একই শরীরে আপনি কারিনা, জরিনা, সিদ্দিকা সবাইকে চাইতে পারেন না

ইলমা রহমান

একই শরীরে আপনি কারিনা, জরিনা, সিদ্দিকা সবাইকে চাইতে পারেন না

‘‘আপনি যদি একজন কর্মজীবী মেয়েকে আপনার জীবনের সঙ্গী হিসেবে চান। তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে, সে ফুলটাইম আপনার বাড়িতে কাজ করতে পারবে না।’’

আপনি যদি একজন গৃহিণীকে আপনার জীবনসঙ্গী হিসেবে চান তাহলে আপনাকে মেনে নিতে হবে, যে সে আপনাকে আর্থিক ভাবে সহায়তা করতে পারবে না। Think before you act!!

আপনি একজন স্টাইলিশ কর্মহীন মেয়েকে জীবন সঙ্গী হিসেবে চান। তবে তার লাইফ স্টাইলের জন্য ব্যয়, আপনাকেই করতে হবে।

আপনি একজন সাধারণ মেকআপের স্তরে মুখ ঢেকে না রাখা মেয়েকে বিয়ে করতে চান। তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে তার মুখের ছোট ছোট ব্রণের দাগ কিংবা গর্ত দেখে, আপনি কোনদিন তাকে বলতে পারবেন না। তুমি ঐ স্টাইলিশ মেয়ের মত নও!

আরও পড়ুন


কথিত মডেল পিয়াসা কোথায় পেল উজি, জানালেন আদালতকে

আফগানিস্তানে আটকা পড়েছেন ২৭ বাংলাদেশি

বাবুনগরীর জানাজায় মানুষের ঢলই প্রমাণ করে তার জনপ্রিয়তা

ইউএনও’র বাসায় হামলা: পুলিশও হুকুমের আসামি করেছে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে


কাউকে কারো মত বানানো যায়না। সবাই একটি নিজস্ব সত্তা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আপনি যেমন মেয়ে চান তেমন মেয়েকেই বিয়ে করুন। মাটির পুতুল ভেঙে নতুন করে গড়ানো যায়, কিন্তু মানুষ না।

একই শরীরে আপনি কারিনা, জরিনা, মিশেল ওবামা, সিদ্দিকা কবির সবাইকে চাইতে পারেন না। কারণ আপনি নিজেও একই সাথে শাহরুখ খান, বিল গেইটস, টমি মিয়া নন।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কীভাবে বিশ্ব পেলো সৌদী আরব

শান্তা আনোয়ার

কীভাবে বিশ্ব পেলো সৌদী আরব

আজ বৃহস্পতিবার, সৌদি আরবের ৯১ তম জাতীয় দিবস।  দিনটি মূলত সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠা দিবস।

১৯০২ সালের ১৫ জানুয়ারি সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আব্দুল আজিজ আব্দুর রহমান আল সৌদ এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে তার পৈত্রিক শহর রিয়াদ দখল করেন। দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর সংগ্রামের পর ১৯৩২ সালের ২১ মে এক রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে আরবের বিভিন্ন অংশের একত্রিকরণের ঘোষণা দেয়া হয়। পরবর্তীতে একই বছর ২৩ সেপ্টেম্বর আধুনিক সৌদি আরব গঠিত হয়।

সেই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটিকে সৌদি আরবের জাতীয় দিবস হিসেবে  করা হয়।
সৌদি আরবের সম্পূর্ণ  নাম হচ্ছে, আল মামলাকাতুল আরবিয়্যাতুস সৌদিয়া ( রাজকীয় সৌদি আরব ( Kingdom of Saudi Arabia (KSA)
প্রতিষ্ঠাতা :  আবদুল আযীয বিন আবদুর রহমান।

স্বীকৃতি লাভ করে, ২০শে মে ১৯২৭ ঈসায়ি। ১৯৩২ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর সব গোত্র ও প্রদেশ একত্রীকরণ করা হয়। সে জন্য প্রতি বছর ২৩শে সেপ্টেম্বরই সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়। এটি হিজরি সনের প্রথম দিন।
রিয়াদ ছাড়াও সৌদি আরবে ১৩টি প্রাদেশিক প্রশাসনিক রাজধানী আছে।
সৌদি আরবে একচ্ছত্র রাজতন্ত্র চলে। বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান হচ্ছেন খাদিমুল হারামাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আযীয আল-সৌদ ও মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি আরবের সংস্কৃতি মূলত ইসলামি শরিয়া ও ইসলামি শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ভূমি মক্কা ও মদিনা উভয়টি সৌদি আরবে অবস্থিত হওয়ায় ইসলামি সংস্কৃতি খুবই শক্তিশালী। ইসলামি আইন অনুযায়ী বিচারব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

পতাকার রঙ সবুজ। এতে তাওহিদের মর্মবাণী “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” (আল্লাহ ছাড়া আর কোনো সত্যিকারের ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল) এই কালিমা আরবিতে লেখা রয়েছে। কালিমার নিচেই একটি কোষমুক্ত তরবারি আঁকা আছে, যা দ্বারা ন্যায়বিচারকে বোঝানো হয়েছে। এ কালিমা লেখা থাকায় সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না। এবং সবুজ রঙ ইসলামের ঐতিহ্যের দিকে ইঙ্গিতবহ। আড়াআড়ি দুইটি তরবারির ওপর একটি খেজুরগাছ হলো সৌদি আরবের জাতীয় প্রতীক। খেজুরগাছ দ্বারা বোঝানো হয়েছে সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধি।
 
ভৌগোলিক সীমারেখা : উত্তরে- জর্ডান ও ইরাক, দক্ষিণে ওমান ও ইয়ামন, পূর্বে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আরব সাগর, পশ্চিমে লোহিত সাগর। আয়তনে প্রায় ২২,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার বা ৮,২৯,৯৯৬ বর্গমাইল।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

অনেকেই সমস্যার সমাধান চেয়ে ইনবক্সে চিঠি লিখেন

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

অনেকেই সমস্যার সমাধান চেয়ে ইনবক্সে চিঠি লিখেন

অনেকেই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার সমাধান চেয়ে ইনবক্সে চিঠি লিখেন, যেগুলোর অধিকাংশেরই উত্তর দিতে পারি না। কিছুদিন ধরে মৌলিক লেখা ফেসবুকে প্রকাশ করছি না, আগেরগুলোও সরিয়ে নিয়েছি। 

শুধু মাঝে মধ্যে মেসেঞ্জারে ঢুকে চিঠিগুলো পড়ি। উত্তর দিতেই হবে, এরকম কোনো চাপ অনুভব করি না। আর ব্যক্তিগত সমস্যা বিষয়ক কোনো প্রশ্নের উত্তর এমনিতেও দিই না, কারণ এটি আমার আগ্রহ ও এক্সপার্টাইজের বাইরে। কেবল কারও ব্যক্তিগত সমস্যায়, সামাজিক ও দার্শনিক উপাদান খুঁজে পেলে উত্তর লিখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। 

প্রশ্নকর্তার পরিচয় গোপন রেখে সে-উত্তর মাঝেমধ্যে ফেসবুকে প্রকাশও করি। কারণ একই প্রশ্ন, সমাজের আরও অনেক মানুষের মনে থাকতে পারে। কিন্তু কেউ যখন লিখেন, "প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন না হলে আমার মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই", তখন খুব বিপদে পড়ি। একটি অপরাধবোধ মনের ভেতর উশখুশ করতে থাকে।
 
এ চিঠিটির উত্তরে স্পেসিফিক পরামর্শ দেয়া খুব কঠিন। কিন্তু এর জবাবে কিছু কথা বলতে চাই। অন্যথায় ছেলেটি সত্যি সত্যি মৃত্যুর পথ বেছে নিলে আমি খুব অপরাধবোধে ভুগবো।

আমাদের মধ্যবিত্ত সমাজে শিশুদের যে-প্রক্রিয়ায় লালন-পালন করা হয়, তা বেশ ট্রমাটাইজিং। দশম শ্রেণীর একটি শিশুর কাঁধেও আমরা বিশ্বজয়ের প্রত্যাশা চাপিয়ে দিই, যা আহাম্মকি ছাড়া কিছু নয়। ছেলেটি মাধ্যমিকে রেজাল্ট খারাপ করেছে, অর্থাৎ কাঙ্ক্ষিত জিপিএ পায় নি। এ জন্য তার জীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ যন্ত্রণা। 

এ যন্ত্রণার উৎস সমাজ ও পরিবার। সমাজ এখন মানুষের সফলতা মাপছে জিপিএ ও চাকুরি-বাকুরি দ্বারা। সমাজের এ দৃষ্টিভঙ্গী, সংক্রমিত হয়েছে পরিবারে, অথবা পরিবারের এ দৃষ্টিভঙ্গী, সংক্রমিত হয়েছে সমাজে। 

পরিবারগুলো এতো বেশি বৈষয়িক হয়ে উঠেছে যে, শিশুরা অবৈষয়িক কোনো শখই পূরণ করতে পারছে না। যে-মানুষ সারাজীবন লাড্ডু ফলিয়েছে, সে-ও তার সন্তানের কাছে লাখ টাকার চাকুরি আশা করছে। যে নিজে নানা পরীক্ষায় ফেল করেছে, সে আশা করছে তার সন্তান সব পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পাবে। আমার ‘জিপিএ ফাইভ ও জুতোর ফ্যাক্টোরি’ প্রবন্ধে এ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছিলাম। 

ছেলেটি ইন্টার পাশ করার পর তার বাবা-মা আর তার খরচ বহন করতে চাচ্ছে না। আমি জানি না ছেলেটির বাবা-মা কেন এ কথা বলছে। তবে এর দুটি কারণ থাকতে পারে বলে মনে করি। এক—  তাদের আর্থিক সচ্ছলতা নেই। দুই— তারা চাচ্ছে, ছেলেটি যেন নিজে আয় করে স্বাবলম্বী হয়। 

আমাদের দেশে একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে এরকম— কিছু পড়ালেখা করে ফেললে আর সাধারণ কোনো কাজ করা যাবে না। করতে হবে বড় বড় কাজ। কাকে বলে বড় কাজ? কৃষিকাজ কি বড় কাজ নয়? দোকান খুলে পণ্য ও সেবা বিক্রি করা, এটা কি বড় কাজ নয়? ঘুড়ি উড়ানো কি ছোট কাজ? গান গাওয়া কি ছোট কাজ? বড় কাজ কি শুধু লাখ টাকা বেতনের চাকুরি করা? ছেলেটিও সম্ভবত, সমাজের ফাঁদে পা দিয়ে এসব কাজকে ছোট কাজ জ্ঞান করছে। ছেলেটির উচিত, আর্থিক সংকট কাটাতে কোনো ‘ছোট’ কাজে লেগে পড়া। ছোট কাজ করে যখন আর্থিক সচ্ছলতা আসবে, তখন বড় কাজ শুরু করা। 

রও পড়ুন:


জন্মদিনে সৃজিতের কাছে কী চাইলেন মিথিলা?

বায়ু দূষণের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথম, ঢাকা তৃতীয়

৪৫ মিনিট পর হাসপাতালে অলৌকিকভাবে বেঁচে উঠলেন নারী!

গাড়ি সাইড দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর করলেন এমপি রিমন!


আর মানসিক যন্ত্রণা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ। অধিকাংশ যন্ত্রণাই মানুষের নিজের উদ্ভাবন। নানা বিষয়ের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখাতে গিয়ে মানুষ যন্ত্রণায় পতিত হয়। স্টয়োক ও বুদ্দিস্ট ফিলোসোফিতে এর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়। পরিবার আমাকে ত্যাগ করেছে, সমাজ আমাকে ভালো চোখে দেখছে না, এ তুচ্ছ কল্পনাগুলো বাদ দিলে যন্ত্রণা কমে যাবে। বাবা-মার আচরণের প্রতি বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাতে গিয়েই ছেলেটি মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে বলে মনে করি।

‘মৃত্য ছাড়া উপায় নেই’ এটি একটি নিহিলিস্ট চিন্তা। যারা নিহিলিজম চর্চা করেন, তাদের কাছে এগুলো ডালভাত, কিন্তু নিহিলিস্ট মানুষদের অধিকাংশই ভণ্ড। এরা নিজেরা মরতে চায় না, শুধু অন্যদের মরে যাওয়ায় নির্বিকার থাকতে চায়। কেউ মারা গিয়েছে, এ সংবাদে নিহিলিস্টরা বলবে— তো কী হয়েছে? মরুক! আবার নিজের মৃত্যুর সম্ভাবনা দেখা দিলে, চিকিৎসাবিদ্যার সকল সুযোগই এরা গ্রহণ করবে। 

জীবন জিনিসটাই একটা অসুখের মতো। পৃথিবীতে কোনো সুখি মানুষ নেই। কখনো ছিল, এমনটিও মনে হয় না। সুতরাং, ছেলেটি নিজেকে অসুখী ভাববে, সেটাই স্বভাবিক। যারা বলে— আমরা সুখি মানুষ, তারা মূলত নিজেদের অসুখগুলো লুকিয়ে রাখার কৌশল আয়ত্ত করেছে। 

এ জন্য মৃত্যুকে, তার আপন গতিতে আসতে দেয়াই ভালো। তাড়াহুড়ো করে মৃত্যুর কাছে পৌঁছানোর কোনো দরকার নেই। একবার মৃত্যু হয়ে গেলে, কোনোভাবেই আর পৃথিবীতে ফেরা যাবে না। আর মৃত্যুচিন্তা বেকার ও অকর্মণ্য মানুষদেরই বেশি গ্রাস করে। কারণ এরাই সবচেয়ে বেশি হতাশাগ্রস্ত হয়। কোনো কাজ না পেলে, ছেলেটির উচিত অন্তত বই পড়ার কাজ বেছে নেয়া। সবাইকে ধন্যবাদ। 

(এই লেখাটি ফেইসবুক থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের। স্যোশাল মিডিয়া পাতায় প্রকাশিত লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়। )

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

আজ দিন-রাত সমান

লুৎফুন্নাহার

আজ দিন-রাত সমান

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর ব্যাতিক্রম একটি দিন, আজ সর্বত্র দিন-রাত সমান। প্রতি বছর অর্থাৎ ৩৬৫ দিনের মধ্যে পৃথিবীর দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে, এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং একটি ২৩ সেপ্টেম্বর।

ল্যাটিন ভাষায় আজকের দিনকে বলে 'ইকুইনক্স' অর্থাৎ দিন-রাত সমান।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর আলো দেবে।

আরও পড়ুন: 


চাকরিচ্যুত সংবাদিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এল মৃত ডলফিন

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

গুলশান লেকে নৌকাডুবি, যাত্রীরা সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে


আগামীকাল থেকেই সূর্যের চারদিকে আপন কক্ষপথের পৃথিবীর পরিক্রমণের কারণে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরে যেতে শুরু করবে।

আবহাওয়াও উত্তরা বাতাসে শীত থেকে শীতার্ত হবে, ধীরে ধীরে দীর্ঘ হবে পরবর্তী রাতগুলো।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ঝুমন দাসের জামিন, কিছু কথা

হাসান মুর্সেদী

ঝুমন দাসের জামিন, কিছু কথা

১. ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট- এর সংশোধন জরুরি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ডিজিটাল ক্রাইম ছাড়া যেনো এই আইনে কেউ হয়রানী না হয়৷ জামিন পাওয়ার অধিকার সংকুচিত করা যাবে না।

২. ফেসবুকে এবং নানা জায়গায় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ হয়েছে। এটা ভালো জনমত গঠনের জন্য। ঝুমন দাস বা কোনো ভিক্টিম একা নয়, সবাই পাশে আছে- এই ম্যাসেজের জন্য এসব আনুষ্ঠানিকতা দরকার আছে।

৩. তবে এসবে জামিন হয় না। জামিন হয় আইনী প্রক্রিয়ায়। ঝুমনের জামিনের এতো দেরি হবার মূল কারণ শুরুতে আইনী প্রক্রিয়ার গলদ। এজন্য একেবারে শুরুতে ভিক্টিমকে সঠিক আইনী সহায়তা/ পরামর্শ দেবার মতো এক্টিভিজম দরকার।

৪. আইনী প্রক্রিয়ার গলদের কারণে প্রথমবার উচ্চ আদালত জামিন আবেদন ফিরিয়ে দিয়ে শুরু থেকে নতুন আবেদনের নির্দেশ দেন। এই পর্যায় থেকে বিষয়টির সাথে আমি কিছুটা জড়িয়েছিলাম। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মানুষের নাম উল্লেখ করার জন্য হাত নিশপিশ করছে, এঁরা চুপচাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আইনী প্রক্রিয়াতেই এবারের জামিন নিশ্চিত করার জন্য। আমি জানি, নামোল্লেখ তাঁরা কেউ পছন্দ করবেন না। রাষ্ট্র এবং সরকারের পক্ষ থেকে তাঁরা সর্ব্বোচ্চ সহানুভূতিশীল ছিলেন।

আরও পড়ুন: 


চাকরিচ্যুত সংবাদিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এল মৃত ডলফিন

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

গুলশান লেকে নৌকাডুবি, যাত্রীরা সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে


৫. জামিন মানেই মুক্তি নয়। ঝুমনের নিরাপত্তার বিষয় আছে, আর্থিক সামর্থ্যের বিষয় রয়েছে। চার্জশীট হবে, সে যেনো সসম্মানে মামলা জয় করে বের হয়ে আসতে পারে সে পর্যন্ত ঝুমনের পাশে সবাইকে থাকতে হবে।

৬. ঝুমনের মুক্তিতে আর্থিক সহায়তার নামে প্রবাসী হিন্দু কমিউনিটির পাঠানো ভালো অংকের টাকা কোনো এক ‘বিশিষ্ট হিন্দু’র মেরে দেয়ার একটা গুজব আছে, এটার সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার৷  একই সাথে সুনামগঞ্জ আওয়ামী লীগের যে নেতারা আক্রমণকারী স্বাধীন মেম্বার গংয়ের প্রতি সহানুভূতিশীল এদেরকেও চিহ্নিত করতে হবে।

৭. এখন পর্যন্ত একটা সাম্প্রদায়িক হামলারও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। নোয়াগাঁওয়ের ঘটনায় অপর মামলা অর্থ্যাৎ হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার দিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি। জনমত এবং আইনী লড়াই দুটাই পাশাপাশি জারি রাখতে হবে। অন্তত একটা ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির উদাহরণ তৈরি করতে হবে৷ পরবর্তী ঘটনার রক্ষা কবচ হবে সেটি।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মুসলমানদের মহান নেতা কি ঈদের নামাজটাও পড়বেন না?

অনলাইন ডেস্ক

মুসলমানদের মহান নেতা কি ঈদের নামাজটাও পড়বেন না?

একটা পুরনো গল্প বলি। মওলানা আজাদ তখন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট। পাকিস্তান আন্দোলনের তীব্র বিরোধিতা করে চলেছেন। তখন কোলকাতার গড়ের মাঠে ঈদের বিশাল জামাত হতো। ইমামতি করতেন মওলানা আজাদ। এ উপলক্ষে তাঁর দেয়া খুৎবার খুব প্রভাব পড়তো মুসলমানদের ওপর। মুসলিম লীগ সিদ্ধান্ত নিলো, মওলানা আজাদকে ইমামতি করতে দেয়া হবে না। 

কিন্তু তাদেরও মনে সংশয় ছিল আজাদ-বিহীন গড়ের মাঠের জামাতে লোক হবে কিনা। লোক সমাগম উৎসাহিত করতে এলান করা হলো, এবার গড়ের মাঠের ঈদের জামাতে খোদ মহম্মদ আলী জিন্নাহ্ শরিক হবেন। এতে কাজ হলো। আগের মতই বিশাল জামাত হলো। 

স্যুট-টাই পরা জিন্নাহ্ সাহেব এলেন। ঈদের জামাতের একপাশে একটা চেয়ার টেনে বসে সুরভিত হাভানা সিগার টানতে লাগলেন। নেতারা বিব্রত। ইন্ডিয়ার মুসলমানদের কায়েদে আযম বা মহান নেতা কি ঈদের নামাজটাও পড়বেন না? 

কিন্তু তাঁকে জিজ্ঞেস করার সাহস উপস্থিত কারুর নেই। ছাত্র-যুবকদের ভয়ডর একটু কম। সেই তরুণ ভলান্টিয়াররা এগিয়ে গেলো। তমিজের সঙ্গে সালাম দিয়ে বিনীত কণ্ঠে প্রশ্ন করলো কায়েদে আযম কি জামাতে শামিল হবেন না?
মাথা নাড়লেন কায়েদ। না, আমিতো নামাজ জানিনা।

- স্যর জানার দরকার নেই। আপনি শুধু ইমামকে ফলো করবেন। তাতেই হবে।
- কিন্তু না জেনে কোনো কিছু অন্ধের মতন অনুসরণের লোক যে আমি নই।
- কিন্তু স্যর হাজার বছর ধরে কোটি কোটি মুসলমান তো এভাবেই ইমামের অনুসরণে নামাজ পড়ে আসছে।
তাঁর সমকালে জগতের অন্যতম সেরা তুখোড় ব্যারিস্টার তীক্ষ্ণ চোখে তাকালেন।
- আচ্ছা, এভাবে নামাজ পড়াটা খুব পূণ্যের কাজ?
- জ্বী স্যর।

রও পড়ুন:

জন্মদিনে সৃজিতের কাছে কী চাইলেন মিথিলা?

বায়ু দূষণের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথম, ঢাকা তৃতীয়

৪৫ মিনিট পর হাসপাতালে অলৌকিকভাবে বেঁচে উঠলেন নারী!

গাড়ি সাইড দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর করলেন এমপি রিমন!


- তা'হলে শোনো। আমি নামাজ না পড়ে তোমাদের দৃষ্টিতে পাপ করছি। কিন্তু ভারতবর্ষের কোটি কোটি মুসলমান যাতে নিরাপদে নামাজ আদায় করতে পারে, তেমন একটা দেশ তাদের জন্য তৈরির চেষ্টাটা নিশ্চয়ই পাপ নয়।
- না স্যর।
- তা'হলে আমাকে সেই কাজটাই নির্বিঘ্নে করতে দাও এবং পারলে তাতে সহযোগিতা করো।
ফের লম্বা সালাম দিয়ে দ্রুত চারপাশে সটকে পড়লো তরুণ ভলান্টিয়ারের দল।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর