সূরা আল ফালাক এর ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা আল ফালাক এর ফজিলত

হাদিসে বর্ণিত, আল ফালাক সূরাটি মহান আল্লাহ্‌র নিকট অধিক প্রিয় এবং অধিক গ্রহণযোগ্য। আল ফালাক সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। সূরাটি অধিক পরিমাণে পড়ার কথা হাদিসে বলা হয়েছে। প্রিয় নবী  (সাঃ) বলেছেন, যখই তোমরা নিদ্রা যাও এবং যখই নিদ্রা থেকে উঠ এ সূরাটি তোমরা সর্বাদা পড়বে।  

সূরা আল ফালাক এর ফজিলত:

হাদিসে বর্ণিত আছে, নবী করীম (সাঃ) জ্বিন ও মানুষের বদ নজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। যখন আল ফালাক তাঁর উপর নাযিল হয় তখন তিনি এ সূরাই অবলম্বন করলেন এবং আশ্রয় প্রার্থনা করা বন্ধ করে দেন।

অন্য এক হাদিসে আছে, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, তোমরা সূরা ফালাক পড়তে থাক। কেননা, আল্লাহ্‌র নিকট এর চেয়ে অধিক প্রিয় এবং অধিক দ্রুত গ্রহণযোগ্য আর কোন সূরা তোমরা পড়তে পারবে না। সুতরাং যথাসম্ভব তোমরা এ সূরা পড়া ছেড়ে দিও না।

আরও পড়ুন:


ঢাকায় অ্যাস্ট্রোজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু আজ

দোয়া ইউনুস পড়ার সঠিক নিয়ম

জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করেছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র

নবী করীম (সাঃ) এরশাদ করেছেন, তোমরা কি এ অতি বিস্ময়কর আয়াতগুলো দেখ নাই যা আজ রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে? তোমরা কখনও এ আয়াতগুলোর চেয়ে উত্তম আয়াত পাবে না। সেগুলো হলো সূরা ফালাকের আয়াতসমুহ।

মহান আল্লাহ মুসলিম মুমিনদের আল্লাহ'র পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

রাতের যে দোয়া আল্লাহ কবুল করেন

অনলাইন ডেস্ক

রাতের যে দোয়া আল্লাহ কবুল করেন

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ রাতে জেগে আল্লাহর কাছে দোয়া করে, আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করেন। আর যদি ওই ব্যক্তি ওজু করে এবং নামাজ আদায় করে তবে সে নামাজও কবুল করা হয়।’ (বুখারি, মিশকাত)

উচ্চারণ: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার; ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।'

বাংলা অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁর জন্যই সকল রাজত্ব ও তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা এবং তিনিই সকল কিছুর উপরে ক্ষমতাশালী। মহা পবিত্র আল্লাহ। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। নেই কোন ক্ষমতা নেই কোন শক্তি আল্লাহ ব্যতীত।

আরও পড়ুন:


প্রোগ্রামে ‘বোরকা না পরার’ নির্দেশ ঢাবি ছাত্রলীগ নেত্রীর!

রাজধানীতে ১৭ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

বিশ্বে আবারও করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে


উক্ত দোয়া পড়ার পর পরবেন... ‘রাব্বিগফিরলি’ অর্থাৎ হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

মিসর অধিপতির কাছে বিশ্বনবী (সা.)-এর চিঠি, যা লেখা ছিল!

আবরার আবদুল্লাহ

মিসর অধিপতির কাছে বিশ্বনবী (সা.)-এর চিঠি, যা লেখা ছিল!

ষষ্ঠ হিজরিতে মক্কার মুশরিকদের সঙ্গে হুদাইবিয়ার সন্ধিচুক্তি হওয়ার পর বহির্বিশ্বের সঙ্গে মদিনার ইসলামী রাষ্ট্রের যোগাযোগের সুযোগ অবারিত হয়। এ সময় নবী করিম (সা.) বেশ কয়েকজন বিদেশি রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি পাঠান। চিঠিগুলো দ্বিনের ব্যাপারে নবীজি (সা.)-এর আত্মবিশ্বাস, তাঁর কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও কল্যাণকামিতার পরিচয় মেলে।

নবী কারিম (সা.) যাদের কাছে চিঠি প্রেরণ করেন মিসরের অধিপতি ‘মুকাওকিস’ তাদের অন্যতম। মূলত আরব মিসরের অধিপতিদের ‘মুকাওকিস’ উপাধিতে সম্বোধন করত। তার প্রকৃত নাম ছিল জুরাইজ ইবনে মিনা। সে ছিল কিবতি বংশোদ্ভূত। রাসুলুল্লাহ (সা.) হাতিব ইবনে আবি বালতা (রা.)-কে তাঁর কাছে প্রেরণ করেন। তিনি যখন নবীজি (সা.)-এর চিঠি পেশ করেন মুকাওকিস পত্রবাহককে যাচাই করে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বাহকের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি চিঠি গ্রহণ করেন এবং অত্যন্ত সম্মান প্রদর্শন করেন। কিন্তু ইসলাম গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) মুকাওকিসকে ‘আজিমুল কিবত’ তথা মহান কিবতি নেতা হিসেবে সম্বোধন করেন। তিনি লেখেন—বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আল্লাহর রাসুল মুহাম্মদের পক্ষ থেকে মহান কিবতি নেতা মুকাওকিস বরাবর। হিদায়াতের অনুসারীর প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। এরপর আমি আপনাকে ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছি। ইসলাম গ্রহণ করুন, মুক্তি পাবেন। ইসলাম গ্রহণ করুন, আল্লাহ আপনাকে দ্বিগুণ প্রতিদান দেবেন। আর যদি মুখ ফিরিয়ে থাকেন, তাহলে সব প্রজার পাপরাশি আপনার ওপর নিপতিত হবে।’

মুকাওকিস ইঞ্জিলের জ্ঞান রাখতেন, যাতে নবীজি (সা.)-এর আগমনের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি নবী (সা.)-এর সত্যতার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে যান। কিন্তু রাজত্ব হারানোর ভয়ে ইসলাম গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ইসলাম গ্রহণ না করলেও মুকাওকিস রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্য একটি মূল্যবান পোশাক, একটি উন্নতজাতের খচ্চর এবং দুটি বাঁদি উপহার পাঠান।

আরও পড়ুন:


প্রোগ্রামে ‘বোরকা না পরার’ নির্দেশ ঢাবি ছাত্রলীগ নেত্রীর!

রাজধানীতে ১৭ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

বিশ্বে আবারও করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে


অন্য বর্ণনায় উল্লিখিত উপহারের সঙ্গে আরো এক হাজার মিসকাল স্বর্ণ, ২০টি মিসরীয় কাপড়, একটি গাধা, একটি ঘোড়া, একটি কাচের পাত্র, কিছু মধু ও একজন দাস প্রেরণের কথা এসেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর আচরণের উত্তরে বলেন, ‘হতভাগ্য রাজত্ব রক্ষার চিন্তা করেছে। কিন্তু তাঁর রাজত্ব টিকবে না।’ (জাদুল মাআদ, পৃষ্ঠা ৪০; মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস : ২/২২২)

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের ইতিহাস

ড. আহসান সাইয়েদ

রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের ইতিহাস

হিজরি সালের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল বিশ্ববাসীর জন্য রহমতের মাস। সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মমাস। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন নবীকূল শিরোমণি হজরত মুহাম্মদ (সা.)। যাঁর আগমন নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন—

“অভিনব নাম শুনিল রে ধরা সেদিন—‘মোহাম্মদ!’

এতদিন পরে এল ধরার ‘প্রশংসিত ও প্রেমাস্পদ।’

চাহিয়া রহিল সবিস্ময়ে ইহুদি আর ঈসাই সব,

আসিল কি ফিরে এতদিনে সেই মসীহ মহামানব?” (মরুভাস্কর)

দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। অন্য দেশের মতো বাংলাদেশের মুসলিমদের মনে এ দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ‘কারাগারের রোজনামচা’য় লিখেছেন, ‘আজ মিলাদুন্নবি। জেলখানায় কয়েদিদের ছুটি। বড় বড় কর্মচারীদেরও ছুটি। বড় সাহেবদের আগমন বার্তা নিয়ে কয়েদিরা আজ আর হৈ চৈ করছে না। কয়েকজন লোক নিয়ে আমার ফুলের বাগানের আগাছাগুলো তুলে ফেলতে শুরু করলাম। দেখলাম মিজানকে নিয়ে হাতপাতালে যেতেছে জমাদার সাহেব—মিজানের দাঁতের ব্যথা দেখাবার জন্য। আজ আমাদের দলের একজনকে দেখলাম বহুদিন পরে। এক জেলে থাকি। বেশি হলে ২০০ হাত দূরে হবে। ওদের দশ সেল, আমার দেওয়ালের মাঝে ২৪ ফিট দেওয়াল। আমার ঘরটা দেওয়াল ঘেঁষে, ওদেরটা একটু দূরে। মধ্যে গরুর ঘর আছে। তবু দেখা হওয়ার উপায় নাই। একজন আর একজনকে দূর থেকে শুভেচ্ছা জানান ছাড়া আর কিইবা করতে পারি!’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১৪৬, ২ জুলাই, ১৯৬৬, শনিবার)

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


যেখানে থাকলে মানুষের মন থাকে বিষণ্ন, আর নানা দুশ্চিন্তার জালে আবদ্ধ থাকে কল্পনাশক্তি। সেই কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় জাতির পিতার মনকে নাড়া দিয়েছে ১২ রবিউল আউয়াল। কেননা এ দিনটির মর্যাদা সম্পূর্ণ আলাদা। এই দিনেই তো জন্মগ্রহণ করেন আমাদের নবীজি (সা.)। বঙ্গবন্ধু কারাগারে থাকাকালীন মিলাদুন্নবী (সা.) সম্পর্কিত উল্লিখিত লেখা প্রমাণ করে এ দেশের মানুষ তথা বিশ্বের আপামর মুসলিম নবীজি (সা.)-এর জন্মদিনকে কতই না আনন্দ ও সম্মানের সঙ্গে প্রতিপালন করেন। মুসলমানরা দিনটিকে অশেষ পুণ্যময় ও বরকতময় দিন হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। বলতে গেলে ১২ রবিউল আউয়াল শুধু একটি দিন নয়, এ হলো এক স্বাপ্নিক ছবি, চিরমুক্তির এক আনন্দ উপাখ্যান। এই মাসটি প্রতিবছর ঈমানদারের দুয়ারে নবীজির (সা.) ভালোবাসার বারতা নিয়ে আসে। ফলে বছরের অন্য সময়ের চেয়ে এ মাসে মুমিন-হৃদয়ে নবীপ্রেমের ফলগুধারা বয়ে যায় বহু গুণে। তাই তো দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনুধাবনপূর্বক দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাব-গাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হয় এ দেশে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১২ রবিউল আউয়ালকে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ রবিউল আউয়ালকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার ঘোষণা দেন। বর্তমানে বাংলাদেশে মিলাদুন্নবী (সা.) প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য আনন্দ ও আশীর্বাদধন্য বিষয়।

লেখক : উপাচার্য, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

ভুল করে ফেললে আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়ে ক্ষমা চাইবেন... 

উচ্চারণ: রাব্বাবা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফির্লানা ওয়াতার হামনা লানা কুনান্না মিনাল খা’সিরিন।

বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ্, আমি আমার নিজের উপর জুলুম করে ফেলেছি। এখন তুমি যদি ক্ষমা ও রহম না কর, তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাব।

মহান আল্লাহ তাআ'লা মুমিনের ভুল ক্ষমা ও রহম করার তাওফিক দান করুন। আমিন।  

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া

আমাদের প্রিয়নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রিয় উম্মতেকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মহান রবের ওপর ভরসা করে বের হওয়ার জন্য সুপরামর্শ দিয়েছেন। 

দোয়াটি পড়ে বের হওয়ার পর থেকে ঘরে ফেরার আগ পর্যন্ত সে আল্লাহ তাআলার জিম্মায় থাকবে। বাহিরের জটিল ও কঠিন বিপদ-আপদ থেকে বেঁচে যাবে।


بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلىَ اللهِ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ اِلاَّ بِاللهِ

বাংলা উচ্চারণ:- বিসমিল্লাহি তাওয়াক’কালতু আলাল্লাহি ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কু’ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

ফজিলত :-

রাসূল বলেছেন যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়ে ঘর থেকে বের হবে সকল বিপদ থেকে সে নিরাপদে থাকবে ও ইবলিশ শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিজী শরীফ, খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৮০)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর