ডেঙ্গুতে প্রতিদিনই দুইশতাধিক রোগি হাসপাতালে ভর্তি

মাহমুদুল হাসান

করোনার মাঝেই রাজধানীতে দ্রুতই বেড়ে চলেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। প্রতিদিনই প্রায় দুশোর মতো ডেঙ্গু রোগী রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। যদিও বড় হাসপাতালগুলো কোভিড ডেডিকেটেড হওয়ায়, ব্যাহত হচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সুযোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার মাঝেই, ডেঙ্গু আক্রান্তের এমন উর্ধমূখী হার- চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। 

প্রতি এক বছরের ব্যবধানে ভয়াবহভাবে ফিরে আসছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখেরও বেশি মানুষ। আর সেবার মৃত্যুবরণ করেন ১৭৫ জন। এ বছরও আক্রান্তের হার উর্ধমূখী। গত সাত মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২হাজার ৩ শ জন।

বেশিরভাগ রাজধানীবাসী সচেতন নন। আবার লকডাউনে রাজধানী ছেড়ে যাওয়াদের তালাবদ্ধ অনেক বাড়িই উর্বরক্ষেত্র হয়ে উঠেছে এডিস মশার বংশ বিস্তারের। একটু বৃষ্টিতেই খোলা পাত্র আর বারান্দার টবে জমছে পানি। মশক নিধনে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে দুই সিটি কর্পোরেশন।

প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী ভর্তি হচ্ছেন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে। রাজধানীর অনেক হাসপাতালই কোভিড ডেডিকেটেড হওয়ায় রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চিকিৎসা নিতে এসে। রাজধানীর মিডফোর্ড হাসপাতালে দেখা গেল ডেঙ্গু রোগীর বাড়তি ভিড়।

 করোনার পরিস্থিতির কারণে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলসহ অনেক হাসপাতালই পুরোপুরি কোভিড হাসাপাতালে রুপান্তরিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নন কোভিড রোগীদের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। গত বার এই হাসপাতালে ১২০ সিটের ডেঙ্গু ওয়ার্ড থাকলেও এবার রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না কোভিড ডেডিকেটেড হবার কারণে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে কোন উপায়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে ডেঙ্গুকে। করোনার হার এখন ক্রমেই উর্ধমূখী এর মধ্যে ডেঙ্গুও যদি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তবে ভেঙ্গে পড়তে পারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামে করেনা ও উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু

পিয়াসা ও মৌ উচ্চবিত্তদের বাসায় ডেকে ব্ল্যাকমেইল করত : হারুন

৯৯৯ এ ফোন কলেবারান্দার কার্নিশ আটকে পড়া কিশোরী উদ্ধার

পোশাকের নেমপ্লেট খুলে চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই স্ট্যান্ড রিলিজ


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

সীমান্তে পানি বাড়লে বাড়ে অস্ত্র কারবারীদের তৎপরতা

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

সীমান্ত পেরিয়ে আসছে অস্ত্র। নদীতে পানি বাড়লে আরো বাড়ে অস্ত্র কারবারীদের তৎপরতা। এজন্য ব্যবহার করা হয় দেশের ৩০ রুট। অস্ত্র চোরাচালান রোধে বিজিবির সঙ্গে যৌথ অপারেশনের পরিকল্পনা করছে র‌্যাব। হালনাগাদ করা হচ্ছে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের তালিকা। 

দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে নানা কৌশলে অবৈধ অস্ত্র ঢোকে বাংলাদেশে। এজন্য ব্যবহার করা হয় স্থল ও জলপথের ৩০টি রুট। সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্রের কয়েকটি চালানের নাগাল পেয়েছে আইন-শৃংঙ্খলাবাহিনী। নদীতে পানি বাড়লে চক্রটি বেশি তৎপর হয়, বলছে আইন-শৃংঙ্খলাবাহিনী।

সম্প্রতি র‌্যাবের হাতে অস্ত্রের একটি বড় চালান আটক হয়েছে। র‌্যাব বলছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর হয়ে এসব অস্ত্র চলে যায় ঢাকায়।

সীমান্ত পেরিয়ে এসব অস্ত্রের চালান আসা বন্ধে বিজিবির সঙ্গে যৌথভাবে অপারেশনের পরিকল্পনা র‌্যাবের। আর পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলছেন, সীমান্তে মূল দায়িত্ব বিজিবির।

আরও পড়ুন:


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


অস্ত্রের চোরাচালান রোধে গডফাদার ও বহনকারীদের তালিকা হালনাগাদ করছে র‌্যাব। আর অস্ত্র চোরাচালানের উদ্বেগজন কোনো তথ্য নেই বলছেন রেঞ্জ ডিআইজি।

অবৈধ অস্ত্রগুলো কয়েক দফা হাত বদলে, বড় শহরগুলোতে পৌঁছায়, মাঝখানে লেনদেন হয় মোটা অঙ্কের টাকা-বলছে আইন-শৃংঙ্খলাবাহিনী।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে চলছে লক্কর ঝক্কর গণপরিবহন, নেওয়া যাচ্ছে না আইনি ব্যবস্থা

নাঈম আল জিকো

রাজধানীতে চলছে লক্কর ঝক্কর গণপরিবহন, নেওয়া যাচ্ছে না আইনি ব্যবস্থা

ফিটনেস নেই তবুও রাজপথে। চলার যোগ্য নয় তারপরেও চলছে। বলছি, রাজধানীর রাজপথ দাপিয়ে বেড়ানো লক্কর ঝক্কর গণপরিবহনের কথা। গাড়ির বেহাল দশা হলেও, ফিটনেস সনদ থাকায় এসবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না বলে জানান কর্মরত পুলিশ সদস্যরা। তবে বিআরটিএ বলছে, এমন বাস যাতে রাজপথে চলতে না পারে সেজন্য চলছে তাদের নিয়মিত অভিযান। 

প্রতিদিন রাজধানীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে হাজার হাজার মানুষ নির্ভর করেন বাসের ওপর। রাজধানীর ১৯৩ টি রুটে যাত্রী নিয়ে প্রতিদিন চলে ৫ হাজারের বেশি বাস।

রাজধানীতে চলা বাসগুলোর একটা অংশের এরকম বেহাল দশা। কোন বাসের জানালার কাঁচ ভাঙ্গা, কোনটির হেডলাইট, সিগনাল লাইট নেই। আবার কোনো বাসের সিট করছে নড়বড়, খুলে পড়ছে গাড়ির বডির বিভিন্ন অংশ। কোনোটির রং চটেছে বহু আগেই।

    

পুলিশ বলছে, রাজধানীতে ফিটনেস ছাড়া গাড়ির সংখ্যা এখন ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। এরপরও এসব বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছেন তারা। তবে ফিটনেস সনদের মেয়াদ থাকায় আইনি ব্যবস্থা নিতে খানিকটা হিমশিম খেতে হয় তাদের।

পরিবহন চালকরা জানান, গাড়ি মেরামত করে ফিটনেস সনদ নেয়া হয়। এরপর যাত্রী নেয়ার তাগিদে মাস তিনেক না যেতেই গাড়ির দশা বেহাল। 

বিআরটিএ বলছে, ফিটনেস সনদ দেয়ার পরও, প্রতিদিন রাজধানীর বিভিন্ন রুটে ৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ডাম্পিংসহ এসব গাড়ির বিরুদ্ধে নেয়া হয় আইনি ব্যবস্থা। 

রও পড়ুন:

যশ-নুসরাতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন নিখিল!

ব্রিটিশ রাজকুমারী বিট্রিস ও মোজ্জির ঘরে এল কন্যা সন্তান

রাজ্য সভাপতির পদ হারালেন দিলীপ ঘোষ

শেষ মুহুর্তের গোলে মান বাঁচালো বার্সেলোনা


বিআরটিএর তথ্য বলছে, গেল বছর শুধু রাজধানীতেই প্রাইভেট কার, বাস, ট্রাকের ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫০ টি গাড়ির ফিটনেস সনদ দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলছে ৫ হাজারের বেশি বাস। এসব গাড়ির ফিটনেস সনদ দিতে ডিজিটাল মাধ্যমসহ চোখে দেখেও দেয়া হয় সনদ। তাই দেখে নয়, ফিটনেস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়াকে অটোমেশনের আওতায় আনার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ছয় শতাংশ-ই ঘটছে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায়

আরেফিন শাকিল

দেশের মোট সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ছয় শতাংশ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় ঘটায় দ্রুত তা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন যাত্রী ও পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। যাত্রীরা বলছেন, বিশাল অংকের চাঁদাবাজিকে টিকিয়ে রাখতে অবৈধ বাহনকে টিকিয়ে রাখছে সরকারের একটি মহল। আর পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিন চাকার হাল্কা ওজনের দ্রুত গতির  অটোরিকশা যাত্রী ও সড়কের জন্য রীতিমতো মরণফাঁদ।

গেলো শুক্রবার বগুড়ায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত নিয়েছে।বগুড়ার এমন ছবি মূলত গোটা দেশেরই। যাত্রী কল্যাণ সমিতির সবশেষ হিসাব বলছে, সারাদেশের মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৬.৮৪ শতাংশই ঘটে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইকে।
এমন ভয়াবহ পরিসংখ্যানের কারণে আদালত সারাদেশে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ করেছে। অথচ ঢাকার অলি-গলি-সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়ায় বিপদজনক এই বাহন। বিশেষ টোকেনে চলে চাঁদাবাজির রমরমা বাণিজ্য। যাত্রীরা বলছেন, বিকল্প উপায় না পেয়ে অটোরিকশায় চড়তে হয় তাদের।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ শামশুল হক বলছেন, হাল্কা সরঞ্জাম দিয়ে তৈরি অটোরিকশায় গতি সংযোজন করায় তা সড়কে চলার জন্য রীতিমত মরণফাঁদ। এছাড়া গতি নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো অভিজ্ঞ চালক দ্বারা এসব বাহন পরিচালিত না হ্ওয়ায় তা যানজট আর দুর্ঘটনার বড় নিয়ামক হিসাবে কাজ করে।

এতে করে প্রতিনিয়ত মৃত্যু আর পুঙ্গত্ব তালিকায় নতুন নতুন নাম যুক্ত হয়ে জানিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব বলেছেন, এসব বাহন রাস্তায় রাখতে বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করে।

অটোরিকশা ঘিরে কোন সিন্ডিকেট নেই দাবি করে পুলিশ বলছে, বাহনটি রাস্তা থেকে সরাতে অভিযান অব্যাহত আছে।

পরবর্তী খবর

দেশীয় নামিদামী কোম্পানির ওষুধের পাশাপাশি নকল হচ্ছে বিদেশি ওষুধও

মৌ খন্দকার

দেশীয় নামিদামী কোম্পানির ওষুধের পাশাপাশি নকল হচ্ছে বিদেশি ওষুধও। মিটফোর্ডকেন্দ্রিক একাধিক চক্র নকল করে তৈরি করছে। আর কুরিয়ারের মাধ্যমে এসব নকল ঔষধ ছড়িয়ে দিচ্ছে সারা দেশে। 

শনিবার নকল ঔষধসহ ৩ জনকের গ্রেপ্তারের পর এসব জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, শরীর ব্যাথাসহ দেশি বিদেশি নানা ওষুধের সমাহার। দেখে বোঝার উপায় নেই সবই নকল। 

গত দুই মাসে ডিবি’র লালবাগ বিভাগ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে এসব নকল ঔষধ উৎপাদন-বাজারজাতকরণ চক্রের অন্তত ১৯ সদস্যকে। সবশেষ শনিবার ডিবি পুলিশ মিটফোর্ড এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। 

ডিবি বলছে, তিনজনেরই রয়েছে একাধিক গোডাউন ও ফার্মেসি। এসব গোডাউনে তারা নকল ওষুধ রেখে দেশের বিভিন্ন জেলার ফার্মেসির মালিকদের চাহিদার ভিত্তিতে অর্ডার নিয়ে বাজারজাত করে।

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দেওয়ায় ৭ বছরের 

নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মারপিট (ভিডিও)

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে


ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দাবি তারা বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করছে। তবে এরপরেও কেনো বাজারে নকল ঔষধের সরবরাহ বন্ধ করা যাচ্ছেনা তার সদুত্তর নেই তাদের কাছে।

প্রকাশ্যে যারা এসব নকল ওষুধ বিক্রি করছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

পরবর্তী খবর

এখনও শুরুই হয়নি ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ

প্লাবন রহমান

পাঁচ বছর মেয়াদী ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের তিন বছর পার হলেও-এখন পর্যন্ত শুরুই হয়নি কাজ। চীনা ব্যাংকের সঙ্গে ঋণের সুরাহা না হওয়ায় কাজ আটকে আছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক। 

তারপরও আশা করছেন সব জটিলতা শেষে আগামী মাসে শুরু হবে এই এক্সপ্রেসওয়ের নির্মানকাজ। সেক্ষেত্রে-পেছাবে প্রকল্পের সময়সীমা। 

রাজধানীর যানজট নিরসনে ২০১৭ সালে এয়ারপোর্ট থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। লক্ষ্য ছিল ২০২২ সালে শেষ হবে নির্মানকাজ। কিন্তু পাঁচ বছর মেয়াদের তিন বছর পার হলেও-নির্মানকাজই শুরু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

আর তাই এখনও এমন গ্রাফিক্স অ্যানিমেশনেই সীমাবদ্ধ এই এক্সপ্রেসওয়ে। মোট ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পে ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার কথা চীনের এক্সিম ব্যাংকের। কিন্তু সেই ঋণচুক্তির প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় আটকে আছে প্রকল্পের মূল অর্থ। 

তবে আশাব্যঞ্চক হারে এগিয়েছে জমি অধিগ্রহণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ১৬৫ একর জমির ৮০ শতাংশই অধিগ্রহণ করা শেষ। যেজন্য এরইমধ্যে ১৭০০ কোটি টাকা ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারকে দেয়া হয়েছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। দু-এক মাসের মধ্যে জমির টাকাও পেয়ে যাবেন মালিকরা।

সাভার ইপিজেড থেকে আশুলিয়া-বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত উড়ালপথে সংযুক্ত হবে ঢাকা আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে। এখান থেকেই শুরু হয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। 

সেক্ষেত্রে এই দুই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সাভার থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক পযন্ত যানজট পুরোপুরি নিরসন হবে বলেই ধারনা দিচ্ছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। সেক্ষেত্রে-অপেক্ষা করতে হবে অন্তত ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর