ঢাকা মহানগরের নতুন কমিটির সংগ্রামী ভূমিকার আশা

মারুফা রহমান

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বিএনপি। ঢাকা মহানগরের নতুন কমিটি, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভুমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সকালে উত্তরার বাসায় মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব এই প্রত্যাশা জানান।

নতুন কমিটির আহ্বায়করাও আন্দোলন সংগ্রামের পথ কে নতুন করে তৈরির কথা বলেন। 

মঙ্গলবার সকালে উত্তরার বাসায় মহানগর উত্তর-দক্ষিনের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ দেখা করতে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে। সেখানে একটি বৈঠক শেষে নবগঠিত কমিটি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন, মির্জা ফখরুল। দলের সংকটপূর্ণ এই সময়ে নতুন কমিটি আগামীর আন্দোলন সংগ্রামে নতুন মাত্রায় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে সরিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে বাধ্য করতে কাজ করবেন তিনি। আর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেছেন, সাংগঠনিক অবস্থাকে দ্রুত ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করবেন তিনি।

এদিকে ঢাকা-মহানগরের নতুন এই কমিটিকে নিয়ে দলের ভেতরে ইতিমধ্যেই  নেতা-কর্মীদের বড় এক অংশের ভেতর অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মাসে দুই হাজার টাকায় মেলে অবৈধ অটোরিকশা চালানোর লাইসেন্স

আরেফিন শাকিল

অঞ্চল ভেদে মাসে ১২০০ থেকে দুই হাজার টাকায় কেনা কার্ডে মিলে রাজধানীতে অবৈধ অটোরিকশার সড়কে চলার কথিত লাইসেন্স। আর সেই কার্ড মিলে সরকারি কোন দপ্তর নয় বরং ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতার বিশেষ কার্যালয়ে। 

রাস্তায় পুলিশ আর লাইনম্যানদের কার্ড দেখালে অবৈধ অটোরিকশার বৈধতা মিলে। কার্ড আর টোকেন বিক্রি করে দিনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রবদ্ধ চক্র আর কতিপয় পুলিশ সদস্য। আরেফিন শাকিলের বিশেষ প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।

দেশের স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর কোথাও অটোরিকশার এমন দাপট কমার খবর মেলেনি। বরং রাজধানীর অলি-গলি, সড়ক কিংবা মাঝেমধ্যে ভিআইপি সড়কেও নিয়মনীতিহীন এই বিপদজনক যানের দেখা মিলছে। 

অপরিপক্ক চালকের হাতে প্রতিনিয়ত ঘটে দুঘটনা। অথচ বাহনটি চালানোর কথা শুধু বিশেষ চাহিদা সম্পূর্ণ মানুষের। রাজধানীর খিলগাঁওর ত্রিমোহনীতে এনিয়ে কথা হয় অটোরিকশা চালক কবির হোসেনের সাথে। 

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও কম পরিশ্রম ও সময়ে বেশি আয়ে ভরসা অটোরিকশা। তাতে অবশ্য বেশি ভাড়া আদায় হলেও মাস শেষে ঘরে নিয়ে যেতে পারে না সব। কারণটা অবশ্য পরিষ্কার করলেন, রিকাশার গায়ে লাগানো বিশেষ লাইসেন্স কেনার খরচ দেখিয়ে। বিশেষ এই লাইসেন্স ছাড়া বন্ধ থাকে চলাচল।

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


চাঁদাবাজির টাকা সংগ্রহের বাহক হিসাবে মূলত কাজ করেন অটোরিকশার মালিকরা। গোড়ানের শের আলী তার ২০টি অটোরিকশার জন্য মাসে ১২০০ টাকা হারে ২৪ হাজার টাকার রিসিট কাটেন। তবে কারা সেই টাকা নেন তা বলতে রাজি হননি তিনি। 

প্রকাশ্য না হলেও গোপন প্রক্রিয়ার চাঁদাবাজির চক্রে পুলিশ ছাড়াও ক্ষমতাসীনদলের প্রান্তিক কর্মীর হাত ধরে টাকা পৌঁছে যায় স্থানীয় শীর্ষ জনপ্রতিনিধিদের ঘরেও।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বছর ব্যবধানে দ্বিগুণ পুঁজিবাজারের লেনদেন

সুলতান আহমেদ

বছর ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজার মূলধনও প্রায় দেড়গুণ বেড়ে দাড়িয়েছে পৌনে ছয়লাখ কোটিতে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যার অবশ্য বলছেন, দেশের অর্থনীতির হিসেবে এখনো অনেক ছোট পুঁজিবাজারের আকার। 

বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।  তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উর্দ্ধমুখী বাজারের বড় চ্যালেঞ্জ কারসাজি নিয়ন্ত্রণ।
 
বিনিয়োগকারীদের এমন অংশগ্রহণ মনে করিয়ে দেয় ২০০৯ সালকে। এরপর ২০১০ সালের ধস, পুঁজিবাজার থেকে ছিটকে ফেলে দেয় বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীদের। এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার।  

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাড়িয়েছে ৫ লাখ ৭৪ কোটি টাকা, যা এক বছর আগেও ছিলো ৩ লাখ ৮৬ হাজার কোটি। বছরের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৭১ কোটি টাকা, এক বছর আগে যা ছিলো ১১৪৭ কোটি। ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২২৮ পয়েন্টে, এক বছর আগে যা ছিলো ৫১১৬ পয়েন্ট।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে রোড শো করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। কমিশন চেয়ারম্যানের প্রত্যাশা এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।
তবে দুশ্চিন্তার নাম দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি নিয়ে কারসাজি। উৎপাদন বন্ধ থাকার পরও কোন কোন কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে কয়েকগুণ। বিনিয়োগকারীদের এজন্য সাবধানী হওয়ার পরামর্শ এই বিশেষজ্ঞের। বাজার ভালো রাখতে কেন্দ্রিয় ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক মনোভাব চান বিনিয়োগকারীরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার

সুলতান আহমেদ

এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার

বছর ব্যবধানে দিগুণ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজার মূলধনও প্রায় দেড়গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পৌনে ছয়লাখ কোটিতে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যার অবশ্য বলছেন, দেশের অর্থনীতির হিসেবে এখনো অনেক ছোট পুঁজিবাজারের আকার। বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উর্দ্ধমুখী বাজারের বড় চ্যালেঞ্জ কারসাজি নিয়ন্ত্রণ।

বিনিয়োগকারিদের এমন অংশগ্রহণ মনে করিয়ে দেয় ২০০৯ সালকে। এরপর ২০১০ সালের ধস, পুঁজিবাজার থেকে ছিটকে ফেলে দেয় বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীদের। এক যুগ পর আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার।

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৭৪ কোটি টাকা, যা এক বছর আগেও ছিলো ৩ লাখ ৮৬ হাজার কোটি। বছরের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৭১ কোটি টাকা, এক বছর আগে যা ছিলো ১১৪৭ কোটি। ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২২৮ পয়েন্টে, এক বছর আগে যা ছিলো ৫১১৬ পয়েন্ট।

আরও পড়ুন


এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় দেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ

নিজেকে কানাডার সরকারের ‘প্রথম বাংলাদেশি মন্ত্রী’ বললেন বিল ব্লেয়ার

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

একবার বিদ্রোহী হলে আজীবন নৌকা থেকে বঞ্চিত


বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে রোড শো করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। কমিশন চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের প্রত্যাশা। এর ফলে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে।

তবে দুশ্চিন্তার নাম দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি নিয়ে কারসাজি। উৎপাদন বন্ধ থাকার পরও কোন কোন কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে কয়েকগুন। বিনিয়োগকারীদের এজন্য সাবধানি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ।

বাজার ভালো রাখতে কেন্দ্রিয় ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক মনোভাব চান বিনিয়োগকারীরা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় দেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ

রিশাদ হাসান

এখন পর্যন্ত টিকার আওতায় দেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ

দেশে এ পর্যন্ত প্রয়োগ করা হয়েছে করোনার সাড়ে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন। করোনা সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে আনতে বিপুল সংখ্যক মানুষকে অল্প সময়ের মধ্যে ভ্যাক্সিনেশনের আওতায় আনতে চায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যাকসিন কার্যক্রমকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিয়ে দেশব্যাপি ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় নিলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে ভ্যাক্সিনেট করা সহজ হবে।

করোনা সংক্রমণের হার যখন কমতির দিকে তখনই দ্রুততার সাথে স্বল্প সময়ে বেশী সংখ্যক মানুষকে ভ্যাক্সিনেট করতে মরিয়া স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিংহ ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে হাতে।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস শাখার তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। চার কোটির কিছু বেশি নিবন্ধনের বিপরীতে এ পর্যন্ত টিকা প্রয়োগ হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি ডোজ। ৮০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন কার্যক্রমের বিকল্প কি হবে তা ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশব্যাপি টিকা প্রয়োগের ব্যাপক ক্যম্পেইন পরিচালনার পাশাপাশি পুনরায় শুরু করতে হবে গণটিকা কার্যক্রম।

আরও পড়ুন


নিজেকে কানাডার সরকারের ‘প্রথম বাংলাদেশি মন্ত্রী’ বললেন বিল ব্লেয়ার

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

একবার বিদ্রোহী হলে আজীবন নৌকা থেকে বঞ্চিত

নীলফামারীতে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩


২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার বলছেন, একদম যারা বয়স্ক গ্রামে থাকেন জানতে পারছেন না তাদের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করাতে পারেন।

অন্যদিকে কোভিড-১৯ জাতীয় কমিটির সদস্য ডা. এম এ আজিজ বলছেন, গণটিকা কার্যক্রম চালু না করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ইপিআই সেবা কার্যক্রম চালু করলে বেশী মানুষকে আনা যাবে টিকাও আওতায়।

যদিও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দিতে আগামী সপ্তাহ থেকে ক্যাম্পেইন শুরু করতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। তবে তা আটকে আছে কেন্দ্র নির্বাচন ও বিকল্প উপায় নির্ধারণে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

একবার বিদ্রোহী হলে আজীবন নৌকা থেকে বঞ্চিত

তৌফিক মাহমুদ মুন্না

একবার বিদ্রোহী হলে আজীবন নৌকা থেকে বঞ্চিত

উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ ও  পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহীদের দমনে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলের পরিস্কার নির্দেশনা, একবার বিদ্রোহী প্রার্থী হলে জীবনের আর কখনোই নৌকার মনোনয়ন পাবেন না তিনি। থাকবে না দলের কোনো পদে আসার সুযোগও। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এমন কথা জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।

২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ । তিন মেয়াদে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে অনেক নির্বাচন। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা। সাময়িক বহিস্কারসহ নানা ঘোষণা আসলেও কমেনি দলের ভিতরে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার প্রবণতা।

চলতি মাসের ২০ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে ১৬১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এই নির্বাচনেও বিদ্রোহী প্রার্থীদের ছড়াছড়ি। ইউনিয়নের পাশাপাশি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও আছেন বিদ্রোহীদের তালিকায়।

তবে অন্যবারের চেয়ে এবার দলের অবস্থান অত্যন্ত কঠিন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেন, বেশ কিছু প্রার্থী মনোনয়ন চেয়েছে যারা অতীতে বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল। আমরা তাদের আলোচনায় নিয়ে আসিনি।

আর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়াবে তাদের দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে। তাদের চূড়ান্ত শাস্তি কেন দেওয়া হবে না সে মর্মে শোকজ করা হবে। শোকজের জবাব পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, একবার যে বিদ্রোহী হিসেবে নাম লেখাবে ভবিষ্যতে তাদের আর দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে নাম লেখানোর সুযোগ থাকবে না। আর কোন নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারবে না। 

কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও দেয়া হয়েছে নির্দেশনা। কোন বিতর্কিত এবং অনুপ্রবেশকারী যেন না থাকে কমিটিতে, সেই ব্যপারে জিরো টরারেন্সে নীতিতে আওয়ামী লীগ।

আরও পড়ুন


নীলফামারীতে নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩

দেড় কোটি ছাড়িয়ে ফলোয়ার, ভক্তদের উদ্দেশে যা বললেন সাকিব

নাটোরে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

অবশেষে মৃত্যুর ৫ বছর পর ‘ছাড়পত্র’ পেল দিতির শেষ সিনেমা


এ বিষয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে যে কমিটি গঠন হয় সেখানে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ পদে কোন বিতর্কিত ব্যক্তি যেন না আসতে পারে সেইভাবেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নেতা কর্মীদের মূলায়নের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, যারা ত্যাগী নেতাকর্মী আছে তাদের নবায়ন করতে হবে। সামজে গ্রহণ যোগ্য মানুষ, যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী তাদের বাড়ি গিয়ে তাদের অনুরোধ করে সদস্য করার নির্দেশনা দিয়েছি।

গেল ৯ সেপ্টেম্বর দলের কাযনির্বাহী কমিটির সভায় দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কঠোর নির্দশেনা দেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর