মোস্তাফা জব্বার

‘বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ছিলো অর্থনৈতিক মুক্তির সোপান’

অনলাইন ডেস্ক

‘বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ছিলো অর্থনৈতিক মুক্তির সোপান’

বঙ্গবন্ধু কেবল বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠাই করেননি, তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ঠিকানা নির্ধারণ করে দিয়েছেন জানিয়ে  ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ছিলো অর্থনৈতিক মুক্তির সোপান। একুশ শতকের শিক্ষা, যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ শোষণ, বঞ্চনা,বৈষম্যহীন - ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় তিনি লক্ষ্য নির্ধারণ করে গেছেন। 

মন্ত্রী গতকাল সোমবার রাতে ঢাকায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)  আয়োজিত ‘প্রযুক্তির উত্থান: শেকড়ে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক  ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

ডাক ও  টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবকে শোষন-বঞ্চনা,ক্ষুধা ও দারিদ্রমূক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু পূঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও শোষকদের বিরুদ্ধে আঘাত করেছিলেন। শোষিত ও বঞ্চিতদের পক্ষে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নেবার পদক্ষেপ নিয়ে ছিলেন বলেই তাকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল উদ্দেশ্যই ছিলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে হত্যা করা। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতে তার নীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠায় যাতে কেউ নেতৃত্ব দিতে না পারে সে জন্য স্ত্রী –সন্তানসহ নিকটাত্মীয় এমনকি জেল খানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। 


মোস্তাফা জব্বার  বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবকে শোষন-বঞ্চনা,ক্ষুধা ও দারিদ্রমূক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু পূঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও শোষকদের বিরুদ্ধে আঘাত করেছিলেন। এজন্যই  তাকে হত্যা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপরিচালনার চার মূলনীতির মধ্যে জাতীয়তাবাদ নিয়ে বিভ্রান্ত তৈরি করা হয়েছে, সমাজতন্ত্র উচ্চারিত হয়নি এবং ধর্মনিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রথম গণনাটক ‘একনদী রক্তের’নাট্যকার জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, হাজার বছরব্যাপি ইরানি-তুরানি , আর্য-অনার্য, বৃটিশ –পাকিস্তনিরা বাঙালির এই উর্বর ভূখন্ডটি শাসন করেছে, শোষণ করেছে এখানকার মানুষকে। বঙ্গবন্ধুই হাজার বছরের পরাধীন জাতিকে মুক্ত করেছেন, পৃথিবীতে বাংলা ভাষা ভিত্তিক বাঙালির রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। 

তিনি বলেন, বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র স্থাপন, আইওটি, ইউপিইউ এর সদস্যপদ অর্জন এবং টিএন্ডটি বোর্ড় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ডিডিটালাইজেশনের বীজ বপন করে গেছেন।একুশ শতকের উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ এবং কুদরত-ই খোদা শিক্ষা কমিশন গঠন ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি। একুশ বছরের জঞ্জাল অপসারণ করে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গত ১২ বছরে অভাবনীয় উচ্চতায় বাংলাদেশকে উন্নীত করেছেন। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বিশ্বের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু  শোষিত, বঞ্চিত, অসহায় দরিদ্র মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রাম ও শহরের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে কাজ করছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারিদের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

আরও পড়ুন


জিয়ার মাজারে ফুল দিয়ে গিয়ে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, গুলি

ঝিনাইদহে করোনায় ৩ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪

এবার গ্রাহকের ২০০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ই-অরেঞ্জ’


 

বিসিএস সভাপতি মো: শাহিদ-উল-মুনীর-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক অজয় দাস গুপ্ত। অনুষ্ঠানে সাবেক ছাত্র নেতা মাহবুব জামানও বক্তৃতা করেন। বিসিএস নেতা বীরেন্দ্র নাথ অধিকারি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বাজারে এলো আইফোন ১৩, যা আছে ফোনটিতে

অনলাইন ডেস্ক

বাজারে এলো আইফোন ১৩, যা আছে ফোনটিতে

অবশেষে বাজারে এলো আইফোন ১৩। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাপল পার্কে উচ্চমানের পারফরম্যান্স সমৃদ্ধ এই আইফোনটির লঞ্চিং হয়।

গোলাপি, নীল, কালো (মিডনাইট), লাল (প্রোডাক্ট রেড) আর স্টারলেট এই পাঁচটি কালারে মিলবে আইফোনটি। দেখতে অনেকটা আইফোন ১২ মডেলের মতোই। তবে আগের মডেলের আইফোনগুলো থেকে ৫০ শতাংশ বেশি দ্রুত পারফরম্যান্স দেবে এবারের অ্যাপলের নতুন চিপ।

অ্যাপেল জানিয়েছে, আইফোন ১৩ ও আইফোন ১৩ মিনির পেছনে থাকছে ১২ মেগাপিক্সেলের দুটি ক্যামেরা। ক্যামেরায় দেওয়া হয়েছে সিনেম্যাটিক মোড। ভিডিও কনটেন্ট তৈরিতেও নতুন আইফোনে বেশ সুবিধা নিয়ে আসা হয়েছে।

এছাড়া নতুন আইফোনগুলো চলবে অ্যাপলের তৈরি এ১৫ বায়োনিক প্রসেসরে। যা আগের চেয়ে দ্রুতগতির। অপরদিকে স্টোরেজ ৫০০ জিবি। সর্বনিম্ন ৬৪ জিবির বদলে রয়েছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ।

ডিসপ্লেতেও আনা হয়েছে বেশ পরিবর্তন। যা প্রায় ২০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল। অপরদিকে পুরোনো সিরিজের থেকে আড়াই ঘণ্টা বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে আইফোন ১৩।

এই সিরিজের রয়েছে কয়েকটি মডেল। যেমন- আইফোন ১৩, আইফোন ১৩ মিনি, আইফোন ১৩ প্রো এবং আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স।

আইফোন ১৩ -এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৯৯ ডলার মার্কিন ডলার, আইফোন ১৩ মিনি ৬৯৯ ডলার, আইফোন ১৩ প্রোর দাম ৯৯৯ ডলার। আর আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের দাম পড়বে ১ হাজার ৯৯ ডলার।

আরও পড়ুন:


জামালপুরে মাদ্রাসা থেকে ৩ ছাত্রী উধাও, আজও মেলেনি খোঁজ

বার্সেলোনাকে উড়িয়ে দিলো বায়ার্ন

চেকের ছবি শেয়ার করে জায়েদ খান বললেন বিষয়টি অনেক গর্বের

কিয়ামতের দিন আল্লাহ যে তিন ব্যক্তির দিকে ফিরেও তাকাবেন না


‘অ্যাপল হাব’ ব্লগের তথ্যানুযায়ী আইফোন ১৩-র দাম হতে পারে ৭৯৯ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬৮ হাজার টাকা। তবে এটি বাংলাদেশে আসলে তার দাম আরও বাড়তে পারে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এবার গুগলকে বড় অংকের জরিমানা করলো দক্ষিণ কোরিয়া

অনলাইন ডেস্ক

এবার গুগলকে বড় অংকের জরিমানা করলো দক্ষিণ কোরিয়া

মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আলফাবেটের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গুগলকে নতুন আইনে ১৭৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করলো দক্ষিণ কোরিয়া। আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জরিমানার বিষয়টি জানিয়েছে কোরিয়া ফেয়ার ট্রেড কমিশন (কেএফটিসি)।

প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম দুই জায়ান্ট গুগল ও অ্যাপলের আধিপত্যবাদী আচরণে লাগাম টানতে সম্প্রতি আইন পাস করে দক্ষিণ কোরিয়া, যেটি ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সেই আইনের আওতায় জরিমানা করা হয়েছে গুগলকে। 

জরিমানার প্রতিক্রিয়ায় গুগল জানিয়েছে, তারা আপিল করবে।

অ্যান্ড্রয়েড নামে গুগলের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। সারা বিশ্বে ৮০ ভাগ মোবাইল ফোনে এটি ব্যবহার করা হয়। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি যাতে স্থানীয় স্মার্টফোন নির্মাতারা মডিফাই করতে না পারে তার সব ব্যবস্থা করে রেখেছে গুগল। এই বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আপত্তি রয়েছে।

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


 

মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের বাজার নিয়ন্ত্রণে গুগলের পরেই আছে আরেক মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এই বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আপত্তি রয়েছে।

তথ্যসূত্র : রয়টার্স, ব্লুমবার্গ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শিগগির নিয়ন্ত্রণে আসছে ফেসবুক টুইটার ইউটিউব

অনলাইন ডেস্ক


শিগগির নিয়ন্ত্রণে আসছে ফেসবুক টুইটার ইউটিউব

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এক সময় বাংলাদেশকে তেমন পাত্তা দিত না। এখন তারা আমাদের কথা শুনছে, নিয়মিত বৈঠক করছে। এমনকি বাংলাদেশের  আইন মেনে ভ্যাট-ট্যাক্সও দিচ্ছে তারা। সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়, যখন ফেসবুকসহ এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বিষয়টি আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তারপরও এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ‘সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী’সহ বিভিন্ন রকম ‘আপত্তিকর’ কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। 

এ বিষয়ে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে গতকাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে উল্লিখিত কথাগুলো বলেন।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এই মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এসব বিষয়ে এখন আমরা অনেক দক্ষতা অর্জন করেছি। আমরা এখন জানি বিদেশ থেকে কারা এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেজবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে কিছু দাবি তুলে ধরাসহ সার্বিক বিষয়ে কথা হয়েছিল। তারাও এসব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। বর্তমানে তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এমন পর্যায়ে এসেছে যে তারা প্রতি সপ্তাহে আমাদের সঙ্গে বৈঠক করে, প্রতিদিন কথা হচ্ছে। যে সব বিষয়ে রিপোর্ট করি সে বিষয়েও রেসপন্স করছে। ফেসবুকের বিষয়ে বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন মহিলা কর্মকর্তা রয়েছেন, সিঙ্গাপুর ও দিল্লিতে একজন করে কর্মকর্তা রয়েছেন তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আমাদের বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নানা বিষয়ে কথা হচ্ছে। এক সময় হয়তো তারা আমাদের কোনোটাই পাত্তা দিত না। এখন অনেক ভালো জায়গায় এসেছে।’

ফেসবুক কর্র্তৃপক্ষের এক সময় বাংলা বোঝার মতো লোক ছিল না উল্লেখ করে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, একসময় ফেসবুকের বাংলা ভাষা বোঝার মতো লোক ছিল না, বাংলা কনটেন্ট সরাতে পারত না। এখন তাদের বাংলা ভাষা বোঝার মতো লোক রয়েছে। তারা বাংলা কনটেন্ট বুঝতে পারে এবং তা সরাতেও পারছে। এখন তাদের সঙ্গে আমাদের সরাসরি ফোনেও যোগাযোগ হচ্ছে। আমরা মনিটরিং ব্যবস্থাটাকে সম্প্রসারণ করেছি বিটিআরসির মাধ্যমে। আরও কিছু যন্ত্রপাতি সংগ্রহের চেষ্টা করছি। এর ফলে আমি আশা করছি যে সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়, যখন আমরা মোটামুটি এদের ভালো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে পারব। এখন যে অবস্থায় আছে, সেটা মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের ভিতর। কিন্তু আমাদের জন্য অত্যন্ত হুমকির বিষয় হলো জেএমবি, আইএস, তালেবান যাই বলি না কেন তারা প্লাটফরম হিসেবে এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে। অনেকে ব্যক্তিগতভাবেই সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি থেকে শুরু করে মন্ত্রী, এমপিসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্লাটফরম হিসেবে এসব ব্যবহার করছে। নিয়মিত গণমাধ্যমে এসব অপকর্ম করা যায় না। এসব নিয়ন্ত্রণে তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত কথা হচ্ছে। এক সময় পাত্তা না দিলেও এখন নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তারা আমাদের ভ্যাট-ট্যাক্সও দিচ্ছে।
এই আইটি বিশেষজ্ঞ আরও বলেন-ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারসহ সোশ্যাল মিডিয়া এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশে ফেসবুকের প্রায় ৪ কোটি ইউজার রয়েছে। ইউটিউবের হয়তো এত নেই। বাংলাদেশ জন্মের শুরু থেকেই কিছু লোক বিরোধিতা করেছে, এখনো করছে। দেশের ভিতরে যেমন রয়েছে, তেমনি বিদেশেও রয়েছে। তারা কখনো নীরব ছিল না। তারা পরিকল্পিতভাবে সরকার ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের এবং সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, সাম্প্রদায়িকতার বিষয়ে ইচ্ছামতো প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। দেশে এ ধরনের কাজ করলে সহজেই চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে পারি। কিন্তু যারা বিদেশে বসে এসব করছে তাদের ধরাই বড় চ্যালেঞ্জ। আবার এসব ব্যক্তির অ্যাকাউন্টও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুয়া হয়ে থাকে। ফলে তাদের শনাক্ত করাও কঠিন। তারা ইচ্ছামতো নাম দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে এসব প্রচারণা চালাচ্ছে। ফলে এটি শনাক্ত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরও আমাদের আইসিটি ডিভিশন, বিটিআরসি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। কিছু বিষয়ে সুফলও পেয়েছি আমরা।

ইচ্ছা করলে টোটাল সোশ্যাল মিডিয়া ‘শাট ডাউন’ করতে পারি উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী’সহ বিভিন্ন রকম ‘আপত্তিকর’ কনটেন্ট প্রচারকারী, ওয়েবসাইট, পেজ বা অ্যাকাউন্ট আমরা বাংলাদেশে যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ করতে পারি, কিন্তু বাইরের দেশে নয়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার পর্নো সাইট ও ৬ হাজার ভুয়া সাইট বন্ধ করেছি। এ ছাড়া ১১০০-এর বেশি ক্ষতিকর ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। সেগুলো দেশের অখন্ডতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করি। দেশের কোনো অ্যাকাউন্ট, সাইট, ইউটিউব চ্যানেল থেকে দেশবিরোধী কনটেন্ট, ব্যক্তিবিরোধী, সম্মানহানিকর কোনো তথ্য বা এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হয়ে থাকে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

হোয়াটসঅ্যাপের সব চ্যাট পড়ছে ফেসবুককর্মীরা!

অনলাইন ডেস্ক

হোয়াটসঅ্যাপের সব চ্যাট পড়ছে ফেসবুককর্মীরা!

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার ফিচারের ব্যাপারে জনপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং অ্যাপের প্রচারণায় দাবি করা হয়, তাদের মূল মালিকানা কোম্পানি- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের মধ্যে আদানপ্রদান হওয়া মেসেজ পড়তে পারে না। কিন্তু সেটা যে আসলে পুরোটাই মিথ্যা সেটা সামনে এলো ৭ সেপ্টেম্বর মার্কিন গণমাধ্যম প্রো-পাবলিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দিলেও ফেসবুক ইঙ্কের আওতাধীন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং সার্ভিস মোটেই গোপনীয় কিছু নয়। 
সারাবিশ্বের হোয়াটসঅ্যাপের মেসেজ পড়তে ও সেগুলো প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন করতে এক হাজারের বেশি বেতনভুক্ত কর্মী রেখেছে ফেসবুক। তথাকথিত প্রাইভেট বা ডিজিটাল কোডিংয়ের মাধ্যমে সুরক্ষিত (ইনক্রিপটেড) মেসেজ পড়ছেন বেতনভুক্ত এসব কর্মী।

শুধু তাই নয় ফেসবুক ইঙ্ক হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের তথ্য বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা- যেমন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সঙ্গেও শেয়ার করে।

হোয়াটসঅ্যাপে কোন নতুন ব্যবহারকারী যখন অ্যাপটিতে সাবস্ক্রাইব করেন, তারা শুরুতেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তার আশ্বাস দেখেন, যা মূলত একটি বিজ্ঞাপন। সেখানে বলা হয়, আপনার মেসেজ ও কলগুলো এখানে সুরক্ষিত, শুধু আপনি এবং যার সঙ্গে আপনি যোগাযোগ করছেন, কেবল তিনিই এসব দেখতে পাবেন। এছাড়া অন্য কেউ, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও দেখতে বা শুনতে পাবে না।

কিন্তু প্রো-পাবলিকার প্রতিবেদন বলছে, এসব আশ্বাস ভাঁওতামাত্র। মেসেজ মডারেট করাসহ কল আড়ি পাততে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন ও সিঙ্গাপুরে রীতিমতো বহুতল অফিস রয়েছে ফেসবুকের। এসব অফিসের এক হাজার নিয়মিত কর্মী প্রতিনিয়ত কোটি কোটি বার্তা ও কল বিশ্লেষণ করছেন।'

এসব কর্মীর অস্তিত্ব স্বীকার করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রতিজন মডারেটর দিনে গড়ে ৬০০-এর অধিক অভিযোগ সংক্রান্ত বার্তা নিরীক্ষা করেন, ফলে প্রতিটি বার্তা চেকের ক্ষেত্রে তারা এক মিনিটের কম সময় ব্যয় করতে পারেন।

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


 

প্রো-পাবলিকা তাদের প্রতিবেদনে আরও জানায়, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী মেটাডাটা বা ইনক্রিপশনের আওতামুক্ত তথ্যের রেকর্ডও পায়, যা ব্যবহারকারীর অনলাইন গতিবিধি সম্পর্কে অনেক কিছু জানাতে সক্ষম। এখান থেকে অনেক কিছুই মার্কিন বিচার বিভাগের মতো বিশ্বের অনেক আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

গুগল ড্রাইভে নতুন আপডেট : চলবে অফলাইনেও

অনলাইন ডেস্ক

গুগল ড্রাইভে নতুন আপডেট : চলবে অফলাইনেও

গুগল ড্রাইভ নিয়ে আসছে নতুন আপডেট। এত দিন শুধু অনলাইন থাকলে তবে গুগল ড্রাইভ অ্যাকসেস করা যেত, কিন্তু এবার অফলাইনেও ব্যবহার করা যাবে গুগল ড্রাইভ।

বর্তমানে নেট ব্যবহারকারীর বেশির ভাগই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সেভ করে রাখেন গুগল ড্রাইভে। তাতে সুবিধা বেশ কিছুটা বেশি। কারণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার জন্য কম্পিউটার বা হার্ড ডিস্ক বা পেন ড্রাইভ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। কারণ যেকোনো ডিভাইস থেকে এটি ব্যবহার করা সম্ভব। কিন্তু ডিভাইসে নেট না থাকলে গুগল ড্রাইভের অ্যাকসেস করা সম্ভব হতো না। সি নিউজ এর একটি প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

তবে এবার সেই সমস্যার সমাধান করেছে গুগল। তারা জানিয়েছে, অফলাইনে থাকলেও ড্রাইভে রাখা পিডিএফ, অফিস ডকুমেন্ট এবং ফটো অ্যাকসেস করতে পারবে ব্যবহারকারী। তবে সে ক্ষেত্রে যে ফাইলগুলো অফলাইনে ব্যবহার করতে ইচ্ছুক সেই সব ফাইলের অফলাইন মোড অন করে রাখতে হবে। ২০১৯ সাল থেকে এই প্রযুক্তিটি বেটা ভার্সনে শুরু করেছিল। এবার সবাই ওই অফলাইন মোড ব্যবহার করতে পারবে।


আরও পড়ুন

স্কুল খুলতেই বাড়ছে শিশু করোনা রোগী

মুক্তি পেয়ে লাখ টাকার উপহার পেলেন পরীমণি

আত্মীয়-স্বজন মারা গেলে যে আমল

ডেল্টা ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ


news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর