খুশি করার চরিত্রটি তারা ফেসবুকেও তুলে ধরছেন!
খুশি করার চরিত্রটি তারা ফেসবুকেও তুলে ধরছেন!

খুশি করার চরিত্রটি তারা ফেসবুকেও তুলে ধরছেন!

Other

সুনিশ্চিতভাবেই ফেসবুকের অনেক বন্ধুর লাইক বা মন্তব্য আমি গ্রহণ করি না। নিজের চোখে দেখেছি, টাইম লাইন স্ক্রল করতে করতে প্রতিটি পোস্টে লাইক দিয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ।  

আবার এটাও দেখেছি অতি রদ্দি গল্প, কবিতাকেও তারা যেমন লাইক দিচ্ছেন, লাভ দিচ্ছেন, মন্তব্য করছেন, তেমনি খুব ভালো লেখায়ও তো দিচ্ছেন।  

এর অর্থ কি, তারা ভালো মন্দ চেনে না? আমি তাদের যতটুকু চিনি, তাতে জানি, ভালো মন্দবোধ তাদের আছে।

আদতে সবাইকে খুশি করার চরিত্রটি তারা ফেসবুকেও তুলে ধরছেন।  

এতে করে তাদের উপকার হচ্ছে, অধিকাংশ লোকই তাদের ভালো জানছেন। কিন্তু এই অধিকাংশ লোকই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তারা ধরতে পারছেন না, কোনটা জাস্ট ক্লিক, কোনটা গণ লাইক আর কোনটা সত্যিই পছন্দ করে লাইক দেয়া।  

লাইক, কমেন্টের ব্যাপারে একটু সৎ হলে, ফেসবুকের ব্যবহারটা আরো গঠনমূলক হতো হয়তো। ভালোকে ভালো আর মন্দকে মন্দ বলার সংস্কৃতি গড়ে উঠুক।

লেখাটি  মুম রহমান- এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়। )

আরও পড়ুন:


বরিশালে অবৈধ ব্যানার-বিলবোর্ড অপসারনকে কেন্দ্র করে রনক্ষেত্র

পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালাল ধর্ষণ মামলার দুই আসামি

ভারতের সঙ্গে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করল তালেবান

বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলায় বাদীর স্বাক্ষ গ্রহণ


NEWS24.TV / কামরুল