জুলাই মাসে কমেছে রপ্তানি আয়
জুলাই মাসে কমেছে রপ্তানি আয়

জুলাই মাসে কমেছে রপ্তানি আয়

Other

লকডাউনের প্রভাবেই জুলাই মাসে রপ্তানি কমেছে বলে মনে করে রপ্তানিকারকরা। অবশ্য তা নিয়ে দুশ্চিন্তার কারন নেই বলেও মনে করে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ সহ পাটপণ্যের ব্যবসায়ীরা। তবে কারখানা খুলে দেয়ায় দ্রুত রপ্তানি ঘুরে দাড়াবে বলেও প্রত্যাশা তাদের। চলতি বছরেই ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে আবারও পোশাকের দ্বিতীয় রপ্তানিকারক হওয়ার প্রতিশ্রুতিও ব্যবসায়ীরাদের।

 

২০২০-২১ অর্থবছর পুরোটাই পার হয়েছে মহামারির সাথে যুদ্ধ করে। তবে তারপরও বছর শেষে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেখে আশান্বিত হয়েছে সংশ্লিষ্টরা। পুরো অর্থবছর জুড়ে ৩৮.৭৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। যেখানে প্রবৃদ্ধিও ১৫.১০ শতাংশ।  

সেই আত্মবিশ্বাস রেখে চলতি অর্থবছরেও ৫১ বিলিয়ন ডলারের বড় রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে সরকার। তবে প্রথম মাস জুলাইয়ের রপ্তানিতে কিছুটা হতাশ রপ্তানিকারকরা। এ মাসে মোট রপ্তানি হয়েছে ৩৪৭ কোটি অর্থাৎ ৩.৪৭ বিলিয়ন ডলার। যা তার আগের বছরের জুলাই থেকে ১১ শতাংশ কম।  

জুলাই মাসে আরেকটি নেতিবাচক খবর এসেছে পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য। প্রায় একদশক পর বিশ্ববাজারে রপ্তানির দ্বিতীয় অবস্থান থেকে নেমে গেছে বাংলাদেশ। তবে এবছরের মধ্যেই ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে সেই অবস্থান উদ্ধারে আশাবাদি ব্যবসায়ী নেতারা।  

এদিকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি কমেছে পাটপণ্যে। লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক অর্জন হয়েছে এ মাসে। তবে ভালো প্রবৃদ্ধি পেয়েছে চামড়া খাত।  

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রপ্তানির সাথে জড়িত শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাক্সিন দিয়ে কারখানা চালু রাখতে পারলে বছর শেষে প্রবৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।


আরও পড়ুন

আবারও পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা

সেপ্টেম্বরে ‘খুলছে’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করবে নাসিরের পরিবার 

আবারও আসতে পারে ‘কঠোর লকডাউন’: ওবায়দুল কাদের


news24bd.tv/এমি-জান্নাত