মোংলায় মেয়েকে ধর্ষণ করে কারাগারে বাবা

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট

মোংলায় মেয়েকে ধর্ষণ করে কারাগারে বাবা

 

 

 

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করেছে বাবা। এ ঘটনায় ধর্ষিতা মেয়ে রবিবার রাতে মামলা দায়েরের পর পুলিশ ধর্ষক বাবা আব্দুল হক হাওলাদারকে (৭০) গ্রেফতার করেছে।

সোমবার সকালে ধর্ষক আব্দুল হককে আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠায়।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, মোংলা পৌরসভার মোর্শেদ সড়ক এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে দিনমজুরের কাজ ফাতেমা খাতুন। ফাতেমার স্বামী ও ৫ ছেলে-মেয়ে রয়েছে। মা ভারতে থাকায় তার বাবা আব্দুল হক হাওলাদার ফাতেমার সাথেই বসবাস করতো। ফাতেমার স্বামীর অনুপস্থিতিতে শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে আব্দুল হক হাওলাদার বারান্দা থেকে ঘরে ঢুকে নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন

ইরানের নাগরিকদের আফগানিস্তান ত্যাগের নির্দেশ

টোকিও অলিম্পিকে দ্রুততম মানব মার্সেল জ্যাকবস

ঢাকামুখি যাত্রীদের চাপ নেই, অলস সময় কাটাচ্ছে ফেরি

আবারও হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ


এ ঘটনায় রবিবার রাতে থানায় বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন মেয়ে। রাতেই ধর্ষক বাবাকে মোংলার সিগনাল টাওয়ার এলাকার তার আত্মীয়র বাড়ী থেকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকালে ধর্ষক আব্দুল হককে আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

৫ হাজারেরও বেশি মৃতদেহ টেনেছেন এই হাশেম আলী

পেশার কারণে বিয়ে হচ্ছে না তার মেয়ের

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

৫ হাজারেরও বেশি মৃতদেহ টেনেছেন এই হাশেম আলী

নাটোরের লালপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের হাশেম আলী (৬২) দীর্ঘ ৩৯ বছরে ৫ হাজারেরও বেশি মৃতদেহ আনা-নেওয়া করেছেন। মরদেহ বহন করার কাজে নিয়োজিত থাকায় তাঁর মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের আবু বক্কর ও মোছা শকেজানের ছেলে মো. হাশেম আলী। দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে তিনি লালপুর থানার মরদেহ নাটোর মর্গে আনা-নেওয়া করছেন। থানার মরদেহ বহন তাঁর পেশা।

তিনি গ্রামবাসীর কাছে লাশ টানা হাশেম নামেই পরিচিত। দীর্ঘ ৩৯ বছরে ৫ হাজারেরও বেশি মৃতদেহ আনা-নেওয়া করেছেন তিনি। মরদেহ বহন করার কাজে নিয়োজিত থাকায় হাশেম আলীর মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না।

সরেজমিন ওই লাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কচুয়া গ্রামে হাশেম আলী বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন। আর এ দৃশ্য দেখে লাশ টানা হাশেম আসছে বলে প্রতিবেশী শিহাবুর রহমান (১৬) দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে হাশেম আলী বলেন, লালপুর থানার মরদেহ নাটোর মর্গে আনা-নেওয়া করছি। যৌতুকের টাকায় ২০ বছর আগে ইঞ্জিনচালিত ভ্যান কিনে এ কাজ শুরু করি। মৃতদেহ টানা ছাড়াও মামলায় জড়িতদের কবর থেকে লাশ উত্তোলন ও দাফন করে থাকি। শুধু তাই নয়, ময়নাতদন্তের জন্য ডাক্তার-ডোমের সঙ্গে লাশ কাটা ও বিবরণ লিখতেও কাজ করি।

হাশেম আলী আরও বলেন, আমার তিন মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। লাশ টানার কারণে কোনো যাত্রী আমার গাড়িতে ওঠেন না। প্রায় ছয় বছর সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একঘরে হয়ে ছিলেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরাও আমার সঙ্গে থাকেনি। আমার হাতের খাবার পর্যন্ত খায়নি। শুধু এই পেশার কারণে আমার মেয়েদের কেউ বিয়ে করতে চায় না। তাই মেয়েদের নিয়ে অনেক কষ্টের মধ্যে আছি। লাশ টানার জন্য সরকারি কোনো বরাদ্দ পাই না।

মৃতের স্বজনদের কাছ থেকে সামান্য টাকা পাই। অন্য সময় মাঠে কাজ করে থাকি।

হাশেম আলীর স্ত্রী বুলু খাতুন বলেন, প্রথম দিকে লাশ টেনে বাড়ি আসার পর অস্বস্তি লাগত। বাড়ির কেউ তাঁর সঙ্গে মিশত না। এখন সয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে লালপুর থানার ওসি মো. ফজলুর রহমান বলেন, এ কাজের জন্য সরকারি কোনো বরাদ্দ নেই। মৃতদেহ বহনের জন্য কোনো টাকা তাঁকে দেওয়া হয় না। মৃত ব্যক্তির স্বজনদের কাছ থেকে ভাড়ার ব্যবস্থা করা হয়। বেওয়ারিশ লাশের ক্ষেত্রে থানা থেকে টাকা দেওয়া হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

২৬ বছর ধরে নওগাঁর নাটশাল মাঠে হচ্ছে কারাম উৎসব

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

২৬ বছর ধরে নওগাঁর নাটশাল মাঠে হচ্ছে কারাম উৎসব

নওগাঁর মহাদেবপুরের নাটশাল মাঠে মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় আদিবাসী ও আদিবাসী পরিষদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব। মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলার ৩টি স্থানে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানান নেতারা। দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে ওই মাঠে কারাম উৎসব পালন করে আসছেন তারা।

মহাদেবপুর আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলক উড়াও জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ভাদ্র মাসের শুক্লা একাদশি তিথিতে কারাম উৎসব পালিত হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে আদিবাসী মেয়েরা শালের দাঁতন কাঠি ভেঙে পুকুরে স্নান করে যেসব জমিতে ভালো ফসল হয় সেসব জমি থেকে একটু একটু করে মাটি নিয়ে বাঁশ দিয়ে বোনা ছোট ডালায় ভর্তি করে।  তারা জাওয়া গান গাইতে গাইতে ডালার চারিদিকে তিন পাক ঘোরে। এরপর তাতে তেল ও হলুদ দিয়ে মটর, মুগ, বুট ও বিভিন্ন ফসলের বিজ মাখায়। কুমারী মেয়েরা স্নান করে ভিজে কাপড়ে ছোট শাল পাতার থালায় বীজগুলো রেখে সিঁদুর ও কাজলের তিনটি দাগ টেনে দেয়। এর নাম বাগাল জাওয়া। আর ওই মেয়েদের বলা হয় জাওয়ার মা। এরপর টুপা ও ডালাতে বীজ বোনা হয়। বাগাল জাওয়া লুকিয়ে ক্ষেতের পাশে রেখে টুপা ও ডালার জাওয়া নিয়ে কুমারীরা গ্রামে ফিরে আসে। পাঁচটি ঝিঙা পাতা উল্টো করে বিছিয়ে প্রতি পাতায় একটি করে দাঁতন কাঠি রেখে বেদি তৈরি করা হয়।

তিনি আরো জানান, আদিবাসী পুরুষেরা নানান আচার পালন করে মাদল, ঢোল, করতাল ও ঝুমকির বাজনার
তালে তালে নেচে-গেয়ে কারাম গাছের ডাল কেটে এনে বেদিতে পুতে দেন।

কিশোরী মেয়েরা সূর্যোদয় থেকে উপোস থেকে রাতে ফুল, ফলে ভরা নৈবেদ্য সাজিয়ে বেদির চারপাশে বসে পূজা শুরু করে। পূজা শেষে রাতভর চলে আদিবাসী নারী-পুরুষের ঐতিহ্যবাহী নাচ গান। গানে গানে তারা উৎসবের বিষয় ও সমসাময়িক নানা বিষয় তুলে ধরেন। আর সৃষ্টিকর্তার কাছে সুখ, সমৃদ্ধি,ভালবাসা আর ভালো ফসল কামনা করেন।

বয়োবৃদ্ধ আদিবাসী নগেন কুজুর জানান, বিপদ-আপদ ও অভাব-অনটন থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে মূলত এ কারাম পূজা পালন করা হয়ে থাকে। কথিত আছে আদিবাসীদের দুই সহোদর ধর্মা ও কর্মা। ধর্মা কারাম গাছকে পূজা করতেন। কিন্তু কর্মা পূজা করতেন না। কর্মা একদিন পূজার কারাম গাছ তুলে নদীতে ফেলে দেন। এরপর তিনি নানা বিপদ-আপদ আর অভাব অনটনে পড়েন। কর্মা আবার সেই গাছ খুঁজে এনে পূজা শুরু করলে তার অভাব দূর হয়।

তিনি আরো জানান, পূজা শেষে উপোস থাকা আদিবাসী কিশোরীরা পাকান পিঠা, চিতুই পিঠা, কুশলী পিঠা প্রভৃতি
নানা খাবার নিয়ে পরস্পরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে উপোস ভাঙ্গে। শেষে নিজেদের মধ্যে সংগ্রহ করা চাল, ডালে তৈরি খিচুরি দিয়ে উপস্থিত স্বজন ও অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কুড়িয়ে পাওয়া টাকার ব্যাগ ফিরিয়ে দিলেন সাবেক বিজিবি সদস্য

অনলাইন ডেস্ক

কুড়িয়ে পাওয়া টাকার ব্যাগ ফিরিয়ে দিলেন সাবেক বিজিবি সদস্য

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য সামায়ুন কবির সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এখন ভাইরাল। কুড়িয়ে পাওয়া ১০ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। 

সামায়ুন কবির উপজেলার মধ্য তাহিরপুর গ্রামের বাসিন্দা আলী মর্তুজার বড় ছেলে।

সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য জানান, এক সপ্তাহ আগে তিনি নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে হেঁটে তাহিরপুর বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে আসার পর একটি কার্ড ও ১০ লাখ টাকার একটি ব্যাগ পথে পড়ে থাকতে দেখেন এবং তা কুড়িয়ে নেন। কিন্তু এত টাকা পেয়েও তিনিও টাকার প্রকৃত মালিককে পেতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অনেকের কাছেই তিনি নিজের ফোন নম্বর দিয়ে বলেন কেউ যদি টাকা হারিয়েছে বলে তাহলে যেন ফোন করা হয়।

সামায়ুন কবির জানান, এর ঘণ্টা খানেক পরেই টাকা হারানো যুবক ফোন দিয়ে বলেন, ‘ভাই আপনি কই’ কথাও বলতে পারছিলেন না ভালোভাবে। তখন সামায়ুন কবির জানান, ইউনিয়ন পরিষদের সামনে আসেন। তখন ওই যুবক আসলে তিনি জানান, ব্যাগে ১০ লাখ টাকা আছে যেগুলো তার বড় ভাইয়ের। পরে প্রকৃত মালিকের কাছে টাকাগুলো হস্তান্তরও করেন।

আরও পড়ুন:


টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার


সামায়ুন কবির বলেন, ‘টাকাটা তো আমার নয়। যার হারিয়েছে তার। আমি টাকাটা পেয়েছি তখন ভেবেছি টাকাগুলো যে ব্যক্তি হারিয়েছে তার অবস্থাটা না জানি কেমন। টাকাগুলো প্রকৃত মালিকের কাছে দিতে পেরে নিজের কাছেও খুব ভালো লাগছে।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

অনলাইন ডেস্ক

টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্ম নেওয়া বরিশালের আগৈলঝাড়ার সেই নবজাতক মারা গেছে।

গত শুক্রবার আগৈলঝাড়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে ও শিশুর জন্ম হয়।

পরে মেয়েটিকে বাঁচানোর চেষ্টায় প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে টাকার অভাবে নবজাতকের চিকিৎসা করাতে না পেরে নবজাতকের বাবা বাড়ি ফিরে আবার আগৈলঝাড়ার ওই ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করেন।

গতকাল সোমবার রাতে নবজাতক মারা যায়।

ওই নবজাতক উপজেলার বড়মগড়া গ্রামের দিনমজুর রমেন জয়ধর ও অপু জয়ধর (২০) দম্পতির প্রথম সন্তান।

আগৈলঝাড়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মিলন মিয়া বলেন, ‘নবজাতক শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মেছিল। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারায় ঢাকা থেকে আগৈলঝাড়ায় এনে আমাদের ক্লিনিকে গতকাল বিকেলে তাকে ভর্তি করা হয়।’

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


রমেন জয়ধরের ভাষ্য, ‘বরিশাল শের-ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক দিন চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য মেয়েটিকে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে নিতে বলেন। বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, চিকিৎসায় আট লাখ টাকা লাগবে। আমার এত টাকা নেই। তাই সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে এলাকার ক্লিনিকে ভর্তি করি। আমার মেয়ে বিনা চিকিৎসায় মারা গেল।’

প্রসঙ্গত, আগৈলঝাড়া উপজেলা সদরের ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে গত শুক্রবার রাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নবজাতকের জন্ম হয়। নবজাতকের হৃৎপিণ্ড ছিল শরীরের বাইরে গলার কাছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

১৫ দফা দাবিতে বরিশালেও পণ্যপরিবহনে ৭২ ঘণ্টার কর্মবিরতি

রাহাত খান, বরিশাল

১৫ দফা দাবিতে বরিশালেও পণ্যপরিবহনে ৭২ ঘণ্টার কর্মবিরতি

সহজ শর্তে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও সড়কে ট্রাফিকের চাঁদাবাজি বন্ধসহ ১৫ দফা দাবিতে সারা দেশের মতো বরিশালেও ৭২ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেছে পণ্যপরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়। এর ফলে আজ সকাল থেকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর বিমান বন্দর এলাকায় বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, প্রাইমুভার, মিনিট্রাক ও পিকাপ আটকে দেয় তারা। যান চলাচলে নেতৃবৃন্দের বাঁধা সৃষ্টির কারণে বিমানবন্দর মোড় এলাকায় আটকে পড়ে পণ্যবাহী শত শত যানবাহন। দাবির স্বপক্ষে সকাল সাড়ে ১১টায় ওই এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে তারা।

এ সময় জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজাদ হোসেন কালাম মোল্লা বলেন, সহজ শর্তে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, সড়কে ট্রাফিকের চাঁদাবাজি বন্ধ, পণ্যপরিবহন খাতে (ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, প্রাইমুভার-ট্রেইলার প্রভৃতি) সরকার নিবন্ধিত শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর গঠনতন্ত্র সম্মত কল্যাণ তহবিলের চাঁদা সংগ্রহের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ বন্ধসহ ১৫ দফা দাবিতে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।

জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ছালাম, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি চলবে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর