পূর্বপুরুষের কবরে শ্মশানের পোড়া মাটি: কান্নায় ভেঙে পড়েন শামীম ওসমান
পূর্বপুরুষের কবরে শ্মশানের পোড়া মাটি: কান্নায় ভেঙে পড়েন শামীম ওসমান

পূর্বপুরুষের কবরে শ্মশানের পোড়া মাটি: কান্নায় ভেঙে পড়েন শামীম ওসমান

অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের দুটি সংসদীয় আসনের দুই সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান ও একেএম সেলিম ওসমানের পরিবারের পূর্বপুরুষ ও বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ কবরে কবরস্থানের পাশের শ্মশান থেকে পোড়া মাটি এনে কবর ঢেকে দেওয়াসহ কবরের ওপর দিয়ে কবরস্থানে চলাচলের রাস্তা তৈরি করেছে কবরস্থানের দায়িত্বে থাকা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন।  

আজ সোমবার এ খবর পেয়ে দুপুরে কবরস্থানে ছুটে যান শামীম ওসমান। তিনি সেখানে গিয়ে এ অবস্থা দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ সময় তিনি কবরগুলো পূর্বের অবস্থায় ফিরিতে আনতে সেখানে দায়িত্বরতদের ৪৮ ঘণ্টা সময় দেন।

এসময় শামীম ওসমান তাদের পরিবারের প্রয়াতদের কবরে যদি শ্মশানের পোড়া মাটি দেওয়া হয় তাহলে সেটা তারা মানবেন কিনা, তাদের কাছে জানতে চাইলে উত্তরে সকলেই 'না' জানিয়ে কাজটি সঠিক হয়নি বলে মেনে নেন।  

শ্মশানের মাটি দেওয়া হয়েছে শামীম ওসমানের দাদা খান সাহেব এম. ওসমান আলী, দাদি জামিলা ওসমান, বাবা আবুল খায়ের মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, মা নাগিনা জোহা ও বড় ভাই একেএম নাসিম ওসমানসহ ওসমান, একাধিক মুক্তিযোদ্ধাসহ অনেকগুলো সাধারণ কবরে। অনেক কবরের অস্তিত্বই হারিয়ে গেছে এই পোড়া মাটিতে চাপা পড়ে। কিছু কবরের চিহ্ন রয়েছে মাত্র।

এ সময় শামীম ওসমান উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাকে ও আমার পরিবারকে ধৈর্য ধরার শক্তি দেন। আমি গত ২৭ জুলাই মেয়র আইভীর মা ও আলী আহমদ চুনকা সাহেবের স্ত্রীর কবর জিয়ারত করতে এখানে আসি। তখন দেখেছিলম শ্মশানের সংস্কার কাজ চলছে এবং এখানে মাটি পড়ে আছে। তখনো আমার বাবা-মা, দাদা-দাদি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কবর ঠিকঠাক ছিল। এখন এই জায়গা তিন ফুট উঁচু। আজকে আমার মনে হচ্ছে আমি একজন ব্যর্থ সন্তান। আমি সিটি করপোরেশনকে দায়ী করবো না। আমি মনে করি এটা কোনো মানুষের কাজ না, এটা ইবলিশের কাজ।

যারা এ কাজটা করেছেন বা করিয়েছেন তাদের কাছে আমার একটাই জিজ্ঞাসা, কী লাভ হলো এটা করে। আমারা বাবা-মা, ভাই মারা যাওয়ার পর আমার যেমন কষ্ট হয়েছিল, আজকে তার চেয়ে কোনো অংশে কম কষ্ট হচ্ছে না।

তিনি বলেন, এখানে আমার পূর্বপুরুষের কবর। আমরা এর সংস্কার করি। সবাই যেমন যার যার পরিবারেরটা করে। তাহলে কেন এই মাটিটা এত উঁচু করা হলো। আমি ঠিকাদারকে জিজ্ঞেস করেছি এটা তার কার্যাদেশে ছিল কিনা। সে অস্বীকার করেছে। এখন একজন আরেকজনের দোষ দিচ্ছে।


আরও পড়ুন

বুধবার থেকে ব্যাংক লেনদেন হবে যে সময়ে

গ্রিসে দাবানল :প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছে মানুষ

সেপ্টেম্বরে ‘খুলছে’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করবে নাসিরের পরিবার


news24bd.tv/এমি-জান্নাত

 
;