শুনেছিলাম ওখানে খোলাবাজারে দাঁড়িপাল্লায় মেপে অ্যামুনিশন বিক্রি হয়

কাজী হাফিজ

শুনেছিলাম ওখানে খোলাবাজারে দাঁড়িপাল্লায় মেপে অ্যামুনিশন বিক্রি হয়

আমার ভ্রমণ তালিকার দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান নেই। তবে আফগান-পাকিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি পর্যন্ত পৌঁছনোর সুযোগ হয়েছিল। প্রায় ১৬ বছর আগের কথা। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম ফ্রন্টিয়ার প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়াতে খাইবার পাসে কয়েকঘন্টা অবস্থান করেছিলাম।

আমাদের যাওয়ার কথা ছিল আফগান সীমান্তের মিচিনি পোস্ট পর্যন্ত। কিন্তু খাইবারপাসের এক জায়গায় থামতে হলো। আমাদের জানানো হলো, সামনে দুই ট্রাইবের মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে। রাস্তা বন্ধ। সামনে যাওয়া এখন বিপজ্জানক। অতএব, ‘সাগাই ফোর্ট’ নামের এক প্রাচীন দুর্গে ঠাই হলো আমাদের। আমাদের মানে, ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক এবং কয়েকজন সহকর্মী সাংবাদিক।

 

পাকিস্তানে ইসলামাবাদের ইনস্টিটিউট অফ রিজিওনাল স্টাডিজ ( আইআরএস)-এর আমন্ত্রণে সেখানে যাওয়া। ভিজিট প্রোগ্রামে করাচি প্রেসক্লাব, জিইও টিভি, লাহরে বাদশাহি মসজিদ, আনারকলি বাজার, ওয়াগা চেকপোস্ট - এসবের সঙ্গে শেষ দিকে ছিলো পেশোয়ার থেকে মিচিনি পোস্ট। সেখানে সীমান্ত পরিস্থতি সম্পর্কে ব্রিফিং এবং খাইবার রাইফেলস মেসে লোকনৃত্য উপভোগ। কিন্তু দুই ট্রাইবের মধ্যে গোলাগুলি মিচিনি পর্যন্ত আমাদের পৌঁছতে দেয়নি।

অগত্যা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাবার চেষ্টা। ফোর্ট- এর বাইরে এসে খাইবার গিরিপথে দাঁড়িয়ে সৈয়দ মুজতবা আলীর 'দেশ বিদেশ' স্মরণ করার চেষ্টা করতে থাকি।

আরও পড়ুন:

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আজ থেকে চলছে শতভাগ গণপরিবহন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন আইন, কী ভাবছেন বিশেষজ্ঞরা?

খুলছে না কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়ি ও শিলাইদহ কুঠিবাড়ি

বিদ্রোহীদের হামলায় বুরকিনা ফাসোতে অন্তত ৪৭ জন নিহত, পাল্টা ৫৮ বিদ্রোহী হত্যা


খুব ইচ্ছে করছিল, স্থানীয় পাঠানদের সঙ্গে কথা বলতে। দেখলাম কয়েকজন আসছেন। কাছে আসতে যতটা সম্ভব শুদ্ধ উচ্চারণর 'আসসালামু আলাইকুম' বললাম। কিন্তু তাতে থামলেন না তারা। আমাকে সেভাবে দেখার চেষ্টাও নেই। 'ওয়ালাইকুম আসসালাম' বলে একই আয়েশি ভঙ্গিতে হাঁটতে হাঁটতে চলে গেলেন। দেখলাম সবার পিঠে একে-৪৭।

আগেই শুনেছিলাম ওই এলাকায় অ্যামুনিশন বিক্রি হয় খোলাবজারে দাঁড়িপাল্লায় মেপে। কিন্তু তা দেখার সময় এবং সৌভাগ্য হয়নি।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে

মোহাম্মদ আলী আরাফাত

এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে

মোহাম্মদ আলী আরাফাত

একদল আছে উপরে অতি চাটুকার কিন্তু ভেতরে মোস্তাক, আর আরেক দল আছে অতি বিপ্লবী-নিজেই শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি বোঝে। এই দুই প্রকৃতির মানুষ গুলোই সমস্যা তৈরি করে। 

অতি বিপ্লবীগুলা তাদের স্বল্প দৃষ্টির মগজ দিয়ে কথায় কথায় বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে অস্থির পরিবেশ তৈরি করে রাস্তা প্রশস্ত করেছিল আর অতি চাটুকার কিন্তু ভেতরে মোস্তাক গংরা সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। 

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে।

লেখাটি সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আরাফাত-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

'ই-কমার্স' ওয়ালারা কি বলেছিল বিনিয়োগ করেন?

দেব প্রসাদ দেবু:

'ই-কমার্স' ওয়ালারা কি বলেছিল বিনিয়োগ করেন?

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা............কতো শত "ই-কমার্স" প্রতিষ্ঠান! অনেকেরই মাথায় হাত এসব থেকে পণ্য কিনতে গিয়ে। এখন মিডিয়ায় আসছে আমি অমুক "ই-কমার্সে" এতো টাকা বিনিয়োগ করেছি, আমার সমস্ত সঞ্চয় খুইয়েছি.........ব্লা, ব্লা, ব্লা।

আচ্ছা, এইসব "ই-কমার্স" ওয়ালারা কি বলেছিল আপনি আমার প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন? বিজ্ঞাপন দিয়েছিল যে, "ইভ্যালি তে বিনিয়োগ করুন, ইভ্যালিতে বিনিয়োগে লাভজনক?" 

ওরা তো পণ্য কিনতে বলেছে। আপনি কিনেননি, ভেবেছেন বিনিয়োগ করছেন। প্রফিট করবেন। ইউ গো ফর আ বিজনেস ডিল ইনডিড।
 
ইভ্যালি বা এই প্রতিষ্ঠানগুলো এই অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট দিতে পারে কিনা, বা এভাবে একটা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে কিনা সেটা ভিন্ন আলাপ। আপনার নিজের ভাবনায়ও গলদ আছে এটা বুঝুন আগে। আপনি যদি নিজে ব্যবহারের জন্য কিনতেন তাহলে যেটি দরকার সেটিই শুধু কিনতেন। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কিনতেন।

আর্টিফিশিয়াল চাহিদার জন্ম হতো না এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে। ফলে ওরাও সংযত হতো। কিন্তু আপনি গেছেন "বিনিয়োগ" করতে! ধার দেনা করে গিয়েছেন। এই টাইপ "বিনিয়োগ" এই গ্রহকরা যুবকে করেছিল, ডেস্টিনিতে করেছিল। শিক্ষা হয় নাই। 

আরও পড়ুন:


অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

ছাত্রকে যৌন হয়রানি ২৭ বছরের তরুণীর, ২০ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


ইভ্যালি বা এর সাথে গজিয়ে উঠা প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে গ্রাহক আকৃষ্ট করেছে সেটি অস্বাভাবিক। আপনি ডিসকাউন্ট দিয়ে গ্রাহক আকৃষ্ট করতেই পারেন। সেই রাইট আপনার আছে। কিন্তু গ্রাহকের টাকা দিয়ে নয়। নিজের পেইড আপ ক্যাপিটাল দিয়ে, নিজের বিনিয়োগ দিয়ে। যেমনটা বাংলাদেশে শুরুর দিকে উবার করেছে। 

আমাদের দেশে একটা প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স লাগে, লিমিটেড কোম্পানি হলে আরজেএসসি রেজিস্ট্রেশন করা লাগে। এসব করেই এই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায় এসেছে। ওখানে নিশ্চয়ই ওরা নিজেদের ই-কমার্স হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাহলে আপনি গ্রাহক (খেয়াল করুন আপনি কিন্তু বিনিয়োগকারী না) কী বুঝে "বিনিয়োগ" করতে গিয়েছিলেন?

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

কথায় আছে না ইচ্ছের দাম লাখ টাকা

পলাশ আহসান

কথায় আছে না ইচ্ছের দাম লাখ টাকা

এবার দেখলাম বহু মানুষ হাওরে যাচ্ছে বেড়াতে। আগেও যেতো। কিন্তু এবার মনে হচ্ছে বেশি। কিন্ত গণমাধ্যমে দেখলাম পর্যটকরা নানা সুযোগ সুবিধা না থাকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করছেন। তাঁদের উষ্মা নিয়ে আমার প্রশ্ন নেই। 

হাওর দেখতে গিয়ে হাওরের মধ্যে বসে মুরগির ঠ্যাং চিবানোর ইচ্ছে জাগতেই পারে। সঙ্গে গরম কফি কিম্বা বিয়ার? উম... জমে ক্ষীর...। চারদিকে অথৈ পানি, এর মধ্যে দু'রাত কাটানোর রোমান্টিক ইচ্ছে জাগার মধ্যেও দোষ দেখছি না। অবাক হচ্ছি না জাহাজের মত কিছু ভাসিয়ে ঘোরার জন্যে দু'দিনের প্যাকেজ বিক্রি হলেও। 

বাঙালির ইচ্ছে খুব শক্তিশালী। মন চাইলে এবং নূন্যতম সক্ষমতা থাকলে তা সে করেই ছাড়ে। এতে তার ভালো হোক আর খারাপ হোক, বিবেচনা পরে। আগে আমারা দেখি মনের ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে কী না। কথায় আছে না ইচ্ছের দাম লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


তাই সব বাঙালি বন্ধুর অন্যসব ইচ্ছের সঙ্গে কয়েকটা ইচ্ছে যোগ করার অনুরোধ করি। প্রথমত থাকা খাওয়ার যে ব্যবস্থা চান হাওরে থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে চান। প্লাস্টিক জাতীয় কিছু হাওরের মধ্যে ব্যবহার করবেন না। এমন কী পানির জন্যেও বিকল্প পাত্রের ব্যবহার করা উচিত। প্রকৃতির ওপর দু'দিন ভর করুন না। 

লেখাটি সাংবাদিক পলাশ আহসান-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভালোবাসা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি

মনির খান

ভালোবাসা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি

পৃথিবীতে সবকটা মানুষের নিকট হতে আপনি কখনই ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা পাবেন না। কিছু মানুষকে যত ভালোবাসবেন তার নিকট  হতে ততোটাই অবহেলা পাবেন। তাকে যত মূল্য আর গুরুত্ব দিবেন দিন শেষে তার কাছে আপনি মূল্যহীন। 

আপনার ভালোবাসা নিখুঁত, প্রচণ্ড পরিমাণ যত্নসহকারে তাকে ভালোবাসেন তবুও এই সবে তার কিছুই যায় আসে না। আপনি যত তার নৈকট্য অর্জন করতে চাইছেন সে ততোটা দূরত্ব সৃষ্টি করছে তবুও তার প্রতি আপনার দুর্বলতা আবেগ ভালোবাসা কাজ করে এতো অবহেলা অবজ্ঞার পরেও কেননা আপনি তাকে ভালোবাসেন।

আমরা যাকে ভালোবাসি সে মানুষটার কাছ থেকে অবহেলা ছাড়া কিছু না পেয়েও কেন জানি তাকে আরোও ভালোবেসে ফেলি। এটা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি। তার ভালবাসাটাই আমার চাই তাকেই আমার চাই।

আঘাতে আঘাতে যে মানুষটা ক্ষতবিক্ষত করেছে পাঁজর, তাকে ছাড়া ভাবতে পারিনা। মূল্যহীনের মতো পিছু পিছু ঘুরেও মূল্য মিলেনি তবুও তাকে চাই যত অবহেলা কেন না পাই। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


যাকে যত আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি আপন করে পেতে চেয়েছি সে মানুষটা আমাদের ততোটা মূল্য দেয়নি কোনদিনও বরং বাড়িয়েছে দিনে দিনে দূরত্বের দেয়াল।

এক রকম ছ্যাঁচড়ার মতো পড়ে থাকি একটুখানি ভালোবাসা পাবার প্রত্যাশায়। ভালোবাসার পরিবর্তে এতোসব অবহেলা অবজ্ঞা রোজ তিনবেলা ভাতের মতো পেয়ে পেয়ে একটা সময় আমরা নিশ্চিত জেনে যাই যে, তাদের নিকট কখনও ভালোবাসা পাবো না তবুও আমরা কাঙালের মতো তাদের ভালোবাসি। 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বিয়েট্রিস: দান্তের স্বপ্ন প্রেম ও প্রত্যাশার একক দেবী

অনলাইন ডেস্ক

বিয়েট্রিস: দান্তের স্বপ্ন প্রেম ও প্রত্যাশার একক দেবী

“সে মুহূর্ত থেকেই ভালোবাসা আমার আত্মাকে পুরোপুরি অধীনস্থ করে নিয়েছিলো”। এই লাইনটা বলেছিলেন দান্তে আলগিয়েরি, যার  নামের সঙ্গে আরো একটি নাম আরো একটি স্বত্তা আজো কিংবদন্তি হয়ে আছে - তাঁকে উদ্দেশ্য করে। তিনি ছিলেন দান্তের স্বপ্ন প্রেম ভালবাসা প্রত্যাশা ও কবিতার একক দেবী- বিয়েট্রিস।

বিয়েট্রিস ছিলেন দান্তের ভালোবাসা জগতের এক দেবীর নাম। যার প্রেমে পরবর্তী ন'বছর দান্তে বুঁদ হয়ে ছিলেন। কিন্তু তাকে তিনি কখনোই ভালোবাসার কথা বলতে পারেননি।  এমনকি দান্তের সাথে প্রথম দেখার পর তাদের মাঝে প্রথম কথা হয় ন'বছর পর। বলছিলাম মধ্যযুগের ইতালিয়ান কবি ও দার্শনিক দান্তের কথা, যার পুরো নাম দুরান্তে দেইলি আলিগিয়েরি।

বারো বছর বয়সে তাদের পারিবারিক বন্ধুর মেয়ে জেমা দিনাতিকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু তিনি প্রেমে পড়েছিলেন বিয়েট্রিসের। মুহূর্তের দেখায় প্রেমে পড়েন তিনি। ফ্লোরেন্সে বিয়েট্রিসের পরিবার ছিল বিশাল ক্ষমতাশালী। শহরের অন্যতম প্রভাবশালী সিমন ডি বার্ডির সঙ্গে বিয়েট্রিসের বিয়ে হয়। বিয়ের তিন বছরের মাথায় বিয়েট্রিস মারা যান। 

মানস প্রেমিকার মৃত্যুর ধাক্কা তাকে লেখা থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল অনেকদিন। কিন্তু প্রেমিকা বিয়াট্রিসকে তার লেখায় সারা জীবন বয়ে বেড়িয়েছেন দান্তে। তার দু'টো প্রধান বই লা ভিটা নুইয়াভা (দ্য নিউ লাইফ) এবং দ্য ডিভাইন কমেডি দুটো লেখারই প্রধান চরিত্র হয়ে উঠে এসেছে বিয়েট্রিস। 

বিয়েট্রিসের মৃত্যর পরে তিনি দর্শন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। বিয়েট্রিসের রূপ, তার অভিব্যক্তি, অনুভূতি সবই উঠে এসেছে দান্তের লেখায়। কাব্যে তার আধ্যাত্মিক প্রেমকে ফুলের পাপড়ির মতোন স্তরে স্তরে বিকশিত করেছেন তিনি।

১২৬৫ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে দান্তের জন্ম। ( দান্তের জন্মের সঠিক তারিখ বা সময়কাল নিয়ে সংশয় আছে) জন্মের কিছুদিন পরেই তার মা মারা যান।তার পরিবার তেমন একটা বিত্তশালী না হলেও অভিজাত হিসেবে বেশ ভাল পরিচিতি ছিল। ব্রুনেত্তো লাতিনি'র কাছে তিনি ক্ল্যাসিক্যাল লিবারেল আর্টস শেখেন, এরই মধ্যে ল্যাটিন এবং গ্রিক ভাষাও ছিল। 

তিনি তার বই দ্য ডিভাইন কমেডি'র জন্য বিশ্ব খ্যাত হন, যা তিনি স্থানীয় ভেনেশিয়ান কথ্য ভাষায় লিখেছিলেন। এই বইটি  তিন খন্ডে বিভক্ত এবং এই বইয়ে তিনি তাঁর প্রেম চার্চ এবং সমসাময়িক বিখ্যাত ঘটনা এবং ব্যক্তিবর্গের প্রতি ব্যাঙ্গাত্মক বিদ্রূপই উল্লেখযোগ্য ভাবে স্থান পেয়েছে! 

ভিভাইন কমেডিতে নরকের বর্ননা কত ভয়াবহভাবে দেয়া হয়েছে তাঁর বইটা পড়েই কেবল তা অনুধাবন করা সম্ভব। মূলত, দান্তের এই বই প্রকাশ হবার পর পরই খৃষ্টান সম্প্রদায়ের মাঝে ওই যুগে ব্যাপকভাবে চার্চে যাবার আকুলতা দেখা যায়।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


'ডিভাইন কমেডি' রচনার পর তিনি খুব বেশি দিন বাঁচেননি। ১৩২০ সালে তাকে ভেরোনা শহরে যেতে হয়েছিল পদার্থবিদ্যার ওপর একটি বক্তৃতা প্রদানের জন্য। ভেরোনা থেকে রাভেন্নায় তিনি ফিরেছিলেন। শেষ দুই বছর তিনি রাভেন্নাতেই ছিলেন। রাভেন্নাতেই তার মৃত্যু হয়। ১৩২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তারিখ  এই কিংবদন্তি কবির মৃত্যু হয়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর