১৬ দিনের রিমান্ডে পিয়াসা চক্রের মিশু ও জিসান

নাঈম আল জিকো

১৬ দিনের রিমান্ডে পিয়াসা চক্রের মিশু ও জিসান

হত্যা, চাঁদাবাজি, চুরি, মাদকসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অন্তত ১১ মামলা থাকলেও পরবর্তীতে খোলস পাল্টায় মিশু হাসান। অভিজাত পড়ায় ডিজে পার্টির আড়ালে চালায় মাদক ও দেহ বাণিজ্য। বিত্তবানদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তাদের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চালাতো ব্ল্যাকমেইলিং। আমদানি নিষিদ্ধ গাড়ি, অস্ত্র, স্বর্ণ, ইয়াবাসহ বিভিন্ন অবৈধ বাণিজ্যেও ছিল জড়িত। আর এসব বিক্রির দায়িত্বে ছিল বিতর্কিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা। 

মিশু হাসান। রাজধানীর মোহাম্মদপুর তাজমহল এলাকায় বেড়ে ওঠা। অভিজাত এলাকা গুলশান বনানী থেকে দামী বিদেশী কুকুর ও গাড়ি চুরি করায় তার নাম পরে কুত্তা মিশু, আবার গাড়ি চোর মিশুও হয়। ২০০৪ সালে ছিনতাইয়ের এক মামলায় জেল থেকে বের হওয়ার পর সপরিবারে পারি জমায় যুক্তরাষ্ট্রে। এরপর দেশে এসে শুরু করে অভিজাত এলাকায় আনাগোনা।

এরই মাঝে পরিচয় হয় ডিজে জামিল ও নাতাশা সঙ্গে। এরপর বিভিন্ন হোটেলে ডিজে পার্টির করে বিত্তবানদের মাদক ও নারীর যোগান দেয়া শুরু করে এই চক্র। পর্যায়ক্রমে আমদানি নিষিদ্ধ গাড়ি, অস্ত্র ও মাদকের রমরমা বাণিজ্য শুরু করে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই মাঝে পরিচয় হয় বিতর্কিত মডেল পিয়াসার সাথেও। এসব অবৈধ বাণিজ্যের পার্টনার হিসেবে যুক্ত হন পিয়াসা।

বিতর্কিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা গ্রেফতারের পর যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়ার গোপন প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তার অন্যতম সহযোগী ও বিজনেস পার্টনার শরফুল হাসান ওরফে মিশু হাসান ও মাসুদুল ইসলাম ওরফে জিসান। তবে এর আগেই র‌্যাবের হতে ধরা পড়েন তারা।

মাদক, জাল টাকা, পর্ণোগ্রাফিসহ ৪ মামলায় মিশু ও জিসানের ১৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আর পিয়াসা ও মৌয়ের কাছ থেকে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইলিংসহ ২০১৮ সালে পুলিশ কর্মকর্তা ইমরান হত্যার বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার আদালতে হাজির করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও পিয়াসা ও মৌয়ের রিমান্ড চাইতে পারে বলেও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

ধর্ষণ মামলায় পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ১

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর

ধর্ষণ মামলায় পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ১

গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার পিয়ারা বাগান এলাকায় ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ কন্সেটেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় রোববার সকালে ওই নারী বাদী হয়ে জিএমপি কোনাবাড়ি  থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তার হলেন- সিরাজগঞ্জের কাজিপুর থানার বিয়ারা চরপাড়া এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে মনিরুজ্জামান(২৩)।

বর্তমানে তিনি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) উত্তরায় কর্মরত আছেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে ওই মেয়ের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সিরাজগঞ্জ থেকে জীবিকার তাগিদে ওই মেয়ে কোনাবাড়ী থানার পেয়ারা বাগান এলাকায় মায়ের কাছে আসে। সেখানে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি নেয়। এরই মধ্যে মনিরুজ্জান ফোনের মাধ্যমে ওই মেয়ের ঠিকানা সংগ্রহ করে। গত ফেব্রুয়ারিতে কোনাবাড়ী এলাকায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মনিরুজ্জামানের এক আত্মীয়র বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। পরে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে। বাসায় এসে ধর্ষণের বিষয়টি ওই মেয়ে মা’র কাছে খুলে বলে। ধর্ষণের ঘটনায় ওই মেয়ে বাদী হয়ে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গাজীপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন:


এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


মামলার বিষয়টি মনিরুজ্জান জানতে পেরে বিভিন্ন সময় ফোনের মাধ্যমে ওই মেয়েকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

গত শনিবার মধ্যরাতে ওই মেয়ের বাসায় এসে ধর্ষণ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখায়।

কিন্তু ওই মেয়ে মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হাত-মুখ চেপে ধরে আবারো ধর্ষণ করা হয়। কোনো মতে ওই মেয়ে মুখ থেকে হাত ছুটিয়ে ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন এসে পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে।

এসময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে কোনাবাড়ী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

পরে রোববার সকালে ওই মেয়ে বাদী হয়ে দ্বিতীয় বারের মতো পুলিশ কনস্টেবল মনিরুজ্জামানের নামে আরো একটি মামলা করেন।

কোনাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি আমলে নিয়ে রোববার দুপুরে ওই পুলিশ কনস্টেবলকে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন

জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন

শেরপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় পৃথক ধারায় বাবুল ওরফে বাবুল কবিরাজ (৩১) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামির ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

বাবুল সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত তৈমদ্দিনের ছেলে।

কারাদণ্ডের মধ্যে আসামিকে অপহরণের দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ধর্ষণের দায়ে ৯ (১) ধারায় যাবজ্জীবন (৩০) বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় সাজা একইসাথে চলমান থাকবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পিপি এ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল সদর উপজেলার চরশেরপুর সাতানিপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের কন্যা ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাবুল ওরফে বাবুল কবিরাজ। পরে ওই কিশোরীকে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে আটক রেখে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করলে সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়।

ওই ঘটনায় একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর ধর্ষিতা কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধর্ষক বাবুলসহ চারজনকে আসামি করে সদর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় ধর্ষক বাবুল। এর কিছুদিন পর ধর্ষিতার কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। ডিএনএ টেস্টেও প্রমাণিত হয় ওই সন্তানের জৈবিক বাবা বাবুল। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন তদন্ত শেষে একই বছরের ১২ নভেম্বর বাবুলকে একমাত্র আসামি করে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল আসামি বাবুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আরও পড়ুন:


এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


পরে বিচারিক পর্যায়ে বাদী, ভিকটিমসহ রাষ্ট্রপক্ষের সাতজন ও আসামিপক্ষের দুইজন সাফাই সাক্ষীসহ নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

এতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার বিকেলে দুটি ধারায় একটিতে যাবজ্জীজন ও অন্যটিতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল।

পাশাপাশি ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর জৈবিক বাবা হিসেবে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায় সাপেক্ষে সেই শিশুর ভরণপোষণে আইনানুগ আদেশ দেন ট্রাইবুন্যাল।

এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাখাওয়াতউল্লাহ তারা বলেন, এ রায়ে যথেষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। কাজেই আসামিপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

লোভ কমিয়ে ই-কমার্সে সচেতন হওয়ার পরামর্শ হাইকোর্টের

অনলাইন ডেস্ক

লোভ কমিয়ে ই-কমার্সে সচেতন হওয়ার পরামর্শ হাইকোর্টের

প্রতারিত হওয়ার হাত থেকে বাচতে ই-কমার্স গ্রাহকদের লোভ কমাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) ফোনে আড়িপাতা বন্ধ চেয়ে করা রিটের শুনানিতে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বিষয়ে এমন পরামর্শ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে, যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

তখন আদালত বলেন, ‘হ্যাঁ আমরা তো দেখি, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি। বিমানের টিকিট কিনলে হোটেল ফ্রি। আপনারা তো পাবলিক ইন্টারেস্টের মামলা করেন। আপনাদের উচিত পাবলিকদের সচেতন করা, তারা যেন এক্ষেত্রে লোভ কমান।’

আইনজীবী শিশির মনির আদালতকে বলেন, প্রথমে তারা অফার দেবে- একটা মোটরসাইকেলের টাকায় দুইটা মোটরসাইকেল। এরপর গ্রাহকরা টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল পাবে এবং টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। এরপর আবার দুইটা কিনলে আরও দুইটা ফ্রি, চারটা কিনলে আরও চারটা ফ্রি পাবে এমন অফার আসে। কিন্তু এক পর্যায়ে যখন গ্রাহক অধিকসংখ্যক যেমন- আটটা মোটরসাইকেল কিনলে আরও আটটা মোটরসাইকেল পাওয়ার জন্য টাকা দেয় তখন সে টাকা চলে যায়, কিন্তু মোটরসাইকেল আর আসে না।

রও পড়ুন:

তৃতীয় স্বামীর কাছ থেকে মুক্তি পেতে মামলা করলেন শ্রাবন্তী

কুড়িগ্রামে ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

অবশেষে ফুঁ দিয়ে আগুন ধরানো সেই সাধুবাবা গ্রেপ্তার

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?


আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের আড়িপাতা ও ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় রিটের শুনানিতে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছেন।

আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। পরে ফোনে আড়িপাতা বন্ধে ও ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনার তদন্ত চেয়ে করা রিটের আদেশের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং মামলায় ডিআইজি পার্থ গোপাল কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক

দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং মামলায় ডিআইজি পার্থ গোপাল কারাগারে

সিলেটের সাবেক কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিককের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৪ এ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন পার্থ গোপাল বণিক। বিচারক শেখ নাজমুল আলম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আদেশে জামিন বাতিল করে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পার্থ গোপাল বণিককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

আদেশে ঢাকার বিশেষ জজ মো. ইকবাল হোসেনকে সতর্ক করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া মামলাটি ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ কে ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলাটির বিচার শেষ করতে বলা হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৮ জুলাই সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দুদকের সেগুনবাগিচার প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় পার্থ গোপাল বণিককে। ঘুষ ও দুর্নীতির কয়েক লাখ নগদ টাকা তার বাসায় রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পার্থ গোপাল বণিককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

আরও পড়ুন:


নোটিশ দিয়ে ইভ্যালির অফিস বন্ধ রাখার ঘোষণা

ইভ্যালির বিরুদ্ধে এবার যশোরে লিখিত অভিযোগ

ইভ্যালী-পঞ্জি স্কীমস: কই এর তেলে তিমি ভাজা!

যদি পারি অবশ্যই আমি বাংলায় গান গাইবো : ইয়োহানি


গত বছরের ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পার্থের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। এতে মোট ১৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। 

অভিযোগপত্রে বলা হয়, পার্থ গোপাল বণিকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৮০ লাখ টাকার কোনো বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। অর্থাৎ তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৮০ লাখ টাকা উপার্জন করে পাচারের উদ্দেশে বাসায় লুকিয়ে রেখেছেন বলে প্রমাণিত হয়।

এতে আরও বলা হয়, ২০১৪ সালে তিনি ৩১ হাজার ২৫০ টাকা বেতন স্কেলে কারা উপ-মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তার এই বেতন স্কেলের সঙ্গে এত টাকা অর্থ উপার্জন অসামঞ্জস্যপূর্ণ। গত বছরের ৪ নভেম্বর পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এরপর ১৫ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

বিএনপি নেতা দুলুর বিরুদ্ধে মামলা চলতে বাধা নেই

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপি নেতা দুলুর বিরুদ্ধে মামলা চলতে বাধা নেই

রাজশাহী বিভাগের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও তার স্ত্রীর দুর্নীতি মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদন খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ। এই আদেশের ফলে তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। এসময় তিনি জানান, গত ১৩ জুন ৬ মাসের মধ্যে এই মামলা নিষ্পত্তি করতে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট বিভাগ। ওই আদেশের বিরুদ্ধে দুলু ও তার স্ত্রী আপিল বিভাগে আবেদন করেন। কিন্তু আজ তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে ছিলেন না। এ কারণে আদালত ডিসমিসড ফর ডিফল্ট আদেশ দেন। এখন বিচারিক আদালতে এ মামলা চলবে।

আরও পড়ুন


মির্জা ফখরুলসহ ৩৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

সুনামগঞ্জে যাত্রাবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে, আহত ৩০

বাগেরহাটের টিকে গ্রুপের প্লাইউড ফ্যাক্টরীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

বাঘের তাড়া খেয়ে লোকালয়ে হরিণ, উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত


২০০৭ সালে জ্ঞাত আয়বর্হিভূত ৯ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্জনের অভিযোগে বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় একই বছরের ২৯ আগস্ট অভিযোগ গঠন করেন আদালত। পরে মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন দুলু। হাইকোর্ট দুলুর আবেদন গ্রহণ করে ২০১২ সালের ১৮ জুলাই মামলাটি বাতিল করে দেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক।

২০১৫ সালের ২ নভেম্বর আপিল বিভাগ দুদকের আবেদন গ্রহণ করে হাইকোর্টের রায় বাতিলের আদেশ দেন।

এ আদেশের পর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এ দুলুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। এ অবস্থায় ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা আবেদন ১৩ জুন হাইকোর্ট বিভাগে উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর