সিদ্ধ করে রাখা ডিম কতক্ষণ পর্যন্ত খাওয়া উচিত জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

সিদ্ধ করে রাখা ডিম কতক্ষণ পর্যন্ত খাওয়া উচিত জেনে নিন

সকালের কিংবা দুপুরের খাবারে সব কিছুর সঙ্গে খেতে ভাল লাগে সিদ্ধ করা ডিম । অনেকেই অফিসের টিফিনেও সেই জন্য ডিমসেদ্ধ নিয়ে যেতে পছন্দ করেন।

কিন্তু সকালে সিদ্ধ করে রাখা ডিম দুপুর বেলায় খাওয়া কতটা ঠিক চলুন জেনে নেওয়া যাক।

সিদ্ধ করা ডিম কতক্ষণ ভাল থাকে?

ঠিক ভাবে রাখতে পারলে সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে সপ্তাহখানেক ভাল থাকে, কিন্তু তারপরই তা নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। আর ডিম যদি ফ্রিজে না রাখেন, তা হলে সিদ্ধ করার অন্তত দুই ঘণ্টার মধ্যে ডিম খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ ডিম খুব তাড়াতাড়িই নষ্ট হয়ে যায়। সেই কারণে বিশেষজ্ঞরা বার বার টাটকা ডিমই খেতে পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন


তালেবান: সকলকে নিয়ে ইসলামি সরকার গঠন করা হবে

মমেকের করোনা ইউনিটে আরও ১৬ জনের মৃত্যু

কবি শামসুর রাহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার

কী ভাবে সংরক্ষণ করলে ভাল থাকবে সিদ্ধ করা ডিম?

সিদ্ধ করা ডিম ভাল রাখার জন্য সবার আগে তাপমাত্রার দিকটা খেয়াল রাখা উচিত। কারণ ডিম সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রা হওয়া জরুরি।

এই তাপমাত্রায় রেখে ডিম খোসাসহ ফ্রিজে রেখে দিলে সপ্তাহখানেক ভাল থাকবে। কোনও ভাবেই খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে রাখবেন না। 

news24bd.tv রিমু 

 

পরবর্তী খবর

নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু

মারুফা রহমান

দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যার ভেতর ৬৪ জন ঢাকার বাইরে এবং বাকি ২১১ জনই ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ১৫ হাজার ৯৭৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছেন ৫৯ জন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। তবে আগামী একমাসের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমার আশাবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে, এক হাজার ৭২ জন রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৮৫৭ জন ও দেশের অন্যান্য বিভাগগুলোতে ২১৫ জন রোগী ভর্তি আছেন।

আগামী এক মাসের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসার আশ্বাস দিয়ে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেছেন,  দীর্ঘ সময় ছুটিতে মানুষ গ্রামের বাড়িতে থাকায় বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে এডিস মশার জন্ম হয়েছে।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্তের সঠিক তথ্য আরও অনেক হবে কারণ মানুষ সময় মত টেষ্ট করছে না।  মৃত্যু ঝুঁকি থেকে বাঁচতে জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া এবং এডিস মশা নিধন করার কোন বিকলন্প নেই বলেও জানান এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক   ডা: আরিফ মাহমুদ।

এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ১৫ হাজার ৯৭৬ জন। একই সময়ে তাদের মধ্য থেকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮৪৬ জন রোগী। আর চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যে বয়সের শিশুদের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিন নিরাপদ

অনলাইন ডেস্ক

যে বয়সের শিশুদের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিন নিরাপদ

৫-১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য করোনার টিকার নিরাপদ এবং এন্টিবডি তৈরিতে কার্যকরী। দুই থেকে তিনবার ট্রায়ালের পর এ কথা বলছে ফাইজার। সিএনএন এর খবরে এই তথ্য জানানো হয়।

এই প্রথম শিশুদের জন্য টিকা প্রয়োগের কোনো ফলাফল প্রকাশ্যে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ডেটা প্রকাশ করা হয়নি। ফাইজার বলছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে শিশুদের টিকা প্রয়োগে একটি পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই তারা কাজ শুরু করবে। ফাইজারের পরিকল্পনা জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এফডিএ। এবং সংস্থাটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের টিকা প্রয়োগে ফাইজারের টিকা অনুমোদন দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে।

শিশুদের উপর টিকা ট্রায়ালের জন্য ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী ২ হাজার ২৬৮ জন শিশুকে নির্বাচিত করা হয়। ২১ দিনের মাথায় এসব শিশুদের দুই ডোজ টিকা প্রয়োগ করা হয়। প্রতি ডোজে ১০ মাইক্রোগ্রাম থেকে ৩০ মাইক্রোগ্রাম ছিল। ১২ বছর বয়সী শিশুদের ৩০ মাইক্রোগ্রাম ডোজের টিকা প্রয়োগ করা হয়।

ফাইজার এক নিউজ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের নিরাপত্তা, সহনশীলতা এবং টিস্যু বিবেচনায় ১০ মাইক্রোগ্রামের টিকাটি সাবধানতার সঙ্গে নির্বাচন করেছে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

শরীরের বাইরে শিশুর হৃদপিণ্ড, ব্যয়বহুল বলে হচ্ছে না চিকিৎসা

অনলাইন ডেস্ক

শরীরের বাইরে শিশুর হৃদপিণ্ড, ব্যয়বহুল বলে হচ্ছে না চিকিৎসা

শরীরের বাইরে হৃদপিণ্ড নিয়ে জন্ম নিয়েছে এক নবজাতক। বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।

সেখানকার স্থানীয় একটি ক্লিনিকে গত বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হৃদপিণ্ড শিশুর শরীরের ভেতরে স্থাপন করা সম্ভব। তবে এ চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল। যার জন্য দরকার ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

টাকার অভাবে এই চিকিৎসা শুরু করতে পারেননি রমেন-অপু দম্পতি। সন্তানকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

শিশুটির বাবা-মা জানান, জন্মের পরই দেখতে পান নবজাতক কন্যার হৃদপিণ্ড শরীরের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শে শিশুটিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাদের পাঠানো হয় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে।


আরও পড়ুন

সারাদেশের কুরিয়ার `সদাগর এক্সপ্রেস`

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট

নুসরাতকে সাবেক স্বামীর আইনি নোটিশ


বারডেমের চিকিৎসকরা জানান, শিশুটিকে আইসিইউতে ভর্তিসহ অপারেশনের জন্য খরচ হবে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

চিকিৎসার জন্য এত টাকা না থাকায় আবার শিশুটিকে ঢাকা থেকে ফেরত এনে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট

অনলাইন ডেস্ক

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে, রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয় জনের বিরুদ্ধ চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী বাদী হয়ে সাহেদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চার কর্মকর্তাসহ পাঁচ জনকে আসামি করে মামলা করেন। যদিও আসামির তালিকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের নাম ছিল না। তবে এবার চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম।

আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন খাতে ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে নারিকেল তেলের যতগুণ

অনলাইন ডেস্ক

শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে নারিকেল তেলের যতগুণ

অনেকের ধারণা, শুধু  বাহ্যিকক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় নারিকেল তেল। তবে চাইলে আপনি খেতেও পারেন।  

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের উপকারে নারিকেল তেলের ভূমিকা অনেক। নারিকেলের খোল থেকে পাওয়া টাটকা তেলের অনেক গুণ রয়েছে। তেল নিষ্কাশনের সময় তাতে প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক খনিজ পাওয়া যায়। এছাড়াও এই তেল ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ। একেবারে প্রাকৃতিক গুণে ভরা এই তেল শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে।

স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে এই তেলে। প্রচুর মাত্রায় এই ফ্যাটি অ্যাসিডও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ায় এবং মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড উৎপন্ন করে।

ঠান্ডায় জমা নারিকেল তেলে রয়েছে মিডিয়াম চেন ট্রাইগ্লিসারাইড ফ্যাট, যা লিভারের সমস্যা দূর করে লিভার পরিষ্কার করে। এ স্যাচুরেটেড ফ্যাট কিন্তু শরীরের পক্ষে ভালো কারণ শরীর খুব সহজেই এই ফ্যাট শোষণ করতে পারে।

আরও পড়ুন:


স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ায় বাবা-মাকে বিষ খাওয়ালো তরুণী

ঘরের মাঠে ২-১ গোলে পিএসজি'র জয়

পাকিস্তানের কাছ থেকে ১২টি জঙ্গিবিমান কিনবে আর্জেন্টিনা


ভোর বেলায় এক চামচ করে নারকেল তেল খেলে শরীরের উপকার নিজেই বুঝতে পারবেন। ব্যালেন্স ডায়েটের সঙ্গে শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করবে নারিকেল তেল। 

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর