‘কোন ব্যক্তির নির্দেশে আ.লীগ কোন ব্যক্তির সম্পদে পরিণত হবেনা’
‘কোন ব্যক্তির নির্দেশে আ.লীগ কোন ব্যক্তির সম্পদে পরিণত হবেনা’
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র

‘কোন ব্যক্তির নির্দেশে আ.লীগ কোন ব্যক্তির সম্পদে পরিণত হবেনা’

Other

বাংলাদেশ আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু বলেছেন, আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদের। সারা জীবনে সততায় সমৃদ্ধ রাজনৈতিক জীবন যার, তার নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের অপরাজনীতি অনভিপ্রেত এবং অগ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে বার বার দাবি করেও আমরা কোন সমস্যার সমাধান পাইনি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান তাদের চেয়ারে বসে অফিস করতে পারেনা।

২০০৮ সাল থেকে থেকে এখানে কে কমিশন বাণিজ্য করেছে?  

সোমবার (২ আগস্ট) রাত ৯টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগ ওবায়দুল কাদেরের সাথে আছে এবং জেলা আ.লীগের নির্দেশে গঠনতন্ত্র মোতাবেক কার্যক্রম চালাবে। কোন ব্যক্তির ইশারায়, কোন ব্যক্তির নির্দেশে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগ কোন ব্যক্তির সম্পদে পরিণত হবেনা। দুই একজন মানুষের লোভের কারণে ওবায়দুল কাদের ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এটি থেকে আপনার বের হওয়া উচিত। আমরা ছোট মানুষ আপনাকে পরামর্শ দেওয়ার যোগ্যতা ও সাহস কোনটাই আমরা রাখিনা। আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।

এ সময় মঞ্জু  প্রশ্ন রাখেন? কাদের মির্জা এখন যুক্তরাষ্ট্রে। পৌরসভায় যে সকল সশন্ত্র সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছে? এটি কিসের আলামত। তারা কাকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। এ থেকে কি বুঝা যায়। এ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে কি ম্যাসেজ যাচ্ছে। যে সকল সন্ত্রাসী মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করেছে, লাইভে এসে মা-বোনকে গালি দিয়েছে, পৌরসভার তিনতলা থেকে বের হয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলা করেছে এবং মানুষের হাত-পা ভেঙ্গেছে। তাদেরকে পৌরসভায় রেখে পুলিশী নিরাপত্তা দেওয়া কি কোন সভ্য সমাজের কাজ। দেশে কি কোন আইনের শাসন নেই। তাহলে কেন পুলিশ তাদেরকে সেখানে পাহারা দিয়ে রেখেছে।

আরও পড়ুন:


আবারও বাড়ল লকডাউন

জানানো হলো দোকানপাট খোলার তারিখ

টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ অফিস-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারবে না


 

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি। আপনার এলাকায় আ.লীগের অফিসটা আপনার ভাই ভেঙ্গে চুরে নিয়ে গেছে। আপনার এলাকায় আ.লীগের কোন কার্যালয় নেই। কার্যালয় করতে গিয়ে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আপনার ভাইয়ের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে। সেই থেকে আমার বাসায় আ.লীগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপনি আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এখানে কার্যালয় থাকবেনা কেন। আমরা মিটিং করতে গেলে প্রশাসন নানান কথা বলে। কিন্তু করোনার মধ্যে পৌরসভা হলরুমে মিটিং গুলো কিভাবে হয়। আপনার বাড়ির সামনে বোমা পাঠানোর নাটক সৃষ্টি করা হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের একটি কার্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেন। এখানে কার্যালয় না থাকলে আপনারই ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী