সুরক্ষায় রেজিস্ট্রেশন করেও কেউ কেউ পাচ্ছে না এসএমএস

রিশাদ হাসান

সুরক্ষা ওয়েব পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করার এক মাস পেরিয়ে গেলেও টিকা পাচ্ছেন না কেউ কেউ। এসএমএস না পেয়ে আবার অনেকেই চলে যাচ্ছেন কেন্দ্রে টিকা না পেয়ে শুরু হচ্ছে হট্টগোল। আপতত দেশে করোনা টিকা প্রয়োগের এটিই সবচেয়ে বড় সমস্যা। টিকা কেন্দ্র গুলোর দায়িত্বে যারা রয়েছেন তাদের মতে নিবন্ধনের চেয়ে টিকা প্রয়োগের সক্ষমতা কম হওয়ায় সৃষ্টি হচ্ছে এমন জটিলতা। সুরক্ষা ওয়েব পোর্টালের তথ্য বলছে কিছু কেন্দ্রে টিকা নিতে অপেক্ষমানের তালিকা প্রায় দেড় লাখ ছুঁই ছুঁই। 

ঢাকা শিশু হাসপাতাল। ২৮ জুলাই যারা রেজিষ্ট্রেশন করেছেন, আজ তাদের কিছু অংশ পাচ্ছে করোনা ভ্যাকসিন। বাকিদের থাকতে হচ্ছে অপেক্ষায়।

রাজধানীর বিভিন্ন টিকা কেন্দ্রের অবস্থা প্রায় একই। বিভিন্ন কেন্দ্রে যারা টিকা নিয়েছে তাদের কেউ সুরক্ষা ওয়েবে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন ১০ দিন আগে কারো পেরিয়েছে গেছে এক মাস।

টিকার জন্য যে পরিমানে নিবন্ধন হচ্ছে সে অনুপাতে টিকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তৈরি হচ্ছে অপেক্ষমানদের দীর্ঘ তালিকা, বলছেন এই হাসপাতালের রোগতত্ব বিশেষজ্ঞ।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধীনে থাকা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে টিকার জন্য অপেক্ষায় আছেন সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশী, পরের অবস্থানেই ৯১ হাজার জন অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে টিকার জন্য। তুলনামূলক ছোট কেন্দ্র হওয়া সত্তেও বাপসা নগর মাতৃসদনের অপেক্ষমানের তালিকা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে। তালিকায় ৫ নম্বরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

আরও পড়ুন:


কাবুল দখলের পর ভারতের প্রতি তালেবানের কৃতজ্ঞতা ও হুঁশিয়ারি

ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড হাইতি, মৃত বেড়ে ৭০০

আমেরিকার কী ঠ্যাকা পড়েছে আফগানিস্তানে নটখট করার?


 

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের সহকারী পরিচালক বলছেন, এসএমএস না পেয়ে কেন্দ্র এসে যারা টিকা দিতে চাইছেন বাধ্য হয়েই তাদের ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। 

করোনা চিকিৎসার পাশাপাশি এই টিকা প্রয়োগের চাপ। এই দীর্ঘ জট খুলতে আদৌ কত সময় নিবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ?

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মৃত্যু কমে বাড়লো শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

মৃত্যু কমে বাড়লো শনাক্ত

সারাদেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন শনাক্ত হয়েছে ৯৮০ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩৫১ জনে।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

করোনায় আক্রান্ত রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় আক্রান্ত রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থী

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবির জাওয়াদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. নূরজাহান বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে আবির বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত তার কোনো শারীরিক জটিলতা দেখা যায়নি।
প্রধান শিক্ষক ড. নূরজাহান বেগম বলেন, আবির জাওয়াদের পরিবার আগে থেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। সেখান থেকে আবির আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। ওই শিক্ষার্থী গত ১৮ সেপ্টেম্বর করোনা পজেটিভ হয়। এর আগে সে স্কুলে এসেছিল। তবে এখন তার শ্রেণির কারও করোনার উপসর্গ দেখা না যওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী ক্লাস চলছে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত গাজর খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত গাজর খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা

গাজরের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। তবে অতিরিক্ত গাজর খেলে হতে পারে শরীরের বিভিন্ন সমস্যা। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিদ্যা বিভাগের জার্নালে গবেষকরা শরীরের উপর গাজরের কুপ্রভাব সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য তুলে ধরেছেন।  

অতিরিক্ত গাজর খেলে ঘুম কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে সচতন থাকা উচিত। আপনার শরীরের ওজনের উপর নির্ভর করে কতটা গাজর খাওয়া উচিত।

গাজরের কেন্দ্রে যে হলুদ অংশটি থাকে, তার বেশ কিছু উপাদান পেটের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত গাজর খেলে পেট ব্যথা হতে পারে।

ছোট বয়সে শিশুদের বেশি পরিমাণে গাজর খাওয়ালে তাদের ত্বকের রং হলুদ হয়ে যায়। তবে এটি সাময়িক সমস্যা। এ ছাড়াও শিশুদের দাঁতের ক্ষয় হতে পারে অতিরিক্ত গাজর খাওয়ার ফলে।

আরও পড়ুন


রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ

আবদুল গাফফার চৌধুরী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

কুমিরের পেট থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির দেহাবশেষ উদ্ধার!

চলতি বছর পাঠ্যবইয়ে খোদ জাতীয় সংগীতকেই ভুলভাবে ছাপানো হয়েছে


গাজর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে— এ কথা সত্যি। পাশাপাশি এটাও দেখা গিয়েছে, বেশি মাত্রায় গাজর খেলে অন্ত্রে অতিরিক্ত বিটা ক্যারোটিন জমা হয়। তা অন্ত্রের ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

news24bd.tv রিমু   

 

পরবর্তী খবর

কখন গর্ভনিরোধক পিল খাবেন না

অনলাইন ডেস্ক

কখন গর্ভনিরোধক পিল খাবেন না

অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে আজকাল জরুরি গর্ভনিরোধক পিল খাওয়ার একটা বেশ চল হয়েছে। অনেকে গর্ভধারণের ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে একই মাসে এ ধরনের জরুরি গর্ভনিরোধক পিল একাধিকবার খেয়েছেন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই। সাধারণত অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্কের ৭২ থেকে ১২০ ঘণ্টার মধ্যে এই পিল খেতে হয়।

এই পিল খেলে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হয়ে জরায়ুতে আসতে দেরি হয়। এই সময়ের মধ্যে জরায়ুতে থাকা শুক্রাণুগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ডিম্বাণু শুক্রাণুর সঙ্গে নিষিক্ত হতে পারে না। ফলে গর্ভধারণও হয় না। 

গর্ভনিরোধক পিল সবসময় খাওয়া ঠিক নয়। এতে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

গর্ভনিরোধক পিল কখন খাওয়া উচিত নয়  :
এক পায়ে বা পশ্চাদদেশ একটানা ব্যথা থাকলে অথবা আগে থ্রম্বো এমবোলিক রোগের ইতিহাস থাকলে।

আগের গর্ভকালীন জন্ডিস এবং চুলকানির ইতিহাস থাকলে।

লিভারের রোগে ভুগলে পিল খাওয়া ঠিক হবে না। তবে আগে জন্ডিসে ভোগার পর বর্তমানে সেরাম বিলিরুবিন, এসজিপিটি, সেরাম এলকালাইন ফসফাটেজের  মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে খেতে বাধা নেই।

ডায়াবেটিস থাকলে।

বহুদিন ধরে রক্তচাপ জনিত রোগে ভুগলে।

মাইগ্রেন বা আধ কপালে মাথাব্যথা থাকলে, ইপিলেপসি বা মৃগী রোগ থাকলে।

হাঁপানি থাকলে। কারণ, পিল খেলে হাঁপানি আরো বাড়তে পারে।

গর্ভাবস্থায় এবং ইতিপর্বে গর্ভকালীন সময়ে হার্পিস নামক ভাইরাসজনিত রোগের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস  থাকলে।
বিশেষ ধরনের সিকলসেল অ্যানিমিয়া হলে।

চর্বির বিপাকজনিত রোগে ভুগলে।

স্তন  ও জরায়ু মুখের এবং জরায়ুর ক্যানসার থাকলে কিংবা শরীরে কোনো সন্দেহ জনক টিউমার থাকলে।

এ ছাড়াও কোনো অস্ত্রোপচারের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে থেকে পিল খাওয়া বন্ধ রাখা উচিত। এতে করে অস্ত্রোপচারের পরবর্তী থ্রম্বোএম্বোলিক রোগের সম্ভাবনা কমে যায়।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


 

নিউটন বলেছিলেন, প্রতিটি ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু যেকোনো ওষুধের ক্ষেত্রে ‘সমান ও বিপরীত’ কথাটার মতো সামান্য নয় ব্যাপারগুলো। বরং প্রতিটি ওষুধেরই ক্ষেত্রবিশেষে বেশ বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ‘ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ’ হলেও তাই জরুরি গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের সুবিবেচক হতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মিষ্টি কুমড়ার যতগুণ

অনলাইন ডেস্ক

মিষ্টি কুমড়ার যতগুণ

জনপ্রিয় একটি সবজি মিষ্টি কুমড়া। বিভিন্ন ধরনের মাছ, মাংস, ডালের সঙ্গে কুমড়া রান্না করে খাওয়ার চল রয়েছে নানা জায়গায়। 

অন্যদিকে, ভিটামিন এর পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর জিঙ্ক রয়েছে যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। চুল পড়া, ত্বকের সমস্যাও দূর করে। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। 

মিষ্টি কুমড়ায় থাকা বিটাক্যারোটিন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এই ধরনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের ফ্রি র‌্যাডিক্যালকে নষ্ট হতে দেয় না। দূষণ, মানসিক চাপ, শাক, সবজিতে থাকা সার, কীটনাশকের কারণে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল নষ্ট হয়ে যায়। ফ্রি র‌্যাডিক্যাল নষ্ট হলে শরীরের ভাল কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়।

আরও পড়ুন


নেত্রকোনায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩

যে কারণে ২৫ বছর পর চুল কাটলেন অপরাজিতা!

মোদি-বাইডেন বৈঠক, তৈরি হলো নতুন সম্পর্ক

ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন


কুমড়ায় রয়েছে এল ট্রিপটোফ্যান, যা অবসাদ কমায়। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ থাকলে রোজ কুমড়া খান।

এছাড়া, অ্যালার্জির সমস্যায়ও দারুণ কাজ দেয় কুমড়া। ঠান্ডা লাগা, সর্দির হাত থেকে বাঁচায়।

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর