খুলনায় চাঁদাবাজী মামলায় দুই ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

খুলনায় চাঁদাবাজী মামলায় দুই ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

সালিশ বৈঠকের নামে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনার ডুমুরিয়ায় দুই ইউপি সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হচ্ছেন- ইউপি সদস্য গাজী মনিরুজ্জামান (৫০), ইউপি সদস্য আব্দুল হক আকুঞ্জি (৫২) ও রাসেল গাজী (৩২)। মঙ্গলবার তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, রঘুনাথপুর গ্রামের নিজামুল হক মুকুল বাদি হয়ে ছয় জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছেন।

মামলার আসামি ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানা যায়, ডুমুরিয়ার রঘুনাথপুরে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে সালিশ বৈঠকের নামে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় ওই দুই ইউপি সদস্য। স্থানীয়রা জানায়, রঘুনাথপুর গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে আত্মীয় পরিচয়ে আসা যাওয়ায় ওই ব্যক্তিকে আটক করে তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে ভূক্তভোগী থানায় মামলা করেন। এদিকে অভিযুক্তদের আটকের পর তাদের স্বীকারোক্তিতে চাঁদাবাজির পাঁচ লাখ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:


মুহিতের করোনা নেগেটিভ, তবে শারীরিক দুর্বলতা আছে

ফের দুই দিনের রিমান্ডে মডেল মৌ

রাঙামাটি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বৃদ্ধি


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর সহায়তায় কিশোরীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ

অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রীর সহায়তায় কিশোরীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ

ময়মনসিংহে এক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে টানা কয়েক মাস ধর্ষণ করা হয় ওই কিশোরীকে (১৩)।

অভিযুক্ত ব্যক্তি ময়মনসিংহ নগরীর কৃষ্টপুর এলাকার বাসিন্দা হোসেন আলী (৫০) । তিনি জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির ময়মনসিংহ জেলা সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তামান্না হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী।

বিষয়টি র‌্যাব-১৪ কার্যালয়ে জানানো হলে গতকাল রোববার রাতে অভিযুক্ত হোসেন আলীকে (৫০) গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলে মামলা শেষে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, হোসেন আলীর বাসার পাশেই ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন ওই কিশোরী। কাছাকাছি বাসা হওয়ায় হোসেন আলীর পরিবারের সঙ্গে কিশোরীর পরিবারের সখ্যতা গড়ে ওঠে। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি কিশোরীকে বাসায় ডেকে নেন হোসেনের স্ত্রী তামান্না আক্তার। বাসায় নেওয়ার পর শরবতের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে দেন। এতে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে কিশোরীকে ধর্ষণ ও তা ভিডিও ধারণ করেন।

এরপর ধারণ করা ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হয় কিশোরীকে। হোসেনের কথা না শুনলে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়া হয়।

স্ত্রী তামান্নার সহায়তায়  এরপর টানা কয়েক মাস মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন হোসেন।  এক পর্যায়ে বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে তারা বাসা পরিবর্তন করে নগরীর অন্য একটি এলাকায় চলে যান। সেখানেও লোকজন নিয়ে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন হোসেন। পরে র‌্যাবকে জানানো হলে গতকাল রোববার রাতে হোসেনকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব-১৪।


আরও পড়ুন

কুকুরের জন্য বিমানের কেবিন

শরীরের বাইরে শিশুর হৃদপিণ্ড, ব্যয়বহুল বলে হচ্ছে না চিকিৎসা

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট

নুসরাতকে সাবেক স্বামীর আইনি নোটিশ


ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে ওই দিন রাতেই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে হোসেন ও তার তৃতীয় স্ত্রীকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ হোসেনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

গায়ে হলুদে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

অনলাইন ডেস্ক

গায়ে হলুদে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

বিয়ে বাড়িতে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোরা বাজারে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কায়েস আকন্দ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার বড় ঘারমোড়া গ্রামরে গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে সুমাইয়ার গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এক পর্যায়ে পাশের গ্রাম হুজুরকান্দির রাসেল, ইমরান ও অন্তরসহ অন্তত ৮/১০ জন যুবক অনুমতি না নিয়ে মোবাইল ফোনে কয়েকজন তরুণীর ছবি তুলতে থাকেন। এ নিয়ে বড় ঘারমোড়া গ্রামের আউয়াল মিয়াসহ কয়েকজনের সাথে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?

তৃতীয় স্বামীর কাছে শুধু বিচ্ছেদই নয়, খরচও চাইলেন শ্রাবন্তী


 

এ ঘটনায় পর দিন শনিবার সকালে আবদুল আউয়াল বড় ঘারমোড়া গ্রামের বাজারে দুধ বিক্রি করতে গেলে হুজুরকান্দি গ্রামের ওই যুবকরা তাকে মারধর করে এবং দুধ ফেলে দেয়। 

এ ঘটনায় আউয়ালের ভাই জাহাঙ্গীর আলম শনিবার রাতেই হুজুরকান্দি গ্রামের ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় রাতেই পুলিশ হুজুরকান্দি গ্রামের বকুল নামের একজনকে গ্রেফতার করে। 

এ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়‌। রোববার সকালে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় যুবককে গলাকেটে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লায় যুবককে গলাকেটে হত্যা

কুমিল্লার মুরাদনগরে এক মানসিক ভারসাম্যহীনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম নাছির মিয়া (৩৫)।

পৃথক স্থানে আরও দুজনকে হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এসব ঘটনা ঘটে।

নিহত নাছির মিয়া পাশের উপজেলার ভিংলাবাড়ী গ্রামের আ. আওয়ালের ছেলে।
গুরুতর আহত গাড়ি চালক জসিম উদ্দিন মুরাদনগর উপজেলার নগর পাড় গ্রামের মৃত খোরশেদ ড্রাইভারের ছেলে। অপরজন গকুলনগর গ্রামের জয়দল হোসেনের ছেলে সেন্টু মিয়া।

আহতদের মুরানগর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা টাওয়ারে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি দেখে রাতের মধ্যে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের বাবা আ. আউয়াল বলেন, লোক মারফত জানতে পেরেছি আমার ছেলেকে একটি সাটার বিহীন দোকান ঘরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করি। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

মুরাদনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাদেকুর রহমান বলেন, একজনকে হত্যা করার ঘটনায় অজ্ঞাত নামাদের আসামি করে মামলা  হয়েছে। দুইজন ছুরিকাঘাতের ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ হয়নি।

আরও পড়ুন:


‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সূচি

প্রথম স্বামীর কথার জবাব দিলেন মাহি

পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ফেসবুকে বন্ধুত্ব, ম্যাসেঞ্জারে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে বন্ধুত্ব, ম্যাসেঞ্জারে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, অতঃপর...

২২ বছর বয়সের এক তরুণীর আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়ানোর হুমকির অভিযোগে বগুড়ার সরকারি শাহ সুলতান কলেজের এক কলেজছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মাহমুদ মুন্না (২৩) নামে ওই কলেজছাত্র স্নাতক তৃতীয় বর্ষে পড়েন শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী।

গতকাল রোববার শেরপুর উপজেলা শহর থেকে মুন্নাকে আটক করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাইবার ইউনিট।

আজ সোমবার তাঁকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মুন্না পড়াশোনার পাশাপাশি বাসচালকের সহকারীর কাজ করতেন। বাড়ি শেরপুর উপজেলার একটি গ্রামে। শেরপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী জানান, শেরপুরে এক তরুণীর সঙ্গে কিছুদিন আগে একটি মোবাইলের দোকানে সাক্ষাৎ হয় মুন্নার। এরপর ফেসবুকে আইডি খুঁজে তরুণীকে তিনি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান। ফেসবুকে বন্ধুত্বের সুবাদে বার্তা আদান–প্রদান শুরু হয়। একপর্যায়ে তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে মেসেঞ্জারে আপত্তিকর ভিডিও রেকর্ড করেন। দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ১৮ সেপ্টেম্বর মুন্না ওই তরুণীর মেসেঞ্জারে আগেই ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিও পাঠিয়ে তা ইন্টারনেটে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চাপ দেন। পরে ওই তরুণী বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি খুলে বলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মুন্নাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছে থেকে জব্দ করা মুঠোফোনে আপত্তিকর ভিডিও পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন:


‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সূচি

প্রথম স্বামীর কথার জবাব দিলেন মাহি

পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

৬ হাজার ইয়াবা নিয়ে সৌদি যাচ্ছিলেন তিনি

অনলাইন ডেস্ক

৬ হাজার ইয়াবা নিয়ে সৌদি যাচ্ছিলেন তিনি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদিগামী এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৬ হাজার ৩৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ওই যাত্রীর নাম কাজী নয়ন।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তৌহিদ-উল আহসান বলেন, ওই যাত্রী সোমবার দুপুরের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৪০৪৯ নম্বর ফ্লাইটে সৌদি আরবের দাম্মাম যাচ্ছিলেন।

আরও পড়ুন:


‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সূচি

প্রথম স্বামীর কথার জবাব দিলেন মাহি

পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা


তল্লাশির সময় ব্যাটেলিয়ন আনসার রনি মিয়া এবং সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী সাহারা বানু যাত্রীর কাছে সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান। সেটি তল্লাশি করে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।

ওই যাত্রীর বাড়ি বগুড়ায়। তাকে বিমানবন্দরের কর্তব্যরত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর