একটি পরীমনি বিষয়ক আলোচনা

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

একটি পরীমনি বিষয়ক আলোচনা

কোন একটা টপিক নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লেখার অভ্যাস আমার নেই। মানুষের ব্যক্তিগত কেচ্ছাকাহিনী বরাবরই এভয়েড করি। তারপরও পরীমনি ইস্যুটি নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই লিখছি। তবে খন্ডিত ও বিভিন্ন অস্বস্তিকর প্রশ্ন ছুড়াছুড়ি করছি। তাই আমার বন্ধু, শুভাকাংক্ষীদের অনেকেই বিরক্ত হচ্ছেন৷ কেউ কেউ কনফিউজড৷

ব্যক্তি পরীমনি আমার আগ্রহের বিষয় নয়। তার সাথে আমার আলাপ হয়েছিলো নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবার সামান্য আগে, যখন সে এই মাধ্যমে প্রবেশ করেছিল মাত্র, সেই সময়ে। সেই আলাপ তার সম্পর্কে কোন আগ্রহ তৈরিতে আমাকে নিরুৎসাহিত করেছে।

আমি সেপিওসেক্সুয়াল। সৌন্দর্য ভাল লাগে। সৌন্দর্য আমার দৃষ্টি ও মগজে ক্ষনিকের আনন্দ সঞ্চার করে ৷ কিন্তু সেটা আমাকে খুব বেশি আকর্ষণ করেনা। তাই পরিমনি বিষয়ক আলাপ খুব একটা নায়িকা বিষয়ক আলাপ না। আমার কাছে মনে হয়েছে এই প্রসংগটি যতটা না নায়িকা বিষয়ক, গ্ল্যামার ওরিয়েন্টেড, স্পাইসি টক তারচেয়েও অনেক বেশি আমাদের সমাজতত্ত্বের সাব্জেক্ট। এই মেয়েটি আমাদের সমাজ চিন্তা, প্রগতিবাদ, নারীবাদ, ব্যক্তিস্বাধীনতা, ধর্মীয় ও সামাজিক নীতিবাদ, গ্ল্যামার ও এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির চোরাগলি প্রভৃতি বিষয়ের অনেকগুলো সাংঘর্ষিক মতবাদকে মুখোমুখি এনে দিয়েছে৷ সে ইন্ডাস্ট্রিতে থাকবে কি থাকবেনা সে ব্যপারে নিশ্চিত না হলেও আমি এটুকু নিশ্চিত যে পরীমনি ও তার জীবন দীর্ঘদিন আলোচিত হবে৷ আগামি পঞ্চাশ বছর পর তাকে নিয়ে বায়োপিক লেখা হতে পারে। সিনেমাও হবে।

ওপরের কথা গুলো ডিসক্লেইমার৷ মূল আলাপে আসি। আমি কেন তার মুক্তি চাই বলে অনলাইন আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ছিনা সেই কৈফিয়ত এখানে দিতে চাই৷

লেখক: গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

পরীমনির মানবাধিকার নিয়ে আমি এখনো তেমন বিচলিত নই। তাকে জেল দেওয়া হয়নাই৷ র‍্যাবের ভাষ্যমতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে রিমান্ডে আনা হয়েছে৷ জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। র‍্যাবের প্রেস ব্রিফিংএ বলা হয়েছে মাদক (মদ ছাড়াও এল এসডি,আইস), ব্ল্যাক মেইলিং, নারীপাচার, পর্ণগ্রাফি ইত্যাদি অভিযোগ। তথ্য উদঘাটন করার চেষ্টা হচ্ছে। পেলে মামলা হবে, না হলে হবেনা৷ আইন আইনের পথে চলবে। ব্যত্যয় হলে দেশে মানবাধিকার ও মহিলা সমিতি আছে এবং তাদের আইনজীবিরা আছেন। তেমন হলে আমরাও দাঁড়াবো।

যতদুর জানি এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে মামলা একটাই। মাদক বিরোধী আইনে মামলা। মদ রাখা বা মদ খাওয়াকে আমি ব্যক্তিগতভাবে অপরাধ মনে করিনা।

আমার পারসোনাল চয়েজ দিয়ে তো আইন চলবেনা। আমাকে মদ সহ ধরতে পারলে আইন শৃংখলা বাহিনী ধরে নিয়ে যাবে। এখানে আমার পারসোনাল চয়েজ কাজে আসবেনা। এই ভয়ে আমি মদ সচরাচর খাইনা। কিন্তু আইনটা সংশোধনের দাবী তোলা যেতে পারে।

আমি মদ খাওয়াকে খারাপ মনে করিনা। কিন্তু অন্যের ক্লাবে গেস্ট হিসেবে গিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মদ্যপান করতে চাওয়া, না দিলে মারধর করা, ভাংচুর করা, ফ্রি তে মদ আনতে যাওয়া, না দিলে মারধোর ভাংচুর ইত্যাকার মাস্তানিকে ভীষণ অপছন্দ করি। এই কাজ যে করবে সে যদি শিল্পী হয় তাহলে আরো অপছন্দ করি। পাবলিক নুইসেন্স শিল্পীর খাটেনা৷

কাউকে মিথ্যা বলে ফাসানো জঘন্য কাজ। মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ ধর্ষণ অপরাধটিকেই হালকা করে দেয়। অসংখ্য বিচারপ্রার্থী ধর্ষিত নারীকে নির্মম ভাবে পরিহাস করে। আমি মনে করি পরীমনি নাসির মাহমুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। ফরেনসিকের সামান্য পড়াশুনা আর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে এই ধারণা আমার হয়েছে। একারণেও তার প্রতি আমার সিম্প্যথি কাজ করছেনা৷

পরিমনি এখন অব্দি যা করে এসেছে তা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের তাবেদারি ও স্টেইক হোল্ডারশিপ। এভাবেই সে বিলাসী জীবন যাপন করেছে। 'যেকোন উপায়ে ভোগ কর' এই নীতিতে আমি বিশ্বাসী নই৷ শ্রম ও সাধনা ভিন্ন সাফল্য পাওয়ার যে চোরাইপথ আমি তাকে ভীষণ অপছন্দ করি। আমি প্রগতিশীল, মদপান সমর্থন করলেই স্বেচ্ছাচারিতার সমর্থক হব এটাও ভাবা ঠিক না।

এখন কথা হলো - সে কি একাই অপরাধী? আর কেউ নেই? এগুলো নিয়ে আলাপ করা সময় নষ্ট। যার যার অপরাধ তার তার৷ আইনের নিজস্ব ব্যখ্যাও আছে। পরীমনির দুজন ইম্পরট্যান্ট সংগী পুরুষকে ধরা হয়েছে। রাজ এবং অমি। আমি যদ্দুর জানি এরা তার অপকর্মের খুব ঘনিষ্ট সহযোগী। পরীর শয্যাসংগী হওয়াটা অপরাধ কিনা সেটা আইন ঠিক করবে। এখানে আমার মন্তব্য নাই৷ প্রতারণা না হলে এরকম সম্পর্ক নিয়ে আমার বলার কিছু নেই।

দৈনিক অনেক লোক হোটেল রেইডে ধরা পড়ছে, রাস্তা থেকে মদ বহন করার কারণে ধরা পড়ছে৷ এসব আইন ঠিক না বেঠিক সে আলোচনা ভিন্ন। কিন্তু আইনটা আছে এবং ধরা পড়ছে৷

আমাদের সমাজে ধনিক শ্রেনীর জন্য আইন নেই। ক্ষমতাবানরা আইনের আওতায় আসেন না। এগুলো আমরা সবাই জানি৷ এগুলো পশ্চাদপদ সমাজের বৈশিষ্ট। গোড়া থেকে পাল্টাতে হবে৷ পরীমনির মুক্তি চেয়ে এই সিস্টেম পাল্টাবেনা৷ বরং ‘সামাজিকভাবে ক্ষমতাবান, নায়িকা, পপুলার ইত্যাদি বিবেচনায় আইনকে প্রভাবিত করা যায়’ এরকম ম্যাসেজই যাবে৷

অর্থাৎ অন্যায় দিয়ে অন্যায়কে ছাপিয়ে যাওয়া হবে৷ স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসবে তাহলে ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, একা বা মৌ দের কি হবে?

আমাদের সমাজে নারীরা নানা সমস্যার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। তারা আন্ডার প্রিভিলেজড। শিল্প ও বিনোদন ক্ষেত্রে নারীদের পথ চলা আরো কঠিন। পরী যদি এই সমস্যার শিকার হতো ও প্রতিবাদী হতো আমি দাঁড়াতাম তার জন্য সবার আগে৷ পরীমনি তেমনটাও বলেননি। পরীমনি এই ঘৃণ্য ব্যবস্থার বেনিফিশিয়ারি হবার চেষ্টা করেছে মাত্র। পা হড়কে এখন নিজেকে বিপন্ন বলে প্রচার করছে৷ পরীমনি এ যাত্রায় টিকে গেলে ভবিষ্যতে এই সিস্টেমের একজন মাসীও হয়ে উঠতে পারেন। আমার স্রেফ এটুকুই মনে হচ্ছে। এক্ষেত্রেও আমি সিম্প্যথি দেখাতে পারছিনা৷

গ্রাম থেকে এসে গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের চোরাগলিতে আটকে যাওয়া মেয়ে পরীমনি একা নন। এই গল্প অনেকদিনের। ডাক্তারি ও মিডিয়ায় সামান্য কাজ করার সূত্রে আমার অন্তত ডজন খানেক এরকম মেয়ের সাথে পরিচয় আছে৷ আমি এদের জীবন পাঠ করার চেষ্টা করেছি।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গল্পগুলি করুণ। পরীমনি সেই করুণ গল্পের একজন নন। সে এই সিস্টেমকেই উপভোগ করার চেষ্টা করেছে আইসক্রিমের মত তারিয়ে তারিয়ে। তাই আপাতত আমি তাকে মজলুম মনে করছিনা।

আমাদের পরিচিত নারীবাদীরাও দুইভাগে বিভক্ত। পরী সমর্থকদের পাল্লাই ভারী। কেউ কেউ তাদের টিজ করে বলছেন পরীবাদী। পরীমনির সমর্থকরাও অঞ্জনা অরুনা বিশ্বাসদের মত অভিনেত্রীদের এক হাত নিচ্ছেন৷ এক্ষেত্রে অবশ্য নারীর প্রতি সহিষ্ণুতা কাজ করছেনা৷ একজন তো পরীর প্রতি ভালবাসা থেকে অরুনা বিশ্বাসকেও বেশ্যা বলে গালি দিয়েছেন৷ বিভিন্ন প্রগতিশীল ও নারীমুক্তি বিষয়ক পেইজে অরুনা বিশ্বাস, অঞ্জনার মত শিল্পীকে নিলামে তোলা হয়েছে। নারীবাদীরা মিডিয়া ট্রায়ালের বিরুদ্ধে হলেও এক মাস আগে নাসির মাহমুদকে ভয়াবহ মিডিয়া ট্রায়াল করেছে। তার পরিবারের কাছে করুণভাবে হেয় করেছে৷ কেউ কেউ এখনো করে যাচ্ছে৷

পরীমনিকে অনেকেই সিম্প্যথি দেখাচ্ছেন একধরণের ভালাবাসা থেকে। আমি তাদের মনটাকে বুঝি। তারা মনে করছেন পরীমনি প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিক সিস্টেমকে নাড়া দিয়েছেন৷ সাহস দেখিয়েছেন৷ যা ইচ্ছা করেছেন৷ নিজের জীবন নিজে নিয়ন্ত্রণ করেছেন৷ যারা এটা পারেননা, সমাজের চোখে ভাল মেয়ে হবার তাগিদ থেকে একধরণের অবদমিত, প্রতিবাদহীন বন্দী জীবন যাপন করছেন তাদের চোখে পরীমনি 'এ রিয়েল ব্রেইভ গার্ল'। আমি বুঝি এটা তাদের আবেগ৷ কিন্তু মিডিয়া ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা আমাকে বলছে এটা নিছকই আবেগ। আমি তাদের এই আবগকে সহানুভূতি জানাই। কিন্তু বাস্তবতা হলো পরীমনির নিজের লাইফ এবং ওয়ার্কই হলো মিসোজেনিক। একজন ঘরবন্দী নারীর চেয়েও তার বন্দীত্ব বেশি৷ কিন্তু সে একে উপভোগের মোড়কে মুড়িয়ে, নানারকম দেখনদারি করে সবাইকে ধাঁধায় ফেলে দিচ্ছে।

তবে অবশ্যই পরীমনির জীবনে তার প্রতি কোমল হবার মত অসংখ্য উপাদানও আছে৷ তার শৈশব অনেক করুণ। তার বৃদ্ধ নানাকে দেখে আমিই আবেগাপ্লুত হয়েছি৷ এক সমুদ্র ভালবাসা নিয়ে একটা বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মানুষও কেমন শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমি তার জন্য প্রবল ভালবাসা অনুভব করেছি।

আরও পড়ুনঃ

রিমান্ড শেষে আজ আবারও আদালতে পরীমণি

রন ও দীপু সিকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি

গজনির পতন: তালেবানের সঙ্গে গোপন আঁতাত ছিল গভর্নরের

পরীমণির পক্ষে দাঁড়িয়েছেন দেশের ১৭ বিশিষ্ট নাগরিক


তর্কের খাতিরে কেউ যদি বলেন পরীমনির নানা পুরুষ বলে আমি তার প্রতি ভালবাসা অনুভব করেছি তাহলে অবশ্য আমার কিছু বলার থাকবেনা৷ এ জাতীয় তর্কও কেউ কেউ করছেন।

তারপরও বলব আমি এখানে স্পষ্টত কঠোর কোন স্ট্যান্ড নিতে চাইনা। আমি হিউম্যান ক্যারেক্টারের গ্রে এরিয়াতে বিশ্বাস করি। আমি শুধু পর্যবেক্ষণ করতে পারি।

পরীমনি নিরপরাধ হলে মুক্তি পাক৷ তবে তার অপরাধ চক্রে সম্পৃক্ত হওয়াটাও বিচিত্র নয়, এটাও মাথায় রাখতে চাই। বাকিটা সময় বলবে৷

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

‘ফেইল্ড ক্যাম্পেইন’টা সেপ্টেম্বরে ‘উইন ক্যাম্পেইন’ হয়ে গেলো

শওগাত আলী সাগর

‘ফেইল্ড ক্যাম্পেইন’টা সেপ্টেম্বরে ‘উইন ক্যাম্পেইন’ হয়ে গেলো

নির্বাচনের ঘোষনা দিয়ে মাঠে নেমেই জাস্টিন ট্রুডো টের পেয়ে গিয়েছিলেন- বড্ড ঝুঁকিপূর্ণ জুয়ায় নেমে গেছেন তিনি। সপ্তাহখানেকের মাথায়  দল আর ক্যাম্পেইন মিলে পর্যালোচনায় বসলো- কতোটা ঝুঁকির মধ্যে তারা, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব কী না- তা খতিয়ে দেখতে। তাদের সব ধরনের পর্যালোচনাই লিবারেল পার্টিকে ১৪০টির বেশি আসনের নিশ্চয়তা দিলো না। 

কিন্তু জাস্টিন ট্রুডো সেটি কাউকে বুঝতে দিতে চাইলেন না। সতর্ক হলেন- তার কথায়, চেহারায়, বডি ল্যাঙ্গুয়েজে- কোনোভাবেই যেনো পার্টির এই দুরাবস্থার প্রকাশ না পায়, তিনি উদ্বিগ্ন- সেটি যেনো কেউ ক্ষুণাক্ষরেও টের না পায়। ‘মেজরিটি’ শব্দটি ভুল করেও উচ্চারণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন নীতিনির্ধারকরা। পুরো প্রচারণায় জাস্টিন ট্রুডো একবারের জন্যও ‘মেজরিটি’ শব্দটি উচ্চারণ করলেন না- অথচ মেজরিটির জন্যই তিনি হঠাৎ নির্বাচনের ঘোষনা দিয়েছিলেন। লিবারেল পার্টি নিরবে নিজেদের মূল্যায়নের খাতায় টুকে রাখলো ‘ আগষ্ট- ফেইল্ড ক্যাম্পেইন’।

’ফেইল্ড ক্যাম্পেইন’টা  সেপ্টেম্বরে এসে ‘উইন ক্যাম্পেইন’ হয়ে গেলো। সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই টের পাওয়া যাচ্ছিলো নতুন কৌশলটা কাজ করছে। শেষ দুই সপ্তাহে এসে তারা বুঝে গেলেন- এই যাত্রা রক্ষা পাওয়া গেছে। দলের মূল্যয়ন খাতায় এবার লেখা হলো- ‘ সেপ্টেম্বর- উইন ক্যাম্পেইন’। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

ভোট হয়ে যাবার পর বিজয়ী লিবারেল পার্টি এখন সেইসব কথা নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। নতুন করে পর্যালোচনা করছে। তবে ‘একটি ‘ফেইল্ড ক্যাম্পেইন’কে ‘উইন ক্যাম্পেইনে’ রুপান্তরিত করে ক্ষমতায় ফিরে আসার ম্যাজিক কৌশলটা নিঃসন্দেহে উদ্দীপনামূলক এবং কৌতূহলোদ্দীপক। পার্টি কখনো সেই কৌশলটা খোলামেলা প্রকাশ করলে কিংবা কোনো অনুসন্ধানী সাংবাদিক খুঁজে বের করে রিপোর্ট করলে রাজনীতি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী এবং রাজনীতিতে আগ্রহীদের সেটি নতুন ভাবনার খোরাক যোগাবে নিঃসন্দেহে।

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বলছি না, প্রবাসীরা আওয়ামী লীগ বা বিএনপির রাজনীতি করবেন না

আনোয়ার সাদী

বলছি না, প্রবাসীরা আওয়ামী লীগ বা বিএনপির রাজনীতি করবেন না

বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত প্রবাসীরা যদি স্থানীয় রাজনীতি মনযোগ দিয়ে করতেন তাহলে আখেরে তা দেশের মানুষেরই কাজে দিতো। 

যুক্তরাজ্যে কিছু মানুষ আছেন যারা সেদেশের রাজনীতিতে ভালো করছেন, তাদের পূর্ব পুরুষ বাংলাদেশের। তাদেরকে আপনারা সবাই চেনেন, আমি আর নাম লিখলাম না। তারা দেশের যতোটা উপকার করতে পারবেন, সেদেশের আওয়ামী লীগ বা বিএনপি শাখার সভাপতি কী এতোটা কাজে আসবেন?  

আমেরিকা, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়াসহ যেসব দেশ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সেসব দেশে প্রবাসীরা এখন স্থানীয় রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন। ক্ষমতার রাজনীতির সঙ্গে যার যোগাযোগ যতোটা নিবিড়, সে ততবেশি মানুষের উপকার করতে পারে, এ বিষয়ে নিশ্চয়ই কারো দ্বি-মত নেই? ফলে, বাংলাদেশের পক্ষে পলিসি সুবিধা নিশ্চিত করতে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশের ক্ষমতার বলয়ে যোগাযোগ রাখা দরকার। সে কাজ শুধু আমাদের কূটনীতিবিদরাই করবেন কেন, দেশের মানুষরাও, বাংলাদেশি বংশোদ্ভুতরাও কূটনীতিবিদের কাজটি করে দিলে, ক্ষতি কী? 

আমি বলছি না প্রবাসীরা আওয়ামী লীগ বা বিএনপির রাজনীতি করবে না। বলছি না, জেলা সমিতি বা উপজেলা সমিতি করবে না। এসবেরও দরকার আছে। তবে এসব কাজে সব সময় বিলিয়ে দিলে, আরো বড় পরিসরে নিজেকে নিয়ে যাওয়ার কাজটি ব্যহত হয়ে বলেই অনেকের ধারণা। 

অনেক সময়, রাজনীতিবিদরা এক দেশে বসে আরেক দেশের রাজনীতি পরিচালনা করেন। কেউ কেউ নিজ দেশ থেকে নির্বাসিত থাকেন, প্রবাসে থেকে দল গুছিয়ে, ক্ষমতা দখল করে ফিরে আসার স্বপ্ন দেখেন। ইতিহাসে আমরা প্রবাসী সরকার গঠন করতেও দেখি। তারা বিদেশে থাকলেও তাদের জগত স্বদেশ নিয়ে থাকে। পরিষ্কার বলে রাখি, এই আলোচনা তাদেরকে নিয়ে নয় বা তাদের জন্য নয়। এই আলোচনা তাদেরকে নিয়ে করছি, যারা স্থায়ীভাবে অন্য একটি দেশে বসবাস করতে স্বদেশ ছেড়েছেন।  

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

একটি কথা প্রচলিত আছে, প্রবাসীদের প্রথম জেনারেশন শারীরিকভাবে বিদেশে থাকে, কিন্তু তারা মানসিকভাবে বাস করে বাংলাদেশে। দ্বিতীয় জেনারেশন দেশের জন্য কিছুটা টান অনুভব করে। তৃতীয় জেনারেশন নাকি পুরোপুরি বিদেশি হয়ে যায়। এটাই আমাদের ভাবনায় রাখতে হবে। শেকড়ের প্রতি টান যেনো প্রবাসীদের মাঝে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বজায় থাকে, সে পরিবেশ তৈরি করে রাখতে হবে।  

যারা রেমিট্যান্স পাঠায় তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখছি। এটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তবে বাংলাদেশের পক্ষে অপর একটি দেশের নীতি সহায়তা নিশ্চত করা কোনোভাবেই ছোট কাজ নয়।

লেখাটি নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভির সিনিয়র নিউজ এডিটর, আনোয়ার সাদী-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

'এই লোকটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলতে চেয়েছিল না?'

মোহাম্মদ আলি আরাফাত

'এই লোকটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলতে চেয়েছিল না?'

এই লোকটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলতে চেয়েছিল না? লাশ ফেলার ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে ধরা খেয়ে জেলও খেটেছে। এ আবার বড় বড় নীতি বাক্য শোনায় জাতিকে। লজ্জাও নাই এদের!

আমরা কোন একটা কথা বলা বা লেখার আগে দশ বার চিন্তা করি, কোন ভুল কিছু না বলে ফেলি বা লিখে ফেলি। অথচ এরা নিয়ত করে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার করে। 
এরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলে, অথচ মত প্রকাশের স্বাধীনতা তো পরের কথা, এরা মিথ্যাচার করার স্বাধীনতাও ভোগ করছে। এই লোককে যদি শুধু মিথ্যা অপপ্রচারের জন্য আইন অনুযায়ী জবাবদিহিতার আওতায় আনা হতো তাহলে সে বার বার সাজা পেত। 

রও পড়ুন:

জন্মদিনে সৃজিতের কাছে কী চাইলেন মিথিলা?

বায়ু দূষণের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথম, ঢাকা তৃতীয়

৪৫ মিনিট পর হাসপাতালে অলৌকিকভাবে বেঁচে উঠলেন নারী!

গাড়ি সাইড দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর করলেন এমপি রিমন!


আওয়ামী লীগের এবং সরকারের সহিষ্ণুতা ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এরা যা ইচ্ছা তাই মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। তাও না কি এদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নাই!

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ইভানা কি আত্মহত্যা করলো না অনার কিলিং-এর শিকার হলো?

অনলাইন ডেস্ক

ইভানা কি আত্মহত্যা করলো না অনার কিলিং-এর শিকার হলো?

এই ইভানাকে আমি খুব ভালো চিনি। খুব ভালো মানে খুব ভালো। আপাত সামাজিক প্রতিষ্ঠা পাওয়া অথচ অসহায় নারীদের আমার চেয়ে ভালো আর কেউ চেনে না। এই অনার কিলিংগুলো আমার চেনা।

ইভানা মরে গিয়ে জাস্ট একটা কেস হয়েছে, কেস স্টাডিই দেখেন। শিক্ষিত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। শিক্ষকরা বলছে, খুব মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল সে, বিতর্ক করতো। কিন্তু পড়াশোনা শেষ না করে ব্যারিস্টার ঢাকায় বাড়ি গাড়ি থাকা ছেলে দেখে বাবা বিয়ে দিলে সেই বিয়েতে "না" বলার সাহস ইভানার ছিল না। তার নিজের ব্যারিস্টার হবার ইচ্ছা শিকেয় তুলে সে ঘরকন্নায় মন দিয়েছিল।  

বিয়ের পর ইভানা সবাইকে জানিয়েছে সে সুখী। মিথ্যা সুখের অভিনয় করে গেছে অবিরাম। দু'টো বাচ্চা হয়েছিল একটা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন। স্বামীর সঙ্গে তার না বনা প্রথম থেকেই কিন্তু সে ডিভোর্সকে ভয় পেতো। নিজের কমফোর্ট জোন হারানোর ভয়? এই কথাটা সবসময় মাথায় ঘোরে আমার। মেয়েরা কি আসলে স্বামীর দেয়া স্বাচ্ছন্দ্য হারানোর ভয় করে না কি সমাজের? ইভানা দু'টো ভয়ই পেয়েছিল।

তার বাবা-মা জানিয়ে দিয়েছিল-  "যা কিছুই ঘটুক, স্বামীর সাথে থাকতে হবে।" ইভানা "বয়স" হয়ে যাওয়া বাবা মাকে ডিভোর্সের "লজ্জ্বা"য় ফেলতে চায় নি।

উপরন্তু দু'টো বাচ্চাকে নিয়ে এই শহরে চলার মতো কোনও আয় তার ছিল না। এরইমধ্যে স্বামীর অন্য নারীর সাথে সম্পর্ক জেনে এবং জীবনের এইসব পরিস্থিতি থেকে এক্সিট করার পথ হিসেবে একমাত্র আত্মহত্যাকেই দেখতে পেল ইভানা।

এখন বলেন, সে কী আত্মহত্যা করলো না অনারকিলিং বা হত্যার শিকার হলো? আমাদের সমাজ নারীর জন্য "ভালো পাত্র" হিসাবে যাকে রায় দেয় সে মানুষ হিসেবে কেমন তা কি কেউ দেখে? আর পরিবার। বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারই একেকটা  আন্দামানের কালাপানি। বিনা অপরাধে শাস্তি পাওয়া নারীদের সেইখানে কারাবাস হয়। বিয়ে মানে সেইখানে শেষ কথা। যে পরিবার একজন মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসার স্থল হবার কথা সেই পরিবার যখন কারাবাসের মতো হয় এই হিংস্র সমাজে তাহলে একটা নারী কোথায় যাবে কেউ বলতে পারেন? 

ইভানা আত্মহত্যা করেছে। "আত্মহত্যা কোনও সমাধান নয়" বলে অতিক্লিশে মোটিভেশনাল কথা আমি বলতেই পারি কিন্তু বলবো না কারণ ইভানার জুতা পায়ে আমি হাঁটিনি। যা করেছে সে ঠিকই করেছে। শুধু ভাবি, জীবনের কি বিপুল অবচয়!

রও পড়ুন:

প্রবাসীর জ্যাকেটের হাতায় ২ কোটি টাকার সোনা!

অবশেষে বাদুড়ের মধ্যে মিলল করোনাসদৃশ

লক্ষ্মীপুরে ৪ মাদকসেবীর বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

বিয়ে করছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা!


ইভানার "আত্মহত্যা" নিয়েে ফেসবুক বিশেষ সড়গড় দেখলাম না, সম্ভবত তার এইভাবে মরে যাওয়াটা নারীবাদের কোনও শাখার মধ্যে পড়ে না। "প্রতিবাদ" না করে মরে যাওয়ার মতো এইসব "দুর্বলতা" সম্ভবত নিন্দা যোগ্য। এতো সব সবল, প্রতিষ্ঠিত নারীদের ভিড়ে ইভানার মরে যাওয়া একটা লজ্জ্বাজনক অধ্যায় সম্ভবত। কিন্তু মেয়েটা কি করলে ঠিক হতো কেউ বলতে পারেন? ইভানার বেঁচে থাকার মতো একটা ন্যূনতম সমাজ আর রাষ্ট্র কী সৃজন করা গেছে?

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

সকল নাগরিকের জন্য 'অবসরভাতা' চালু করা হোক

আরিফ জেবতিক

সকল নাগরিকের জন্য 'অবসরভাতা' চালু করা হোক

আমরা বেশিরভাগই পরিশ্রমী 'বেসরকারি' মানুষ। সারাজীবন এলেবেলে ধরনের চাকুরি করি। না আছে যোগ্য সম্মান, না আছে যোগ্য পারিশ্রমিক। বিক্রয় প্রতিনিধি, বীমা এজেন্ট, বেসরকারি শিক্ষক, সাংবাদিক, গার্মেন্টেসর এক্সিকিউটিভ, একাউন্ট অফিসার, স্টোর ইনচার্জ- এরকম এক দীর্ঘ তালিকাতেই আমাদের অধিকাংশ মানুষের বাস।

সারাজীবন হাড়ভাঙা খাটুনি করে প্রতি মাস শেষে যে বেতন পাই সেটি বাড়িভাড়াতেই চলে যায়। সঞ্চয়ের কোনো সুযোগ নেই।
তারপরও যদি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গ্রামের বাড়ির দুই শতক জায়গা বিক্রি করে কিংবা আধপেটা খেয়ে লাখ দুয়েক টাকা জমাতে পারি, সেই টাকা বিনিয়োগের কোনো সুযোগ নেই।

জমি কিনতে যাবেন তো কিস্তির পর কিস্তি দিয়ে যাবেন, তারপর একদিন শুনবেন সেই কোম্পানি হাওয়া হয়ে গেছে। নানা ধরনের হায় হায় কোম্পানির ফাঁদে হারাবেন সর্বস্ব।

আমাদের টাকা তাই খেয়ে যায় শেয়ার মার্কেটের ফড়িয়ারা, এহসান গ্রুপ-যুবক-ডেস্টিনি-ইভ্যালির ধান্দাবাজরা।

যখন বুড়ো হয়ে যাব, তখন আমরা কীভাবে চলব? আমাদের চাকুরিরই নিশ্চয়তা নেই, পেনশনের তো বালাই-ই নেই। আর সরকারি ছোট চাকুরিও যারা করেন, তাঁরাও এককালীন যে টাকাটা পান সেই টাকাটা কোথায় খাটাবেন?

একটা মোটামুটি ব্যবস্থা ছিল সঞ্চয়পত্র। সারাজীবনে কয়েক লাখ টাকা যোগাড় করতে পারলে সেই টাকায় কেনা সঞ্চয়পত্রে কয়েক হাজার টাকা পেলে কষ্টেক্লিস্টে অন্তত একটা মানবিক সম্মান রেখে জীবনপাত করতে পারতেন আমাদের বুড়ো মানুষগুলো।

কিন্তু সঞ্চয়পত্রের সুদের হারও কমিয়ে আনা হলো। দেশে টাকা রাখার জায়গা নেই, তাই সাধারন এলেবেলে মানুষের টাকা এখন আর লাগছে না কারো। তাছাড়া এই হারে ইন্টারেস্ট দিয়ে টাকা রাখাটাও এখন অর্থনৈতিক দিক থেকে যৌক্তিক না।

আমি তাই জোর দাবি জানাই যে সকল নাগরিকের জন্য 'অবসরভাতা' চালু করা হোক। কর্মক্ষম প্রতিটি মানুষ প্রতি মাসে তাঁর ইচ্ছানুযায়ী একটি অংশ টাকা এই সরকারি স্কিমে জমা রাখবেন। বিনিময়ে বয়স ৬০ বছর পার হলে, তিনি বাকি জীবন সরকার থেকে একটি মাসিক পেনশন পাবেন। পেনশনের পরিমান এমন হবে যাতে তিনি বাকি জীবন একটি সম্মানজনক অবস্থায় জীবনযাপন করতে পারেন।
রও পড়ুন:

জন্মদিনে সৃজিতের কাছে কী চাইলেন মিথিলা?

বায়ু দূষণের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথম, ঢাকা তৃতীয়

৪৫ মিনিট পর হাসপাতালে অলৌকিকভাবে বেঁচে উঠলেন নারী!

গাড়ি সাইড দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর করলেন এমপি রিমন!


এটি কোনো আহামরি বা আচানক ব্যবস্থা নয়। বিদেশে এরকম সুযোগ আছে সবার জন্য। এজন্যই ওসব দেশে রিটায়ারমেন্টের পরে বুড়োবুড়িরা একটি স্বচ্ছল জীবন যাপন করতে পারেন। ঘুরতে পারেন, বেড়াতে পারেন, রোগে ভুগলেও সাহস হারান না। মাথার উপর একটি ছাদও থাকে।

আমাদের দেশে এই ব্যবস্থা সরকারের তরফ থেকে চালু করতে হবে। সারাজীবন টেনশনের জীবন যাপন করে এদেশের অধিকাংশ মানুষ। অন্তত মরার আগে কয়েটা দিন দুশ্চিন্তাহীন কাটানোর প্রত্যাশা করা খুব বেশি কিছু না।

(মত-ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর