিতে পারবে বলে আশা করেন তিনি।

ডাক বিভাগের সেবা হিসেবে বাজারে আসার মাত্র আড়াই বছরে দেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবার বাজারে বড় রকমের পরিবর্তন ঘটিয়েছে ‘নগদ’। ফলে সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা উপভোগ করতে পারছে দেশের সাধারণ মানুষ। যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো সময় যেকোনো মোবাইলে *১৬৭# ডায়াল করে কয়েক সেকেন্ডে খুলতে পারছে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর