১০৭টি ফার্মেসিতে ‘নগদ’ পেমেন্টে ৭ শতাংশ ক্যাশব্যাক

অনলাইন ডেস্ক

১০৭টি ফার্মেসিতে ‘নগদ’ পেমেন্টে ৭ শতাংশ ক্যাশব্যাক

ঢাকা ও চট্টগ্রামের ১০৭টি ফার্মেসিতে ‘নগদ’-এ পেমেন্ট করলেই তাৎক্ষণিক ৭ শতাংশ ক্যাশব্যাক পাবেন গ্রাহকেরা। করোনা মহামারিতে মানুষের আর্থিক সাশ্রয়ের উদ্যোগ হিসেবে ক্যাম্পেইনটি চালু করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’।  

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় একজন ‘নগদ’ গ্রাহক তার ওয়ালেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামের নির্ধারিত ১০৭টি ফার্মেসিতে পেমেন্ট করলে তাৎক্ষণিক ৭ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৩০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন। এই অফারটি উপভোগের জন্য একজন গ্রাহক নির্ধারিত ফার্মেসিগুলো থেকে কোনো পণ্য কিনে তার ওয়ালেটের মাধ্যমে কিউ আর কোড স্ক্যান করে বা অ্যাপের মাধ্যমে কিংবা ইউএসএসডি ব্যবহারের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

এই ক্যাম্পেইনটি চলাকালে ‘নগদ’-এর একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ দুইবার ক্যাশব্যাক পাবেন। এ ক্ষেত্রে ‘নগদ’ কর্তৃক আরোপিত শর্তাবলী মেনে একজন গ্রাহক এই ক্যাশব্যাক সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। চলমান এই ক্যাম্পেইনটি আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ পর্যন্ত চলবে।

ক্যাম্পেইনের বিষয়ে ‘নগদ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, করোনার সময়ে মানুষ যেন ‘নগদ’ ব্যবহার করে আর্থিক সাশ্রয় লাভ করতে পারে, তারই একটি সামান্য উদ্যোগ ক্যাশব্যাক অফারটি। মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত এমন আরও অনেক বিষয়ে আকর্ষণীয় সব অফার যেন দেওয়া যায়, তা নিয়ে কাজ করছে ‘নগদ’। 

এর আগে অনলাইনে ঔষধ কেনার জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ড়ঁংযড়ফংযবনধ.পড়স-এ বিল পেমেন্টেও ৫ শতাংশ হারে ডিসকাউন্ট অফার ঘোষণা করে ‘নগদ’। অফারটি চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। তাছাড়া ফার্মেসির বিলে ক্যাশব্যাক দেওয়ার পাশাপাশি আগে থেকেই অনেকগুলো হাসপাতালের পেমেন্টেও আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক দিচ্ছে ‘নগদ’।

এই ক্যাম্পেইন বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে ‘নগদ’-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ ও ওয়েবসাইট (হধমধফ.পড়স.নফ) ভিজিট করুন। এ ছাড়া ‘নগদ’-এর গ্রাহক সেবা নম্বর ১৬১৬৭ অথবা ০৯৬০৯৬১৬১৬৭ নম্বরে ফোন করে বিস্তাারিত জানতে পারেন।

আরও পড়ুন:


শেষ স্লাব বসছে, পদ্মা সেতুতে আজ পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে সড়কপথ

নোয়াখালীতে ওবায়দুল কাদেরকে এ কী বললেন আ.লীগ নেতা!

বরিশালে ইউএনও’র বাসায় হামলার ঘটনা দুই পক্ষের সমঝোতা

আফগানিস্তানে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুতই ফেরানো হবে: প্রতিমন্ত্রী


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনের মামলা

অনলাইন ডেস্ক

ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনের মামলা

প্রতারণার দায়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে মামলা করেছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনের পক্ষ থেকে আলাদা তদন্তও করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদনটি হাতে পেলেই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কমিশনের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম এসব কথা জানান।


আরও পড়ুন

অভিজাত এলাকায় প্রবেশ করতে গুনতে হবে ট্যাক্স: মেয়র আতিক

নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছে দুবাই শাসক


গ্রাহক প্রতারণা, অর্থ আত্মসাতের মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামিমা নাসরীন।

এবার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করার কথা জানাল বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। কমিশন বলছে, ২০২০ সালে ১২ আগস্টে প্রচারিত ঈদ ধামাকা অফার নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করে ইভ্যালি। যেখানে পণ্যক্রয়ে ৮০ শতাংশের বেশি মূল্যছাড় দেয়ার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। এই বিজ্ঞাপনের সূত্র ধরে তদন্তে নেমে গ্রাহক প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।

কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ইভ্যালির ঈদ ধামাকা অফার দেখে সন্দেহ হলে ২৫ আগস্টে আমরা ব্যবসায়িক সব ধরনের তথ্য চেয়ে ইভ্যালি ও ই-ক্যাবকে চিঠি দেই। তারা কিছু তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে স্বপ্রণোদিত হয় ইভ্যালির বিরুদ্ধে মামলা করার কথা জানান মফিজুল ইসলাম।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ষষ্ঠ সদস্য বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ষষ্ঠ সদস্য বাংলাদেশ

দ্য নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এনডিবি) ষষ্ঠ সদস্য হয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার নামের অদ্যাক্ষর নিয়ে গঠিত ব্রিকস জোট এই ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করে।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সিন্ডিকেট দৌরত্বে আরেক দফা বাড়লো চালের দাম

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চাল আমদানির পরও চট্টগ্রামে চাল সিন্ডিকেটের চালবাজিতে আরেক দফা বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে চালের দাম বস্তাপ্রতি পাইকারিতে বেড়েছে দেড়শ টাকা পর্যন্ত। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। 

কিছুদিন আগেও চাল আমদানির খবরে চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় চালের মোকাম পাহাড়তলী এবং চাক্তাই খাতুনগঞ্জে কমেছে সর ধরনের চালের দাম। এখনও আমদানি চালের পাশাপাশি দেশীয় চালে ভরপুর চালের মোকাম। তবুও নানা অজুহাতে আবারো বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। পাইকাররা বলছেন উত্তরবঙ্গের সিন্ডিকেটের কারণে প্রভাব পড়েছে বাজারে।

পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা বাজারে বিশাল ফারাক থাকায় মহা বিপাকে ক্রেতারা। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারী বাজারের চালের দাম বেশি হওয়ায় বাড়তি দামে বিক্রি করছে তারা। তবে জেলা প্রশাসনের তদারকিতেও উঠে এসেছে চট্টগ্রামের চাল ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের নাম।

আরও পড়ুন:


ফুটবলে ক্যারিশমা দেখিয়ে অষ্টমবারের মতো গিনেস বুকে বাংলাদেশের ফয়সাল

ইসরায়েলের আয়রন ডোমের জন্য ১০০ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাত ঘণ্টা বৈঠক শেষ যা বললেন মির্জা ফখরুল!


আমদানি করা পাইজাম চালের বস্তা বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে সাড়ে ২২শ থেকে ২৩ শ পর্যন্ত। আর দেশীয় পাইজাম বিক্রি হচ্ছে ২৪শ থেকে ২৫শ পর্যন্ত। যা এক সপ্তাহ আগে বস্তাপ্রতি ১শ থেকে দেড়শ টাকা পর্যন্ত কম ছিল। একই ভাবে বেড়েছে নাজিরশাইল সেদ্ধ এবং আতপ চালসহ সব ধরনের চালের দাম।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ইভ্যালী, ই-অরেঞ্জসহ নানা প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা উদ্ধারে মরিয়া গ্রাহকরা

সুলতান আহমেদ

দিশেহারা এখন ইভ্যালী, ই অরেঞ্জ সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারিরা। টাকা উদ্ধারে মরিয়া গ্রাহকরা আন্দোলন সংগ্রামও করছেন নিয়মিত। কিভাবে টাকা পাওয়া যাবে সেই প্রশ্নই আসছে ঘুরেফিরে। তবে ইতিহাস বলছে, এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে অর্থ ফিরে পাওয়ার নজির নেই। ইভালী, ই অরেঞ্জের গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও কি ঘটবে তারই পুনরাবৃত্তি? 

চলতি শতাব্দির শুরুর দিকের কথা, যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি বা যুবক নামের প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহককে অতি মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা। ২০০৫ সালের দিকে তাদের কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমে লিখা ‍শুরু হলে তদন্তে নামে কেন্দ্রিয় ব্যাংক। ২০০৭ সালে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে বিনিয়োগকারিদের টাকা ফেরত দিতে নির্দেশনাও আসে। তবে ১৪ বছরেও ৩ লাখ ৪ হাজার গ্রাহক তাদের পাওণা ২,৬০০ কোটি টাকা ফেরত পায়নি। যদিও যুবকের কেনা জমির মূল্য বেড়ে এখন দাড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। 

একসময় পল্টন, কাকরাইল এলাকায় সরব ছিল ডেসটিনির গ্রাহকদের উপস্থিতিতে। ২০১২ সালে সেই প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ৪,১১৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া ও পাচারের অভিযোগে মামলা হয়। সেই মামলায় তারা রয়েছেন কারাগারে। তবে এখন পর্যন্ত কোন টাকা ফেরত পায়নি গ্রাহকরা। 

১০ মাসে স্বর্ণের ব্যবসা করে বিনিয়োগ দ্বিগুন করে দেয়ার প্রলোভন নিয়ে গ্রাহকের ৬ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ইউনিপে টু ইউ। প্রতারণার অভিযোগে তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় ৪২০ কোটি টাকা। উচ্চ আদালতের রায়ের পরও এক টাকাও ফেরত পায়নি গ্রাহকরা।


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


 

প্রতারণার আধুনিকতম ভার্সন এই ইভ্যালী, ই অরেঞ্জ। তাদের টাকা ফেরত পেতে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে গ্রাহকরা। যদিও অ্যার্টনি জেনারেল বলছেন, প্রচলিত আইনে গ্রাহকের অর্থ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

তবে সরকারের উচ্চ মহলের আন্তরিকতা থাকলে আংশিক হলেও গ্রাহকদের বিনিয়োগ ফিরেয়ে দেয়া সম্ভব বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

লাভের আশায় আলু মজুত করে লোকসানের কবলে পড়েছেন আলুচাষী ও মজুতদাররা

সেতু ইসলাম

আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মুন্সিগঞ্জের চাষীরা আগামীতে আলু চাষ করবে কি না এ নিয়ে শঙ্কা তৈরী হয়েছে। লাভের আশায় আলু মজুত করে এখন বড় লোকসানের কবলে পড়েছেন মুন্সিগঞ্জের আলুচাষী ও মজুতদাররা। 

খুচরা বাজারে আলুর ভালো দাম থাকলেও দাম কম পাইকারি বাজারে। এতে উৎপাদন ও হিমাগারে সংরক্ষণের খরচের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৪শ থেকে ৫শ টাকা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে আলু। 

আরও পড়ুন:


এক বছরের মধ্যে করোনা ভাইরাস মহামারি শেষ হবে: ব্যানসেল

ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সাত ঘণ্টা বৈঠক শেষ যা বললেন মির্জা ফখরুল!

টাঙ্গাই‌লে বাস- ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২


আলু মজুদ করে মাথায় হাত মুন্সিগঞ্জের চাষিদের। এবছর মুন্সিগঞ্জ জেলায় উৎপাদন হয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টন। এর মধ্যে ৭৪টি হিমাগারে সংরণ করা প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার টন। পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে সাড়ে ১০ টাকায়। 

অথচ সব খরচ মিলিয়ে কেজি প্রতি খরচ হয়েছে ১৮ থেকে ১৯ টাকা। অর্থাৎ পাইকারি পর্যায়ে কেজি প্রতি কৃষকদের লোকসান ৭ থেকে ৯ টাকা। বস্তাপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়ে ৪শ থেকে সাড়ে ৪শ টাকা।

আর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে , যদি ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পণ্যের সঙ্গে আলুকে অন্তর্ভুক্ত করা যায় এবং ভ্রাম্যমাণ আদলতের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করা হয় তাহলে কিছুটা সুফল পাবে কৃষক। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রশাসনে সহায়তার দাবি কৃষকদের।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর