দেশের প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

দেশের প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

অনলাইন ডেস্ক

দেশের প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফরিদপুরে পদ্মার পানি গোয়ালন্দ পয়েন্টে বিপদ সীমার ৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  

বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল।

পানি বন্দি হয়ে পড়েছে বিভিন্ন জেলার লাখো মানুষ। ঘর-বাড়িতে পানি ওঠায় বানভাসীদের দুর্ভোগ চরমে। ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ারও অভিযোগ করছেন কেউ কেউ। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বানভাসীদের জন্য খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।  

ফরিদপুর:

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সদর উপজেলার আলিয়াবাদ, চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের তালতলা, বেড়িবাধ, মোস্তফা ডাঙ্গিসহ কয়েকটি গ্রাম  নতুন করে প্লাবিত হয়েছে ।

বগুড়া:

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের ৭০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় উচু বাধে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে। তলিয়ে গেছে ১শ’ হেক্টর জমির ফসল বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে তা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

জামালপুর:

একই চিত্র জামালপুরেও। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বিভিণ্ন ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে ।

আরও পড়ুন:


জিয়ার লাশ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে রাঙ্গুনিয়া পাহাড়ে নিয়েছিল কে?

সীতাকুণ্ডের ৩ হাজার পরিবারে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের উপহার

এবার কাবুল বিমানবন্দরের কাছে রকেট হামলা

সরকারের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার হবে জনতার আদালতে: ফখরুল


সিরাজগঞ্জ:

গেল ১০ দিন ধরে পানিবন্দি সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার হাজারো মানুষ।   বন্যা দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা ও করোনার কারনে কাজকর্ম না থাকায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন অনেকে। এ অবস্থায়ও পানিনি ত্রাণ সহায়তা অভিযোগ করছেন কেউ কেউ।

গাইবান্ধা:

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ১৫৫টি চরের অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। নীচু এলাকার বাড়িঘরে হাটু পানি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে নদী তীরবর্তী মানুষ।        

কুড়িগ্রাম:

কুড়িগ্রামে নদ-নদীতে ফের বাড়ছে পানি। পানিবৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করায় পানিবন্দি ৩০ হাজার মানুষ।

news24bd.tv নাজিম

;