সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানের টেকনোলজিস্টদের মানবেতর জীবন

সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানের টেকনোলজিস্টদের মানবেতর জীবন

Other

দেশের সর্বোচ্চ করোনা নমুনা পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এ্যান্ড রেফারেল সেন্টার। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ছুঁয়েছে লক্ষ নমুনা পরীক্ষার মাইলফলক। তবে এ প্রতিষ্ঠানে যারা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে কাজ করছেন তাদের কারোরই চাকুরী স্থায়ী নয়।   অন্যসকল প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের চাকুরি নিশ্চিত হলেও এখনো অন্ধকারে প্রতিষ্ঠানটি।

 

২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনা নমুনা পরীক্ষার কাজ শুরু করে ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এ্যান্ড রেফারেল সেন্টার। শুরু থেকেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ সহ ফ্রন্ট লাইনার হিসেবে কাজ করেছে প্রতিষ্ঠানটির ৫৫ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।

তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবছরের ২৯ অগাষ্ট ১০ লাখ নমুনা পরীক্ষার মাইল ফলক স্পর্শ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। দ্বিতীয় অবস্থানে আইপিএই এর ল্যাব ২ লাখ ৮০ হাজারের কিছু বেশী ও তৃতীয় অবস্থানে আইইডিসিআর যাদের নমুনা পরীক্ষা আড়াই লাখের উপরে। সর্বমোট সারা দেশের ১৩৬টি আরটি পিসিআর ল্যাবে ৮০ লাখের বেশী নমুনা পরীক্ষার ১০ শতাংশই করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নমুনা আসে এখানে, হয় পরীক্ষা। দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন আরটি পিসিআর ল্যাব বিকল হয়ে পড়ে তখনও সবচেয়ে বেশী নমুনা পরীক্ষা করার কাজটি করে থাকে এখানকার মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। তবে বেতন ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা।

যদিও জুন মাসে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় আউট সোর্সিং হিসেবে তাদের সেবা ক্রয় করে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, তবে তাও আটকে গেছে আমলা তান্ত্রিক জটিলতায়। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক বলছেন, শীঘ্রই হবে এই সমস্যার সমাধান।

আরও পড়ুন:


জিয়ার লাশ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে রাঙ্গুনিয়া পাহাড়ে নিয়েছিল কে?

সীতাকুণ্ডের ৩ হাজার পরিবারে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের উপহার

এবার কাবুল বিমানবন্দরের কাছে রকেট হামলা


 

মার্চ ৭ ২০২০ থেকে আগষ্ট ২০২১। দেড় বছরে প্রতিষ্ঠানটির অক্লান্ত পরিশ্রমে ১০ লাখ নমুনা পরীক্ষার মাইল ফলক স্পর্শ করলেও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ দিতে না পারার দায় তাহলে কার?

news24bd.tv/আলী

;