করোনায় বিপাকে যশোরের ক্রিকেট ব্যাট তৈরির উদ্যোক্তারা

রিপন হোসেন, যশোর

মানসম্মত ক্রিকেট ব্যাট তৈরি করে সারাদেশে ‘ব্যাট গ্রাম’ নামে পরিচিতি পেয়েছে যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রাম। কিন্তু করোনার কারণে চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়েছেন উদ্যোক্তারা। সারাদেশে মাঠে নেই ক্রিকেটাররা। এ অবস্থায় বিক্রি হচ্ছে না ব্যাটও।  

লোকসানের কারণে এরই মধ্যে পেশা পরিবর্তনও করেছেন অনেকে। যশোর শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রাম। প্রায় ২৫ বছর ধরে মানসম্মত ব্যাট  তৈরির জন্য এই গ্রাম এখন ক্রিকেট ব্যাটের গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তাদের তৈরি ব্যাট দিয়ে সারা দেশের খুদে ক্রিকেটাররা মাঠ মাতাচ্ছে।

করোনার কারণে ব্যাটের চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন উদ্যোক্তারা। তারা জানান, গেল দেড় বছর ধরে বিক্রি না থাকায় লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের। এ অবস্থায় কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেও অনেকে।

আরও পড়ুন


জাপানে এত বেশি ভূমিকম্প কেন হয়?

জাপানে অলিম্পিক আসরের মধ্যেই ভয়াবহ ভূমিকম্প

সাকিব-মোস্তাফিজ আইপিএল খেলতে পারবেন

গোয়েন্দার হাতে পিয়াসার ১৭ গোপন ভিডিও, মৌ’র বিয়ে ১১টি


তবে এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ চান উদ্যোক্তারা। যশোরের নরেন্দ্রপুরের মিস্ত্রিপাড়ার ব্যাটের কারিগররা এখন আন্তর্জাতিকমানের ব্যাট বানাতে চান। তাদের দাবি, ‘উইলো’ কাঠ পেলে তারা কাঠের বলে ক্রিকেট খেলার ব্যাটও তৈরি করতে পারবেন। আর সেই ব্যাট নিয়ে মাঠে নামতে পারবেন তামিম, সাকিবদের মত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকারাও।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়

সুলতান আহমেদ

স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা, প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়। দিনরাত খেটেও মুখে হাসি ফিরেছে শ্রমজীবী মানুষের। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারীতে যারা চাকরি হারিয়েছে তাদের কাজে ফেরানো আর নতুনদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ব্যবসায়ীরা এজন্য তাকিয়ে আছেন বাড়তি ব্যাংক ঋনের দিকে। পুরান ঢাকার নবাবপুর রোড… দীর্ঘ যানজট লেগেই রয়েছে। তবে এত যানজটের পরও জনমনে অস্বত্বি নেই। 

মহামারী করোনা আর টানা লকডাউন থেকে ফিরে যানজট দেখেও যেন ভালো লাগে খেটে খাওয়া মানুষের। লকডাউনে কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় সব শ্রমিককেই চলতে হয়েছে ধারদেনা করে। সেই ঋণ শোধ করতে সকাল থেকে রাত অবধি পরিশ্রমের কমতি নেই শ্রমিকদের। বলছেন, লকডাউনের দিনে আর ফিরতে চায় না তারা। 

ব্যস্ততার কমতি নেই ব্যবসায়ীদেরও। পুরো দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তবে এই সময়ে প্রধান বাধার নাম, পুঁজির অভাব। 

এদিকে লকডাউনের প্রভাব থেকে আগেই মুক্ত হয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। আগস্ট শেষে মোট রপ্তানি হয়েছে ৩৩৮ কোটি ডলার। যা তার আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। 

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দেওয়ায় ৭ বছরের 

নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মারপিট (ভিডিও)

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে


অর্থনীতির এই স্বাভাবিক যাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান তৈরি করা। এজন্য ব্যবসায়ীদের চাওয়া বাড়তি ব্যাংক লোন। তবে সেই ঋণ যাচাই বাছাই করে সঠিক জায়গায় দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। 

এছাড়া বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়ায় যাতে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেই দিকে নজর দেয়ার পরামর্শও বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’

‘নগদ’থেকে তিন গুণ আয় পেল ডাক বিভাগ

অনলাইন ডেস্ক

‘নগদ’থেকে তিন গুণ আয় পেল ডাক বিভাগ

ডাক বিভাগের সেবাগুলোর মধ্যে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-ই সবচেয়ে সফল। সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের অংশ হয়ে ওঠা ‘নগদ’ ২০২০-২১ অর্থ বছরে তাদের আয় থেকে ডাক বিভাগের অংশ হিসেবে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৭৭ টাকার রাজস্ব বুঝিয়ে দিয়েছে।

চুক্তি অনুসারে, ‘নগদ’-এর সেবা থেকে মোট আয়ের ৫১ শতাংশ ডাক বিভাগের প্রাপ্য। বাকি ৪৯ শতাংশ পায় ‘নগদ’ লিমিটেড। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থ বছর ‘নগদ’ থেকে ডাক বিভাগ ১ কোটি ১২ লাখ টাকা আয় পেয়েছিল। শেষ হওয়া অর্থ বছরে যা বৃদ্ধি পেয়ে তিন গুণ হয়।

সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে ‘নগদ’ কর্তৃপক্ষ ডাক বিভাগের প্রাপ্য অংশের চেক হস্তান্তর করে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. আফজাল হোসেন ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলমের হাত থেকে চেকটি গ্রহণ করেন। এ সময় ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিনসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চেক গ্রহণের পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আফজাল হোসেন বলেন, ডাক বিভাগ ও থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড ২০১৭ সালে চুক্তির মাধ্যমে ‘নগদ’ সেবা চালু করে। সময়ের পরিক্রমায় নানা চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে ‘নগদ’ এখন ভালো একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সচিব মো. আফজাল হোসেন বলেন, দেশে যতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা রয়েছে, তার মধ্যে ‘নগদ’ একটি শক্ত জায়গা করে নিয়েছে। ‘নগদ’-এর গ্রাহক ও আয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ‘নগদ’-এর লেনদেন শুরু করেন। ‘নগদ’-এ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মালিকানা রয়েছে, এটা সর্বজন স্বীকৃত। 

আরও পড়ুন


আশ্রয়ণ প্রকল্প: এটা তো দুর্নীতির জন্য হয়নি, এটা কারা করলো?

আগের স্ত্রীকে তালাক না দিয়েই মাহিকে বিয়ে করেছে রাকিব

আমরা কখনো জানতামও না যে এই সম্পদ আমাদেরই ছিলো

নাশকতার মামলায় নওগাঁর পৌর মেয়র সনিসহ বিএনপির ৩ নেতা কারাগারে


 

এ সময় ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম বলেন, শুরু থেকে ‘নগদ’ ডাক বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। শেষ হওয়া বছরে ডাক বিভাগ যে আয় পেয়েছে তা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। আগামী দিনে দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে ‘নগদ’ ডাক বিভাগকে আরো বেশি রাজস্ব দিতে পারবে বলে আশা করেন তিনি।

ডাক বিভাগের সেবা হিসেবে বাজারে আসার মাত্র আড়াই বছরে দেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবার বাজারে বড় রকমের পরিবর্তন ঘটিয়েছে ‘নগদ’। ফলে সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা উপভোগ করতে পারছে দেশের সাধারণ মানুষ। যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো সময় যেকোনো মোবাইলে *১৬৭# ডায়াল করে কয়েক সেকেন্ডে খুলতে পারছে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সারাদেশের কুরিয়ার `সদাগর এক্সপ্রেস`

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশের কুরিয়ার `সদাগর এক্সপ্রেস`

দেশের অন্যতম ই-কমার্স জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান সদাগর ডটকমের কনসার্ন হিসেবে সম্প্রতি দেশজুড়ে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ডেলিভারিতে যুক্ত হলো টেক বেজড লজিস্টিক কোম্পানি "সদাগর এক্সপ্রেস"।  

প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা বলেন,  বাংলাদেশ ই-কমার্স ডেলিভারিতে উন্নতি করছে, সদাগর এক্সপ্রেস ও তার একটি অংশ হবে আশা রাখছি। সদাগর এক্সপ্রেস এর  কার্যক্রম যে শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নয়। ইন্টারন্যাশনাল ভাবে সদাগর এক্সপ্রেস পার্সেল ও কুরিয়ার করে থাকবে।

এছাড়া  আমরা খুব তাডাতাড়ি সদাগর এক্সপ্রেস এর  ড্রোন সার্ভিস চালু করার আশা প্রকাশ করছি, যার মাধ্যমে আমরা ৩০ মিনিটের মধ্যেই ডেলিভারি করার ব্যবস্থা করতে পারব। তাছাড়া কাস্টমাররা এ্যাপ থেকে বুকিং করে ব্রাঞ্চে এসে পন্য ড্রপ করে যেতে পারবে, বুকিং পয়েন্টে এসে লাইনে দাড়ানোন হ্যাসেল নিতে হবে না। বুকিং এজেন্টরা ও ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে তাদের কাস্টমারের পন্য ট্র‍্যাক করতে পারবে। এতে করে পন্য হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা একেবারেই থাকবেনা এবং কাস্টমাররা সহজেই বুজতে পারবেন তার পন্য কোথায় আছে। এছাড়াও থাকছে দেশজুড়ে টাকা পাঠানোর সহজ ব্যবস্থা এবং নিরাপদ ক্যাশ অন ডেলিভারি ব্যবস্থা।

দেশে কুরিয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে বি২বি প্রতিষ্ঠানের যাত্রার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা আরিফ চৌধুরী ও জাহিদ শাহ বলেন,  দেশের কুরিয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে বি২বি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সদাগর. কম এর যাত্রায় অনেকটা চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি হতে হয়েছে আমাদের।   যেখানে আমাদের দেশের অধিকাংশ উৎপাদনকারী ব্যাবসায়ী এখনো  প্রযুক্তির সাথে পুরোপুরি ভাবে পরিচিত নয়। উৎপাদন কারী হতে পন্য রিটেইলার পর্যন্ত পৌছানো পর্যন্ত শুরুর দিকে আমাদের অনেকটা চ্যালেঞ্জ পার করতে হবে সদাগর এক্সপ্রেসেও, তবে সময়ের সাথে সাথে আমরা এই চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে পারবো এবং দেশের প্রতিটি খাতকে ডিজিটালাইজেশন এর আওতায় নিয়ে আসতে পারবো আশা করি।

মার্চেন্টদের জন্য কি সুবিধা থাকবে? এমন প্রশ্নে তারা বলেন, "মার্চেন্টরা  বাল্কে পন্য এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌছাতে পারবে বি২বি কুরিয়ার সদাগর এক্সপ্রেস এর মাধ্যমে। এক্ষেত্রে সদাগর পন্যের কোন প্রকার ক্ষয় ক্ষতি না করে পন্যের গুনগত মান ঠিক রেখে খুব অল্প সময়ের মধ্যে পন্যের ডেলিভারি করার ব্যবস্থা করবে কম মূল্য এ এছাড়া মার্চেন্টদের জন্য পন্যের ট্রেকিং সুবিধাও থাকবে।


আরও পড়ুন

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট


বর্তমানে দেশের ৬৪ টি জেলাতেই চলছে সদাগর এক্সপ্রেসের কার্যক্রম ,  ছোট যে কুরিয়ারগুলো ঢাকার বাইরে ডেলিভারিতে দীর্ঘ সময় নেয় তারা সদাগর এক্সপ্রেসের মিড মাইল সার্ভিস গ্রহনের মাধ্যমে এখন তাদের মার্চেন্টদের ২৪ ঘন্টায় ডেলিভারি দিতে পারবে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি

সুলতান আহমেদ

স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের অর্থনীতি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা, প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে রপ্তানি আয়। দিনরাত খেটেও মুখে হাসি ফিরেছে শ্রমজীবী মানুষের। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারীতে যারা চাকরি হারিয়েছে তাদের কাজে ফেরানো আর নতুনদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ব্যবসায়ীরা এজন্য তাকিয়ে আছেন বাড়তি ব্যাংক ঋনের দিকে। পুরান ঢাকার নবাবপুর রোড… দীর্ঘ যানজট লেগেই রয়েছে। তবে এত যানজটের পরও জনমনে অস্বত্বি নেই। 

মহামারী করোনা আর টানা লকডাউন থেকে ফিরে যানজট দেখেও যেন ভালো লাগে খেটে খাওয়া মানুষের। লকডাউনে কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় সব শ্রমিককেই চলতে হয়েছে ধারদেনা করে। সেই ঋণ শোধ করতে সকাল থেকে রাত অবধি পরিশ্রমের কমতি নেই শ্রমিকদের। বলছেন, লকডাউনের দিনে আর ফিরতে চায় না তারা। 

ব্যস্ততার কমতি নেই ব্যবসায়ীদেরও। পুরো দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তবে এই সময়ে প্রধান বাধার নাম, পুঁজির অভাব। 

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দেওয়ায় ৭ বছরের 

নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মারপিট (ভিডিও)

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে


এদিকে লকডাউনের প্রভাব থেকে আগেই মুক্ত হয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। আগস্ট শেষে মোট রপ্তানি হয়েছে ৩৩৮ কোটি ডলার। যা তার আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। 

অর্থনীতির এই স্বাভাবিক যাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান তৈরি করা। এজন্য ব্যবসায়ীদের চাওয়া বাড়তি ব্যাংক লোন। তবে সেই ঋণ যাচাই বাছাই করে সঠিক জায়গায় দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। 

এছাড়া বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়ায় যাতে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেই দিকে নজর দেয়ার পরামর্শও বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ই-কমার্সের ফাঁদ থেকে বাঁচতে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ হাইকোর্টের

হাবিবুল ইসলাম হাবিব

ই-কমার্সের ফাঁদ থেকে বাঁচতে গ্রাহকদের লোভ কমানোর এবং এবিষয়ে জনস্বার্থে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, ই-কমার্সের মাধ্যমে প্রতারিতদের আইনী পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ নিয়ে শিগগিরই একটি আইন প্রণয়নের পরামর্শ দেন তিনি। 

ই কমার্স বা অনলাইনে কেনাকাটা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রীয়। তারই ধারাবাহিকতায়  বাংলাদেশেও মানুষ অভ্যস্ত হয়ে উঠছে অনলাইন কেনাকাটায়। সাম্প্রতিক তথ্য বলেছে, 'বর্তমানে বাংলাদেশে ই-কমার্স খাতের আকার প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার এবং তা বার্ষিক ৫০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন:


কনক সারোয়ারের সাথে বিএনপি নেতার কথোপকথন (অডিও) ফাঁস!

বিয়ের দিন সকালেই ধর্ষণের শিকার তরুণী, রাতে ভেঙে গেল বিয়ে!

সোমবার যে আমলটি করলে মনের আশা পূরণ হবে!

ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব: তামিম


এই যখন অবস্থা তখন অল্প সময়ে জনপ্রীয় হয়ে ওঠা দেশের বৃহৎ অনলাইন মার্কেট ইভ্যালি ইঅরেঞ্জসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পণ্য কেনাকাটার নামে প্রতারনার অভিযোগ উঠেছে। রোববার এক মামলার শুনানীকালে হাইকোর্টও জানাতে চান ইকমার্সের প্রতারনার বিষয়টি। জানার পর এবিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান আদালত।

বিষয়টি নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দীন বলেন, অনলাইনে কেনাকাটা বর্তমান সময়ে খুবই জনপ্রীয় তাই এবিষয়ে নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। শিগগিরিই আইন প্রনয়ন করে প্রতারনা বন্ধ করার উপর জোর দেন তিনি।

আদালতের শুনানীতে উঠে আসে দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে লাগামহীন অফার থাকে। যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা বা অ্যামাজনে থাকে না। এতে দেশের গ্রাহকেরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর