বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা : খালি পায়ে ও কালো কাপড়ে ৪৬ বছর

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা : খালি পায়ে ও কালো কাপড়ে ৪৬ বছর

৪৬ বছর ধরে খালি পায়ে, কালো কাপড় ও জামা পরে জীবনযাপন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ইসহাক আলী শরীফ (৯২)। বঙ্গবন্ধুর প্রতি এমন ভালোবাসার কারণে এলাকায় তিনি মুজিব পাগল নামে পরিচিত। 

বৃদ্ধ ইসহাক আলী শরীফের বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে।

১৯৭০ সালে তিনি জাহাজ ভাঙা শ্রমিক হিসেবে পরিবার পরিজন নিয়ে চট্টগ্রামে যান। সেখানে তিনি জাহাজ ভাঙা শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়ার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দরিদ্রতার কাছে তিনি হেরে যান।

পরিবার পরিজনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধে গিয়েও মাঝপথে ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ছিল তার অকৃত্রিম ভালোবাসা। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতি ছিল তার অগাধ বিশ্বাস। দেশ স্বাধীনের পরে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমতলীতে আসেন। খবর পেয়ে ৩৫ কিলোমিটার পথ হেঁটে তিনি সেখানে যান। কিন্তু ততক্ষণে বঙ্গবন্ধু আমতলী ছেড়ে চলে যান। 

অল্প সময়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার দেখা হয়নি। কিন্তু হাল ছাড়েননি তিনি। ওই বছরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বরগুনায় আসেন। খবর পেয়ে তিনি বরগুনায় ছুটে যান। সামনাসামনি দেখা না হলেও দূর থেকে তিনি বঙ্গবন্ধুকে দেখেন। 

১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট চট্টগ্রামে বসে রেডিও খবরে জানতে পারেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘাতকরা হত্যা করেছে। 

স্বাক্ষরজ্ঞানহীন ইসহাক আলী শরীফ শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন।  স্ত্রী সন্তানকে রেখে প্রাণের মায়া ত্যাগ করে ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে  যান। ততক্ষণে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে তার গ্রামের বাড়ি টুঙ্গিপাড়া নিয়ে সমাহিত করে। 

পরে তিনি গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর থেকে তিনি আর চট্টগ্রামে ফিরে যাননি। গ্রামের বাড়িতে দিন মজুরি করে দিনাতিপাত করতে থাকেন। ওই সময় থেকেই তিনি খালি পায়ে ও কালো কাপড়, কালো জামা পরে জীবনযাপন শুরু করেন। 

গত ৪৬ বছর খালি পায়ে হেঁটে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। কিন্তু বিনিময়ে কিছুই চাননি। বর্তমানে বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছেন।  তার শেষ জীবনে চাওয়া বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করা। 

চরপাড়া গ্রামের আব্দুল হক মৃধা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে হত্যার খবর পেয়েই ইসহাক আলী শরীফ কালো লুঙ্গি, গাঁয়ে কালো জামা এবং খালি পায়ে হাঁটছেন। গত ৪৬ বছরই তিনি এ পোশাক পরিধান করে আছেন। 

তিনি আরও বলেন, কখনও তার সামনে  শেখ সাহেবকে নিয়ে কেউ খারাপ মন্তব্য করলে তিনি তার প্রতিবাদ করেন। এ রকম প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি ৩-৪ বার হামলারও শিকার হয়েছেন। সারা জীবন শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা ও জয়বাংলার স্লোগান দেওয়ার কারণে এলাকার মানুষ তাকে মুজিব পাগল বলে ডাকেন। 

খলি পায়ে থাকা ও কালো পোশাক প্রসঙ্গে ইসহাক আলী বলেন, ‘যে মাটিতে নেতা শেখ সাহেব ঘুমিয়ে আছেন, সেই মাটিতে আমি জুতা পায়ে কখনো হাঁটতে পারি না। তাই শেখ সাহেবর মৃত্যুর পর আর জুতা পায় দিইনি। আমি শেখ সাহেবের শোক সইতে না পেরে কালো পোশাক পরে থাকি। শেখ সাহেবকে আমরা রাজনৈতিক দল দিয়ে ভাগ করি। শেখ সাহেব কোনো দলের জন্য এ দেশ মুক্ত করেননি। তিনি বাংলার জনগণের জন্য মুক্তির ডাক দিয়েছিলেন। তাই শেখ সাহেবকে রাজনৈতিক দলের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।’


যতক্ষণ না পুলিশ আসবে, মিডিয়া আসবে লাইভ চলবে: পরীমনি

আবারও মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

একসঙ্গে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম


 

তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ছোটবগী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মু. তৌফিকউজ্জামান তনু বলেন, ইসহাক শরীফ গত ৪৬ বছর খালি পায়ে হেটে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। কিন্তু বিনিময়ে তিনি দলের কাছে কিছুই চাননি। তবে তিনি তাকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করেছেন বলেও জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে প্রসঙ্গে ইসহাক আলী বলেন, শেখ হাসিনা ব্যস্ত মানুষ। যদি কখনো সময় দেন তা হলে মৃত্যুর আগে একবার হলেও দেখা করব। তবে তার কাছে আমার চাওয়ার কিছু নেই।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পা পিছলে ড্রেনে কলেজ ছাত্রী, চলছে উদ্ধার অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

পা পিছলে ড্রেনে কলেজ ছাত্রী, চলছে উদ্ধার অভিযান

চট্রগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ মাজার গেইট ও আগ্রাবাদ মোড়ের মাঝামাঝি এলাকায় ডায়মন্ড রেস্টুরেন্টের বিপরীত পাশের খোলা ড্রেনে পা ফসকে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন কলেজ ছাত্রী সাদিয়া (১৯)।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে এক আত্মীয়সহ চশমা কিনে বাসায় ফেরার পথে ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ হয় সে।  তাকে উদ্ধারে সঙ্গে থাকা মামা ড্রেনে ঝাপ দিলেও তিনি ব্যর্থ হয়ে উঠে আসেন৷

ঘটনাস্থলে থাকা ডবলমুরিং থানার উপ পরিদর্শক মারুফ উল ইসলাম জানিয়েছেন,নিখোঁজ সাদিয়া চট্টগ্রামের হালিশহর থানার মইন্যাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ।

নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাদিয়ার খোঁজ মেলেনি। সাদিয়ার খোঁজে ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে থানা ও ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের একাধিক টিম।

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস জানায়, উদ্ধার অভিযান চলছে। একটি ডুবুরি দল, একটি স্পেশাল দলসহ মোট চারটি টিম উদ্ধারে কাজ করছে। উদ্ধার কাজে এক্সেবেটর নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


নগরীর ডবলমুরিং থানার উপ পরিদর্শক মারুফ উল ইসলাম বলেন, তার মামা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে থানায় জানানোর সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজনও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে এখন পর্যন্ত তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রায় দুই কিলো মিটার পর্যন্ত এ ড্রেন বারিক বিল্ডিং মোড় পর্যন্ত গেছে। কিছু জাগায় খোলা থাকলেও বেশিরভাগ স্থানে স্ল্যাব বসানো রয়েছে৷ এছাড়া পুরো ড্রেনজুড়ে ময়লাভর্তি। তাই নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধারে বেগ পেতে হচ্ছে।  

এর আগে গতমাসে মুরাদপুরে ড্রেনে পড়ে এক সবজি বিক্রেতা নিখোঁজ হয়েছিলেন। গত একমাসের বেশি সময়েও তার খোঁজ মিলেনি৷

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সেই পাঠাও চালককে বাইক দেবেন গোলাম রাব্বানী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সেই পাঠাও চালককে বাইক দেবেন গোলাম রাব্বানী

রাস্তায় বারবার ট্রাফিক পুলিশের মামলার প্রতিবাদে সোমবার সকালে রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোডে পুলিশের সামনে শওকত আলম সোহেল নামে এক বাইকার নিজেই তার মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এবার দেশব্যাপী আলোচিত পাঠাও চালক শওকত আলম সোহেলকে মোটর সাইকেল উপহার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

গোলাম রাব্বানী তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি এই ঘোষণ দিয়ে জানান,কটা মানুষ কতটা কষ্ট পেলে, কতটা অসহায়ত্ব তাকে গ্রাস করলে ক্ষোভে-দুঃখে উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন, মোটরসাইকেলটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়, মানবিক হৃদয় দিয়ে সেটা অনুধাবনের চেষ্টা করুন!

নিম্নে গোলাম রাব্বানীর স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো..
জনাব শওকত আলম সোহেল; করোনা দুর্যোগে নিজের ছোট্ট দোকানের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে, জীবন জীবিকার তাগিদে কয়েকমাস যাবত পাঠাও রাইডার হিসেবে রাস্তায় নামেন!

চরম অর্থনৈতিক দৈন্যদশার মাঝে 'মরার উপর খাঁড়ার ঘা'... একটা মানুষ কতটা কষ্ট পেলে, কতটা অসহায়ত্ব তাকে গ্রাস করলে ক্ষোভে-দুঃখে উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন, মোটরসাইকেলটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়, মানবিক হৃদয় দিয়ে সেটা অনুধাবনের চেষ্টা করুন!

আমি Team Positive Bangladesh (TPB) এর পক্ষ থেকে 'দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভালোবাসার উপহার' হিসেবে শওকত আলম ভাইকে একটি ভালো মানের মোটরসাইকেল কিনে দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছি। তার সাথে ফোনে কথা হয়েছে, কিছুক্ষণ পরেই টিপিবি'র অফিসে আসবে। সরাসরি কথা বলে দ্রুততম সময়ে বাইক হস্তান্তর করা হবে ইনশাআল্লাহ।

আর আজকে বাংলাদেশ পুলিশের সুযোগ্য মহাপরিদর্শক, শ্রদ্ধেয় ডঃ Benazir Ahmed এর জন্মদিনে তাঁর গুণমুগ্ধ ভক্ত ও স্নেহাশিস অনুজ হিসেবে আকুল আবেদন, এই দুর্যোগকালীন সময়ে রাইড শেয়ারিং এপ্লিকেশন ভিত্তিক লক্ষাধিক সাধারণ চালকদের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে, তাদের প্রতি নমনীয়, সহনশীল আচরণ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করতে দেশব্যাপী ট্রাফিক পুলিশের প্রতি যথাযথ নির্দেশনা দেবেন। শওকত আলম ভাইয়ের মতো আরো অনেকেই আছেন, যারা পেশাদার চালক নন, করোনা দুর্যোগকালীন উদ্ভুত পরিস্থিতিতে চাকরি/ ব্যবসা হারিয়ে বাধ্য হয়ে বাইক নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

প্রসঙ্গত, পাঠাও চালক শওকত আলম সোহেলর বাড়ি কেরানীগঞ্জে। করোনা সংক্রমণ শুরুর আগে তিনি স্যানিটারি সামগ্রীর ব্যবসা করতেন। এতে তার লোকসান হয়। জীবিকা নির্বাহে শওকত দুই মাস ধরে বাইকে যাত্রী পরিবহন করতেন। তিনি অ্যাপভিত্তিক রাইড সেবা উবার ব্যবহার করতেন।

কয়েক দিন আগে পল্টনে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় একটি মামলা হয় শওকতের নামে। এ মামলার টাকা পরিশোধ করার পর সকালে আবার মামলা দিতে যাচ্ছিলেন বাড্ডা এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্ট। তখন ক্ষুব্ধ হয়ে বাইকের ট্যাংকি থেকে তেল বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন শওকত।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সেই পাঠাও চালককে বাইক উপহার দেবেন প্রকৌশলী নাসির

অনলাইন ডেস্ক

সেই পাঠাও চালককে বাইক উপহার দেবেন প্রকৌশলী নাসির

ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন ও পাঠাও চালক শওকত আলম ।

রাস্তায় বারবার ট্রাফিক পুলিশের মামলার প্রতিবাদে আজ (সোমবার) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোডে পুলিশের সামনে শওকত আলম সোহেল নামে এক বাইকার নিজেই তার মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এবার দেশব্যাপী আলোচিত পাঠাও চালক শওকত আলম সোহেলকে মোটর সাইকেল উপহার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন একজন প্রকৌশলী। 

তিনি হলেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার  মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি একটি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ইঞ্জনিয়ার মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের ফাউন্ডেশনের একটি প্রজেক্ট রয়েছে কর্জা হাসানা বা বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। এজন্য আমরা বিভিন্ন পণ্য সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের দিই। পরে তারা নিজেদের সুবিধামত তা কিস্তিতে পরিশোধ করেন। তবে ওই ব্যক্তির ভিডিও দেখে আমি বুঝেছি যে, আসলে তিনি খুবই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এজন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তার ওই কর্জে হাসানা আমি নিজের পক্ষ থেকে দিয়ে দেব। আর ওনাকে উপহার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল দিয়ে দেব। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

প্রসঙ্গত, পাঠাও চালক শওকত আলম সোহেলর বাড়ি কেরানীগঞ্জে। করোনা সংক্রমণ শুরুর আগে তিনি স্যানিটারি সামগ্রীর ব্যবসা করতেন। এতে তার লোকসান হয়। জীবিকা নির্বাহে শওকত দুই মাস ধরে বাইকে যাত্রী পরিবহন করতেন। তিনি অ্যাপভিত্তিক রাইড সেবা উবার ব্যবহার করতেন।

কয়েক দিন আগে পল্টনে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় একটি মামলা হয় শওকতের নামে। এ মামলার টাকা পরিশোধ করার পর সকালে আবার মামলা দিতে যাচ্ছিলেন বাড্ডা এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্ট। তখন ক্ষুব্ধ হয়ে বাইকের ট্যাংকি থেকে তেল বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন শওকত।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পাইপ ভাঙা নিয়ে জামাই-শ্বশুরের সংঘর্ষ, আহত ৩০

অনলাইন ডেস্ক

পাইপ ভাঙা নিয়ে জামাই-শ্বশুরের সংঘর্ষ, আহত ৩০

টিউবওয়েলের পাইপ ভাঙা নিয়ে শ্বশুর-জামাইয়ের বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শিবপাশা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে ১৬ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে উপজেলার শিবপাশা গ্রামের মাতাবুর রহমানের মেয়ের সঙ্গে একই গ্রামের মোজাক্কির মিয়ার বিয়ে হয়ে। শনিবার মোজাক্কির মিয়ার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে টিউবওলের পাইপ ভাঙা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় শ্বশুর মাতাবুর রহমানের। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

এরই প্রেক্ষিতে জামাই মোজাক্কির মিয়াসহ তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শ্বশুর মাতাবুর রহমানের লোকজনের সঙ্গে। এতে নারীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। 

আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম এই ঘটনার বিষয়ে জানান, শুধু পাইপ ভাঙা নয় জামাই ও শ্বশুরের মধ্যে গ্রাম্য আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মুরগির বাচ্চা নিয়ে ঝগড়া, নিহত ১ গ্রেফতার ২

অনলাইন ডেস্ক

মুরগির বাচ্চা নিয়ে ঝগড়া, নিহত ১ গ্রেফতার ২

মুরগীর বাচ্চা নিয়ে বাকবিতণ্ডা এক পর্যায়ে দু'পক্ষের মারামারিতে রুফ নেয়। আর সেই মারামারিতে আহত এক বৃদ্ধের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু্ হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেফতারকৃত ২ আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, উপজেলার ৬নং চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের কিশোর মজুমদার ও তার ছেলে সৌরভ মজুমদার। নিহত দিলীপ সাহা (৬০) উপজেলার ৬নং চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের মৃত হর লাল চন্দ্র সাহার ছেলে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুরগির বাচ্চাকে মারধরকে কেন্দ্র করে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মৃত দিলীপ সাহার সাথে প্রতিবেশী কিশোর মজুমদার ও তার ছেলে সৌরভ মজুমদারের বাকবিতণ্ডা ও মারামারি হয়। এসময় প্রতিপক্ষের মারধরে দিলীপ সাহা গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকায় প্রেরণ করে। ঢাকায় নিউরোলোজি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  বৃহস্পতিবার রাত দুইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত কিশোর মজুমদার ও তার ছেলে সৌরভ মজুমদারকে গ্রেফতার করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর