দেশ ছাড়ার সময় জুতা পরার সময়ও পাননি গনি

হারুন আল নাসিফ

দেশ ছাড়ার সময় জুতা পরার সময়ও পাননি গনি

আফগানিস্তান থেকে দেশান্তরী হওয়ার সময় জুতা পরারও সময় পাননি  বলে দাবি করেছেন দেশটির সদ্য ক্ষমতাচ্যূত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি।

তালে বান ক্ষমতা দখলের পর প্রথমবারের মতো এক ভিডিও বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

দেশ ছাড়ার সময় গনি চার গাড়ি ভর্তি নগদ অর্থ সাথে নিয়েছিলেন বলে এক রাশিয়ান কূটনীতিকের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল। এই দাবি ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেন গনি।

তিনি দাবি করেন, সেদিন প্রেসিডেন্ট প্যালেসে ঢুকে প্রতিটি কক্ষে তাকে খুঁজেছে তালে বান সদস্যরা। এমন পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচাতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা টিমের সদস্যরা তাকে দেশ ছাড়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। ফলে নিরাপত্তাজনিত কারণে সম্পদ এবং গোপন নথিপত্র ফেলে রেখেই তিনি কাবুল ছাড়তে বাধ্য হন।

এ সময় পোশাক পরিবর্তনের সময় পাননি বলে ভিডিও বার্তায় দাবি করে গনি বলেন, শুধু পরনের ঘরোয়া পোশাক পরেই দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। এমনকি জুতা পরার জন্যও সময় পাননি। স্যান্ডেল পরেই প্রেসিডেন্ট প্যালেস ছেড়ে যান।

চাপের মুখে দেশ ছাড়লেও আফগানিস্তানে ফেরার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন ক্ষমতাচ্যুত এই প্রেসিডেন্ট।

তালে বান কা বু ল ঘিরে ফেললে সেখান থেকে প্রথমে তাজাকিস্তানে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন আফ গানিস্তানের সদ্য ক্ষমতাচ্যূত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি।

সেখানে আশ্রয় না পেয়ে বিমান ঘুরিয়ে ওমান পৌঁছান তিনি। সেখান থেকে তার সর্বশেষ অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। তবে তিনি পরিবার নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন বলে বুধবার গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়।

লেখক : হারুন আল নাসিফ : কবি, ছড়াকার, সাংবাদিক।

আরও পড়ুন:


বোরকা নয়, হিজাব বাধ্যতামূলক: তা লে বা ন

আফগানিস্তান ইস্যুতে চীন-রাশিয়া-ইরানের মতবিনিময়


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ইভ্যালির 'রাসেল' যে ক্ষতিটা করে গেল তা অপূরণীয়

গুলজার হোসেন উজ্জল

ইভ্যালির 'রাসেল' যে ক্ষতিটা করে গেল তা অপূরণীয়

বাংলাদেশে এখন কোন স্বপ্নবান তরুণ উদ্যোক্তা দেখলেই ভয় লাগে। ইভ্যালির রাসেল যে ক্ষতিটা করে গেল তা অপূরণীয়।

তাহসান-মিথিলা ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে লাইভে এসেছিলেন অকপট আলাপে। আপাত দৃষ্টিতে এটি শুনতে ভাল মনে হলেও এটি ছিল স্পন্সর্ড। ইভ্যালির পেছনে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা স্পনসর করেছিল। এই টাকা সাধারণ গ্রাহকের। ইভ্যালি একটা সুতাও উৎপাদন করে না। শুধু অবিশ্বাস্য কম পয়সায় পণ্য দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যবসা করতে এসেছিলো। 

আরও পড়ুন:


ঘরের মাঠে ২-১ গোলে পিএসজি'র জয়

পাকিস্তানের কাছ থেকে ১২টি জঙ্গিবিমান কিনবে আর্জেন্টিনা

রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ


বাংলাদেশের তারকারা আধুনিক হয়েছেন। বিবাহ বিচ্ছেদকে সামাজিক ট্যাবুর বাইরে নিয়ে আসতে চেষ্টা করছেন। কিন্তু অতি ব্যক্তিগত সাংসারিক প্যাঁচালিকে যখন প্রকাশ্যে নির্লজ্জের মত পণ্য করে তোলে তখন সবটাই কেমন মেকি লাগে। এই দেশের তারকাদের দেখলেই এখন ছোটলোক ছোটলোক লাগছে। কি সাংঘাতিক!

পুরো ঘটনাগুলো চিন্তা করে সাংঘাতিক বমির উদ্রেক হচ্ছে।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv রিমু 

 

 

পরবর্তী খবর

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

অনলাইন ডেস্ক

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

ইংরেজিতে Slow life বলে একটা শব্দযুগল আছে। বাংলায় কি বলবো? ধীর জীবন? ধীর জীবন আদতে কি? আদতে এটা কথিত আধুনিক গতিশীল জীবনকে প্রত্যাখান করে। আমাদের এই প্রযুক্তি আর পূজিবাদের যুগে সবাই একটা প্রতিযোগিতার মধ্যে থাকে।

বেশি কাজ, দ্রুত কাজ, একসাথে অনেক কিছু করতে পারাটাই আধুনিক৷ জীবনযাত্রার লক্ষ্য। ধীর জীবন এইসব কিছুকে গণ্য করে না। ধীর জীবন আদতে একটা মগ্নতার কথা বলে। মগ্ন হয়ে একাত্ম হয়ে একটি কাজ ঠিকঠাক করতে পারা এবং একটি কাজই করতে পারাই ধীর জীবন দর্শনের মোদ্দা কথা। 

আমরা এখন টিভি ছেড়ে রাখি, মোবাইলে ফেসবুকিং করতে থাকি আবার রান্নাও করতে থাকি। এই রকম বহুমূখী কাজে আমাদের মন আর মস্তিষ্ক কোনটাতেই পুরোটা একাত্ম হতে পারে না। সামগ্রিকভাবে একটা অস্থিরতা তৈরি হয়। কখনো কখনো দোঁড়ানো ভালো, কখনো কখনো দ্রুত এবং অনেক কিছু করে ফেলা ভালো। কিন্তু সেটা কখনো কখনোই। সার্বক্ষণিক তীব্র গতিময়তা বিপদ আনতে পারে। 

তবে ধীর জীবন মানে অলস জীবন নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কাজকে ফেলে রাখা, সচেতনভাবে পিছিয়ে থাকাও ধীর জীবন দর্শন নয়। আমার বিবেচনায়, ধীর জীবন দর্শনের গভীর সত্যটি হলো, অলওয়েজ দৌঁড়ের উপর থাকা ভালো নয় মামমা। 

ফরেস্ট গাস্প জীবনের প্রয়োজনে দুবার দৌঁড়েছিলেন। কিন্তু পুরোটা জীবন দৌঁড়ে কাটাননি। তাই তার জীবন এসোর্টেড চকলেট বক্সের মতো মধুর, উপভোগ্য, বিস্ময়কর। 

তাড়াতাড়ি এক কাফ কপি আর একটু রুটি ভাজি খেয়ে দৌঁড় দিলে অফিসে আগে পৌঁছানো যায়। কিন্তু প্রতিদিনের নাস্তায় কফির সুবাস, রুটি-ভাজির স্বাদটা উপভোগ করার সময় না-থাকলে জীবন কি পানসে হয়ে যায় না? 

কাজকে যেমন গুরুত্ব দিতে হবে তেমনি প্রতিটি সকাল, সন্ধ্যা, দিবস, রাত্রিকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতি বছর শরৎকালে কাশফুলের সাথে সেলফি দেয়া একটা রুটিন হয়ে যায়। কোথায় কাশফুল আছে, কতো আগে যাবো, কতো ভালো সেলফি তুলবো, কতো লাইক কমেন্ট হবে, অধুনা জীবনের সাথে তা মানানসই বটে। 

তবে মানানসই হওয়ার চেয়ে সত্যিকার উপভোগ্য করাটাই জরুরি। পুরোটা শরৎকাল মাথার উপরে মেঘের যে কারুকাজ থাকে তাকে উপভোগ করাও তো ভালো।  সব কাজ, আয়োজন রেখে দশ মিনিট বৃষ্টির ছন্দ-তান শুনতে পয়সা লাগে না, পরিশ্রমও হয় না। শুধু মনটাকে, শরীরটাকে একটু স্থির করলেই হয়।

এই স্থিরতা কিন্তু স্থবিরতা নয়, এ বরং ধ্যানের মতো, মেডিটেশনের মতো, প্রার্থনার মতো শক্তি বর্ধক। শরীর, মনকে চাঙ্গা রাখলে,  ফুরফুরে রাখলে যে কাজ অন্য কেউ ঘণ্টায় করে সে কাজ আপনি হয়তো কয়েক মিনিটে করতে পারবেন। 

রও পড়ুন:

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

অবশেষে ফুঁ দিয়ে আগুন ধরানো সেই সাধুবাবা গ্রেপ্তার

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?

তৃতীয় স্বামীর কাছে শুধু বিচ্ছেদই নয়, খরচও চাইলেন শ্রাবন্তী


তাই আখেরে ধীরে চলো জীবন দর্শনে ফায়দা বেশিই। গাড়িতে বসে একফাঁকে একটা স্যান্ডউইচ, বার্গার খেয়ে কাজের সময় বাঁচানো যায়।  কিন্তু বিশ মিনিট সময় ব্যয় করে একটু ধীরে সুস্থে খাওয়াটা খেলে পেটটায় শান্তি থাকে, তাতে ইনপুট, আউটপুট আরামসে হয়। আর বিশ্বাস করুন, তাতে সময় বাঁচবে। 

কারণ ঠিকঠাক খেলে শরীর মন ঠিকঠাক, ডাক্তারের কাছে যাওয়ার ঝামেলা নেই, খরচও নেই। 'সময় কোথা সময় নষ্ট করবার', এ ভেবে কি কাজ? আপনাকে পরের স্টেশনে নামতেই হবে এমন দিব্যি কে দিলো! একটু জিরিয়ে নিন ভাই। 

— ওস্তাদ বামে পেলাসটিক, পর্ব ৩,  মুম রহমান

লেখাটি মুম রহমান-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

আমার বয়স হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও দুর্বল নই

কবীর সুমন

আমার বয়স হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও দুর্বল নই

বিজেপি সাংসদ ও মন্ত্রী শ্রীযুক্ত বাবুল সুপ্রিয় কিছুকাল আগে আমায় নিয়ে ফেসবুকে ঠাট্টা করেছিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে স্থুল ইঙ্গিতপূর্ণ কথা লিখে। লিখেছিলেন "আপনার মমতাময়ী"। আমি তাঁকে কোনও কটুক্তি করিনি।

আজ তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সশব্দে। তৃণমূলের বড় বড় নেতা তাঁকে বরণ করে নিয়েছেন। আমি তৃণমূলের সমর্থক, সদস্য নই। তৃণমূল দল কাকে টেনে নেবেন সেটা একান্তই তাঁদের ব্যাপার।

শুধু, "আপনার মমতাময়ী" বলে বিদ্রুপ করা এই মুস্লিমবিদ্বেষী, এন আর সি পন্থী, বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষী বাবুল সুপ্রিয় মহোদয় এখন "তাঁর মমতাময়ী" সম্পর্কে কী ভাবছেন সেটাই কথা।

আমাকে যাঁরা স্রেফ গায়ে পড়ে অপমান করে গেছেন, যেমন শ্রী নচিকেতা চক্রবর্তী এবং শ্রী শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় - তাঁদের সঙ্গে আর-একটি নাম যুক্ত হলো।

আমার বয়স হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও দুর্বল নই।

যা পেয়েছি তা ফেরত দিয়ে তবে মরব।

জয় বাংলা!

জয় বাংলা!

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে

মোহাম্মদ আলী আরাফাত

এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে

মোহাম্মদ আলী আরাফাত

একদল আছে উপরে অতি চাটুকার কিন্তু ভেতরে মোস্তাক, আর আরেক দল আছে অতি বিপ্লবী-নিজেই শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি বোঝে। এই দুই প্রকৃতির মানুষ গুলোই সমস্যা তৈরি করে। 

অতি বিপ্লবীগুলা তাদের স্বল্প দৃষ্টির মগজ দিয়ে কথায় কথায় বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে অস্থির পরিবেশ তৈরি করে রাস্তা প্রশস্ত করেছিল আর অতি চাটুকার কিন্তু ভেতরে মোস্তাক গংরা সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। 

আরও পড়ুন:


সাদা বাঘিনী ‘শুভ্রা’র ঘরে ডোরাকাটা নতুন অতিথি

তেল ও চিনির দাম বাড়ার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এবারও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে: ওবায়দুল কাদের

হতাশায় নিউজিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজা


এই দুই পদের আওয়ামী লীগার এখনও অনেক আছে।

লেখাটি সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আরাফাত-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

'ই-কমার্স' ওয়ালারা কি বলেছিল বিনিয়োগ করেন?

দেব প্রসাদ দেবু:

'ই-কমার্স' ওয়ালারা কি বলেছিল বিনিয়োগ করেন?

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা............কতো শত "ই-কমার্স" প্রতিষ্ঠান! অনেকেরই মাথায় হাত এসব থেকে পণ্য কিনতে গিয়ে। এখন মিডিয়ায় আসছে আমি অমুক "ই-কমার্সে" এতো টাকা বিনিয়োগ করেছি, আমার সমস্ত সঞ্চয় খুইয়েছি.........ব্লা, ব্লা, ব্লা।

আচ্ছা, এইসব "ই-কমার্স" ওয়ালারা কি বলেছিল আপনি আমার প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন? বিজ্ঞাপন দিয়েছিল যে, "ইভ্যালি তে বিনিয়োগ করুন, ইভ্যালিতে বিনিয়োগে লাভজনক?" 

ওরা তো পণ্য কিনতে বলেছে। আপনি কিনেননি, ভেবেছেন বিনিয়োগ করছেন। প্রফিট করবেন। ইউ গো ফর আ বিজনেস ডিল ইনডিড।
 
ইভ্যালি বা এই প্রতিষ্ঠানগুলো এই অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট দিতে পারে কিনা, বা এভাবে একটা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে কিনা সেটা ভিন্ন আলাপ। আপনার নিজের ভাবনায়ও গলদ আছে এটা বুঝুন আগে। আপনি যদি নিজে ব্যবহারের জন্য কিনতেন তাহলে যেটি দরকার সেটিই শুধু কিনতেন। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কিনতেন।

আর্টিফিশিয়াল চাহিদার জন্ম হতো না এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে। ফলে ওরাও সংযত হতো। কিন্তু আপনি গেছেন "বিনিয়োগ" করতে! ধার দেনা করে গিয়েছেন। এই টাইপ "বিনিয়োগ" এই গ্রহকরা যুবকে করেছিল, ডেস্টিনিতে করেছিল। শিক্ষা হয় নাই। 

আরও পড়ুন:


অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

ছাত্রকে যৌন হয়রানি ২৭ বছরের তরুণীর, ২০ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


ইভ্যালি বা এর সাথে গজিয়ে উঠা প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে গ্রাহক আকৃষ্ট করেছে সেটি অস্বাভাবিক। আপনি ডিসকাউন্ট দিয়ে গ্রাহক আকৃষ্ট করতেই পারেন। সেই রাইট আপনার আছে। কিন্তু গ্রাহকের টাকা দিয়ে নয়। নিজের পেইড আপ ক্যাপিটাল দিয়ে, নিজের বিনিয়োগ দিয়ে। যেমনটা বাংলাদেশে শুরুর দিকে উবার করেছে। 

আমাদের দেশে একটা প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স লাগে, লিমিটেড কোম্পানি হলে আরজেএসসি রেজিস্ট্রেশন করা লাগে। এসব করেই এই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায় এসেছে। ওখানে নিশ্চয়ই ওরা নিজেদের ই-কমার্স হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাহলে আপনি গ্রাহক (খেয়াল করুন আপনি কিন্তু বিনিয়োগকারী না) কী বুঝে "বিনিয়োগ" করতে গিয়েছিলেন?

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর