অতিরিক্ত জনসমর্থন রাজনীতিকদের স্বেচ্ছাচারী করে ফেলে

শওগাত আলী সাগর

অতিরিক্ত জনসমর্থন রাজনীতিকদের স্বেচ্ছাচারী করে ফেলে

বিরোধী রাজনৈতিক দল চায়নি, নাগরিকদের পক্ষ থেকে দাবি উঠেনি, বরং জনমত জরীপে অধিকাংশ নাগরিকই এই মুহূর্তে নির্বাচনের বিরোধীতা করেছেন, দেশ সম্পূর্ণ করোনা মুক্ত হয়নি- তবু জাস্টিন ট্রুডো এক তরফা নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন। তাও আবার মাত্র কয়েক সপ্তাহ সময় দিয়ে। এটি একধরনের ট্রিক্ও বটে। 

অতিরিক্ত জনসমর্থন বা জনপ্রিয়তা রাজনীতিকদের স্বেচ্ছাচারী করে ফেলে। জাস্টিন ট্রুডোর সিদ্ধান্তে সেটি আবারও প্রমাণিত হলো। 

আরও পড়ুন:


রিলিফের কাপড়ের কাফন দিয়ে সমাহিত করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে

চলে গেলেন ফুটবল কিংবদন্তি গার্ড মুলার

আফগানিস্তানের পরিস্থিতি থেকে আমাদের কি কিছু শেখার আছে

একাধারে কাবুলে ঢুকতে শুরু করেছে তালেবান


কোভিডকালে অনাকাংখিত নির্বাচনের প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলাম। কূটচালে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার চেষ্টা সফল হয় কী না দেখা যাক।

লেখাটি শওগাত আলী সাগর- এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কালো আপেল, লাল কলা এবার আসেন আমরা কালো মোরগ দেখি

শান্তা আনোয়ার

কালো আপেল, লাল কলা এবার আসেন আমরা কালো মোরগ দেখি

শান্তা আনোয়ার

এই কালো মোরগ পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়াতে। ইন্দোনেশিয়াতে এই মোরগকে ডাকা হয় Ayam Cemani বলে। এদের আদি নিবাস ছিলো জাভা দ্বীপপুঞ্জে। ইন্দোনেশিয়ার ভাষায় ayam মানে মুরগী আর জাভা ভাষায় cemani অর্থ সম্পূর্ন কালো। ইন্টারনেটে একে গথ মুরগীও বলা হয়। এই মুরগীর এমন একটা জিন আছে যার ফলে পুরো শরীরে হাইপারপিগমেন্টেশন হয়। শুধু পালক আর চামড়া না এই মুরগীর মাংসও কালো।

১৯৯৮ সালে প্রথম ইউরোপে এ জাতের মোরগ আনা হয়। সৌখিনদের কাছে এই জাতের মোরগ খুবই জনপ্রিয়। তবে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে অপ্রতুলতার কারণে এক একটি মোরগের দাম পড়ে প্রায় আড়াই হাজার ডলার বা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২ লাখ টাকা।

দেখতে যাই হোক অথবা দাম যেমনই হোক খেতে কেমন লাগে জানার ইচ্ছা থাকলো। যে সমস্ত ভাই বোনেরা ইন্দোনেশিয়া থাকেন, তারা একটু আওয়াজ দিবেন এই কালা মুর্গির স্বাদ কেমন তা নিয়ে।
 
আর হ্যাঁ একটা তথ্য আমরা অনেকেই  হয়তো জানি না। মোরগের কেন ঝুঁটি হয়?  মোরগের ঝুঁটিতে তাকে খুব সুন্দর লাগে। অনেকেরই ধারণা  সৌন্দর্যের জন্যে ঝুঁটি আছে মোরগের কিন্তু এই ঝুঁটির কাজ কী?
 
মোরগের শরীরে কোন ঘামের গ্রন্থি নাই। তাই সে ঘাম ঝরিয়ে তার শরীরকে ঠাণ্ডা করতে পারেনা। যখন মোরগের শরীর গরম হয় তখন মোরগের শরীরের রক্ত এই ঝুটিতে আসে। এই ঝুটি রক্ত ঠাণ্ডা করতে পারে। রক্ত আসে জন্যই ঝুটির রঙ থাকে উজ্জ্বল লাল।

লেখাটি শান্তা আনোয়ার-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

সমাজকে বেশি বদলানো বা রাতারাতি বদলে দেয়ার চেষ্টা- ঠিক না

মিল্লাত হোসেন

সমাজকে বেশি বদলানো বা রাতারাতি বদলে দেয়ার চেষ্টা- ঠিক না

সমাজকে বেশি বদলানো বা রাতারাতি বদলে দেয়ার চেষ্টা- ঠিক না। একে গ্রহণ-বর্জনের ধারাবাহিকতার ভেতর দিয়ে organically বিকশিত বা বিলীন হয়ে যেতে দেয়াটাই ভাল। 

এদেশে ১৯৫৬ সালে জমিদারি বিলোপ করা হলেও সমাজের শরীর ও মন থেকে সামন্তবাদ ও প্রভু-ভৃত্যের সম্পর্কের সুতো ছিন্ন হয়নি, গন্ধ মুছে যায়নি আজো। 

পশ্চিমা, সমাজতান্ত্রিক, উদারনৈতিক, গ্রিন, পুঁজিবাদী ইত্যাদি সমাজের মানবাধিকার, সমতা, গণইচ্ছা, নারীবাদ, সুষম বণ্টন, ভোট, স্বচ্ছতা, সুশাসন, যুদ্ধ ও শান্তির আইন, ফেয়ার ট্রায়াল, শিশু অধিকার-এসবের হাজারো হাবিজাবি তত্ত্ব এই সমাজে সরাসরি ও আকস্মিকভাবে অনুপ্রবেশ করানোটা আখেরে বরং ক্ষতিই ডেকে আনে। 

আমরা ভুলে যাই যে, কতো হাজার যুদ্ধবিগ্রহ, কতো কোটি মানুষের প্রাণ, সম্পদের কী ভীষণ অপচয়, ঔপনিবেশিক শোষণ, জাতিগত নির্মূলাভিযান আর চরম লুঠতরাজের পরই ওসব অর্জন করেছে পশ্চিমারা। 

শোষণ-লুণ্ঠনের মাধ্যমে অর্জিত উন্নতি ও প্রাযুক্তিক ঔৎকর্ষের পাটাতনে দাঁড়িয়েও সেই পশ্চিমাদের এখনও নিজেদের জনগণকে এসব সুখশান্তির নিশ্চয়তা দিতে কতো হিমশিম খেতে হয়! 

কৃত্রিমভাবে এসব কথিত "ভাল-ভাল" জিনিস সমাজে-রাষ্ট্রে ঢোকানোর ফল ব্যাকফায়ার করে।

লেখাটি মিল্লাত হোসেন-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

মিল্লাত হোসেন, বিচারক

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কীভাবে বিশ্ব পেলো সৌদী আরব

শান্তা আনোয়ার

কীভাবে বিশ্ব পেলো সৌদী আরব

আজ বৃহস্পতিবার, সৌদি আরবের ৯১ তম জাতীয় দিবস।  দিনটি মূলত সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠা দিবস।

১৯০২ সালের ১৫ জানুয়ারি সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আব্দুল আজিজ আব্দুর রহমান আল সৌদ এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে তার পৈত্রিক শহর রিয়াদ দখল করেন। দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর সংগ্রামের পর ১৯৩২ সালের ২১ মে এক রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে আরবের বিভিন্ন অংশের একত্রিকরণের ঘোষণা দেয়া হয়। পরবর্তীতে একই বছর ২৩ সেপ্টেম্বর আধুনিক সৌদি আরব গঠিত হয়।

সেই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটিকে সৌদি আরবের জাতীয় দিবস হিসেবে  করা হয়।
সৌদি আরবের সম্পূর্ণ  নাম হচ্ছে, আল মামলাকাতুল আরবিয়্যাতুস সৌদিয়া ( রাজকীয় সৌদি আরব ( Kingdom of Saudi Arabia (KSA)
প্রতিষ্ঠাতা :  আবদুল আযীয বিন আবদুর রহমান।

স্বীকৃতি লাভ করে, ২০শে মে ১৯২৭ ঈসায়ি। ১৯৩২ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর সব গোত্র ও প্রদেশ একত্রীকরণ করা হয়। সে জন্য প্রতি বছর ২৩শে সেপ্টেম্বরই সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়। এটি হিজরি সনের প্রথম দিন।
রিয়াদ ছাড়াও সৌদি আরবে ১৩টি প্রাদেশিক প্রশাসনিক রাজধানী আছে।
সৌদি আরবে একচ্ছত্র রাজতন্ত্র চলে। বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান হচ্ছেন খাদিমুল হারামাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আযীয আল-সৌদ ও মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি আরবের সংস্কৃতি মূলত ইসলামি শরিয়া ও ইসলামি শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ভূমি মক্কা ও মদিনা উভয়টি সৌদি আরবে অবস্থিত হওয়ায় ইসলামি সংস্কৃতি খুবই শক্তিশালী। ইসলামি আইন অনুযায়ী বিচারব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

পতাকার রঙ সবুজ। এতে তাওহিদের মর্মবাণী “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” (আল্লাহ ছাড়া আর কোনো সত্যিকারের ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল) এই কালিমা আরবিতে লেখা রয়েছে। কালিমার নিচেই একটি কোষমুক্ত তরবারি আঁকা আছে, যা দ্বারা ন্যায়বিচারকে বোঝানো হয়েছে। এ কালিমা লেখা থাকায় সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না। এবং সবুজ রঙ ইসলামের ঐতিহ্যের দিকে ইঙ্গিতবহ। আড়াআড়ি দুইটি তরবারির ওপর একটি খেজুরগাছ হলো সৌদি আরবের জাতীয় প্রতীক। খেজুরগাছ দ্বারা বোঝানো হয়েছে সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধি।
 
ভৌগোলিক সীমারেখা : উত্তরে- জর্ডান ও ইরাক, দক্ষিণে ওমান ও ইয়ামন, পূর্বে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আরব সাগর, পশ্চিমে লোহিত সাগর। আয়তনে প্রায় ২২,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার বা ৮,২৯,৯৯৬ বর্গমাইল।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

অনেকেই সমস্যার সমাধান চেয়ে ইনবক্সে চিঠি লিখেন

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

অনেকেই সমস্যার সমাধান চেয়ে ইনবক্সে চিঠি লিখেন

অনেকেই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার সমাধান চেয়ে ইনবক্সে চিঠি লিখেন, যেগুলোর অধিকাংশেরই উত্তর দিতে পারি না। কিছুদিন ধরে মৌলিক লেখা ফেসবুকে প্রকাশ করছি না, আগেরগুলোও সরিয়ে নিয়েছি। 

শুধু মাঝে মধ্যে মেসেঞ্জারে ঢুকে চিঠিগুলো পড়ি। উত্তর দিতেই হবে, এরকম কোনো চাপ অনুভব করি না। আর ব্যক্তিগত সমস্যা বিষয়ক কোনো প্রশ্নের উত্তর এমনিতেও দিই না, কারণ এটি আমার আগ্রহ ও এক্সপার্টাইজের বাইরে। কেবল কারও ব্যক্তিগত সমস্যায়, সামাজিক ও দার্শনিক উপাদান খুঁজে পেলে উত্তর লিখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। 

প্রশ্নকর্তার পরিচয় গোপন রেখে সে-উত্তর মাঝেমধ্যে ফেসবুকে প্রকাশও করি। কারণ একই প্রশ্ন, সমাজের আরও অনেক মানুষের মনে থাকতে পারে। কিন্তু কেউ যখন লিখেন, "প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন না হলে আমার মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই", তখন খুব বিপদে পড়ি। একটি অপরাধবোধ মনের ভেতর উশখুশ করতে থাকে।
 
এ চিঠিটির উত্তরে স্পেসিফিক পরামর্শ দেয়া খুব কঠিন। কিন্তু এর জবাবে কিছু কথা বলতে চাই। অন্যথায় ছেলেটি সত্যি সত্যি মৃত্যুর পথ বেছে নিলে আমি খুব অপরাধবোধে ভুগবো।

আমাদের মধ্যবিত্ত সমাজে শিশুদের যে-প্রক্রিয়ায় লালন-পালন করা হয়, তা বেশ ট্রমাটাইজিং। দশম শ্রেণীর একটি শিশুর কাঁধেও আমরা বিশ্বজয়ের প্রত্যাশা চাপিয়ে দিই, যা আহাম্মকি ছাড়া কিছু নয়। ছেলেটি মাধ্যমিকে রেজাল্ট খারাপ করেছে, অর্থাৎ কাঙ্ক্ষিত জিপিএ পায় নি। এ জন্য তার জীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ যন্ত্রণা। 

এ যন্ত্রণার উৎস সমাজ ও পরিবার। সমাজ এখন মানুষের সফলতা মাপছে জিপিএ ও চাকুরি-বাকুরি দ্বারা। সমাজের এ দৃষ্টিভঙ্গী, সংক্রমিত হয়েছে পরিবারে, অথবা পরিবারের এ দৃষ্টিভঙ্গী, সংক্রমিত হয়েছে সমাজে। 

পরিবারগুলো এতো বেশি বৈষয়িক হয়ে উঠেছে যে, শিশুরা অবৈষয়িক কোনো শখই পূরণ করতে পারছে না। যে-মানুষ সারাজীবন লাড্ডু ফলিয়েছে, সে-ও তার সন্তানের কাছে লাখ টাকার চাকুরি আশা করছে। যে নিজে নানা পরীক্ষায় ফেল করেছে, সে আশা করছে তার সন্তান সব পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পাবে। আমার ‘জিপিএ ফাইভ ও জুতোর ফ্যাক্টোরি’ প্রবন্ধে এ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছিলাম। 

ছেলেটি ইন্টার পাশ করার পর তার বাবা-মা আর তার খরচ বহন করতে চাচ্ছে না। আমি জানি না ছেলেটির বাবা-মা কেন এ কথা বলছে। তবে এর দুটি কারণ থাকতে পারে বলে মনে করি। এক—  তাদের আর্থিক সচ্ছলতা নেই। দুই— তারা চাচ্ছে, ছেলেটি যেন নিজে আয় করে স্বাবলম্বী হয়। 

আমাদের দেশে একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে এরকম— কিছু পড়ালেখা করে ফেললে আর সাধারণ কোনো কাজ করা যাবে না। করতে হবে বড় বড় কাজ। কাকে বলে বড় কাজ? কৃষিকাজ কি বড় কাজ নয়? দোকান খুলে পণ্য ও সেবা বিক্রি করা, এটা কি বড় কাজ নয়? ঘুড়ি উড়ানো কি ছোট কাজ? গান গাওয়া কি ছোট কাজ? বড় কাজ কি শুধু লাখ টাকা বেতনের চাকুরি করা? ছেলেটিও সম্ভবত, সমাজের ফাঁদে পা দিয়ে এসব কাজকে ছোট কাজ জ্ঞান করছে। ছেলেটির উচিত, আর্থিক সংকট কাটাতে কোনো ‘ছোট’ কাজে লেগে পড়া। ছোট কাজ করে যখন আর্থিক সচ্ছলতা আসবে, তখন বড় কাজ শুরু করা। 

রও পড়ুন:


জন্মদিনে সৃজিতের কাছে কী চাইলেন মিথিলা?

বায়ু দূষণের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথম, ঢাকা তৃতীয়

৪৫ মিনিট পর হাসপাতালে অলৌকিকভাবে বেঁচে উঠলেন নারী!

গাড়ি সাইড দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর করলেন এমপি রিমন!


আর মানসিক যন্ত্রণা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ। অধিকাংশ যন্ত্রণাই মানুষের নিজের উদ্ভাবন। নানা বিষয়ের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখাতে গিয়ে মানুষ যন্ত্রণায় পতিত হয়। স্টয়োক ও বুদ্দিস্ট ফিলোসোফিতে এর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়। পরিবার আমাকে ত্যাগ করেছে, সমাজ আমাকে ভালো চোখে দেখছে না, এ তুচ্ছ কল্পনাগুলো বাদ দিলে যন্ত্রণা কমে যাবে। বাবা-মার আচরণের প্রতি বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাতে গিয়েই ছেলেটি মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে বলে মনে করি।

‘মৃত্য ছাড়া উপায় নেই’ এটি একটি নিহিলিস্ট চিন্তা। যারা নিহিলিজম চর্চা করেন, তাদের কাছে এগুলো ডালভাত, কিন্তু নিহিলিস্ট মানুষদের অধিকাংশই ভণ্ড। এরা নিজেরা মরতে চায় না, শুধু অন্যদের মরে যাওয়ায় নির্বিকার থাকতে চায়। কেউ মারা গিয়েছে, এ সংবাদে নিহিলিস্টরা বলবে— তো কী হয়েছে? মরুক! আবার নিজের মৃত্যুর সম্ভাবনা দেখা দিলে, চিকিৎসাবিদ্যার সকল সুযোগই এরা গ্রহণ করবে। 

জীবন জিনিসটাই একটা অসুখের মতো। পৃথিবীতে কোনো সুখি মানুষ নেই। কখনো ছিল, এমনটিও মনে হয় না। সুতরাং, ছেলেটি নিজেকে অসুখী ভাববে, সেটাই স্বভাবিক। যারা বলে— আমরা সুখি মানুষ, তারা মূলত নিজেদের অসুখগুলো লুকিয়ে রাখার কৌশল আয়ত্ত করেছে। 

এ জন্য মৃত্যুকে, তার আপন গতিতে আসতে দেয়াই ভালো। তাড়াহুড়ো করে মৃত্যুর কাছে পৌঁছানোর কোনো দরকার নেই। একবার মৃত্যু হয়ে গেলে, কোনোভাবেই আর পৃথিবীতে ফেরা যাবে না। আর মৃত্যুচিন্তা বেকার ও অকর্মণ্য মানুষদেরই বেশি গ্রাস করে। কারণ এরাই সবচেয়ে বেশি হতাশাগ্রস্ত হয়। কোনো কাজ না পেলে, ছেলেটির উচিত অন্তত বই পড়ার কাজ বেছে নেয়া। সবাইকে ধন্যবাদ। 

(এই লেখাটি ফেইসবুক থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের। স্যোশাল মিডিয়া পাতায় প্রকাশিত লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়। )

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

আজ দিন-রাত সমান

লুৎফুন্নাহার

আজ দিন-রাত সমান

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর ব্যাতিক্রম একটি দিন, আজ সর্বত্র দিন-রাত সমান। প্রতি বছর অর্থাৎ ৩৬৫ দিনের মধ্যে পৃথিবীর দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে, এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং একটি ২৩ সেপ্টেম্বর।

ল্যাটিন ভাষায় আজকের দিনকে বলে 'ইকুইনক্স' অর্থাৎ দিন-রাত সমান।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর আলো দেবে।

আরও পড়ুন: 


চাকরিচ্যুত সংবাদিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এল মৃত ডলফিন

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

গুলশান লেকে নৌকাডুবি, যাত্রীরা সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে


আগামীকাল থেকেই সূর্যের চারদিকে আপন কক্ষপথের পৃথিবীর পরিক্রমণের কারণে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরে যেতে শুরু করবে।

আবহাওয়াও উত্তরা বাতাসে শীত থেকে শীতার্ত হবে, ধীরে ধীরে দীর্ঘ হবে পরবর্তী রাতগুলো।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর