প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

‘আদর্শ ও জনকল্যাণে অবদানই হওয়া উচিত রাজনীতির মূলমন্ত্র’

অনলাইন ডেস্ক

‘আদর্শ ও জনকল্যাণে অবদানই হওয়া উচিত রাজনীতির মূলমন্ত্র’

আদর্শ ও জনকল্যাণে অবদানই রাজনীতির মূলমন্ত্র হওয়া উচিত। নীতির রাজাই হচ্ছে রাজনীতি, শ্রেষ্ঠ নীতির নাম রাজনীতি। দুষ্টদের লালন-পালন ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া রাজনীতি নয়। রাজনীতি হতে হবে পরিশীলিত, পরিমার্জিত। রাজনীতির প্রতিপক্ষকে কখনো শত্রু ভাবা ঠিক নয়। শত্রুকে নিধন করতে হবে, সশরীরে মেরে ফেলতে হবে, এটা রাজনীতি হতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। রাজনীতির মৌলিক সত্তার জায়গায় দল-মত নির্বিশেষে আমাদের এক হতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (০৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন,একটি পরিশীলিত, পরিমার্জিত, রূচিবান ও সম্ভাবনাময় ব্যক্তিত্ব ছিলেন শেখ কামাল। যিনি এ দেশের ক্রীড়াঙ্গন, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও রাজনীতিতে অনন্য-আসাধারণ অবদান রাখতে পারতেন। অথচ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের সদস্যদের সাথে তাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশে আধুনিক ক্রীড়ার জনক। অপরদিকে বাঙালি সংস্কৃতিকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা তিনি লালন করতেন, চর্চা করতেন। অন্যদিকে রাজনীতি ছিল তার জন্মসূত্রে পাওয়া। রাজনীতিতে তিনি নিজের জায়গা দখলের জন্য কখনো ক্ষমতার অপব্যবহারের মানসিকতা দেখান নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ কামাল সম্পর্কে বিরূপ কথা প্রচার করে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। এটা ছিল জঘন্য মিথ্যাচার।

এ সময় শ ম রেজাউল করিম বলেন,বঙ্গবন্ধু বলেছেন, নিজের যা কিছু সামর্থ্য, যা কিছু ভালো তা উৎসর্গ করে দিয়ে দেশের কল্যাণে ও মানুষের উন্নয়নে নিজেকে নিবেদন করার নাম রাজনীতি। বঙ্গবন্ধু জীবনে কখনোই অনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তদের, কালো টাকার মালিকদের রাজনীতিতে এনে পৃষ্ঠপোষকতা দেন নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, নিজের বিত্ত-বৈভবের জন্য, প্রাচুর্যের জন্য রাজনীতি নয়। মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তার দুঃখ-কষ্টের সাথী হওয়া, গোটা জাতির স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দারিদ্র্য, অসহায়ত্ব ও বৈষম্য দূর করার নাম রাজনীতি।

আরও পড়ুন:


পরীমনি কাণ্ডে থমথমে ‘সুনসান এফডিসি’

প্রজ্ঞাপন জারি, রোববার ব্যাংক বন্ধ


 

পিরোজপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান ও পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার। পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরীসহ পিরোজপুরের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকতা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সাত ঘণ্টা বৈঠক শেষ যা বললেন মির্জা ফখরুল!

অনলাইন ডেস্ক

সাত ঘণ্টা বৈঠক শেষ যা বললেন মির্জা ফখরুল!

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বিষয়ে নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির সঙ্গে দলের হাইকমান্ডের বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।

বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া রুদ্ধদ্বার এ বৈঠক প্রায় সাত ঘণ্টা পর শেষ হয় রাত সাড়ে ১০টায়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হলো দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে দুই দফায় ছয় দিনের সিরিজ বৈঠক।
 
বিএনপি মহাসচিব জানান, বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক বিষয়ে তৃণমূল থেকে শীর্ষপর্যায় পর্যন্ত নেতাদের কাছ থেকে মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে প্রায় তিনশ’র মতো নেতারা নানা বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেছেন বলেও জানান তিনি।
 
গত ১৪ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর তিন দিন প্রথম ধাপে এবং ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে সিরিজ বৈঠক করেছে বিএনপি।

রও পড়ুন:


সেই বাংলা ছবি থেকে সানি লিওনের অংশটি বাদ

অনলাইনে পণ্য ডেলিভারির সময় নির্ধারণ করে দিলো মন্ত্রণালয়

ভ্রুন নষ্ট না করলে তালাক দেয়ার হুমকি স্বামীর

মানবতাবিরোধী মামলার আসামি শহীদুল্লাহ ফকির গ্রেপ্তার


এর আগে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও রাজনৈতিক পরিকল্পনা নির্ধারণে দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে ৫ ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

 বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বিএনপি মহাসচিব। জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতেই দলের নেতাদের মতামত জানতে ধারাবাহিক এ বৈঠক করছে বিএনপির হাইকমান্ড।
 
বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এটাই ছিল আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজ-টেন্ডারবাজদের স্থান যুবলীগে হবে না: বদিউল আলম

অনলাইন ডেস্ক

চাঁদাবাজ-টেন্ডারবাজদের স্থান যুবলীগে হবে না: বদিউল আলম

যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম বলেন, করোনা কালে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাবা-মা তার করোনা আক্রান্ত সন্তানকে বা সন্তান তার করোনা আক্রান্ত বাবা-মাকে ফেলে পালিয়ে গেছেন। 

তখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের পাশে থেকে অক্সিজেন সরবরাহ, আক্রান্তদের সেবাসহ মরদেহ দাফনের কাজ করেছেন।

রও পড়ুন:


জন্মদিনে সৃজিতের কাছে কী চাইলেন মিথিলা?

বায়ু দূষণের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথম, ঢাকা তৃতীয়

৪৫ মিনিট পর হাসপাতালে অলৌকিকভাবে বেঁচে উঠলেন নারী!

গাড়ি সাইড দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর করলেন এমপি রিমন!


আর সে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় এ যুবলীগ মানবিক যুবলীগ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।  

ছবি: বাংলানিউজের।

তিনি বলেন, এখানে দলীয় পদ পেতে স্থানীয় কোনো অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। প্রত্যেক নেতাকে তাদের ত্যাগের ভিত্তিতে পদ ও মূল্যায়ন করা হবে। তাই পদ প্রত্যাশীরা জেলা সভাপতি ও সম্পাদক সহ-সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে বায়োডাটা জমা দিবেন। কোনো মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, ভূমিদষ্যুদের স্থান এ মানবিক যুবলীগে হবে না।

জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান গাজীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ওই বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য তাজউদ্দিন আহমেদ ও মো. জসিম মাতুব্বর, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. নাসির উদ্দিন পিয়াস, মো. আসাদুজ্জামান খান টুটুলসহ জেলা ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতারা।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারে কী বলছেন আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারে কী বলছেন আইনমন্ত্রী

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে দেওয়া হবে, যদি জনগণ চায়। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুটি দুর্নীতি মামলায় একটি ৭ বছর একটিতে ১০ বছর সাজা হয়েছে। ওনাকে মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুটি শর্তে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বাসায় চলে এসেছেন। তিনি বিলাস বহুল বাসায় থাকেন। তার কোভিড হয়েছে। হাসপাতালে গেছেন। যেদিন থেকে হাসপাতালে গেছেন, সেদিন থেকে বলা শুরু করেছেন- বিদেশে যেতে দেন, বিদেশ যেতে দেন।

তিনি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) বাড়ি ফিরে গেছেন। এখন বলছেন, বিদেশ যেতে দেন। আমরা যদি বাংলাদেশে থেকে মানুষকে সুস্থ করতে পারি তাহলে বিদেশ যাওয়ার দরকার আছে? এ সময় তিনি উপস্থিত জনগণের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা বলেন- বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা। আপনারা বললে আমরা তাকে বিদেশ যেতে দেব।

মন্ত্রী বলেন, কোভিড পরিস্থিতির কারণে তখন বিমান চলে না। ট্রেন চলে না। গাড়ি চলে না। জাহাজ চলে না কিন্তু উনাকে বিদেশ যেতে দিতে হবে। আমরা বললাম চিকিৎসা হচ্ছে। তিনি সুস্থ হয়েছেন। তিনি বাড়ি ফিরে গেছেন। এখনো বলে বিদেশ যেতে দেন। আমরা যদি বাংলাদেশে থেকে মানুষকে সুস্থ করতে পারি তাহলে বিদেশ যাওয়ার দরকার আছে? এ সময় তিনি উপস্থিত জনগণের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন আপনারা বলেন বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা? আপনারা বললে আমরা তাকে বিদেশ যেতে দেব?

আরও পড়ুন: 


চাকরিচ্যুত সংবাদিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এল মৃত ডলফিন

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

গুলশান লেকে নৌকাডুবি, যাত্রীরা সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে


তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, তারা ঢাকা শহরে চিকিৎসা নিতে চায় না। চিকিৎসকেরা উনাকে ভালো করে দিয়েছেন। এখন ওনারা বলছেন- আমরা নাকি ভয় পাই, উনাকে বিদেশ যেতে দিতে। যে লোক, যে দল দেশে থেকে হর্ষডিম্ব পাড়ে সে বিদেশে গিয়ে কী করতে পারে আপনারা বলেন।

তিনি বলেন, আমি আপনাদেরকে পরিষ্কার বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনার সরকার ষড়যন্ত্রে ভয় পায় না। ষড়যন্ত্রে একবার জাতির পিতাকে হারিয়েছি। আর ষড়যন্ত্র করতে দেব না। আর ষড়যন্ত্র হবে না। আমরা সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করব। আমাদের ভয় দেখাইয়েন না। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। সেজন্য আমরা নির্বাচন করবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানকে কে নির্বাসিত করেছে?

অনলাইন ডেস্ক

তারেক রহমানকে কে নির্বাসিত করেছে?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তারা (বিএনপি) চায় দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে এবং আন্দোলনের নামে জনগণের সম্পদ বিনষ্ট করতে। বিএনপির নেতৃত্বে প্রতিক্রিয়াশীল একটি মহল দেশের অগ্রযাত্রার গতিকে থামিয়ে দিতে চায় বলেও মন্তব্য করেন সেতুমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন।

 করোনার স্থবিরতা কাটিয়ে জন-জীবনে গতি ফিরতে শুরু করেছে, মানুষ ফিরে পেতে শুরু করেছে চিরচেনা কোলাহল আর চাঞ্চল্য এমনটা জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

বলেন, এ সময়ে আমাদের সবার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

সরকার নাকি মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষাকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আসলে বিএনপিই মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কোনো মূল্য দেয়নি।

আর্থ-সামাজিক প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে অদম্য গতিতে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের মনে আশা জাগিয়েছে লাখ লাখ তরুণ প্রাণে স্বপ্ন জাগিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার।

আরও পড়ুন: 


চাকরিচ্যুত সংবাদিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এল মৃত ডলফিন

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

গুলশান লেকে নৌকাডুবি, যাত্রীরা সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে


সরকার বেগম জিয়াকে বেআইনিভাবে সাজা দিয়ে বন্দী করে রাখেনি, বরং বেগম জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আসলে বিএনপির কৃতজ্ঞতাবোধ নেই, থাকলে তারা শেখ হাসিনার উদার্যের কাছে কৃতজ্ঞ থাকত।

তারেক রহমানকে কে নির্বাসিত করে রেখেছে?  বিএনপি নেতারা বলেছেন সরকার নাকি তারেক রহমানকে নির্বাসনে রেখেছে। বিএনপি নেতাদের এই বক্তব্য অসংখ্য মিথ্যাচারের একটি বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানতে চান, কে মুচলেকা দিয়ে চিকিৎসার নামে দেশ থেকে পালিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে রাজনীতি না করার শর্তে তিনি নিজেই দেশ থেকে পালিয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাহস থাকলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনুন। রাজনীতি করতে হলে দেশের মাটিতেই করতে হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের রাজনীতি টেমস নদীর ওপার থেকে ডাক দিলেই হবে না, তাতে দেশের জনগণ সাড়া দিবে না।
news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

অনলাইন ডেস্ক

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

বিএনপিকে নিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নানা বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

তিনি বলেছেন, ওনাকে (জাফরুল্লাহ চৌধরীকে) তো আমরা স্বৈরাচার এরশাদের দোসর হিসেবে জানতাম। স্বৈরাচারের দোসর জানতাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, জাফরুল্লাহ এখন গণতন্ত্রের কথা বলেন। এরশাদের সাথে ওষুধনীতি নিয়ে কী দহরমমহরম করেছেন তা মানুষের জানা আছে। আজকে জাতির বিবেক হয়ে‌ছেন, কে কী করবে না করবে কার কী করা উচিত সেটার মাত্রা ছাড়িয়ে ছবক দিচ্ছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে।

আরও পড়ুন: 


কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এল মৃত ডলফিন

গুলশান লেকে নৌকাডুবি, যাত্রীরা সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে


রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন বর্ষীয়ান ব্যক্তি, তিনি মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন, বয়স্ক ব্যক্তি; কিন্তু সব নর্মসের বাইরে কথা বলবেন তা হতে পারে না। তিনি মাঝে মাঝে বিএনপি ও বিএনপির নেত্রী সম্পর্কে এমন কথা বলেন, যা সব সভ্যতা, সুরুচির বাইরে চলে যায়।

বিএনপির এই মুখপাত্র প্রশ্ন রেখে বলেন, এখন খালেদা জিয়া কী অবস্থায় আছেন সেটা জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানার কথা। তার পরও জাফরুল্লাহ চৌধুরী খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে মাঝে মাঝে এমন মন্তব্য করেন, যে মন্তব্যটা রুচিশীল নয়। মনে হয় কোনো শক্তিকে খুশি করার জন্য তিনি এসব কথা বলেন। দেশের বৃহত্তম দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তিনি তার প্রজ্ঞা, তার চিন্তাভাবনা এবং এই দেশের বর্তমান যে সংকট এই সব কিছু বিশ্লেষণ করে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি আজ সব মহলের কাছে সমাদৃত।

‘অনেকেই বলেন বা আমরা খবরের কাগজে দেখি, জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে জাতীয়তাবাদী শক্তির সমর্থিত বুদ্ধিজীবী বলা হয়, যদি তা-ই হয় তাহলে তিনি প্রকাশ্যে যেভাবে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে মন্তব্য করেন, এটা সব সভ্যতা-ভব্যতা ও শিষ্টাচারের বিপরীত।’

দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিতে এখন ইস্পাতকঠিন ঐক্য বিদ্যমান বলে মনে করেন রিজভী।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর