সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট

হিন্দু ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’

অনলাইন ডেস্ক

হিন্দু ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’

হিন্দু সম্প্রদায়ের হাজার বছরের ঐক্য এবং ঐতিহ্যকে বিলীন করার অপচেষ্টা নিয়ে হিন্দুদের ঘরে ঘরে অশান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বেসরকারি সংস্থা ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’। এর কর্ণধার শাহীন আনাম এবং তার স্বামী ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের নেতৃত্বে এ চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।

আজ রবিবার সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রতিভা বাগচী বলেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা সুসংহত হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে অশান্তির বীজ বপন করছে। ১০ হাজার বছরের পুরনো এই হিন্দু পরিবার ব্যবস্থা ধ্বংস করে বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য করার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে চক্রটি। তাদের দুরভিসন্ধি হাসিলে হিন্দু আইন সংস্কারের জন্য আইন কমিশনে একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে। যার নেতৃত্বে আছেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক শাহীন আনাম ও তাঁর স্বামী মাহফুজ আনাম সিন্ডিকেট। 

তিনি আরও বলেন, হিন্দু পারিবারিক সম্পত্তি বিভাজন করে ব্যক্তি কেন্দ্রিক সম্পত্তি বণ্টন, বিবাহ বিচ্ছেদ, হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ও শাস্তির বিধান, দত্তক, ভরণ-পোষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রীয় পবিত্র বিধি-বিধান পরিবর্তনের চক্রান্ত করছে। আর এটা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিভেদ ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে হিন্দু সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের’ পরিচালক শাহীন আনাম ও ‘বাঁচতে শেখা’র পরিচালক এঞ্জেলা গোমেজের নেতৃত্বে বিভিন্ন স্থানে সভা-সেমিনার করে হিন্দু বিধিবিধান সম্পর্কে মিথ্যা ও বিদ্বেষমুলক তথ্য প্রচার করছে। সারাদেশের হিন্দু সমাজের মধ্যে একটা অস্থিরতা সৃষ্টি পাঁয়তারা চালাচ্ছে। 

শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধেও হিন্দু সম্প্রদায়কে ক্ষেপিয়ে তোলার গোপন মিশনের মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছে সংগঠনটি। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, শাহীন আনাম সিন্ডিকেটের এই অপতৎপরতার কারণে সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায় মনে করছে এই সরকার আমাদের ধর্মীয় বিধি-বিধান ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বাস শুধু নষ্ট হচ্ছে না, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিও হিন্দু সম্প্রদায়ের বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ছে। এইভাবে শাহীন আনাম গং কৌশলে হিন্দু সম্প্রদায়কে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার নীল নকশা বাস্তবায়নের পাঁয়তারা করছে। তারা আওয়ামী লীগ সরকার ও হিন্দু সম্প্রদায়কে মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, শাহীন আনাম এর আগে ২০১৭-১৮ সালে তার এক কর্মচারীকে দিয়ে হিন্দু ধর্মে তালাক প্রথা চালু করার জন্য রিট দায়ের করেন। তখন কোর্ট বিষয়টি শুনানীযোগ্য নয় বলে খারিজ করে দেয়। হিন্দু বিবাহে বর ও বধুকে নানা বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করতে হয়। এই বৈদিক মন্ত্র হলো, পৃথিবীর প্রাচীনতম গ্রন্থ ঋগ্বেদ থেকে সংকলিত। বিবাহের মন্ত্রগুলো কোনো পুরুষের রচিত নয়; মন্ত্রদ্রষ্টা নারী ঋষি সূর্যার নিকট আবিভূত হয়েছিল। আর বিয়ের সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি স্ত্রী আচার দিয়ে মহিমামণ্ডিত। যে বিধান হাজার হাজার বছর ধরে এই নারী ঋষির তৈরি এই বিবাহ ব্যবস্থা অবিকৃতভাবে চলমান থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবার ব্যবস্থা উপহার দিয়ে চলেছে। এই মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে দুটি হৃদয়, দুটি মন, দুটি শরীর একসূত্রে গ্রথিত হয়। হিন্দু নারী পুরুষের জীবনে আসে অর্ধাঙ্গীনি হিসাবে; তাকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। হিন্দু কুমারী যখন বিয়ের পিড়িতে বসে তখন রাজরাণীর মুকুট পড়ে বসে। রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থার ফলে দুষ্ট মানুষেরা বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা বাদ দিয়ে গোপনে ভুয়া রেজিস্ট্রেশন করে সহজ সরল নারীদের প্রতারিত করবে। হাজার হাজার বছরের ঐতিহ্য নষ্ট হবে; ধর্মীয় বিশ্বাস নষ্ট হবে। অতএব তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদ যে নামেই হোক না কেন কোনটাই হিন্দু সমাজ মেনে নেবে না।

আরও পড়ুন:

ছবি করার কথা বলে ঘরে ডেকে শার্লিন চোপড়াকে যৌন হেনস্তা করে সাজিদ

ইরানের পরমাণু সমঝোতা: যুক্তরাষ্ট্রের হতাশা নিয়ে যা বলল রাশিয়া

কাবুল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার দায় নিতে চান না তালেবান

ঘর থেকে বেরিয়ে বিশ্বরেকর্ডের পথে বেলজিয়ান তরুণী


শাহীন আনাম চক্র অনেক দিন ধরেই হিন্দু ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে এবং সামান্য কিছু অনৈতিক ও বিকৃত রুচির নর-নারীর জন্য কোটি কোটি জনগণকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলা ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করে সংগঠনটি।

বক্তব্যে বলা হয়, ‘গুটিকয়েক পাশ্চাত্য চিন্তা চেতনার অসুস্থ মস্তিষ্ক ও বিকৃত রুচির হৃদয়হীন নর নারীর কারণে লক্ষ লক্ষ নারী ও শিশুর জীবন বিপন্ন হতে দেওয়া যায় না; সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও খুনি তৈরি হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যায় না।’

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ঢাকায় যানজটে দৈনিক নষ্ট ৩৭ হাজার কোটি টাকার কর্মঘণ্টা (ভিডিও)

ফখরুল ইসলাম

ঢাকায় গাড়ির গতি আর হাটার গতির গড় একই। গবেষণা বলছে, পিক আওয়ারে গাড়ির গতির গড় ঠেকেছে মাত্র ৫ কিলোমিটারে। বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষণায় যানজটে রাজধানীতেই প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে ৩৭ হাজার কোটি টাকার কর্মঘণ্টা। এর জন্য রাস্তার তুলনায় অতিরিক্ত গাড়ির চাপকেই দুষলেন বিশেষজ্ঞরা। বিআরটিএ বলছে, গেল ১ দশকে দেশে গাড়ি বেড়েছে ৩৩ লাখ। বিপরীতে নতুন রাস্তা বেড়েছে যৎসামাণ্যই।

বিশ্বের ১৪০টি রাজধানীর মধ্যে বসবাসযোগ্যতার বিচারে ঢাকার অবস্থান ১৩৭তম।দ্যা ইকোনোমিস্টের  সাম্প্রতিক জরিপে উঠে আসে এমনই তথ্য । ঢাকার এই তলানীতে অবস্থানের অন্যতম কারণ দুঃসহ যানজট। 

বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষণা বলছে এক দশক আগে ঢাকায় গাড়ির গতি ছিলো ২১ কিলোমিটার। তা নেমে গড়ে এখন ৫ কিলোমিটার। রাস্তা যা আছে বিপরীতে উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে গাড়ির সংখ্যা। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বলছে গত এক দশকে দেশে গাড়ি বেড়েছে ৩৩ লাখের বেশি। ঢাকাতেই ১১ লাখ বেড়ে ছোটবড় মিলিয়ে গাড়ির সংখ্যা্ প্রায় ১৭ লাখ। এরমধ্যে সারাদেশে ব্যাক্তিগত সাড়ে ৪ লাখ গাড়ির ৪ লাখই চলে ঢাকায়।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

যাত্রী ভোগান্তি নিরসনে দশকের পর দশক কার্যকর গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেয়া হলেও অদৃশ্য কারণে বরাবরই ভেস্তে যাচ্ছে সে উদ্যোগ।  তবে রাজধানী জুড়ে নির্মিত বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভার, নির্মাণাধীন এলিভেটেডে এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল এর কাজ অচিরেই শেষ হলে, যানজট নিসরসনে আশার আলো দেখছে রাজধানীবাসী। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের পুলিশের লাঠিচার্জ (ভিডিও)

সুলতান আহমেদ

এবার ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের পেটালো পুলিশ। বুধবার মানববন্ধন শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে চাইলে প্রথমে পুলিশের বাধার মুখে পরে আন্দোলনরত গ্রাহকরা। পরে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে বলেও অভিযোগ গ্রাহকদের।

এদিকে ইভ্যালীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেলের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে পরিকল্পনামন্ত্রীও বলছেন, এমন ঘটনায় কোনভাবেই দায় এড়াতে পারেনা সরকার। 

চটকদারি বিজ্ঞাপনের প্রলোভনে পরে বিনিয়োগ করে এখন রাজপথে ই-ভ্যালী, ই-অরেঞ্জের হাজার হাজার গ্রাহক। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন ব্যানার হাতে নিয়ে দলে দলে জড়ো হতে থাকে প্রেসক্লাব এলাকায়। এসময় ইভ্যালী, ই-অরেঞ্জের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় গ্রাহকদের। 

মানবন্ধন শেষে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে যেতেই পুলিশি বাধার মুখে পরে তারা। এসময় পুলিশের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়ায় ভুক্তভোগীরা। পরে প্রেসক্লাব থেকে মৎস ভবনের দিকে যেতেই ঘটে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। যেখানে আহত হয় অন্তত ১০ জন। এছাড়া বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারি গ্রেফতার হয়েছে বলেও অভিযোগ গ্রাহকদের। 

নামধারি ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর দায় নিয়ে মঙ্গলবার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেয় অর্থমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নিউজটোয়েন্টিফোরকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, গ্রাহকদের ক্ষতির প্রথম দায়ভারটি সরকারের। 

এদিকে বৃহস্পতিবার ধানমন্ডি থানার প্রতারণার মামলায় সিএমএম আদালতে আনা হয় ইভ্যালীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেলকে। আদালত এসময় তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দেন। 

পরবর্তী খবর

ই-কমার্সের প্রতারণা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ চান রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক

ই-কমার্সের প্রতারণা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ চান রাষ্ট্রপতি

ই-কমার্সে প্রতারণা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভোক্তা প্রতারণা বন্ধ করার কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব মুন্সী জালাল উদ্দিন প্রেস ব্রিফিং করেন। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সাম্প্রতিককালে ই-কমার্সে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতি দেশে দ্রুত প্রসারণশীল ই-কমার্স ব্যবস্থায় ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু সংখ্যক লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। এ খাতে প্রতারণাসহ ভোক্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সব পদক্ষেপে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তারা যেন যৌক্তিক মূল্যে ও প্রত্যাশিত সময়ে মানসম্মত পণ্য পায়- তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

সাক্ষাৎকালে কমিশন চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়সহ কমিশনের চলমান কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে আরও অংশ নেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং কমিশনের সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কার্বন নিঃসরণ কমাতে আসছে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ভিডিও)

ডেস্ক রির্পোট

কার্বন নিঃসরণ কমাতে বৈদ্যুতিকে রূপান্তর হচ্ছে অটোমোবাইল শিল্প। জ্বালানি তেলনির্ভর গাড়িগুলো হয়ে উঠছে বৈদ্যুতিক।

এ কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিশোধনক্ষমতার চাহিদা অর্ধেক কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রিস্ট্যাড এনার্জি এ তথ্য জানিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স। সংশ্লিস্টরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ি ৯০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। আর তা বৈশ্বিক পরিশোধন ক্ষমতার চাহিদা ৫০ শতাংশ কমাবে। কেননা বৈদ্যুতিক যানবাহন বিশ্বজুড়ে পেট্রল ও ডিজেলের ব্যয় কমাবে। তবে নগরায়ণের কারণে উড়োজাহাজ, সামুদ্রিক পণ্য পরিবহনকারী জাহাজ ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতে জ্বালানি তেলের উচ্চ চাহিদা থাকতে পারে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

দেশে চালু হলো ১০০টি সেলুন লাইব্রেরি

অনলাইন ডেস্ক

দেশে চালু হলো ১০০টি সেলুন লাইব্রেরি

আমরা যখন কোন সেলুনে যাই, তখন অবসর সময়ে আমরা হাতের নাগালে (বই, পত্রিকা, প্রভৃতি) যা কিছু পাই, তা পড়ার চেষ্টা করি। এতে করে করে আমাদের সময়টি যেমন সুন্দর কাটে, তেমনি আমরা জ্ঞানের আলোয় সমৃদ্ধ হই। সে বিষয়টি বিবেচনা করে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে সারা দেশে ১০০টি সেলুন লাইব্রেরি চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ।

তিনি বলেন,উদ্যোগটি আপাতত দৃষ্টিতে ক্ষুদ্র মনে হলেও এর কার্যকারিতা ফলপ্রসূ ও সুবিশাল।

প্রতিমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত মুজিব শতবর্ষে শত গ্রন্থাগারে 'পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই' শীর্ষক ধারাবাহিক পাঠ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যখনই সময় পেতেন, তখনই বই পড়তেন। এমনকি কারাগারে অন্তরীণের দিনগুলোতে তাঁর সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিল বই। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বইয়ের সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক গড়তে হবে। নতুন টাকার গন্ধ যেমন আমাদের আকর্ষণ করে, তেমনি নতুন বইয়ের গন্ধও আমাদের আকৃষ্ট করে।

সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগারের উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় লাইব্রেরি ডিজিটালাইজড করার একটি সমন্বিত প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে যেটি বাস্তবায়িত হলে লাইব্রেরি হতে তথ্য সেবা গ্রহণ ও প্রদানের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন সূচিত হবে। এর মাধ্যমে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের অধীন ৭১টি সরকারি গ্রন্থাগার, আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের অধীন জাতীয় গ্রন্থাগার, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং বিভিন্ন বেসরকারি গ্রন্থাগারসমূহ একই নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে। 

তিনি এসময় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত ধারাবাহিক পাঠ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী ১০০টি পাঠাগারের প্রত্যেকটিকে তিন হাজার টাকা করে মোট তিন লক্ষ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


তিন মাস ব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক এবং বেসরকারি গ্রন্থাগার প্রতিনিধি ও দনিয়া পাঠাগারের সভাপতি মো. শাহনেওয়াজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর। 

উল্লেখ্য, সারা দেশের ১০০টি বেসরকারি গ্রন্থাগারের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী/পাঠক বঙ্গবন্ধুর রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি পাঠ করে লিখিতভাবে পাঠ-উত্তর প্রতিক্রিয়া/অভিমত ব্যক্ত করার মাধ্যমে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর