বিলীনের পথে রাজা লক্ষণ সেনের স্মৃতি বিজড়িত ষাঁড়বুরুজ

মো. রফিকুল আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বিলীনের পথে রাজা লক্ষণ সেনের স্মৃতি বিজড়িত ষাঁড়বুরুজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে পরিচিত। উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুরসহ আশেপাশে রয়েছে অগণিত প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন। ইতিহাসবিদদের মতে, রাজা লক্ষণ সেনের আমলে রহনপুর বাণিজ্য নগরী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এর কারণে রহনপুরেই তিনি গড়ে তোলেন সুরম্য অট্টালিকা ষাঁড়বুরুজ, যা বর্তমানে অবৈধ দখলদারদের কারণে বিলীন হতে চলেছে।

জনশ্রুতি রয়েছে, ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাত এই অট্টালিকাটির প্রকৃত নাম শাহ্বুরুজ। শাহ্ শব্দের অর্থ বাদশা আর বরুজ শব্দের অর্থ অট্টালিকা বা বালাখানা। যা পরে লোকমুখে ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাতি লাভ করে। এ অট্টালিকার অদুরে গোলাকার গুম্বুজ আকৃতির একটি ভবন আছে। এটিই রাজা লক্ষণ সেনের বৈঠকখানা ছিল এবং এখানেই তিনি তার দরবার চালাতেন বলে জানা যায়। 

এছাড়াও জনশ্রুতি রয়েছে বাংলা বিজয়ী ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী এপথে বাংলায় আগমন করেন এবং এস্থানে কিছু সময় অবস্থান করেন। ইতিহাসে পরিচিত নদীয়া এ অট্টালিকার পার্শ্বেই অবস্থিত। যা পরে নওদা নামে পরিচিত লাভ করে। লোক মুখে শোনা যায় বখতিয়ার খিলজির আগমনের সংবাদে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রাজা লক্ষণসেন এ স্থান থেকে নদী পথে পলায়ন করেন। বর্তমানে রাজা লক্ষণ সেনের ঐতিহ্য মন্ডিত অট্টালিকাটি ভেঙ্গে একটি পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এর চারপাশে বিভিন্ন বনজ গাছ লাগালেও বর্তমানে আশপাশে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি। শুধু তাই নয় অবৈধ দখলদাররা পাহাড় কেটে অট্টালিকাটির ইট ও খোঁয়া নিয়ে যাচ্ছে। এ অট্টালিকাটির ভেতর মূল্যবান মূর্তি ও বিভিন্ন সম্পদ আছে এমন ধারণা থাকায় রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা মাটি খোঁড়ার চেষ্টা করেছে এমন আলামতও পাওয়া যায়।

এলাকাবাসী জানান, রাতে এখানে মাদক সেবীদের নিয়মিত আসর বসে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের একটি অনুসন্ধানী দল এখানে এসে পরিদর্শন করে গেলেও পরে আর কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী নওদাপাড়ায় নির্মিত ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বিলীন হতে চলেছে। বর্তমানে বিলীনের পথে এই ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনটি অবৈধ দখল মুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা যেতে পারে বলে মনে করেন অনেকেই।

পরবর্তী খবর

থানায় জিডি করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

থানায় জিডি করবেন যেভাবে

জেনারেল ডায়েরি বা জিডি হল অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদবিষয়ক রেজিস্টার। ফৌজদারি কার্যবিধিতে বলা হয়েছে, পুলিশ স্টেশন হল ফৌজদারি জুরিসডিকশনের সর্বনিম্ন ইউনিট। যেখানে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণ তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া বা ঘটতে যাচ্ছে এমন সব ঘটনা সম্পর্কে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

 কিন্তু সব ঘটনার জন্য এজাহার দায়ের করা যায় না। কাউকে কোনো প্রকার হুমকি প্রদর্শন করলে এজাহার না করে তা সাধারণত থানায় রক্ষিত ‘সাধারণ ডায়েরিতে’ লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে; যাকে সংক্ষেপে জিডি বলা হয়।  

জিডি কোথায় করা হয়: কোন মূল্যবান জিনিসপত্র বা দলিল হারিয়ে গেলে, ভবিষ্যতে কারো দ্বারা কোনো ব্যক্তির জীবন বা সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে ওই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত আবেদনটি করতে হয়।

অনলাইনেও করা যায়: বর্তমানে অনলাইনেও জিডি করা যায়। এর জন্য www.police.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Citizens help request’–এ ক্লিক করতে হবে। তবে অনলাইনে, শুধু হারানো এবং প্রাপ্তি সংক্রান্ত জিডি করতে পারবেন।

মাত্র তিন ধাপে সম্পন্ন হবে ডিজিটাল জিডি। অনলাইনে জিডি সাবমিট করার পর জিডি সার্টিফিকেট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। জেনে নিতে পারবেন জিডির সর্বশেষ অবস্থা।

অনলাইনে জিডি করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং জন্ম তারিখ লাগবে। প্রথমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, মোবাইল নম্বর ও জন্ম তারিখ লিখে সাবমিট করতে হবে। আপনার পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য এসএমএস এর মাধ্যমে একটি কোড আপনার দেওয়া মোবাইল নম্বরে পাঠানো হবে। ওই কোডটি আপনি পরবর্তীতে পাসওয়ার্ড হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন এবং আপনার মোবাইল নম্বরটিই হবে আপনার ইউজার নেইম।

এরপর  দ্বিতীয় ধাপে আপনি কার জন্য জিডি করবেন তা উল্লেখ করতে হবে। নিজের জন্য নাকি অন্যের পক্ষে জিডি করবেন সেটি নির্বাচন করুন। জিডির ধরন এবং আপনি কি হারিয়েছেন অথবা খুঁজে পেয়েছেন তা নির্বাচন করুন। কোন জেলার কোন থানায় জিডি করতে চান তা নির্বাচন করুন, ঘটনার সময় ও স্থান লিখে ‘পরবর্তী ধাপ’ বাটনে ক্লিক করুন। 

তৃতীয় ধাপে 

আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং ঘটনা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত বর্ণনা লিখুন। জিডি সম্পর্কিত কোনো ডকুমেন্ট থাকলে সেগুলো সংযুক্ত করুন। আপনার ইমেইল এড্রেস লিখুন। ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করে জমা দিন। আবেদন সম্পন্ন হলে লগইন করে আপনি আপনার জিডির সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন।

আরও পড়ুন:


গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে যা জানালেন হেফাজতের নতুন আমির

‌‌‘অশান্তিতে আছি’ বলতেই পরীমনিকে যা বললেন কারা কর্মকর্তা

যে সময় দোয়া করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না


জিডি’র ফি: সরকারিভাবে জিডি করার জন্য কোনো ফি নির্ধারণ করা নেই। তাই ভুক্তভোগী বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত আকারে আবেদন করতে পারেন। কেউ জিডি লিখতে না পারলে কর্তব্যরত অফিসারের সাহায্য নিতে পারেন।

জিডি’র কপি: জিডির একটি কপিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিডি নম্বর লিখে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন এবং অফিস সীল মেরে দেন। এরপর জিডির একটি অনুলিপি ভুক্তভোগীকে সংরক্ষণের জন্য দেওয়া হয়। অন্য একটি কপি থানায় নথিভুক্ত করা হয়। এরপর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিডির বিষয়বস্তু আমলে নিয়ে ঘটনার সত্যতা ও গুরুত্ব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মাদরাসা খুলে দেওয়ার আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক

মাদরাসা খুলে দেওয়ার আহ্বান

কওমী মাদ্রাসা গুল খুলে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন দেশের প্রধান প্রধান কওমী মাদরাসাগুলোর মুহতামিমরা।

আজ এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার লকডাউন তুলে দেওয়ায় জনমানুষের মধ্য স্বস্তি ফিরে এসেছে। অসহায় গরিব মেহনতী মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছে। আমরা এজন্য সরকারের ধন্যবাদ জানাই।

তারা বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এতে করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা সরকার কাছে অনুরোধ করবো সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য। বিশেষভাবে কওমী মাদরাসাগুলো খুলে দেওয়ার জন্য আমরা আবেদন জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে বলা হয়, কওমী মাদরাসাগুলো দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। এসব মাদরাসায় কুরআন ও হাদিসের পাঠদান করা হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কওমী মাদরাসার শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা পরিবার পরিজন নিয়ে নানা সমস্যায় ভুগছেন। শিক্ষার্থীরা মাদরাসার পরিবেশ থেকে দূরে থাকায় নানারকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি এই অসহায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে মাদরাসাগুলো খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, কওমী মাদরাসাগুলো খুলে দিলে সেখানে দ্বীনি ইলমের চর্চা হবে, কুরআনের তিলাওয়াত হবে, হাদীসের দরস দেওয়া হবে, তাহাজ্জুদের আমল হবে, করোনার মহামারী থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে নিয়মিত দুয়ার আয়োজন হবে। এতে করে দেশ আল্লাহর রহমতে করোনা মহামারী থেকে মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের সকল কওমী মাদরাসা খুলে দেওয়ার জন্য আমরা সরকারের কাছে উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।

বিবৃতিদাতারা হলেন, আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ, মুহতামিম, জামিয়া ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসা চট্টগ্রাম। আল্লামা নুরুল ইসলাম, মুহতামিম, খিলগাও মাখজানুল উলুম মাদরাসা, ঢাকা। মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী, মুহতামিম পরিষদের প্রধান, দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী। মুফতী আব্দুল হালিম বোখারী, মুহতামিম, জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া। আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মুহতামিম, জামিয়া নুরিয়া কামরাঙ্গিরচর মাদরাসা। মাওলানা মুহিব্বুল্ল হক (গাছবাড়ী), মুহতামিম, কাসেমুল উলুম দরগাহ মাদরাসা, সিলেট। মাওলানা আব্দুল হক্ব, মুহতামিম, জামিয়া ফয়জুর রহমান রহ. মোমেনশাহী। মাওলানা ইয়াহয়া, দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী। মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুহিতামিম, দারুল আরকাম মাদরাসা বি-বাড়িয়া। দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুহতামিম, দাওয়াতুল হক মাদরাসা, কাপাসিয়া। মাওলানা সালাহ উদ্দীন নানুপুরী, মুহতামিম, নানুপুর মাদরাসা, চট্টগ্রাম। মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মুহতামিম মারকাজুক উলুম আল ইসলামিয়া, নারায়নগঞ্জ। মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মুহতামিম, আরজাবাদ মাদরাসা। মাওলানা মোবারকুল্লাহ, মুহতামিম, জামিয়া ইউনুছিয়া, বি-বাড়িয়া। মাওলানা সাব্বির রহমান রশীদ, মুহতামিম, কিশোরগঞ্জ জামিয়া এমদাদিয়া। মাওলানা ফয়জুল্লাহ সন্দীপী, মুহতামিম, মাদানী নগর মাদরাসা। মাওলানা আনওয়ারুল করীম, মুহতামিম, রেলস্টেশন মাদরাসা, যশোর। মাওলানা আনাস, মুহতামিম, মদীনাতুল উলূম মাদরাসা, ভোলা। মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ, মুহতামিম, দারুল উলূম মাদরাসা রামপুরা। মাওলানা মুহাম্মাদ আলী, মুহতামিম, আফতাবনগর মাদরাসা। মাওলানা মুসতাক আহমদ, মুহতামিম খুলনা দারুল উলুম।

পরবর্তী খবর

‘অ্যাওয়ারনেস ৩৬০’ এর উপদেষ্টা হলেন তিন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব

অনলাইন ডেস্ক

‘অ্যাওয়ারনেস ৩৬০’ এর উপদেষ্টা হলেন তিন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব

বৈশ্বিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান "অ্যাওয়ারনেস ৩৬০" এর উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত হয়েছেন কিংবদন্তি বাস্কেটবল রেফারি বব ডিলানি, রয়্যাল চ্যারিটি ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডের প্রধান নির্বাহী টেসি ওজো এবং জনপ্রিয় ব্রিটিশ অভিনেতা কেল স্পেলম্যান।

শমী হাসান চৌধুরী ও রিজভী আরেফিন দুই বাংলাদেশীর হাত ধরে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান "অ্যাওয়ারনেস ৩৬০"কে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এবার বিশ্বব্যাপী কাজ করতে যাচ্ছেন বিশ্বজূড়ে জনপ্রিয় এই তিন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।

সম্প্রতি এমনটিই জানানো হয়েছে 'অ্যাওয়ারনেস ৩৬০' এর এক বিবৃতিতে। হাত ধোয়া, স্যানিটেশন সচেতনতা, স্বাস্থ্য ভালো রাখাসহ বস্তিতে থাকা যেসব মানুষের কাছে সাধারণত কেউ যেতে চায় না তাদের আচার, ব্যবহার, সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে কাজ করা এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হতে পেরে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন যুক্ত হওয়া উপদেষ্টারা।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তা ও কিংবদন্তি বাস্কেটবল রেফারি বব ডিলানি এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, "অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ টিমের অংশ হওয়া দারুণ ব্যাপার। নেতৃত্ব আমার জন্য একটি সৌভাগ্যের ব্যাপার এবং এর সাথে বয়সের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা একজন আরেকজন থেকে শিখবো, জানবো। আমি কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি"।

অনুপ্রেরণীয় সিভিল সোসাইটির লিডার ও রয়্যাল চ্যারিটি ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডের প্রধান নির্বাহী টেসি ওজো উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করে জানান, "আমি অবিশ্বাস্যভাবে খুশি এবং সম্মানিত হয়েছি এই প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত হতে পেরে। আমার বিশ্বাস রয়েছে 'অ্যাওয়ারনেস ৩৬০' এর লিডারশীপ টিমের উপর। আমি বিশ্বাস করি তারা ভালো কাজ করবে। আমি শুধু এই যাত্রার অংশ হতে এসেছি। চলুন একসাথে পরিবর্তন করি"।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ম্যানচেস্টারে জন্মগ্রহণ করা জনপ্রিয় ব্রিটিশ অভিনেতা কেল স্পেলম্যানও। তিনি জানান, "আমি তেমনটি কৃতজ্ঞ যেমনটি আপনারা আমাকে পেয়ে হয়েছেন। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি আমরা একসাথে কি করতে পারি সেটা দেখার জন্য।  অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ অনেক ভালো কাজ করছে এবং আমার বিশ্বাস আমরা বিশ্বকে বদলে দেবো"।

টিভি স্ক্রিন ছাড়াও তিনি জলবায়ু পরিবর্তন ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে কাজ করা এই অভিনেতা আরো জানান, "অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ সম্পর্কে তাদের কাজই তাদের হয়ে কথা বলছে। ধন্যবাদ অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ এর সবার প্রতি। আমি বলতে পারি যে বিশ্বের একটি দারুন জায়গা এবং সব মেধাবী লোক এখানে যুক্ত রয়েছেন"।

উল্লেখ্য, দুই বাংলাদেশীর হাত ধরে গড়ে ওঠা এই বৈশ্বিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান শুরু থেকেই অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে আসছে। জাতিসংঘের এসডিজি নিয়ে বিশ্বের ২৩টি দেশে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ২৬ বছর বয়সী শমী এবং তার সহ-প্রতিষ্ঠাতা রিজভী উঠে এসেছেন মার্কিন প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ফোর্সবের ৩০ বছরের কম বয়সী এশীয় অঞ্চলের ৩০০ তরুণের তালিকায়ও! এছাড়াও পূর্বে প্রতিষ্ঠাতা শমী পুরস্কার গ্রহণ করেছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানার ভাই লর্ড স্পেন্সার থেকে। কেনসিংটন প্যালেসে প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে দেখা করার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।

২০২০ সালে ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন পাশাপাশি আছে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা থেকেও স্বীকৃতি পাওয়ার মতোও ঘটনা। অন্যদিকে সহ-প্রতিষ্ঠাতা রিজভী আরেফিন সম্প্রতি পুরস্কৃত হয়েছেন ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডে, এছাড়া টার্গেট জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি কোঅর্ডিনেটর হিসাবে যোগদান করেছেন জাতিসংঘের গ্লোবাল কমপ্যাক্টে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ইতিহাসে বিখ্যাত লোকদের ঘুম নিয়ে বিচিত্র স্বভাব

নিবিড় আমীন

শরীরের ক্লান্তি দূর করাই ঘুমের অন্যতম কাজ, এমনটা সকলেরই জানা। সাধারণত দৈনিক একজন প্রাপ্তবয়স্কের প্রয়োজন হয় আট ঘণ্টা ঘুম। তবে সভ্যতার ইতিহাসে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য লোকেরই ছিল ঘুম নিয়ে অবাক করার মতো স্বভাব। 

ইতালীয় রেনেসাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি লিওনার্দো দা ভিঞ্চির ঘুমের অভ্যাস ছিল বড়ই অদ্ভুত। একটানা কখনোই বেশিক্ষণ না ঘুমিয়ে সর্বোচ্চ দু ঘণ্টা ঘুমাতেন তিনি। তবে এমন ঘুম তার দেয়া হতো একদিনেই বেশ কয়েকবার। বলা হয়, বিচিত্র এই ঘুমের স্বভাবের কারণেই অনেক কাজ অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিলো ভিঞ্চির।

বিখ্যাত ইংরেজ কবি-নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের ২৭ সংখক চতুর্দশপদীতে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিলো, অনিদ্রায় ভুগতেন তিনি। আর তাই এই সমস্যার কথা দেখা যেত তার অনেক নাটকের সংলাপেও।

ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের ঘুমও ছিল বিচিত্র। পুরো রাত কখনোই ঘুমাতেননা তিনি। দিনের কিছু সময়, এমনকি যুদ্ধযাত্রায় ঘোড়ার পিঠে বসে ঝিমিয়ে নেয়ার অভ্যাস ছিল তার। তবে কোনো কোনো অভিযান শেষ করার পর টানা ১৮ ঘণ্টাও ঘুমিয়েছেন নেপোলিয়ন।

১৯ শতকের ইংরেজি সাহিত্যিক চার্লস ডিকেন্সের ঘুম নিয়েও রয়েছে অবাক করা তথ্য। এক সময় তার ধারণা ছিল, উত্তর দিকে মুখ করে শুলেই ঘুম আসে মানুষের। তবে কোনো পদ্ধতিতেই কাজ না হওয়ায় অনিদ্রা বেড়ে যায় তার। রাতে ঘুরে বেড়াতেন লন্ডনের পথে পথে। শুধুমাত্র সূর্যোদয়ের পরেই ঘুমাতে পারতেন তিনি।

আরও পড়ুন:


করোনায় জাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

মর্মান্তিক মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে ছবি তোলেন তিনি

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত


বিবর্তনবাদের জনক চালর্স ডারউইনের ঘুমের অভ্যাসও সুবিধের ছিলো না। বিভিন্ন অসুখে ভুগার কারণে সারাটাজীবনই অনিদ্রায় ভুগতে হয়েছে তাকে। তবে সাধারণ মানুষের চেয়ে কিছুটা বেশিই ঘুমাতেন আলবার্ট আইনস্টাইন। অসামান্য মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিতে নিয়ম করেই প্রতি রাতে ১০ ঘণ্টা ঘুমাতেন কিংবদন্তি এই বিজ্ঞানী।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‘নগদ’-এ কোরবানির পশু কেনার পেমেন্ট হবে স্বচ্ছন্দে

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘নগদ’-এ কোরবানির পশু কেনার পেমেন্ট হবে স্বচ্ছন্দে

করোনা মহামারির কঠিন সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গরুর হাটে ছোটাছুটির বদলে হাতের মুঠোয় কোরবানির সকল আয়োজন নিয়ে এসেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। দেশ সেরা অনলাইন পশুর হাটগুলো থেকে পছন্দের পশু কিনে সহজেই ‘নগদ’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা। আর এতে করে করোনার জরুরি সময়েও ঈদ-উল আজহা রাঙিয়ে দিতে পারে ‘নগদ’।

পশু কেনার পাশাপাশি হোম ডেলিভারি, মিট প্রসেসিং এবং প্রসেসিং পরবর্তী ডেলিভারির পেমেন্টও করা যাচ্ছে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে। ফলে সম্পূর্ণ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই কোরবানি করতে পারবেন যে কেউ।

এবারের কোরবানিতে ‘নগদ’ যে অনলাইন হাটের পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে কাজ করছে তাদের মধ্যে সাদিক অ্যাগ্রো, বেঙ্গল মিট, বাংলা কাট, প্রিয়শপ, মেঘডুবি এগ্রো, চেক লিস্ট, বেলওয়েথার এগ্রো এবং হাংরিনাকিসহ আরো কয়েকটি নাম উল্লেখযোগ্য।

সাদিক অ্যাগ্রোতে ‘নগদ’-এর মাধ্যমে মিট প্রসেসিং ফি পেমেন্ট করলে পেমেন্টের এই অংশের ওপর ১০ শতাংশ হারে আনলিমিটেড ডিসকাউন্ট পাবেন গ্রাহক। অন্যসব অনলাইন কোবারবানির হাটগুলোতে নানান ধরনের পশু কেনার সুযোগ থাকলেও হাংরিনাকিতে শুধু ছাগল কিনে ‘নগদ’ পেমেন্ট করতে পারছেন গ্রাহক।

অনলাইন হাটগুলোর সংশ্লিষ্ট লিংক বা ওয়েবসাইটে গিয়ে পশু পছন্দ করার পর গ্রাহকেরা বিক্রেতার নম্বরে কথা বলা বা কিছু ক্ষেত্রে ভিডিওতে পশু দেখার সুযোগও পাচ্ছেন। যাচাই বাছাইয়ের পর পশু নির্বাচন করে প্রতিষ্ঠানটির ‘নগদ’ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট করা যাবে।

আরও পড়ুন


আজ প্রকাশ করা হবে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল

পরীক্ষা না হলে যেভাবে পাস করানো হবে এসএসসি ও এইচএসসি

খুলনার চার হাসপাতালে আরও ১৯ জনের মৃত্যু

ইরানের পরমাণু সমঝোতা না ফিরতে বাইডেনের প্রতি পম্পেও’র আহ্বান


‘নগদ’-এর এই আয়োজন সম্পর্কে ‘নগদ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, “আমরা সব সময়ই গ্রাহকদের জীবনকে আরো একটু সহজ করতে কাজ করছি। তার অংশ হিসেবেই নগদ-এর গ্রাহকদের ঈদের আয়োজনকে আরো একটু গুছিয়ে দিতে আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা রয়েছে। তার অংশ হিসেবেই আমরা কোরবানির আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আশা করছি, জরুরি এই সময়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই সহজে ও নিরাপদে পছন্দের পশু কেনার সুযোগ নেবেন গ্রাহক। সে কারণেই গতবছরের মতো এবারও সেবাটি গ্রাহকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেবে বলে আশা করি।”

বর্তমানে ‘নগদ’-এর পাঁচ কোটি ২০ লাখ গ্রাহক রয়েছে যারা প্রতিদিন গড়ে ৬৫০ কোটি টাকা লেনদেন করছে। সম্প্রতি- ‘দেশি নগদে বেশি লাভ’ স্লোগান নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বাজারে চমৎকার সাড়া পেয়েছে, যেখানে মূলত ‘নগদ’ ব্যবহারে গ্রাহকের সার্বিক লাভের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর