ওমান সাগরের ধারাবাহিক ঘটনাগুলো সন্দেহজনক: ইরান

অনলাইন ডেস্ক

ওমান সাগরের ধারাবাহিক ঘটনাগুলো সন্দেহজনক: ইরান

ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগর দিয়ে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অনুপ্রবেশ করেছে বলে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান এ ধরনের প্রচারণামূলক খবর ছড়ানোর ব্যাপারে পশ্চিমা ও ইহুদিবাদী গণমাধ্যমকে সতর্ক করে দিয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাঈদ খাতিবজাদে বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের অদূরে একটি ব্রিটিশ জাহাজ ‘সম্ভাব্য ছিনতাই’ হয়েছে বলে লন্ডন দাবি করার পর খাতিবজাদে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন।

ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পানামার পতাকাধারী ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার 'অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস' ছিনতাই হয়েছে। তারা আরো দাবি করেছে, ওমান সাগরের এ ঘটনায় ‘ইরানের সামরিক বাহিনী অথবা তাদের অনুগত কোনো গোষ্ঠী’ জাহাজটিতে অনুপ্রবেশ করে এটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে কিনা তা অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে।

খাতিবজাদে তার দেশেরর সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে পশ্চিমা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলি গণমাধ্যমের এ ধরনের প্রচারণাকে ‘চরম অসত্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ভুয়া খবর প্রচার ও এ ধরনের খবরের ওপর নির্ভর করার ব্যাপারে সব পক্ষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলাচলকারী জাহাজের নিরাপত্তা সম্পর্কে অনর্থক ভীতি সৃষ্টি করার জন্য এ ধরনের প্রচারণা চালানো হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন


গুনাহ হয়ে গেলে যে দোয়া পড়বেন

যে দুটি খারাপ অভ্যাস ত্যাগের বিনিময়ে জান্নাত

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটার ঘটনায় মামলা দায়ের

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল ও ওমান সাগরে সম্প্রতি একের পর এক নিরামত্তামূলক ঘটনাকে ‘সন্দেহজনক’ আখ্যায়িত করে বলেন, সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষ্যে কিছু ঘটনা ঘটানো হচ্ছে এবং কিছু অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সূত্র: পার্সটুডে

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

গোপনে যুবকের ৬ বিয়ে, শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে জামাই নিয়ে টানাটানি

অনলাইন ডেস্ক

গোপনে যুবকের ৬ বিয়ে, শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে জামাই নিয়ে টানাটানি

একে একে গোপনে ৬টি বিয়ে করেছেন। একাধিক সংসারে সন্তানের বাবাও হয়েছেন। ৬ জনকেই সুখি করে ভালই চলছিল সংসার। কিন্তু সব কিছু ফাঁস হয় একদিন। এরপরই শ্বশুরবাড়ি যাওয়া পথে বাধে বিপত্তি।

পাশাপাশি দুই গ্রামে পঞ্চম ও ষষ্ঠ বিয়ে করেছিলেন ওই যুবক। শ্বশুর বাড়ি আসা যাওয়ার পথে দেখা হয়ে যায় দুই পক্ষের পরিচিতজনদের সঙ্গে। বেড়িয়ে আসে আসল ঘটনা। পরে জামাইকে ধরে বেদম গণপিটুনি দেয় শ্বশুর বাড়ির লোকজন। অভিযুক্ত যুবককে তুলে দেয়া হয়েছে পুলিশের হাতে। ৬ বিয়ের আদ্যোপান্ত জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর এলাকায়।

জানা গেছে, হায়দ্রাবাদে ফুল সাজানোর কাজ করতেন দাসপুরের গদাইপুরের বাসিন্দা সন্তোষ দলুই। সেখানেই প্রথম বিয়ে করেন তিনি। এরপর পাঁচ বছর আগে নিজের বাড়ি ফিরে আরেক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের এক সন্তানও রয়েছে। এরপর মহেশপুর গ্রামে ফের বিয়ে। সেখানেও রয়েছে তিন বছরের এক সন্তান। এভাবে একের পর এক বিয়ে করে দেড় বছর আগে মহেশপুরের ঠিক পাশের গ্রাম কলরার এক নারীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন। এটি ছিল তার ষষ্ঠ বিয়ে।

গত দুই দিন আগে কলরা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথেই বিপাকে পড়েন সন্তোষ। কলরা ও মহেশপুরের মধ্যকার রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন কয়েকজন যুবক। তাদের চোখে পড়ে, সন্তোষ কলরা গ্রামের দিকে যাচ্ছে। এ সময় মহেশপুরের পরিচিতরা ডেকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কোথায় যাচ্ছেন? এতজনের হাতে ধরা পড়ে সন্তোষ আর বিষয়টি সামলাতে পারেননি।

আরও পড়ুন


কানাডায় বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে আগ্রহ আছে, প্রয়োজন মানসম্মত ছবি

সংশপ্তকের জন্য জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

কুষ্টিয়ার খোকসায় দুই শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত

মুফতি কাজী ইব্রাহীমকে আটক করেছে ডিবি


একদিকে মহেশপুরের লোকজন তাকে ‘জামাই’ বলছে। অন্যদিকে কলরা গ্রামের বাসিন্দাদেরও একই দাবি। দুই গ্রামবাসীর তর্কাতর্কি আর লাগাতার জেরার মুখে শেষ পর্যন্ত সত্যটা বলতে বাধ্য হন জামাই সন্তোষ। জানান, কলরা গ্রামের রিংকু আসলে তার ষষ্ঠ স্ত্রী।

এরপরেই দুই পরিবারের কাছে জামাইয়ের গোপন সংবাদ পৌঁছায়। তারা ছুটে যান ঘটনাস্থলে। তবে ততক্ষণে উত্তেজিত গ্রামবাসীর হাতে গণপিটুনি খেয়ে অবস্থা খারাপ জামাই সন্তোষের। তথ্য গোপন করে ৬টি বিয়ে করায় বেধড়ক মারধরের পর দাসপুর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় তাকে। প্রতারণার অভিযোগে সন্তোষের নামে মামলা করেছেন পঞ্চম স্ত্রীর বাবা। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকার

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মুসলিমরা

অনলাইন ডেস্ক

মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মুসলিমরা

ভারতে একটি হিন্দু মন্দির অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে সেটির প্রতিবাদে এলাকার মুসলিম বাসিন্দারা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও ধরনের সাম্প্রদায়িক অশান্তি না ছড়ায়, আদালতে সেই বিষয়েও আর্জি জানিয়েছেন মুসলিম বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঘটে দিল্লির জামিয়া নগরের নুর নগর এলাকায়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।  

এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি অবৈধভাবে মন্দির ভেঙে ফেলার চেষ্টার প্রতিবাদে এলাকার কিছু বাসিন্দা দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন জানান। 

আবেদনে বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকার কিছু অসাধু প্রোমোটার স্থানীয় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইতিমধ্যেই মন্দির চত্বরে থাকা ধর্মশালাটি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙে ফেলেছে। মন্দিরটি ভাঙার জন্য তার মধ্যে থাকা ৮-১০টি মূর্তিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে রাতারাতি। এ বার তাদের লক্ষ্য, মন্দিরটি ভেঙে ফেলে সেখানে বহুতল বা অন্য কোনও ভবন নির্মাণ করা। ফলে, মন্দিরটি যাতে কোনও ভাবেই না ভাঙা হয়, তার জন্য আদালতের হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন তারা। 

আরও পড়ুন


বিশ্বের প্রশংসাসহ সব অর্জনই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে

ফাইজারের আরও ২৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছেছে আজ

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল


এদিকে, জামিয়া নগরের বাসিন্দাদের আবেদন শুনে গত তিন দিন আগে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবের বেঞ্চ দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, 'কোনও অবৈধ প্রক্রিয়ায় মন্দির চত্বর থেকে যাতে কোনও কিছু উচ্ছেদ না করা হয়। মন্দিরটিও যেন অক্ষত অবস্থায় থাকে। এলাকায় যাতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, পুলিশকে তা দেখতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।' 

news24bd.tv রিমু    

পরবর্তী খবর

কুকুরের মাংস নিষিদ্ধ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়

অনলাইন ডেস্ক

কুকুরের মাংস নিষিদ্ধ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়

দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ কোরিয়ান খাবারের একটি বড় অংশ ছিল কুকুরের মাংস। দেশটিতে খাবার হিসেবে এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয় হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি একটি অস্বস্তিকর বিষয়। এ কারণে দেশটিতে কুকুরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার।

দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষেরা বছরে ১০ লাখ কুকুরের মাংস খায়। তবে দেশটিতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কুকুরের মাংস খাওয়ার বিষয়ে এক ধরণের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। যার বড় কারণ, অনেকেই কুকুরকে পোষা প্রাণী বা সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়। ফলে তাদের কাছে কুকুরের মাংস খাওয়া একধরণের 'ট্যাবু' হিসেবে গড়ে উঠেছে। এছাড়া পশু অধিকার কর্মীরাও এটি নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের মুখপাত্রের মতে, প্রেসিডেন্ট সোমবার একটি সাপ্তাহিক বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রী কিম বু-কিউমকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কুকরের মাংস নিষিদ্ধ করার সময় কি এখনও আসেনি?

প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন কুকুরপ্রেমী হিসেবে পরিচিত এবং রাষ্ট্রপতি প্রাঙ্গণে তার বেশ কয়েকটি কুকুর রয়েছে। যার মধ্যে বেশ কিছু কুকুর তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর উদ্ধার করেছিলেন।

দেশটিতে পশু সংরক্ষণ আইনে কুকুর-বিড়ালের ওপর নিষ্ঠুর আচরণের জন্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু দেশটিতে ভোগ করা নিষেধ করা হয়নি।

রও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


ফলে এখন কুকুরের খামার ও রেস্তোরাঁ নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করতে আইন ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রবিধানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক

ইউটিউবারদের আয়ের উপর কর, মিশরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ইউটিউবার এবং ব্লগারদের বার্ষিক আয় নিবন্ধন ও এর উপর কর বসানোর পরিকল্পনা করেছে মিশরের সরকার। বার্ষিক আয় ৫ লাখ মিশরীয় পাউন্ড বা ৩২ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি আয়ের ইউটিউবারদেরকে এই কর দিতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির কর কর্তৃপক্ষ। খবর এএফপির।

কর কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-গায়ের এএফপিকে বলেন, "কারো কর্মক্ষেত্র যাই হোক না কেন, সে যদি মিশরে ব্যবসা করে মুনাফা অর্জন করে তাকে অবশ্যই ন্যায্যভাবে কর দিতে হবে।"

নতুন করের হিসাব চলতি বছরের জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

আরেক কর কর্মকর্তা, মোহাম্মদ কেশখ জানিয়েছেন, নতুন সিদ্ধান্ত মানতে ব্যর্থ হলে কর ফাঁকি আইন লঙ্ঘনের অপরাধে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

অনলাইনে কন্টেন্ট নির্মাতাদের উপর কর ধার্যের এই পরিকল্পনা দেশটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন এই কর আরোপকে সমর্থন জানিয়েছেন।

মিশরীয় এক নাগরিক টুইটারে বলেন, "দরিদ্র সবজি বিক্রেতাকে যদি কর দিতে হয়, তাহলে আমরা ধনীদের উপরও কর আরোপ করতে পারি।" 

আরেকটি টুইটে বলা হয়, "আমি যদি ইউটিউব বা টিকটকে, কিংবা অন্য কোন সাইট থেকে ৫ লাখ পাউন্ড আয় করতাম, তাহলে কর দিতে আমার কোন সমস্যা হতো না। এ নিয়ে এতো শোরগোল করার কী আছে!"

হাসান হেইকাল নামে আরেক ব্যবহারকারী টুইট করেন, "গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে কর আরোপ করা সঠিক কেন? কারণ তারা কর না দিয়েই মিশরের ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন ও তথ্য বাবদ অনেক অর্থ উপার্জন করে।"

অপরদিকে অন্যরা দ্বিমত পোষণ করে বলেন, ইন্টারনেট ব্যক্তিত্বের উপর কর চাপানোর কোনো অধিকার মিশরীয় সরকারের নেই।

ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের দিকে ইঙ্গিত করে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে এক টুইটে বলা হয়, "সরকার যদি ইউটিউবারদের কাছ থেকে কর নিতে চায় তাহলে অন্তত আমাদের উন্নত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং সীমিত গিগাবাইট প্যাকেজগুলো বাতিল করতে হবে।"

এছাড়া আরো একজন করের কোন যৌক্তিকতা নেই দাবি করে বলেন, " ইউটিউব চ্যানেলে কর আরোপ এবং ইন্টারনেট থেকে লাভের বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর। আমি কেন এমন কিছুর জন্য কর দেব যেখানে রাষ্ট্র সে ব্যাপারে কোন পৃষ্ঠপোষকতা করে না? হঠাৎ যদি আমার ইউটিউব চ্যানেলটি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে আমাকে কে সাহায্য করবে? এমন অনেক লোক আছে যারা লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করে, সরকার তাদের কাছ থেকে কর নিক। কিন্তু এই চ্যানেলের কোন জমি নেই, জায়গা নেই, এমনকি এটি রাষ্ট্রের কোন ভূমিও দখল করছে না।"

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ভিডিও-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের উপর কর আরোপ করেছে। যা প্রকারান্তরে ইউটিউবারদের কাছ থেকেই নেয়া হয়। কেউ কেউ এদিকে ইঙ্গিত করে মিশরের কর আরোপের কোন যৌক্তিকতা নেই বলে দাবি করেছেন। 

আহমেদ আবদেল ফাতাহ নামে এক ব্যবহারকারী বলেন, "এই বিষয়টি একটি আইনি সমস্যা তৈরি করবে কেননা ইউটিউব ইতিমধ্যেই ইউটিউবারদের কাছ থেকে কর নিয়েছে। তাহলে তারা কেন আলাদা করে মিশরের জন্য কর দেবে?"

রও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা

অনেকে আবার করের অর্থ যেন জনগণের উপকারে ব্যবহার করা হয় সেদিকে দৃষ্টিপাত করেছেন। তারা বলেন, "যদি সরকার ইউটিউবার এবং ইন্টারনেট ব্যক্তিত্বদের উপর কর আরোপ করে, তাহলে ইন্টারনেটের মান উন্নত করা তাদের ন্যূনতম কর্তব্য।"

উল্লেখ্য, মিশরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কোন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ৫ হাজারের বেশি অনুসারী থাকলে দেশটির আইন সেটি পর্যবেক্ষণে রাখার অনুমতি দেয়। সাইবার অপরাধ আইন ব্যবহার করে দেশটির কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে অনলাইনে 'অনুপযুক্ত' কনটেন্ট নির্মাণের দায়ে অনেককেই জেল ও জরিমানার শাস্তি দিয়েছে।

সূত্র: দ্য স্টার, মিডল ইষ্ট আই

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

গতকাল সোমবার ফ্রান্সের লিও শহরে এক খাবার অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া  হয়েছে। ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ টুইটারে প্রকাশ করেছে লিও ম্যাগ। এতে দেখা যায় ভিড়ের মধ্যে প্রেসিডেন্টের ঘাড়ের ওপর কিছু একটা পড়লে তটস্থ হয়ে ওঠে সকলে। পরে ভিড়ের মধ্যে এক ব্যক্তিকে আটক করতে দেখা যায়। ঘটনার উদ্দেশ্য এখনও জানা যায় নি।

জানা যায়, ছুঁড়ে মারা ডিমটি ম্যাক্রোঁর কাঁধে আঘাত করলেও তা ফেটে যায়নি।   

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ

আইএইএ মহাপরিচালকের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য, প্রতিবাদ ইরানের

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


 

এদিকে, ডিম নিক্ষেপের পর পরই ম্যাক্রোঁ বলেন, যদি আমাকে তার কিছু বলার থাকে, তাহলে তাকে আসতে দিন। পরে কোনও সময়ে তিনি ওই ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করবেন বলেও এসময় জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। 

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থাকার সময়ে ২০১৭ সালেও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া হয়েছিল। এর আগে চলতি বছরের জুনে দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকাতে এক ব্যক্তি তার গালে চড় মারে। বারবার এমন ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে ম্যাক্রোঁ প্রশাসন। 

সূত্র: রয়টার্স 

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর