ইমাম সঙ্গে গৃহবধূর অবৈধ সম্পর্ক, রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী

অনলাইন ডেস্ক

ইমাম সঙ্গে গৃহবধূর অবৈধ সম্পর্ক, রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভবানীপুর (ভাটোপাড়া) গ্রামে এলাকাবাসী এক ইমাম (২৮) ও গৃহবধূকে আটক করেছে। তাদের দাবি, ইমামকে ওই গৃহবধূর সঙ্গে গভীর রাতে পাওয়া যায়। গত রোববার দিবাগত রাত একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আটক যুবক ওই গ্রামের মসজিদের ইমাম ও নারী মসজিদের পাশের এক আনসার সদস্যের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।

গ্রামবাসীর দুজনকে সারা রাত সড়কের পাশে বিদ্যুতের খুঁটিতে দড়ি দিয়ে একসঙ্গে বেঁধে রাখে। এ নিয়ে গ্রামের কিছু সচেতন মানুষ প্রতিবাদ করলে সকালে তাদের বাঁধন খুলে দেওয়া হয়। তবে দুজনকেই এলাকাবাসী তাদের হেফাজতে আটক রাখে। পরে পুলিশ এসে থানায় নিয়ে যায়। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবিবাহিত ইমামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা গ্রামে। সে ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার একাধিক মসজিদে ইমামতি করেছে। 

এর আগে সে ফরিদপুর উপজেলার বিএলবাড়ি গ্রামের একটি মসজিদে থাকার সময় একই অভিযোগে চাকরি হারায়। পরে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে এসে যোগদান করে। এরপর সে মসজিদের পাশের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে। ওই গৃহবধূর স্বামী একজন আনসার সদস্য ও ঢাকায় চাকরি করে।

এমতাবস্থায় ওই ইমাম রোববার রাতে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করলে একজন প্রতিবেশী টের পায়। তখন ওই ব্যক্তি পাড়ার অন্য মানুষকে ডেকে গৃহবধূর বাড়িতে প্রবেশ করে তাদের দুজনকে আটক করে সড়কের পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। 

সকালে সেখানে গ্রামবাসী জড়ো হলে অনেকেই ওই গৃহবধূকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার প্রতিবাদ করে। এতে তাদের দড়ির বাঁধন খুলে দিয়ে গৃহবধূকে এক বাড়িতে এবং ইমামকে মসজিদের ওজুখানায় আটকে রাখা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভবানীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আবদুল মাজেদ বলেন, এলাকার মানুষ অবৈধ মেলামেশার সময় মসজিদের ইমাম ও এক গৃহবধূকে আটক করে বেঁধে রেখেছিল। পরে আমিসহ গ্রামপ্রধানরা ঘটনাস্থলে এসে তাদের বাঁধন ছেড়ে দিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখি। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। এখন চেয়ারম্যান ও পুলিশ এসে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ঘটনাটি শুনে একজন অফিসার পাঠানো হয়েছে। অফিসার ফিরলে এর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।

আরও পড়ুন:


বাড়ানো হয়েছে লঞ্চ চলাচলের সময়

এবার পর্নোগ্রাফি শুটিংয়ের অভিযোগে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার

সাকিবের সামনে রেকর্ড গড়ার হাতছানি, যেখানে তিনিই হবেন প্রথম

চিত্রনায়িকা একার বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় দুই মামলা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ডেমরায় হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো যুবকের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেমরায় হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো যুবকের মরদেহ

রাজধানীর ডেমরার আমুলিয়ায় হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির বর্ণনা দিল ২ ছাত্রী

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির বর্ণনা দিল ২ ছাত্রী

ঝিনাইদহের মহেশপুরে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণির দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার নেপা ইউপির ছলেমানপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি একই উপজেলার ছলেমানপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আনসার আলী বিশ্বাসের ছেলে ও ছলেমানপুর কওমি দারুল উলম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক।

স্থানীয়রা জানান, ওই শিক্ষক বিবাহিত, তার একটি ছেলে সন্তান ও রয়েছে। ঘটনা জানাজানির পর থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা হাসানুজ্জামান পলাতক।

ভুক্তভোগী দুই ছাত্রীরই বয়স ১০ বছর।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী বলেন, ১৫ দিন আগে হাসান স্যার আমাকে স্যারের বাড়ি থেকে ভাত নিয়ে আসাতে বলে। স্যারের বাসা মাদ্রাসার সাথেই। স্যারের বাসা থেকে ভাত আনতে গেলে স্যারও আমার পেছন পেছন বাড়ি যায়। আমি দেখি স্যারের বাসায় কেউ নেই। তখন চলে আসতে চাইলে স্যার আমাকে হাত ধরে কাছে টেনে নেয়। এরপর আমাকে জড়িয়ে ধরে খাটে নিয়ে শরীরের উপরে ওঠে। পরে আমি কান্না করলে আমাকে ছেড়ে দেয় ও বলে এই কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলব। আমি ভয়ে কাউকে বলিনি। একইভাবে এমন ঘটনার বর্ণনা দেয় আরেক ছাত্রী। মরিয়ম ঘটনাটি তার পরিবারকে জানায়।

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


এই ব্যাপারে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাসানুজ্জামানের বাড়িতে যোগাযোগ তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার ফোন নাম্বারটিও পরিবারের কেউ দেয়নি।

ঘটনাটি সম্পর্কে ভুক্তভোগী দুই ছাত্রীর অবিভাবক জানান, আমরা এর বিচার এবং লম্পট শিক্ষক হাসানুজ্জামানের শাস্তি চাই।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

অ্যাম্বুলেন্সে ৩১ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ২

মাসুদা লাবনী

অ্যাম্বুলেন্সে ৩১ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ২

রোগী পরিবহনের নামে অ্যাম্বুলেন্সে গাঁজা পাচারকালে দুই কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

আজ রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৩১ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মায়ের কাছে না নিয়ে তরুণীকে নেওয়া হয় রাবারবাগানে!

অনলাইন ডেস্ক

মায়ের কাছে না নিয়ে তরুণীকে নেওয়া হয় রাবারবাগানে!

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন সেই পোশাককর্মী। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন ধর্ষণে জড়িত ও একজন সহযোগিতাকারী।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূজপুর থানার দাঁতমারা ইউনিয়নে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে সূত্রের বরাত দিয়ে জানান ফটিকছড়ি থানার দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ গোলাম আফছার।

তিনি বলেন, ভিকটিম চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এরমধ্যে তিনজন ধর্ষণে জড়িত ও একজন ধর্ষণে সহযোগিতা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওই তরুণীকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই পোশাককর্মীর বাড়ি খাগড়াছড়িতে। তিনি ফটিকছড়িতে বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে স্থানীয় মো. আরিফ হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


পরে আরিফ হোসেন তরুণীকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যাবে বলে সোমবার পূর্ব সোনাই ভাওন্তির পাশে রাবারবাগানের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে আরিফ হোসেনসহ তার তিন বন্ধু মিলে ওই তরুণীকে দলবেধে ধর্ষণ করে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শিশুকন্যাকে সূচ ফুটিয়ে হত্যা! মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

শিশুকন্যাকে সূচ ফুটিয়ে হত্যা! মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ

ভারতের পুরুলিয়ায় সাড়ে ৩ বছরের শিশুর শরীরে সূচ ঢুকিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছিল মা এবং তাঁর প্রেমিক। সেই ঘটনার ৪ বছর পর ফাঁসি হল দুই অভিযুক্ত মঙ্গলা গোস্বামী এবং তাঁর প্রেমিক সনাতন ঠাকুরের। পুরুলিয়া জেলা আদালত আজ মঙ্গলবার দুই অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। প্রায় সাড়ে ৪ বছর ধরে চলেছে এই মামলার বিচারকার্য।

সোমবার এই মামলায় মঙ্গলা গোস্বামী এবং সনাতন ঠাকুরকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। কিন্তু সেই দিন রায় স্থগিত রাখা হয়। এই নৃশংস এবং বিরল অপরাধের জন্য ফাঁসির দাবি করে সরকারি আইনজীবী। সেই দাবিই কার্যকর করেআদালত।

২০১৭ সালে ওই শিশুর মৃত্যু হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। চিকিত্‍সা চলাকালীন সেই শিশুর এক্সরে রিপোর্ট দেখে হতবাক হয়ে যায় পুলিশ-সহ চিকিত্‍সকদের। দেখা যায় খুদের নিম্নাঙ্গ-সহ শরীরের একাধিক জায়গায় সূচ ফুটে রয়েছে । কীভাবে সেই সূচ শিশুকন্যার শরীরে ঢুকল তার সদুত্তর দিতে পারেনি মা। এতেই সন্দেহ হয় পুলিশের। জেরায় মঙ্গলা জানায়, তিনি সনাতনের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। সেই সনাতন তাঁর সন্তানের উপর অত্যাচার করেছে। এরপর সনাতনকে গ্রেফতার করে জেরা করতেই রহস্য ফাঁস হয়।


আরও পড়ুন

পুলিশের পোশাকে টিকটক ভিডিও শেয়ারে নিষেধাজ্ঞা

সুদানে ষড়যন্ত্রকারীদের শনাক্ত করা হয়নি

বঙ্গবন্ধুর নামে জাতিসংঘের বাগানে বেঞ্চ উৎসর্গ


জানা যায়, ওই শিশুর মা-ই এই নৃশংসতার নেপথ্যে। নিজের প্রেমিকের সঙ্গে একযোগে পথের কাঁটা দূর করেছেন মঙ্গলা গোস্বামী। যাকে যুক্ত ছিল সনাতন ঠাকুরও। যদিও ফাঁসির সাজা শুনেও নিজেকে নিরপরাধ দাবি করে মঙ্গলা। তবে নীরব ছিল সনাতন।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর