ভয়াবহ দাবানল থেকে বাঁচাতে সমুদ্র সৈকতে নেয়া হচ্ছে গবাদিপশুদের

অনলাইন ডেস্ক

ভয়াবহ দাবানল থেকে বাঁচাতে সমুদ্র সৈকতে নেয়া হচ্ছে গবাদিপশুদের

তুরস্কে ভয়াবহ দাবানল কিছুতেই থামছে না। প্রতিদিনই দাবানলের ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। দেশটিতে দাবানল বেড়ে যাওয়ায় দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকার কৃষকরা তাদের গবাদি পশুগুলোকে রক্ষার জন্য সমুদ্র উপকূলে নিয়ে গেছেন। সাধারণত এই সমুদ্র সৈকতে পর্যটকরা ভিড় করেন।

উপকূলীয় মার্মারিস শহরে দমকলকর্মীরা দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য লড়াই করছেন। এরইমধ্যে ইরান, আজারবাইজান, রাশিয়া এবং ইউক্রেন দাবানল নেভাতে সাহায্য করার জন্য দমকলকর্মী পাঠিয়েছে। এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আগুন নেভানোর জন্য দমকল বাহিনী পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন


‘ইসরাইলি জাহাজে হামলা: পরমাণু সমঝোতায় প্রভাব ফেলবে না’

টি স্পোর্টসে আজকের খেলা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা ইউনিটে একদিনে ১৭ জনের মৃত্যু

রামেকে করোনা ওয়ার্ডে ১৯ জনের মৃত্যু


তুর্কি এবং বিদেশি দমকলকর্মীরা এক সপ্তাহ ধরে দাবানল নেভানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু গ্রীষ্মের ভয়াবহ উষ্ণতা দাবানল নেভানোর কাজে অনেকটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দাবানলে এ পর্যন্ত আটজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সাতজন মানাবগাত এলাকায় এবং আরেকজন মার্মারিস শহরে মারা গেছেন। দাবানলের ঘটনায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান চাপের মুখে পড়েছেন। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মুসলিমরা

অনলাইন ডেস্ক

মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মুসলিমরা

ভারতে একটি হিন্দু মন্দির অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে সেটির প্রতিবাদে এলাকার মুসলিম বাসিন্দারা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও ধরনের সাম্প্রদায়িক অশান্তি না ছড়ায়, আদালতে সেই বিষয়েও আর্জি জানিয়েছেন মুসলিম বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঘটে দিল্লির জামিয়া নগরের নুর নগর এলাকায়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।  

এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি অবৈধভাবে মন্দির ভেঙে ফেলার চেষ্টার প্রতিবাদে এলাকার কিছু বাসিন্দা দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন জানান। 

আবেদনে বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকার কিছু অসাধু প্রোমোটার স্থানীয় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইতিমধ্যেই মন্দির চত্বরে থাকা ধর্মশালাটি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙে ফেলেছে। মন্দিরটি ভাঙার জন্য তার মধ্যে থাকা ৮-১০টি মূর্তিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে রাতারাতি। এ বার তাদের লক্ষ্য, মন্দিরটি ভেঙে ফেলে সেখানে বহুতল বা অন্য কোনও ভবন নির্মাণ করা। ফলে, মন্দিরটি যাতে কোনও ভাবেই না ভাঙা হয়, তার জন্য আদালতের হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন তারা। 

আরও পড়ুন


বিশ্বের প্রশংসাসহ সব অর্জনই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে

ফাইজারের আরও ২৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছেছে আজ

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল


এদিকে, জামিয়া নগরের বাসিন্দাদের আবেদন শুনে গত তিন দিন আগে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবের বেঞ্চ দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, 'কোনও অবৈধ প্রক্রিয়ায় মন্দির চত্বর থেকে যাতে কোনও কিছু উচ্ছেদ না করা হয়। মন্দিরটিও যেন অক্ষত অবস্থায় থাকে। এলাকায় যাতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, পুলিশকে তা দেখতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।' 

news24bd.tv রিমু    

পরবর্তী খবর

কুকুরের মাংস নিষিদ্ধ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়

অনলাইন ডেস্ক

কুকুরের মাংস নিষিদ্ধ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়

দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ কোরিয়ান খাবারের একটি বড় অংশ ছিল কুকুরের মাংস। দেশটিতে খাবার হিসেবে এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয় হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি একটি অস্বস্তিকর বিষয়। এ কারণে দেশটিতে কুকুরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার।

দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষেরা বছরে ১০ লাখ কুকুরের মাংস খায়। তবে দেশটিতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কুকুরের মাংস খাওয়ার বিষয়ে এক ধরণের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। যার বড় কারণ, অনেকেই কুকুরকে পোষা প্রাণী বা সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়। ফলে তাদের কাছে কুকুরের মাংস খাওয়া একধরণের 'ট্যাবু' হিসেবে গড়ে উঠেছে। এছাড়া পশু অধিকার কর্মীরাও এটি নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের মুখপাত্রের মতে, প্রেসিডেন্ট সোমবার একটি সাপ্তাহিক বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রী কিম বু-কিউমকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কুকরের মাংস নিষিদ্ধ করার সময় কি এখনও আসেনি?

প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন কুকুরপ্রেমী হিসেবে পরিচিত এবং রাষ্ট্রপতি প্রাঙ্গণে তার বেশ কয়েকটি কুকুর রয়েছে। যার মধ্যে বেশ কিছু কুকুর তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর উদ্ধার করেছিলেন।

দেশটিতে পশু সংরক্ষণ আইনে কুকুর-বিড়ালের ওপর নিষ্ঠুর আচরণের জন্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু দেশটিতে ভোগ করা নিষেধ করা হয়নি।

রও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


ফলে এখন কুকুরের খামার ও রেস্তোরাঁ নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করতে আইন ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রবিধানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ইউটিউবার এবং ব্লগারদের বার্ষিক আয় নিবন্ধন ও এর উপর কর বসানোর পরিকল্পনা করেছে মিশরের সরকার। বার্ষিক আয় ৫ লাখ মিশরীয় পাউন্ড বা ৩২ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি আয়ের ইউটিউবারদেরকে এই কর দিতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির কর কর্তৃপক্ষ। খবর এএফপির।

কর কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-গায়ের এএফপিকে বলেন, "কারো কর্মক্ষেত্র যাই হোক না কেন, সে যদি মিশরে ব্যবসা করে মুনাফা অর্জন করে তাকে অবশ্যই ন্যায্যভাবে কর দিতে হবে।"

নতুন করের হিসাব চলতি বছরের জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

আরেক কর কর্মকর্তা, মোহাম্মদ কেশখ জানিয়েছেন, নতুন সিদ্ধান্ত মানতে ব্যর্থ হলে কর ফাঁকি আইন লঙ্ঘনের অপরাধে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

অনলাইনে কন্টেন্ট নির্মাতাদের উপর কর ধার্যের এই পরিকল্পনা দেশটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন এই কর আরোপকে সমর্থন জানিয়েছেন।

মিশরীয় এক নাগরিক টুইটারে বলেন, "দরিদ্র সবজি বিক্রেতাকে যদি কর দিতে হয়, তাহলে আমরা ধনীদের উপরও কর আরোপ করতে পারি।" 

আরেকটি টুইটে বলা হয়, "আমি যদি ইউটিউব বা টিকটকে, কিংবা অন্য কোন সাইট থেকে ৫ লাখ পাউন্ড আয় করতাম, তাহলে কর দিতে আমার কোন সমস্যা হতো না। এ নিয়ে এতো শোরগোল করার কী আছে!"

হাসান হেইকাল নামে আরেক ব্যবহারকারী টুইট করেন, "গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে কর আরোপ করা সঠিক কেন? কারণ তারা কর না দিয়েই মিশরের ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন ও তথ্য বাবদ অনেক অর্থ উপার্জন করে।"

অপরদিকে অন্যরা দ্বিমত পোষণ করে বলেন, ইন্টারনেট ব্যক্তিত্বের উপর কর চাপানোর কোনো অধিকার মিশরীয় সরকারের নেই।

ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের দিকে ইঙ্গিত করে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে এক টুইটে বলা হয়, "সরকার যদি ইউটিউবারদের কাছ থেকে কর নিতে চায় তাহলে অন্তত আমাদের উন্নত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং সীমিত গিগাবাইট প্যাকেজগুলো বাতিল করতে হবে।"

এছাড়া আরো একজন করের কোন যৌক্তিকতা নেই দাবি করে বলেন, " ইউটিউব চ্যানেলে কর আরোপ এবং ইন্টারনেট থেকে লাভের বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর। আমি কেন এমন কিছুর জন্য কর দেব যেখানে রাষ্ট্র সে ব্যাপারে কোন পৃষ্ঠপোষকতা করে না? হঠাৎ যদি আমার ইউটিউব চ্যানেলটি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে আমাকে কে সাহায্য করবে? এমন অনেক লোক আছে যারা লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করে, সরকার তাদের কাছ থেকে কর নিক। কিন্তু এই চ্যানেলের কোন জমি নেই, জায়গা নেই, এমনকি এটি রাষ্ট্রের কোন ভূমিও দখল করছে না।"

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ভিডিও-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের উপর কর আরোপ করেছে। যা প্রকারান্তরে ইউটিউবারদের কাছ থেকেই নেয়া হয়। কেউ কেউ এদিকে ইঙ্গিত করে মিশরের কর আরোপের কোন যৌক্তিকতা নেই বলে দাবি করেছেন। 

আহমেদ আবদেল ফাতাহ নামে এক ব্যবহারকারী বলেন, "এই বিষয়টি একটি আইনি সমস্যা তৈরি করবে কেননা ইউটিউব ইতিমধ্যেই ইউটিউবারদের কাছ থেকে কর নিয়েছে। তাহলে তারা কেন আলাদা করে মিশরের জন্য কর দেবে?"

রও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা

অনেকে আবার করের অর্থ যেন জনগণের উপকারে ব্যবহার করা হয় সেদিকে দৃষ্টিপাত করেছেন। তারা বলেন, "যদি সরকার ইউটিউবার এবং ইন্টারনেট ব্যক্তিত্বদের উপর কর আরোপ করে, তাহলে ইন্টারনেটের মান উন্নত করা তাদের ন্যূনতম কর্তব্য।"

উল্লেখ্য, মিশরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কোন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ৫ হাজারের বেশি অনুসারী থাকলে দেশটির আইন সেটি পর্যবেক্ষণে রাখার অনুমতি দেয়। সাইবার অপরাধ আইন ব্যবহার করে দেশটির কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে অনলাইনে 'অনুপযুক্ত' কনটেন্ট নির্মাণের দায়ে অনেককেই জেল ও জরিমানার শাস্তি দিয়েছে।

সূত্র: দ্য স্টার, মিডল ইষ্ট আই

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

গতকাল সোমবার ফ্রান্সের লিও শহরে এক খাবার অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া  হয়েছে। ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ টুইটারে প্রকাশ করেছে লিও ম্যাগ। এতে দেখা যায় ভিড়ের মধ্যে প্রেসিডেন্টের ঘাড়ের ওপর কিছু একটা পড়লে তটস্থ হয়ে ওঠে সকলে। পরে ভিড়ের মধ্যে এক ব্যক্তিকে আটক করতে দেখা যায়। ঘটনার উদ্দেশ্য এখনও জানা যায় নি।

জানা যায়, ছুঁড়ে মারা ডিমটি ম্যাক্রোঁর কাঁধে আঘাত করলেও তা ফেটে যায়নি।   

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

আইএইএ মহাপরিচালকের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য, প্রতিবাদ ইরানের

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


 

এদিকে, ডিম নিক্ষেপের পর পরই ম্যাক্রোঁ বলেন, যদি আমাকে তার কিছু বলার থাকে, তাহলে তাকে আসতে দিন। পরে কোনও সময়ে তিনি ওই ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করবেন বলেও এসময় জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। 

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থাকার সময়ে ২০১৭ সালেও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া হয়েছিল। এর আগে চলতি বছরের জুনে দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকাতে এক ব্যক্তি তার গালে চড় মারে। বারবার এমন ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে ম্যাক্রোঁ প্রশাসন। 

সূত্র: রয়টার্স 

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

আইএইএ মহাপরিচালকের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য, প্রতিবাদ ইরানের

অনলাইন ডেস্ক

আইএইএ মহাপরিচালকের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য, প্রতিবাদ ইরানের

বেহরুজ কামালবান্দি

ইরানের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ’র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি যে ভুল তথ্য প্রকাশ করেছেন সে সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার মুখপাত্র বেহরুজ কামালবান্দি বলেছেন, আইএইএ যেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইরানকে নিয়ে সৃষ্ট গঠনমূলক পরিবেশ নষ্ট করে না দেয়।

গ্রোসির প্রতিবেদনের অসঙ্গতি তুলে ধরে ইরান আইএইএ’কে প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছে বলে জানান কামালবান্দি। তিনি বলেন, রাফায়েল গ্রোসি ও তার সহকর্মীরা খুব ভালো করে জানেন যে, গত জুন মাসে ইরানের কারাজ পরমাণু স্থাপনায় নাশকতামূলক তৎপরতা চালানোর পর সেখানে বর্তমানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কাজ চলছে। এ অবস্থায় সেখানে আইএইএ’র পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা স্থাপন সম্ভব নয়। এ বিষয়টি ভিয়েনায় আইএইএ’র সাম্প্রতিক সম্মেলনের সময় এবং গ্রোসির তেহরান সফরকালে সংস্থাটিকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি রাফায়েল গ্রোসি এক প্রতিবেদনে দাবি করেছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ দেশটির কারাজ পরমাণু স্থাপনায় তার সংস্থাকে পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা স্থাপন করতে দেয়নি এবং ওই স্থাপনায় সেন্ট্রিফিউজের পার্টস উৎপাদনের কাজ আবার শুরু হয়েছে কিনা সে সম্পর্কেও আইএইএ’কে কোনো তথ্য জানায়নি।

আরও পড়ুন


নগরে এসছে শরৎকাল

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


তার এই দাবি সম্পর্কে আইএইএ’তে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি কাজেম গরিবাবাদি বলেছেন, তার দেশের পরমাণু স্থাপনায় নজরদারি করতে দিতে তেহরান বাধ্য নয় বরং রাজনৈতিক কারণে এ ধরনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। কাজেই আইএইএ যেন এ ধরনের অনুমতিকে নিজের অধিকার মনে না করে।#

সূত্র: পার্সটুডে

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর