লাভের আশায় ব্যাংকে টাকা রেখে লোকসান গুণছেন আমানতকারীরা

বাবু কামরুজ্জামান

নিজের কষ্টার্জিত জমানো টাকা ব্যাংকে জমা রেখে লাভ নয় বরং বছর শেষে লোকসান গুণছেন আমানতকারী। অন্যদিকে ব্যাংক আমানতে লোকসান হওয়ায় অনেকেই আবার প্রতারিত হন ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করে। 

হিসাব বলছে স্থায়ী আমানতে মূল্যস্ফীতি ও উৎসে কর বাদ দিলে একজন আমানতকারী ১শ টাকার বিপরীতে বছর শেষে প্রকৃত ফেরত পাচ্ছেন জমা টাকার চেয়েও কম। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন; আমানতের সুদহার বাড়ানোর পাশাপাশি আমানতকারীদের বিকল্প বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে মিউচুয়াল ফান্ডের প্রচারণা ও সহজ করার পাশাপাশি, বিশেষ সঞ্চয়ী স্কীম চালু রাখা প্রয়োজন। 

কানাডার প্রবাস জীবন ছেড়ে চার বছর আগে দেশে ফিরেছেন আজরা নারভীন আহমেদ। বাবা মা নেই; একমাত্র বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ভাইকে নিয়ে থাকেন বনানীর এই বাড়িতে। পরিবারের দায়ভার মেটাতে জমানো সব সঞ্চয় রেখেছিলেন একটি  ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে অবসায়নে দেয়ার সিদ্ধান্ত হলে নি:স্ব হয়ে পড়ে পরিবারটি। জানালেন; ব্যাংকে আমানতের সুদহার এতটাই কম যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। তাই দ্বারস্থ হয়েছিলেন নন ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের।

বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত সৈয়দ সেলিম উদ্দিন আহামেদ। পরিবারের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সোনালী ব্যাংকে এসেছেন সঞ্চয়পত্র কিনতে। ব্যাংকে স্থায়ী আমানতের সুদহার নিয়ে তার হতাশাও তীব্র।

করোনাকালে যখন মানুষের দৈনন্দিন খরচ বেড়েছে তখন ব্যাংক আমানতের সুদ এতটাই কম যে তা দিয়ে সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে অবসরে যাওয়া সরকারি চাকরিজীবী; মধ্যবিত্ত কিংবা ক্ষুদ্র আমানতকারী সকলেরই। 

ধরা যাক, একজন আমানতকারী ১ লাখ টাকা ব্যাংকে  জমা রাখলেন ১ বছর মেয়াদে। বিদ্যমান গড় সুদহার সাড়ে ৪ শতাংশ হিসেবে বছর শেষে ফেরত পাবেন ১ লাখ সাড়ে ৪ হাজার টাকা। যা থেকে ১ বছরের গড় মূল্যস্ফীতি  ৫.৫৬ শতাংশ (বা ৫,৫৬০ টাকা ) এবং ১০ শতাংশ উৎসে কর (৪৫০ টাকা) বাদ দিলে গ্রাহক এর পকেটে নিট জমা হচ্ছে ৯৮,৪৯০ টাকা। অর্থাৎ বছর শেষে স্থায়ী আমানতে লোকসান গুণছেন আমানতকারী।

আরও পড়ুন:


কারাগারে বিয়ে নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য দিলেন পরীমণি

প্রকৃতি যেন তার সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে পদ্ম ফুলের পাতায় পাতায়

আরও এক দফা বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি!

বিশ্বে করোনায় দৈনিক মৃত্যুতে শীর্ষে ইন্দোনেশিয়া


ব্যাংকগুলোতে একসময় যেসব ডাবল স্কিম প্যাকেজ ছিল তা এখন অনেকটাই অস্তিত্বহীন।ফলে দুর্বল নন-ব্যাংকিং কিংবা অবৈধ এমএলএমের মতো প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে নি:স্ব হচ্ছেন অনেক গ্রাহক। যা থেকে বেরিয়ে আসতে মিউচুয়াল ফান্ডের প্রচারণা এবং বিশেষ সঞ্চয়ী স্কিম চালু রাখার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

ব্যাংক আমানতে সবচেয়ে বঞ্চিত ছোট আমানতকারীরা। সবশেষ জুলাই মাসেও আমানতের বিপরীতে বেসরকারী অন্তত ১৭টি ব্যাংকের মেয়াদী আমানতের সুদহার ছিল সাড়ে ৪ শতাংশেরও কম।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফেসবুক ও ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দিতে ৩০ শতাংশ ভ্যাট

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক ও ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দিতে ৩০ শতাংশ ভ্যাট

ফেসবুক ও ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দিতে গ্রাহকদের গুণতে হচ্ছে ৩০ শতাংশ ভ্যাট। মূলত সরকারি কর্তৃপক্ষ এনবিআর থেকে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাবে একজন গ্রাহককে নিয়মের বাইরে গিয়ে দুই বার ভ্যাট গুণতে হচ্ছে। আর এতে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন গ্রাহক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিলে প্রথমে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কাটছে ফেসবুক বা ইউটিউব। এরপর আবার স্থানীয় ব্যাংকগুলো আরেকবারে আরও ১৫ শতাংশ ভ্যাট কাটছে। এতে গ্রাহককে মোট ৩০ শতাংশ ভ্যাট গুনতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্ড বিভাগের কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরকারি স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় বিজ্ঞাপনদাতারা দ্বৈত ভ্যাটের কথা স্বীকার করেন। তারা বলছেন, অনিবাসী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভ্যাট কর্তনের নির্দেশনা পাওয়ার পরই ব্যাংকগুলো তাদের সফটওয়্যারের মধ্যে এই পরিবর্তন নিয়ে আসে, যাতে করে এই ধরনের লেনদেন যখনই হবে তখন (বিজ্ঞাপনদাতা) গ্রাহকদের থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট স্বয়ংক্রিয় কর্তন করা সম্ভব হয়।

আবার গত জুলাই থেকে ফেসবুকের সঙ্গেও সরকারের চুক্তি হয়েছে, এখন থেকে তারা দেশে লিয়াজোঁ অফিস খুলে নিজেরাই ভ্যাট কেটে সরকারের কাছে জমা দেবে। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকার বা এনবিআর থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা না দেওয়ায় ব্যাংকগুলো আগের মতোই ভ্যাট কাটছে। আবার ফেসবুকও বিলের ওপর ভ্যাট কর্তন করে গ্রাহকদের পাঠাচ্ছে।

আরও পড়ুন:


সোমবার যে আমলটি করলে মনের আশা পূরণ হবে!

ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব: তামিম

ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩


এ ব্যাপারে এনবিআরের সদস্য (মূসক নীতি) মো. মাসুদ সাদিক বলেন, ‘এটা হওয়ার কথা নয়। এ পর্যন্ত আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। এরপরও এ রকম হয়ে থাকলে সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে আবেদন করা হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’ 

জানা যায়, ব্যাংকগুলো তাদের আদায় করা ১৫ শতাংশ ভ্যাটই সরকারি কোষাগারে জমা দিচ্ছে। ওদিকে ফেসবুকসহ অন্য অনেক অনাবাসী প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনের আয়ের ওপর ভ্যাট দেওয়া শুরু করলেও এখানে লুকোচুরি করা হচ্ছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

কানাডায় পোশাক রফতানি বাড়াতে চায় বিজিএমইএ

অনলাইন ডেস্ক

কানাডায় পোশাক রফতানি বাড়াতে চায় বিজিএমইএ

কানাডায় পোশাক রফতানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএ। এ লক্ষে সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসান সম্প্রতি কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় বিজিএমইএর পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিবও উপস্থিত ছিলেন।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিজিএমইএ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ফারুক হাসান হাইকমিশনারকে তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি বিশেষ করে করোনার কারণে সৃষ্ট নজিরবিহীন সংকট এবং পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে শিল্প কীভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, তা অবহিত করেন।

আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়গুলো, বিশেষ করে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ, নতুন পণ্য উন্নয়ন ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার উদ্ভাবন, বাজারের বৈচিত্র্যকরণ এবং কারখানার ক্যাপাসিটির সর্বোচ্চ ব্যবহার প্রভৃতি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। 

বিজিএমইএ সভাপতি হাইকমিশনারকে কানাডার মতো সম্ভাবনাময় বাজারে তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণ বিশেষ করে হাই-অ্যান্ড এবং বৈচিত্র্যময় পোশাক পণ্যের রফতানি বৃদ্ধির জন্য সহযোগিতা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

তিনি হাইকমিশনারকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ইতিবাচক গল্পগুলো বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, সামাজিক ও পরিবেশগত খাতে টেকসই উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের কল্যাণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে শিল্প যে অসাধারণ অগ্রগতি সাধন করেছে, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার জন্যও অনুরোধ জানান। 

আরও পড়ুন:


২০৪১ সালের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্য ৬০ হাজার মেগাওয়াট

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল

দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং মামলায় ডিআইজি পার্থ গোপাল কারাগারে

নতুন লুকে পর্দায় ফিরছেন শুভ!


তিনি ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের পর ১২ বছরের জন্য বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখতে কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনের প্রচেষ্টা ও ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ফারুক হাসান ড. খলিলুর রহমানকে কানাডায় বসবাসরত অনাবাসী বাংলাদেশিদেরকে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় কীভাবে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে, সে উপায় খুঁজে বের করার জন্য সহযোগিতা দেওয়ারও অনুরোধ জানান।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহে ব্যাপক পরিবর্তন ২০২২ সালের মধ্যেই

বোরহানুল হক সম্রাট

আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের জ্বালানী তেল আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। যাতে বছরে বাঁচবে হাজার কোটি টাকা। এ লক্ষ্যে খালাস প্রকল্পের পাশাপাশি কক্সবাজার থেকে সাগরপথে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা পর্যন্ত চলছে পাইপলাইন নির্মাণের কাজ।

এর ফলে দীর্ঘদিনের প্রচলিত তেল সরবরাহই শুধু পাল্টে যাচ্ছে না, জ্বালানি নিরাপত্তায় আসছে বিপুল মজুদের বাস্তবতাও। 

জলরাশি দিয়ে বিচ্ছিন্ন দেশের একমাত্র পাহাড়ীয়া দ্বীপ মহেশখালীতে নির্মিত হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় তেল খালাসের ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং বা এসপিএস প্রকল্প। উপজেলার মাতারবাড়ীর সমুদ্র সীমা থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে গভীর সাগরে স্থাপিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং-এ নোঙর করা মাদার ভেসেল থেকে মিলবে এই জ্বালানি তেল।

মাদার ভ্যাসেল থেকে এতদিনে লাইটার জাহাজে করে ১১দিনে পাওয়া জ্বালানি আসবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায়। ৯০ একর জায়গা জুড়ে চলছে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে তিনটি পরিশোধিত এবং তিনটি অপরিশোধিত তেলের এই ছয়টি স্টোরেজ দেশে প্রায় আড়াইমাসের চাহিদার জ্বালানি সংরক্ষণ করবে।

এসব স্টোরেজ ট্যাংক  থেকে  পাম্প করে পাইপলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে পতেঙ্গার ইস্টার্ণ রিফাইনারিতে। এজন্য সমুদ্রের নিচেসহ মোট ১৯৩ কিলোমিটার পাইপলাইন বসানোর কাজও শেষের পথে।এই এসপিএম প্রকল্পের নেটওয়ার্ক রাজধানী পর্যন্ত আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে বিপুল মজুত ক্ষমতার এ আধুনিক প্রকল্পটি সাময়িকভাবে তারও সমাধান দিতে পারবে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে ই-কমার্স খাত নষ্ট হচ্ছে: অ্যাটর্নি জেনারেল

অনলাইন ডেস্ক

কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে ই-কমার্স খাত নষ্ট হচ্ছে: অ্যাটর্নি জেনারেল

অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ই-কমার্স জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও আমাদের দেশে কতিপয় কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে ই-কমার্স খাত নষ্ট হচ্ছে। তবে ই-কমার্স নিয়ে দেশে কোনো আইন হয়নি। এটাকে আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে কোনো পণ্য অর্ডারের আগে ভালো-মন্দ ক্ষতিয়ে দেখে তারপর অর্ডার করবেন।

আজ রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

তিনি বলেন, ই-কামার্স ব্যবসা যারা করবে তাদের কাছ থেকে একটা সিকিউরিটি বাংলাদেশ ব্যাংক রেখে লাইসেন্স দেবে। এতে কোনো ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হলে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি মানি থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া যেতে পারে।

আরও পডুন


যে দেশে সর্বনিম্ন বেকারত্বের রেকর্ড

ইভ্যালির লাখো গ্রাহকের মাথায় হাত!

সালমানকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন শাবনূর!

আদালতের দ্বারস্থ জেমস


অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ই-কমার্সে প্রতারিত হলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করতে পারে। এছাড়া ক্রেতাকে সাবধান হতে হবে। আমি সবাইকে একটা পরামর্শ দেবো, কোনো ধরনের বিনিয়োগ করার আগে, কোনো পণ্য অর্ডার করার আগে দয়া করে এর ভালো-মন্দ দিকটা ক্ষতিয়ে দেখে তারপর অর্ডার করবেন।

তিনি বলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় মাধ্যম। তবে আমাদের দেশে নতুন। কিছু ব্যক্তির অসাধুতার কারণে দেশের এ খাতটি পিছিয়ে গেল।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

ভরা মৌসুমেও বঙ্গোপসাগরে দেখা মিলছে না ইলিশের

শেখ আহসানুল করিম

ভরা মৌসুমেও বঙ্গোপসাগরে দেখা মিলছে না ইলিশের। এমনকি ইলিশের ভান্ডারখ্যাত সোয়াস অব নো গ্রাউন্ডেও ইলিশের দেখা নেই। ফলে খালি হাতেই জেলেদের বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। 

ইলিশ আহরণে পার হয়েছে প্রায় ছয় মাস। কিন্তু লাভের মুখ দেখেনি জেলে- মহাজন। আর এতে বাগেরহাটের মৎস্য পল্লীতেও নেই কর্মচাঞ্চল্য। মৎস্য বিভাগ বলছে, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলেই মিলবে কাঙ্খিত ইলিশ। 

গভীর সাগর, সুন্দরবন ও উপকূলীয় নদীর মোহনা বলেশ্বর, পশুর, পানগুছি, মধুমতি, ভৈরব ও দড়াটানা নদীতে জালে ধরা পড়ছেনা ইলিশ।

আরও পডুন


যে দেশে সর্বনিম্ন বেকারত্বের রেকর্ড

ইভ্যালির লাখো গ্রাহকের মাথায় হাত!

সালমানকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন শাবনূর!

আদালতের দ্বারস্থ জেমস


ইলিশ না পেয়ে ফিরে আসা একেকটি ফিশিং ট্রলারে মাছ বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে তেল খরচও ওঠেনি তাদের। জেলে ও ট্রলার মালিকদের অভিযোগ, ইলিশের ভরা মৌসুমে ৬৫ দিনের নিষেজ্ঞা থাকায় পাশ্ববর্তীদের দেশের জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে ইলিশ মাছ ধরে নিয়ে গেছে। তবে এমন অবস্থা সাময়িক, বললেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ইলিশ মাছের সংখ্যা কমার পেছনে অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম জলবায়ু পরিবর্তন। তাই এবিষয়ে সবাই সচেতন হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা তার।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর