এলাচির অদ্ভুত যত ক্ষমতা!

অনলাইন ডেস্ক

এলাচির অদ্ভুত যত ক্ষমতা!

প্রাচীনকাল থেকেই খাবারে স্বাদ বাড়াতে এলাচ ব্যবহার করা হয়।  নিজস্ব একটি সুগন্ধ যেমন আছে এই মসলার, তেমনি মানবদেহের জন্য বেশ উপকারীও এটি। বিপাক ও হজম ক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে এলাচ।এলাচির অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য এক চামচ এলাচি দারুণ কাজে লাগে।

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এলাচগুঁড়ো ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের ক্ষতিকর চর্বি কমাতে ও অস্বাস্থ্যকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ফেলতে পারে। গবেষকেরা বলছেন, যদিও ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি খুব সহজ নয়, তবে সঠিক ডায়েট প্রক্রিয়ায় এলাচি গুঁড়ো যোগ করে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলা যায়। 

আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন এলাচের সেই গুণাগুণ সম্পর্কে- 

সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয় এই এলাচ। চায়ের সঙ্গে মধু মেশানো এলাচ খেলে কমতে পারে সর্দি-কাশির উপদ্রব।

নিয়মিত এলাচ খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।
এলাচ ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এলাচের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ত্বকে ছাপ, বলিরেখা পড়তে বাধা দেয়।
মুখের দুর্গন্ধ হাত থেকে বাঁচতে মুখে রাখুন দু-তিনটে এলাচ।

আরও পড়ুন:


করোনায় আক্রান্ত কনডেম সেলের ফাঁসির আসামি

টিকা নিলে কমে মৃত্যু ঝুঁকি: আইইডিসিআর

করোনা: কুষ্টিয়ায় একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রয়োগ শুরু


 

নিয়মিত এলাচ খেলে কমতে পারে ক্যানসারের সম্ভবনা।
মুখের ঘা, মাড়ির ক্ষত ইত্যাদিতে এলাচ অব্যর্থ ওষুধের কাজ করে।

বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এলাচ বেশ উপকারী। ভরপেট খাওয়ার পর একটা এলাচ মুখে নিয়ে চিবালে পাকস্থলীর সমস্যা দূর হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কঠিন সময়েও মনকে শান্ত করার কৌশল

অনলাইন ডেস্ক

কঠিন সময়েও মনকে শান্ত করার কৌশল

ছোট ছোট কত বিষয় নিয়ে প্রতিনিয়ত সহকর্মী, সঙ্গী, এমনকি বাড়ির গৃহকর্মীটির সঙ্গেও দ্বন্দ্ব তৈরি হয় আমাদের। আর এসব চাপের মধ্যে মন হয়ে পড়ে উদ্বিগ্ন, অস্থির। তবে সমস্যা তো জীবনেরই অংশ। যে কাজে আমাদের মন বসে না সেই কাজ আর আমাদের দ্বারা হয়ে উঠে না। আর মনের বিরুদ্ধে কাজ করলে সেটা নিখুঁত ও হয় না। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যেই কাজগুলো আমাদের জীবনের জন্য খুবই জরুরী বা এই কাজ না করলে আমাদের জীবনে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে সেই কাজ গুলোতেও আমাদের মন বেঁকে বসে আর এখানেই মূল সমস্যাটা তৈরী হয়। মনকে প্রশ্রয় দিয়ে সেই কাজগুলো থেকে আমরা পালিয়ে বেড়াই। তাই আমাদের সেই মূল্যবান কাজগুলো করা হয়ে উঠে না, যার ফলে আমাদের জীবনে নেমে আসে নানা ধরনের সমস্যা। তাই আত্মনিয়ন্ত্রণ খুবউ জরুরি। তাই আপনাদের জন্য আজ রইল দ্রুত নিজেকে শান্ত করার কিছু পরামর্শ। 

আসুন জানি মনকে শান্ত করার কৌশল

জায়গাটি থেকে সরে যান
কী কারণ বা কোন অবস্থা হলে আপনি উত্তেজিত, উদ্বিগ্ন বা রাগান্বিত হয়ে পড়েন, সেটি বুঝুন। পরের বার সে ধরনের অবস্থা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন বা এ ধরনের অবস্থা তৈরি হলে জায়গাটি থেকে সরে যান। সম্ভব হলে একটু হেঁটে আসুন।

চোখ বন্ধ করুন
অস্থির লাগলে বা উত্তেজিত হয়ে পড়লে চোখ বন্ধ করুন। এতে ভারসাম্য ধরে রাখা সহজ হবে। তবে এ পদ্ধতি ব্যস্ত পথ দিয়ে হাঁটার সময় বা গাড়ি চালানোর সময় কাজে লাগাবেন না। এতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

গভীরভাবে শ্বাস নিন
গভীরভাবে শ্বাস নেওয়া মানসিক সুস্থতার জন্য জরুরি। কারণ, এতে মস্তিষ্ক ও শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে অক্সিজেন ভালোভাবে পৌঁছায়। আর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন যে জরুরি, তা তো কারো অজানা নয়। এ ছাড়া গভীরভাবে শ্বাস নিলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।  

মনে মনে এক থেকে চার গণনা করতে করতে ধীরে ধীরে দম নিন।
এবার কিছুক্ষণ দম ধরে রাখুন।
এরপর ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন।
এরপর দুবার স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন।
আবার গভীরভাবে দম নেওয়ার পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন।

গান শুনুন
সংগীত মনকে শান্ত করে। সুরের শক্তি মনের ক্ষতগুলোকে ধীরে ধীরে সারায়। তাই খুব বিরক্ত বা উদ্বিগ্ন লাগলে মন শান্ত হবে এমন সংগীত শুনুন। আর এখন তো ইউটিউবে মনকে শিথিল করার জন্য অনেক সংগীত রয়েছে। বেছে নিন এর থেকে পছন্দমতো কোনো একটি।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


বাইরে যান
এটিও মনকে শান্ত করতে কাজ করে। খুব বেশি অস্থির থাকার দিনগুলোতে চেষ্টা করুন একটু বাইরে থেকে বেরিয়ে আসতে। সেটা হতে পারে কোনো পার্কে বা ঝিলে। মানুন আর নাই মানুন, প্রকৃতির কিন্তু এক বিশাল শক্তি রয়েছে মনকে শান্ত করে দেওয়ার।

নিজের সঙ্গে সময় কাটান
কেউ কোনো কিছু ভালো করলে আমরা প্রশংসা করি, বাহবা দিই। সব সময় অন্যের থেকে প্রশংসা পেতে হবে, বাহবা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে, এমনটা নয়। আপনি নিজেই নিজের আনন্দ উদযাপন করতে পারেন। নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস থাকলে দেখবেন, মনটা শান্ত থাকবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

টিকার অভাব নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

টিকার অভাব নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি চলছে।  আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বললেন, টিকার অভাব নেই। ২১ কোটি ভ্যাকসিন কেনা হয়েছে। নভেম্বর থেকে প্রতি মাসে তিন কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে।


আরও পড়ুন:

টিকা নিতে অস্বীকার করায় কোচকে বহিষ্কার

কাতারে শুরা কাউন্সিলে ২ নারী নিয়োগ

দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে যা বললেন সাকিব

নাইজেরিয়ার বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত


আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীতে শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অন্য দেশে বসবাসরত বাঙালিরাও ভ্যাকসিন পাবেন।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর

২ কাঁচা মরিচের যতগুণ

অনলাইন ডেস্ক

২ কাঁচা মরিচের যতগুণ

ঝাল খাবার তৈরির সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান হলো মরিচ। এই মরিচ আবার নানাভাবে খাবারে ব্যবহার করা হয়। রান্নায় তো ব্যবহার হয়ই, পাশাপাশি খাবারের সঙ্গে অনেকে কাঁচা মরিচ খেয়ে থাকেন।

কাঁচা মরিচে আছে রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, আয়রন, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, থিয়ামিন, ডায়েটারি ফাইবার ইত্যাদি। এছাড়াও কাঁচা মরিচ খেলে আরও মিলবে ম্যাগনেসিয়াম, কপার, পটাসিয়াম, ভিটামিন এ, সি, কে, বি৬। আর এই সবগুলো উপাদানই আমাদের শরীরের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেয়া যাক প্রতিদিন দু’টি কাঁচা মরিচ খাওয়ার উপকারিতা-

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায়

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কাঁচা মরিচ। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে শরীরের ক্ষতিকর উপাদান বের হয়ে যায়, মেলে নানা উপকার। পাশাপাশি ক্যান্সারের সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। তাই ক্যান্সার থেকে বাঁচতে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খান।

হার্ট ভালো রাখে

হার্টের সমস্যা এখন সব বয়সীদের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। আপনি যদি দিন অন্তত দুটি করে কাঁচা মরিচ খেতে পারেন তবে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়ার ভয় অনেকটাই কমবে। কারণ কাঁচা মরিচে আছে অনেকগুলো উপকারী উপাদান। সেসব উপাদান আমাদের রক্তে থাকা খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে রাখে ট্রাইগ্লিসারাইড। ব্লাড ক্লট হতে বাধা দেয় এই কাঁচা মরিচ। তাই আশঙ্কা কমে হার্ট অ্যাটাকের।

সাইনাস দূর করে

কাঁচা মরিচ খেলে ঝাল লাগে কারণ এর ভেতরে রয়েছে ক্যাপসিসিন নামক একটি উপাদান। আর এই ক্যাপসিসিন আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকার করে থাকে। কাঁচা মরিচ খাওয়ার পরে আমাদের ব্রেনের মধ্যে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে সাইনাস ইনফেকশনের সমস্যা দ্রুত কমে। আপনি যদি সাইনাসে ভুগে থাকেন তাহলে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খান।

আরও পড়ুন


দলে পরিবর্তন, এক নজরে ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল মারা গেছেন

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, আরও দুদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা

চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাশের পাশে পড়ে থাকা চিঠিতে যা লেখা ছিল


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পর আমরা সবচেয়ে বেশি সচেতন হয়েছি এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে। কারণ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে তা আমাদের অনেক রকম অসুখের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। দিন অন্তত দু’টি করে কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। কারণ কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর ভিটামিন-সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা ক্যারোটিন। কাঁচা মরিচ আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে তোলে। ফলে রোগজীবাণু আক্রমণ করার সুযোগ পায় না। এটি আমাদের ত্বককে সুন্দর করতে সাহায্য করে।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

নিয়মিত চিনির বদলে মিছরি ওজন কমায়

অনলাইন ডেস্ক

নিয়মিত চিনির বদলে মিছরি ওজন কমায়

মিছরি মূলত চিনির অপরিশোধিত রূপ। এর স্বাদ অনেকটা চিনির মতো হলেও এটি ক্ষতিকর নয়। আখ এবং খেজুরের রস থেকে এটি তৈরি করা হয়। নিয়মিত মিছরি কিংবা মিছরি ভেজানো পানি খেলে সুস্থ থাকার প্রক্রিয়া সহজ হয়। 

মিছরি তৈরির শুরুটা হয়েছিল ভারতে, এখন বিভিন্ন দেশে মিছরি তৈরি ও ব্যবহৃত হয়। এতে চিনির তুলনায় মিষ্টি থাকে কম। আবার খেতেও সুস্বাদু। মিছরিকে ইংরেজিতে বলা হয় রক সুগার। মিছরি বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। মিছরি দেখতে সাধারণত সাদা হয়, এর পাশাপাশি বিভিন্ন রং ব্যবহার করেও একে আকর্ষণীয় করা হয়। জেনে নিন মিছরির উপকারিতা-

ওজন কমায়

ওজন বৃদ্ধি নিয়ে মুশকিলে পড়েন অনেকেই। বর্তমান সময়ে এটি পরিচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। আপনি যদি ওজন কমাতে চান তবে তা সহজ হবে যদি নিয়মিত চিনির বদলে মিছরি খেতে পারেন। মিছরি ও মৌরি গুঁড়া করে তা একসঙ্গে রেখে দেবেন এবং নিয়মিত খাবেন, এতে ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। যেসব রান্নায় চিনি ব্যবহার করতেন সেগুলোতে চিনির বদলে মিছরি ব্যবহার শুরু করুন। কারণ মিছরিতে উপকারিতা অনেক বেশি।

রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণ করে

মিছরি খেলে তা রক্তস্বল্পতার মতো অসুখ সারাতে কাজ করে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় মিছরি রাখুন। মিষ্টি স্বাদের এই উপকারী খাবার আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা উন্নত করে। সেইসঙ্গে এটি উন্নত করে রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়াকেও। তাই রক্তস্বল্পতার সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত মিছরি খেতে পারেন।

হজমে সাহায্য করে

হজম ভালো থাকলে মুক্ত থাকা যায় নানা ধরনের অসুখ থেকে। আর আপনার হজম প্রক্রিয়া সহজ করতে কাজ করবে মিছরি। মৌরি দিয়ে মিছরি খেলে তা হজম ব্যবস্থাকে উন্নত করে। মিছরিতে থাকা বিভিন্ন উপাদান হজমে সাহায্য করে। তাই হজমশক্তি ভালো রাখতে দুপুর ও রাতের খাবারের পর মিছরির সঙ্গে মৌরি মিশিয়ে খেতে পারেন।

শক্তি বৃদ্ধি করে

মিছরি হলো চিনির অপরিশোধিত রূপ সেকথা তো জেনেছেনই। তাই চিনিতে প্রচুর সুক্রোজ পাওয়া যায়, যা থাকে মিছরিতেও। এটি আমাদের শরীরে দ্রুত শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। তাই দুর্বল বোধ করলে সঙ্গেসঙ্গে মিছরি কিংবা মিছরি ভেজানো পানি খেতে পারেন। যারা শরীরচর্চা করেন তারাও নিয়মিত মিছরি খেতে পারেন।

আরও পড়ুন:

মেয়াদ-বেতন দুটোই বাড়ছে টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর

পরের দুই ম্যাচ জিতলেও মূল পর্ব অনিশ্চিত টাইগারদের

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ডেলিভারি বয় থেকে বিশ্বকাপে অঘটনের নায়ক


সর্দি-কাশি সারায়

মুখে মিছরি ও এলাচ রেখে দিলে তা সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে। আবার মিছরি, এলাচ ও বাদম দিয়ে এক ধরনের খাবারও হয়। এটি বাড়িতে তৈরি করে রাখলে তা পরবর্তীতে সর্দি-কাশি হলে কাজে লাগবে। সেজন্য সমপরিমাণ মিছরি ও বাদাম পিষে তার মধ্যে পরিমাণমতো পানি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। তার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে এলাচ। ভালোভাবে গলে গেলে এবং ‍মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। সর্দি-কাশি দেখা দিলে এটি খেলে উপকার মিলবে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

কাজের চাপে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হলে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

কাজের চাপে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হলে যা করবেন

দীর্ঘক্ষণ অফিসে বসে বসে কাজ করতে হয়? নাকি সারাদিন নানা জায়গায় ঘুরে ঘুরে বা সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়? দৈনন্দিন বাড়তে থাকা কাজের চাপের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘাড়, কোমড় আর পিঠের ব্যথা! সমস্যা যতই হোক না কেন, চট করে কাজের ধরন বদলে ফেলা কখনওই সম্ভব নয়। তবে কাজের চাপে বাড়তে থাকা ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের জীবনযাত্রায় কতগুলি পরিবর্তন আনা জরুরি। পরিবর্তন আনা জরুরি আমাদের হাঁটা-চলা বা বসার অভ্যাসেরও। আসুন জেনে নেওয়া যাক কাজের চাপ সামলে ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়...

১. যদি দীর্ঘক্ষণ আপনাকে অফিসে বসে কাজ করতে হয়, তাহলে মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিন, হাঁটাচলা করুন। চিকিৎসকেরা বলেন, দুই ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। সেইসঙ্গে শরীরের ফ্যাট ঝরানোর উৎসেচকের ক্ষরণ প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যায়। চার ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়। তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শুধু ঘাড়ে, কোমরে বা পিঠের ব্যথাই বাড়বে না, বাড়বে ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যাও।

২. অনেকে ভুল ভঙ্গিমায় বসেন বা দাঁড়ান। ফলে ঘাড় বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই বসা, দাঁড়ানো বা শোওয়ার সময় ভঙ্গি সতর্কভাবে খেয়াল রাখুন।

৩. বেড়াতে যাওয়ার সময় বা কাজে বেরোনোর আগে আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিই। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দুই কাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধ বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবেই নিতে হবে, যাতে দুই কাঁধে সমান চাপ পড়ে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


 

৪. ফ্রোজেন শোল্ডার বা স্টিফ জয়েন্টের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদি হলেই বিপদ। কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনো চোট বা আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেসের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভালো।

৫. শোওয়ার সময় বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে বা বালিশ খুব শক্ত বা খুব নরম হলে ঘাড়-পিঠে ব্যথা হতে পারে। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ আর ঘাড় না বেঁকিয়ে পিঠ মোটামুটি সোজা বা সমান্তরাল রেখে শোওয়া যায়। এসব সাধারণ কিছু উপায় মেনে চললে ঘাড়-পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সূত্র-জিনিউজ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর