হেলেনা-পরীমনি-রাজ-মাসুদুলের মামলার তদন্তের দায়িত্ব চায় র‍্যাব

অনলাইন ডেস্ক

হেলেনা-পরীমনি-রাজ-মাসুদুলের মামলার তদন্তের দায়িত্ব চায় র‍্যাব

হেলেনা জাহাঙ্গীর, চিত্রনায়িকা পরীমনি, প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ, মাসুদুল ইসলাম ও শরফুল হাসানের বিরুদ্ধে করা ১০টি মামলার তদন্তভারের অনুমতি চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি দিয়েছে র‍্যাব।

গতকাল রোববার এই আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীর, চিত্রনায়িকা পরীমনি, নজরুল ইসলাম রাজসহ যেসব আসামিকে তাঁরা সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছেন, সেসব মামলার বাদী র‍্যাব। ওই মামলাগুলোর তদন্তভার র‍্যাবকে দেওয়ার অনুমতি চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে গতকাল একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগেও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে যেসব আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিল, গুরুত্ব বিবেচনায় কোনো কোনো মামলার তদন্তভার দেওয়ার অনুমতি চেয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: 

সেপ্টেম্বরে ‘খুলছে’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করবে নাসিরের পরিবার 

আবারও আসতে পারে ‘কঠোর লকডাউন’: ওবায়দুল কাদের

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের মামলার রায় আজ

অনলাইন ডেস্ক

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের মামলার রায় আজ

অস্ত্র আইনের মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক আব্দুল মালেকের (৬৩) মামলার রায় আজ সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর)। দুপুরে ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

রায়ে মালেকের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে মালেকের আইনজীবীর প্রত্যাশা তিনি খালাস পাবেন।

আরও পড়ুন:


সোমবার যে আমলটি করলে মনের আশা পূরণ হবে!

ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব: তামিম

ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩


গেল ১৩ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান আব্দুল মালেক।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মামলাটিতে ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনেরই সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে গাড়িচালক আবদুল মালেককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। 

এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ টাকার বাংলাদেশি জাল নোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব-১ এর পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

ধর্ষণ মামলায় পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ১

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর

ধর্ষণ মামলায় পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার ১

গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার পিয়ারা বাগান এলাকায় ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ কন্সেটেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় রোববার সকালে ওই নারী বাদী হয়ে জিএমপি কোনাবাড়ি  থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তার হলেন- সিরাজগঞ্জের কাজিপুর থানার বিয়ারা চরপাড়া এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে মনিরুজ্জামান(২৩)।

বর্তমানে তিনি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) উত্তরায় কর্মরত আছেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে ওই মেয়ের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সিরাজগঞ্জ থেকে জীবিকার তাগিদে ওই মেয়ে কোনাবাড়ী থানার পেয়ারা বাগান এলাকায় মায়ের কাছে আসে। সেখানে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি নেয়। এরই মধ্যে মনিরুজ্জান ফোনের মাধ্যমে ওই মেয়ের ঠিকানা সংগ্রহ করে। গত ফেব্রুয়ারিতে কোনাবাড়ী এলাকায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মনিরুজ্জামানের এক আত্মীয়র বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। পরে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে। বাসায় এসে ধর্ষণের বিষয়টি ওই মেয়ে মা’র কাছে খুলে বলে। ধর্ষণের ঘটনায় ওই মেয়ে বাদী হয়ে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গাজীপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন:


এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


মামলার বিষয়টি মনিরুজ্জান জানতে পেরে বিভিন্ন সময় ফোনের মাধ্যমে ওই মেয়েকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

গত শনিবার মধ্যরাতে ওই মেয়ের বাসায় এসে ধর্ষণ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখায়।

কিন্তু ওই মেয়ে মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হাত-মুখ চেপে ধরে আবারো ধর্ষণ করা হয়। কোনো মতে ওই মেয়ে মুখ থেকে হাত ছুটিয়ে ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন এসে পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে।

এসময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে কোনাবাড়ী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

পরে রোববার সকালে ওই মেয়ে বাদী হয়ে দ্বিতীয় বারের মতো পুলিশ কনস্টেবল মনিরুজ্জামানের নামে আরো একটি মামলা করেন।

কোনাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি আমলে নিয়ে রোববার দুপুরে ওই পুলিশ কনস্টেবলকে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন

জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন

শেরপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় পৃথক ধারায় বাবুল ওরফে বাবুল কবিরাজ (৩১) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামির ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

বাবুল সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত তৈমদ্দিনের ছেলে।

কারাদণ্ডের মধ্যে আসামিকে অপহরণের দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ধর্ষণের দায়ে ৯ (১) ধারায় যাবজ্জীবন (৩০) বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় সাজা একইসাথে চলমান থাকবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পিপি এ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল সদর উপজেলার চরশেরপুর সাতানিপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের কন্যা ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাবুল ওরফে বাবুল কবিরাজ। পরে ওই কিশোরীকে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে আটক রেখে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করলে সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়।

ওই ঘটনায় একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর ধর্ষিতা কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধর্ষক বাবুলসহ চারজনকে আসামি করে সদর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় ধর্ষক বাবুল। এর কিছুদিন পর ধর্ষিতার কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। ডিএনএ টেস্টেও প্রমাণিত হয় ওই সন্তানের জৈবিক বাবা বাবুল। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন তদন্ত শেষে একই বছরের ১২ নভেম্বর বাবুলকে একমাত্র আসামি করে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল আসামি বাবুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আরও পড়ুন:


এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


পরে বিচারিক পর্যায়ে বাদী, ভিকটিমসহ রাষ্ট্রপক্ষের সাতজন ও আসামিপক্ষের দুইজন সাফাই সাক্ষীসহ নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

এতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার বিকেলে দুটি ধারায় একটিতে যাবজ্জীজন ও অন্যটিতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল।

পাশাপাশি ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর জৈবিক বাবা হিসেবে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায় সাপেক্ষে সেই শিশুর ভরণপোষণে আইনানুগ আদেশ দেন ট্রাইবুন্যাল।

এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাখাওয়াতউল্লাহ তারা বলেন, এ রায়ে যথেষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। কাজেই আসামিপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

লোভ কমিয়ে ই-কমার্সে সচেতন হওয়ার পরামর্শ হাইকোর্টের

অনলাইন ডেস্ক

লোভ কমিয়ে ই-কমার্সে সচেতন হওয়ার পরামর্শ হাইকোর্টের

প্রতারিত হওয়ার হাত থেকে বাচতে ই-কমার্স গ্রাহকদের লোভ কমাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) ফোনে আড়িপাতা বন্ধ চেয়ে করা রিটের শুনানিতে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বিষয়ে এমন পরামর্শ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে, যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

তখন আদালত বলেন, ‘হ্যাঁ আমরা তো দেখি, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি। বিমানের টিকিট কিনলে হোটেল ফ্রি। আপনারা তো পাবলিক ইন্টারেস্টের মামলা করেন। আপনাদের উচিত পাবলিকদের সচেতন করা, তারা যেন এক্ষেত্রে লোভ কমান।’

আইনজীবী শিশির মনির আদালতকে বলেন, প্রথমে তারা অফার দেবে- একটা মোটরসাইকেলের টাকায় দুইটা মোটরসাইকেল। এরপর গ্রাহকরা টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল পাবে এবং টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে চলে যাবে। এরপর আবার দুইটা কিনলে আরও দুইটা ফ্রি, চারটা কিনলে আরও চারটা ফ্রি পাবে এমন অফার আসে। কিন্তু এক পর্যায়ে যখন গ্রাহক অধিকসংখ্যক যেমন- আটটা মোটরসাইকেল কিনলে আরও আটটা মোটরসাইকেল পাওয়ার জন্য টাকা দেয় তখন সে টাকা চলে যায়, কিন্তু মোটরসাইকেল আর আসে না।

রও পড়ুন:

তৃতীয় স্বামীর কাছ থেকে মুক্তি পেতে মামলা করলেন শ্রাবন্তী

কুড়িগ্রামে ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

অবশেষে ফুঁ দিয়ে আগুন ধরানো সেই সাধুবাবা গ্রেপ্তার

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?


আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের আড়িপাতা ও ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় রিটের শুনানিতে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছেন।

আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। পরে ফোনে আড়িপাতা বন্ধে ও ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনার তদন্ত চেয়ে করা রিটের আদেশের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং মামলায় ডিআইজি পার্থ গোপাল কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক

দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং মামলায় ডিআইজি পার্থ গোপাল কারাগারে

সিলেটের সাবেক কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিককের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৪ এ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন পার্থ গোপাল বণিক। বিচারক শেখ নাজমুল আলম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আদেশে জামিন বাতিল করে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পার্থ গোপাল বণিককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

আদেশে ঢাকার বিশেষ জজ মো. ইকবাল হোসেনকে সতর্ক করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া মামলাটি ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ কে ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলাটির বিচার শেষ করতে বলা হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৮ জুলাই সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দুদকের সেগুনবাগিচার প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় পার্থ গোপাল বণিককে। ঘুষ ও দুর্নীতির কয়েক লাখ নগদ টাকা তার বাসায় রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পার্থ গোপাল বণিককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

আরও পড়ুন:


নোটিশ দিয়ে ইভ্যালির অফিস বন্ধ রাখার ঘোষণা

ইভ্যালির বিরুদ্ধে এবার যশোরে লিখিত অভিযোগ

ইভ্যালী-পঞ্জি স্কীমস: কই এর তেলে তিমি ভাজা!

যদি পারি অবশ্যই আমি বাংলায় গান গাইবো : ইয়োহানি


গত বছরের ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পার্থের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। এতে মোট ১৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। 

অভিযোগপত্রে বলা হয়, পার্থ গোপাল বণিকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৮০ লাখ টাকার কোনো বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। অর্থাৎ তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৮০ লাখ টাকা উপার্জন করে পাচারের উদ্দেশে বাসায় লুকিয়ে রেখেছেন বলে প্রমাণিত হয়।

এতে আরও বলা হয়, ২০১৪ সালে তিনি ৩১ হাজার ২৫০ টাকা বেতন স্কেলে কারা উপ-মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তার এই বেতন স্কেলের সঙ্গে এত টাকা অর্থ উপার্জন অসামঞ্জস্যপূর্ণ। গত বছরের ৪ নভেম্বর পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এরপর ১৫ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর