৭৫'এর নির্মম এক ইতিহাসের স্বাক্ষী নাসরিন আহমেদ

অন্তরা বিশ্বাস ও আফরিন আনোয়ার

৭৫'এর নির্মম এক ইতিহাসের স্বাক্ষী নাসরিন আহমেদ

১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটির প্রতিবেশীরা দেখেছিলেন রক্ষক কি করে নৃশংস উপায়ে ভক্ষকে পরিণত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কি করে তারই হাতে গড়ে তোলা, তারই সেনারা, বাঙ্গালীর টাকায় কেনা অস্ত্র দিয়ে বাঙ্গালীর নেতাকে হত্যা করে । এই ভয়াবহ ইতিহাস বলছিলেন বঙ্গবন্ধুরই প্রতিবেশি বেগম বদরুন্নেসার কন্যা নাসরিন আহমেদ ।  

তখন ভোর সাড়ে ৫টা। বাতাসও টের পায়নি এই বাংলার মাটিতে কখন ঘাতকরা ভিড় করেছে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধুর সেই ৬৭৭ নম্বর বাড়ির গেটে। ফজরের আজানের সাথে গুলির শব্দ মিলে রাতের নিরবতা ভাঙ্গে চারপাশে ।

প্রতিবেশি নাসরিন আহমেদের ভাষ্যে উঠে আসে সেদিনের সেই ভয়াবহতা। তিনি বেগম বদরুন্নেসা আহমেদের মেয়ে এবং বঙ্গবন্ধুর প্রেস সচিব আমিনুল হক বাদশার মামাতো বোন। দেয়ালের ওপার থেকে বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকা গুলির শব্দে পরিবারটি প্রথমে ধারণাও করতে পারেন নি বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার নির্মমতার। জানালা দিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন বাইরের অবস্থা। সশস্ত্র পোশাকধারীদের অবস্থান দেখে ভেবেছিলেন রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছ। কিন্তু নেই রক্ষক যে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে তা ছিল ধারণার অতীত ।

এসময়ে বুঝতে বাকি রইলো না যে বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবার এক ভয়ংকর সময় পার করছে। ততোক্ষণে নাসরিন আহমেদের বাড়ির দরজায়তেও বিপদের সাড়। দরজা খোলার পর বাড়ির সবাইকে ধমকের সুরে লাইন ধরে দাঁড়াতে বললো সেনা সদস্যরা ।

সেনা পাহারায় বারান্দার এককোণে জড়ো করে সবাইকে এরই মধ্যে এ বাড়ির পাহারাদারদের সঙ্গে ইশারায় কথা চলতে দেয়া যায়।

আরও পড়ুন


আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ শহর মাজার শরিফ দখলে নিয়েছে তালেবান

মমেকের করোনা ইউনিটে আরও ২৫ জনের মৃত্যু

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে দেশপ্রেমের গান উৎসর্গ করলেন মমতা

১৫ আগস্ট: বাঙালির ইতিহাসে কলঙ্কময় দিন

ভারী হয়ে ওঠা বাতাসে বুঝতে দেরি হয় নি আর বঙ্গবন্ধুর ও তার পুরো পরিবারের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ইতিহাসের কলঙ্কজনক ঘটনা। সেনা পাহারায় থাকে পুরো বাড়ি। বেলা ১১টা নাগাদ বারান্দা থেকে ঘরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয় নাসরিন আহমেদের পরিবারক। পরদিন সকালে বাড়ি ত্যাগ করেন ।

বাঙ্গালীর সেই মহা নায়ক ও তার পরিবারের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সেদিনের সেই ভয়াবহতা স্বচক্ষে না দেখলেও নির্মম এক ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে পরিবারটি ।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী: আমু

বাবু কামরুজ্জামান

বাংলাদেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী: আমু

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে নিম্ন মধ্য আয়ের বাংলাদেশে উত্তরণ; যেখানে আছে এক বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার ইতিহাস। সরকারের রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের মাইলফলক; এমডিজি অর্জন;  দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত রূপান্তরসহ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রায় সবই সফল হয়েছে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে। তার হাত ধরেই আজকের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিস্ময় ছড়ায় বিশ্বের বুকে। 

তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বিশ্বের বিস্ময়। ক্ষুধা দারিদ্র্যের তকমা কাটিয়ে উঠেছে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। যার হাত ধরে আমূল পাল্টে গেছে দেশের দারিদ্র্য কিংবা গোটা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো। তার প্রধান রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বয়েস ৭২ বছর হলেও ২১ বছর দেশের নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে সাড়ে ১৬ বছরই নেতৃত্বে আছেন শেখ হাসিনা।১৯৯৬ সালে তাঁর নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ । ক্ষমতা গ্রহণের শুরুতেই  ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন ও পার্বত্য শান্তিচুক্তির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান করেন শেখ হাসিনা। ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা বিজয় আসে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরেই। 

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, আজকের বাংলাদেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন


বিশ্বের প্রশংসাসহ সব অর্জনই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে

ফাইজারের আরও ২৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছেছে আজ

গালে থাপ্পড়ের পর এবার ডিম হামলার শিকার ম্যাক্রোঁ, ভিডিও ভাইরাল

মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মুসলিমরা


কেবল রাজনৈতিক সাফল্য নয়; শেখ হাসিনার হাত ধরেই প্রসার হয় ডিজিটাল বাংলাদেশের। তাইতো মহাকাশেও এখন সগর্বে বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট।

একের পর সাহসী সিদ্ধান্তে অটুট থাকা প্রধানমন্ত্রী; বিশ্ব ব্যাংকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে গড়ে তুলেছেন পদ্মা সেতু। যা এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে বিশ্বের বুকে। রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দরসহ একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়ে তার বাস্তবায়নের পথে হাঁটছেন শেখ হাসিনা। 

অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার স্বপ্ন কেবল অভিলাষ নয়; ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মাত্র পৌনে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি তার নেতৃত্বে ছাড়ায় ৮ শতাংশের ঘর। একই বছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় ৭৫৯ ডলার থেকে এখন তা ছাড়িয়েছে ২হাজার ২শ ডলার।

রফতানি আয় ২০০৮-০৯ এ ছিল ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যা ছাড়ায়  ৪০ বিলিয়ন। এছাড়া ২০০৮-০৯ অর্থবছরে যে প্রবাসী আয় ছিল ৯ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার; ২০১৯-২০ এ তা দাঁড়িয়েছে ১৮ বিলিয়ন ডলারে। আর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাড়ে ৭শ কোটি ডলার থেকে বেড়ে এখন ৪,৫০০ কোটি ডলারের মাইলফলকে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবতার অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন বিশ্বময়। এছাড়া সবশেষ বৈশ্বিক মহামারি করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় তার ভূমিকা দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। তার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বনির্ভর। তাইতো মাথা নত না করা এক বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে অনন্য রোল মডেল।

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পর্যটন খাত

আরেফিন শাকিল

নানা সংকটে পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত। বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তাহীনতা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দুষ্প্রাপ্যতা ও ব্যয়বহুল যাত্রায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। অথচ করোনার প্রাদুর্ভাবের পরও বিভিন্ন দেশের আয়ের বড় খাত এখনো পর্যটন শিল্প।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সান্ধ্যকালীন বিনোদন আর অবকাঠোমোগত সংকটে পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এখাত এগিয়ে নিতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী।

সাগর-পাহাড় আর সবুজের মিতালীর নৈস্বগের বাংলাদেশ। কিন্তু অপার সম্ভবনার এমন পর্যটন খাত বাস্তবতায় হাটছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

চায়ের শহর মৌলভীবাজারের কথা ধরা যাক। বিস্তৃন চা বাগান, লাউয়াছড়া পার্ক, মাধবপুর লেক এযেন এক বিস্ময়। অথচ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় বাড়ছে না সেখানে পর্যটকের সংখ্যা।

পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, পাবত্য অঞ্চল, সিলেট, সুন্দরবনের মতো নৈসর্গিক স্থান। কিন্তু সেখানেও নানা সীমাবদ্ধতায় খুব বেশি দেখা নেই বিদেশি পর্যটকের বরং দিন দিন কমছে।

আরও পড়ুন: 


বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণে সময় বাঁচবে ৩ ঘণ্টা

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসময় যাচ্ছে: ফখরুল

প্রকাশ হলো এসএসসি ও এইচএসসির পরীক্ষার রুটিন

নিজের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিলেন বাইকার


অথচ মহামারি করোনার মতো প্রতিকূলতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত-নেপাল-ভুটানের পর্যটন।

এমন বাস্তবতায় আবারো এলো বিশ্ব পর্যটন দিবস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাতকে আকর্ষণীয় করতে নিতে হবে দ্রুত সময়ে বাস্তবায়ন যোগ্য পদক্ষেপ।

বিদেশি পর্যটকদের টানতে কক্সবাজারে ফরেন জোনের কাজ চলছে জানিয়ে বেসরকারী বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, দ্রুতই সংকট কেটে যাবে এখাতের।

দ্য ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল বলেছে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গেলো দুই বছরে পর্যটন খাতের অন্তত পাঁচ কোটি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বাংলাদেশেও সে সংখ্যা কয়েক হাজার।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত

আরেফিন শাকিল

পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত

নানা সংকটে পাঁচ দশকেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দেশের পর্যটন খাত। বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তাহীনতা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দুষ্প্রাপ্যতা ও ব্যয়বহুল যাত্রায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। অথচ করোনার প্রাদুর্ভাবের পরও বিভিন্ন দেশের আয়ের বড় খাত এখন পর্যটন শিল্প। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সান্ধ্যকালীন বিনোদন আর অবকাঠোমোগত সংকটে পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ খাত এগিয়ে নিতে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানালেন বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী। 

সাগর-পাহাড় আর সবুজের মিতালীর নৈস্বগের বাংলাদেশ। কিন্তু অপার সম্ভবনার এমন পর্যটন খাত বাস্তবতায় হাঁটছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। 

চায়ের শহর মৌলভীবাজারের কথা ধরা যাক। বিস্তীৰ্ণ চা বাগান, লাউয়াছড়া পার্ক, মাধবপুর লেক এ যেন এক বিস্ময়। অথচ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় বাড়ছে না সেখানে পর্যটকের সংখ্যা।

পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, পাবত্য অঞ্চল, সিলেট, সুন্দরবনের মতো নৈসর্গিক স্থান। কিন্তু সেখানেও নানা সীমাবদ্ধতায় খুব বেশি দেখা নেই বিদেশি পর্যটকের বরং দিন দিন কমছে। অথচ মহামারি করোনার মতো প্রতিকূলতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত-নেপাল-ভুটানের পর্যটন।

এমন বাস্তবতায় আবারো এলো বিশ্ব পর্যটন দিবস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাতকে আকর্ষণীয় করতে নিতে হবে দ্রুত সময়ে বাস্তবায়ন যোগ্য পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন


বাবা হারালেন শ্রীলেখা

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নগরে এসছে শরৎকাল

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের


বিদেশি পর্যটকদের টানতে কক্সবাজারে ফরেন জোনের কাজ চলছে জানিয়ে বেসরকারী বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, দ্রুতই সংকট কেটে যাবে এ খাতের।

দ্য ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল বলেছে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গেলো দুই বছরে পর্যটন খাতের অন্তত পাঁচ কোটি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বাংলাদেশেও সে সংখ্যা কয়েক হাজার। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

নগরে এসছে শরৎকাল

রিশাদ হাসান

নগরে এসছে শরৎকাল

নগরে এসছে শরৎকাল। সাদা মেঘের ভেলা আর শুভ্র কাশফুলের অনিন্দ্য সৌন্দর্যের কাব্যে-গানে, নগরবাসী খুঁজে নেয়; এক চিলতে সুখ। প্রকৃতির পালাবদলের মাঝে ঋতুরানী শরৎকালকে যেন আলাদা করেই দেখেন সবাই। লিলুয়া বাতাস বা উষ্ণতা, তার মাঝেও যেন এক উৎসব মুখর আনন্দ।

শরতের শারদ সম্ভার সূর্য অরূণ আলোয় জানান দিচ্ছে, প্রকৃতিতে এই সময়টা শুধুই ঋতুরানীর। তাইতো নাগরিক মন চঞ্চল হয়ে উঠতে চায় প্রভাত বেলায়।

শুভ্র কাশফুলে অনেক স্বপ্ন প্রবণ হয়ে উঠতে ইচ্ছে করা সময়টায় কিছুটা সুখ বার্তা নিয়ে আসে নীল আকাশের কার্নিশে ভেসে বেড়ানো পেঁজা মেঘ। জানান দেয় এই শরৎ কবি ও কবিতার।

কালিদাসের মেঘদূতের মত নারীর কাছে মোহনীয় হয়ে ওঠে শরৎ। কখনও কাঁশফুল ছুঁয়ে বা তার উপর শাড়ির ঢেউ তুলে রাবীন্দ্রিক ভঙ্গিমায় হেটে চলা, অথবা জয়নুলের ক্যানভাসে কল্পনার বেসাতী ছুঁয়ে যাওয়ায় চেষ্টা চলে দিনভর।

চর্যাপদ থেকে আধুনিক সমাজ সবখানেই শরৎ ছিলো কবির কবিতায়। নাগরিক জীবনেও তার ব্যাতিক্রম নয়। তরুণ কবিরাও লেখেন শরৎ বন্দনা।

আরও পড়ুন


সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’, দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


ভুলে যাওয়া গানের কলির মত অনেকের সময়টা কাটে নদীর পাশে। গিটারের টিউন পাল্টে যায় যেন অনায়েসে। গায়ক আওড়াতে থাকেন চিরচেনা সেই সুর।

প্রকৃতির এত উপকরণের মাঝে অনেকে খুঁজে নেন এক চিলতে সুখ, যা কখনও ফ্রেমবন্দী হয়, আবার কখনও ভাগাভাগি হয় প্রিয়জন বা পরিবারের সঙ্গে। 

news24bd.tv রিমু

পরবর্তী খবর

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সুকন্যা আমীর

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

পৃথিবীর পাঠশালার অন্যতম এক ছাত্র ছিলেন সৈয়দ শামসুল হক। তাঁর লেখনীর অন্যতম বিষয়বস্তুই ছিলো মানুষ। দীর্ঘ সাহিত্য জীবনে তিনি তাঁর সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস নাটকে। তাঁর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে নিউজ টোয়েন্টিফোরের শ্রদ্ধা।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য তিনি ঠিক করেছিলেন কৈশোরেই। অকপটে বাবাকেও জানিয়েছিলেন সে কথা। সেই জেদের প্রমাণ মেলে তাঁর লেখনীতে। তিনি সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, কিংবা অনুবাদে তিনি বাংলা সাহিত্যকে করেছেন সমৃদ্ধ। সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে স্বৈরতন্ত্র জায়েজ কথাটি, তাঁরই মুখে মানায়।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান বলেন, 'শামসুল হক কবিতাকে অবলম্বন করে কাব্যভাষায় নাটক লিখেছিলেন। এর আগে অন্য কেউ তা করে নি।'

তিনি আরও বলেন, সৈয়দ শামসুল হকের তুলনা কেবল তিনিই। বিশ্ব সাহিত্যের সাথে তার একটা ভালো যোগাযোগ ছিলো বলেও জানান আতাউর রহমান। 

আরও পড়ুন


বজ্রপাত থেকে বাঁচতে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প, ২৩ জেলায় এক হাজার ছাউনি

আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’, দেশে ভারী বৃষ্টির আভাস

অবসান ঘটতে যাচ্ছে আঙ্গেলা ম্যার্কেলের

শিশু সন্তানকে জবাই করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, আটক মা


সব্যসাচীর লেখনীর মূল উপজীব্যই ছিলো মানুষ। আর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিতে চেয়েছিলেন শিল্পের স্বাদ। 

সৈয়দ হকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস দেয়ালের দেশ। গণনায়ক, ঈর্ষা, নীল দংশন কিংবা হ্যামলেটের অনুবাদ এই বইগুলো আজও পাঠকের হাতে।  

সাহিত্যের এই বাজিকরের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জীবনের পাঠ চুকিয়ে আলিঙ্গন করেন মৃত্যুকে। তবুও পরাণের গহীন ভিতর বাস করবেন তিনি।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর