ফরিদপুর ও সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
ভাঙনে দিশেহারা মানুষ

ফরিদপুর ও সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

পদ্মা, যমুনা, তিস্তা সহ দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গেল ২৪ ঘন্টায় পদ্মা নদীর পানি ফরিদপুরের গোয়ালন্দ পয়েন্টে বিপদ সীমার ৪৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা। বন্যা দুর্গত এলঅকায় বিশুদ্ধ পানি ও গো খাদ্যর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

  

এদিকে লালমনিরহাটের ধরলা ও তিস্তা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভিটে-মাটি, ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় দিশেহারা নদী তীববর্তি মানুষ। প্রতিনিধিদের তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রির্পোট।

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সদর উপজেলার ডিক্রিরচর, নর্থচ্যানেল, চরমাধবদিয়া, সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তির্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ অবস্থায় পানি বন্দি এসব ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ বন্যা দুর্গত এলাকায় রয়েছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও গো- খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

তবে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক। কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে প্লাবিত হয়েছে দৌলতপুর উপজেলার দুই ইউনিয়নের ৩৭টি গ্রাম। পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে। বন্যায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বাড়ার কারণে একদিকে যেমন নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে যমুনার অরক্ষিত অঞ্চলে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গেল দু'দিনে  চৌহালী-এনায়েতপুর ও কাজিপুরের চরাঞ্চলে ভাঙ্গণে অন্তত অর্ধশতাধিক বসতভিটাসহ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

সংশ্লিস্টরা বলছেন যমুনা নদীর ভাঙন রোধে এরই মধ্যে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।   

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে পানিবন্দি প্রায় ২০ হাজার মানুষ। এদিকে পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতিবান্দার সদরের গোকুন্ডা ও রাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ধরলা ও তিস্তা নদীতে তীব্র ভাঙ্গণ দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন


বরিশাল সদরের সেই ইউএনওর বিরুদ্ধে ২ মামলার আবেদন

মাহফুজ আনাম ও তার স্ত্রীর সম্পদের উৎস জানতে চাই: অধ্যাপক হীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, বোনের হাতে বোন খুন

যশোরের ঝিকরগাছা ব্রিজ নির্মাণের প্রতিবাদে মানবন্ধন


NEWS24.TV / কামরুল