কাবুল থেকে বহু মার্কিন সেনা পাকিস্তানে, ‌‘থাকবে ৩০ দিন’

অনলাইন ডেস্ক

কাবুল থেকে বহু মার্কিন সেনা পাকিস্তানে, ‌‘থাকবে ৩০ দিন’

সর্বশেষ মার্কিন সেনা সোমবার রাতে আফগানিস্তান ছেড়ে চলে গেছে। কাবুল ছেড়ে যাওয়া এসব মার্কিন সেনার অনেকেই এখন পাকিস্তানে। পাকিস্তানে মার্কিন ঘাঁটি গড়ার প্রশ্ন উঠলেও ইসলামাবাদ বলছে, স্বল্পমেয়াদে পাকিস্তানে থাকবেন এসব সেনা।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমাদ দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন সেনাদের পাকিস্তানে অবস্থানের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, এসব বিদেশি সেনাদের দীর্ঘমেয়াদে পাকিস্তানে থাকার কোনো সুযোগ নেই। তাদেরকে ২১ থেকে ৩০ দিনের ট্রানজিট ভিসা দেওয়া হয়েছে।

ডনকে দেওয়া সাক্ষাতকারে পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের মোশাররফ যুগ ফিরে আসার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং পাকিস্তান সরকার ইসলামাবাদে আমেরিকানদের জন্য হোটেল বুক করছে বলে জমিয়ত উলামায়ে-ই-ইসলাম প্রধানের দাবির জন্য তাকে তিরস্কার করেন। 

এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রশিদ আহমাদ বলেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে তোরখাম সীমান্ত দিয়ে ২ হাজার ১৯২ জন পাকিস্তানে এসেছেন।  আকাশপথে ইসলামাবাদে এসেছেন আরও ১ হাজার ৬২৭ জন। এছাড়া অল্পকিছু সংখ্যক মানুষ এসেছে চামান সীমান্ত হয়ে।

পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, বহু মানুষ প্রতিদিন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চামান সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত করেন। অনেকে আফগান এ সীমান্ত থেকে পাকিস্তানে প্রবেশ করে এবং তাদের দেশে ফিরে যাওয়াকে তিনি ‘স্বাভাবিক কার্যকলাপ’ বলে বর্ণনা করেন।

তিনি বলেছেন, আফগানিস্তান থেকে আগতদের ভিসা প্রদানের লক্ষ্য অর্থ উপার্জন নয়। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে তহবিল তৈরির কোনো লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি। স্বাভাবিক মূল্যে তাদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে।

পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় বলেন, পাকিস্তান একটি ‘দায়িত্বশীল দেশ’ এবং পাকিস্তান তার জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক প্রত্যাশা পূরণ করে যাবে। আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানে ঐতিহাসিক একটি ভূমিকা পালন করেছে বলে এ সময় দাবি করেন তিনি।

শেখ রশিদ আহমাদ বলেন আরও দাবি করেন, ‘আফগানিস্তানের শান্তির জন্য পাকিস্তানের চেয়ে অন্য কোনো দেশ এতটা ত্যাগ স্বীকার করেনি। সবসময় আফগানিস্তানের শান্তি ও স্থিতিশীলতা পাকিস্তানের শান্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত।’

তিনি আরও বলেন, ‘তালেবান পাকিস্তান সরকারকে আশ্বস্ত করেছে যে, নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না। সেনাবাহিনী কার্যকরভাবে দেশের সীমানা পাহারা দিচ্ছে।’

পরবর্তী খবর

ম্যান্ডেলার ব্যবহৃত যেসব ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিলামে, দাম কত?

অনলাইন ডেস্ক

ম্যান্ডেলার ব্যবহৃত যেসব ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিলামে, দাম কত?

আগামী ১১ ডিসেম্বর অনলাইনে ও সরাসরি নিলামে তোলা হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী নেতা ও প্রয়াত প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র। নিউইয়র্কভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠান গার্নসি এ নিলাম আয়োজন করবে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। তবে দাম কত ধরা হবে সে বিষয়ে তেমন কিছু জানা যায় নি। 

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যবহৃত প্রায় ১০০ জিনিসপত্র নিলামে তোলা হবে। এর মধ্যে রয়েছে রঙিন প্যাটার্নযুক্ত মাদিবা শার্ট, যা তিনি বিশেষ অনুষ্ঠানে পরতেন। এই শার্ট পরেই তিনি ১৯৯৮ এবং ২০০৩ সালে ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

নিলামে অন্য যেসব জিনিস তোলা হচ্ছে, তার মধ্যে থাকছে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ অন্য রাষ্ট্রপ্রধানদের উপহার, ম্যান্ডেলার চশমা, ব্রিফকেস ও প্যান্ট। ১৯৭৬ সালে রোবেন দ্বীপে বন্দী থাকার সময় তিনি যে চার পৃষ্ঠার চিঠি লিখেছিলেন, সেটিও নিলামে তোলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:


যে কারণে ম্যান্ডেলার জিনিসপত্র নিলামে উঠেছে

রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিটকয়েনের দাম!

আইপিএল: কে কোন পুরস্কার পেলেন জেনে নিন

মোবাইলে টুজি সচল, থ্রিজি ও ফোরজির জন্য নেটিজেনদের আক্ষেপ


মূলত, নেলসন ম্যান্ডেলার সম্মানে ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের প্রত্যন্ত কুনু গ্রামের নেলসন ম্যান্ডেলা ফ্রিডম গার্ডেন গড়ে তোলা হয়েছে। তার তহবিল জোগাতেই প্রায় ১০০ রকমের জিনিস নিলামে তোলা হচ্ছে।  

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে জোহানেসবার্গে ৯৫ বছর বয়সে নেলসন ম্যান্ডেলা মৃত্যুবরণ করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কুনুতে ফ্রিডম গার্ডেনে তাকে সমাধিস্থ করা হয়েছে। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

যে কারণে ম্যান্ডেলার জিনিসপত্র নিলামে উঠেছে

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে ম্যান্ডেলার জিনিসপত্র নিলামে উঠেছে

দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র নিলামে তুলেছে তার পরিবার। এই অর্থ নেলসনের সম্মানে নির্মিত একটি স্মারক বাগানে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যবহৃত প্রায় ১০০ জিনিসপত্র নিলামে তোলা হবে। এর মধ্যে রয়েছে রঙিন প্যাটার্নযুক্ত মাদিবা শার্ট, যা তিনি বিশেষ অনুষ্ঠানে পরতেন। এই শার্ট পরেই তিনি ১৯৯৮ এবং ২০০৩ সালে ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

নিউইয়র্কভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠান গার্নসি আগামী ১১ ডিসেম্বর অনলাইনে ও সরাসরি এ নিলাম আয়োজন করবে বলেও জানা গেছে। 

আরও পড়ুন:


রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিটকয়েনের দাম!

আইপিএল: কে কোন পুরস্কার পেলেন জেনে নিন

মোবাইলে টুজি সচল, থ্রিজি ও ফোরজির জন্য নেটিজেনদের আক্ষেপ

সন্তান জন্ম দিয়েই মারা গেলেন নির্যাতনের শিকার গায়ে আগুন দেয়া সেই কিশোরী


নিলামে অন্য যেসব জিনিস তোলা হচ্ছে, তার মধ্যে থাকছে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ অন্য রাষ্ট্রপ্রধানদের উপহার, ম্যান্ডেলার চশমা, ব্রিফকেস ও প্যান্ট। ১৯৭৬ সালে রোবেন দ্বীপে বন্দী থাকার সময় তিনি যে চার পৃষ্ঠার চিঠি লিখেছিলেন, সেটিও নিলামে তোলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে জোহানেসবার্গে ৯৫ বছর বয়সে নেলসন ম্যান্ডেলা মৃত্যুবরণ করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কুনুতে ফ্রিডম গার্ডেনে তাকে সমাধিস্থ করা হয়েছে। 

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

২০২১ সালে বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১১৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৬তম। সূচকে মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ১। যেখানে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

এবারের সূচকে ৯২তম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। ভারতের অবস্থান ১০১তম। সূচকে বাংলাদেশ ও নেপাল সমঅবস্থান রয়েছে। মিয়ানমারের অবস্থান ৭১তম। 

আরও পড়ুন


থেমে-থেমে জ্বর আসছে খালেদা জিয়ার, খাচ্ছেনও খুবই অল্প

কুমিল্লার ঘটনা উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিত: রিজভী

যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন মৌসুমী, ভিসা মেলেনি ওমর সানীর

ক্ষমতায় যাওয়ার বিএনপির রঙিন খোয়াব অচিরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে: কাদের


২০২০ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১০৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭৫তম। ২০১৯ সালে ১১৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৮তম এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬তম ছিলো। জিএইচআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশের অনেকটায় অগ্রগতি হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জানা গেল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম

অনলাইন ডেস্ক

জানা গেল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ৫৩ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। খবর রয়টার্সের।

চলতি বছরের জুনের হিসেবে এক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টির সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৪ শতাংশ। তালিকায় আগে থেকেই শীর্ষে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানায়, প্রাইভেট ও পাবলিক মার্কেটের বিনিয়োগের ফলেই এবছর এতো মুনাফা অর্জন করতে পেরেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বছরটিকে একটি 'অসামান্য' বছর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে প্রতিবছরই যে এমনটা হবে না এটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তারা।

হার্ভার্ডের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ও হার্ভার্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী এন পি নারভেকার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করলে চলতি বছরে হার্ভার্ডের আয় আরও বেশি হতে পারতো। তবে প্রতি বছর এমন আয় নাও হতে পারে বলেও যোগ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত বছর জুন পর্যন্ত এক বছরে করোনাভাইরাস অতিমারিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছিল ৭.৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন:

এক বছরের চেষ্টায় নীলগিরিতে 'মানুষখেকো' বাঘ জীবিত আটক

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

ফাইনালে কলকাতা-চেন্নাইয়ের সম্ভাব্য একাদশ, সাকিব থাকছেন কি?

আফগানিস্তানে শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ৩০


হার্ভার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৫৬ শতাংশ মুনাফা করেছে ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি, তাদের সম্পদের পরিমাণ ২৭.২ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া চলতি বছরে ৫২ শতাংশ মুনাফা নিয়ে ব্রাউন ইউনিভার্সিটির সম্পদ ৬.৯ বিলিয়ন ডলার বলে জানায় হার্ভার্ড।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

এক বছরের চেষ্টায় নীলগিরিতে 'মানুষখেকো' বাঘ জীবিত আটক

অনলাইন ডেস্ক

এক বছরের চেষ্টায় নীলগিরিতে 'মানুষখেকো' বাঘ জীবিত আটক

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের নীলগিরি জেলায় এক বছরের চেষ্টায় এক 'মানুষখেকো' বাঘকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে স্থানীয় বনবিভাগ কর্তৃপক্ষ। গত এক বছরে চারজন মানুষকে হত্যা করেছে বাঘটি। খবর এনডিটিভির।

চলতি মাসের শুরুতে মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশে, বনবিভাগের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বনে 'এমডিটি-২৩' বাঘটিকে শনাক্ত করতে অভিযান চালায়। এসময় কোর্ট বাঘটিকে শুধুমাত্র শনাক্ত করার, অর্থাৎ হত্যা না করার নির্দেশ দেন। উত্তরে জানানো হয়, বাঘটিকে হত্যা করার কোন পরিকল্পনা তাদের নেই।

এমনকি হাইকোর্টের বেঞ্চে একটি শুনানিও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নিশ্চিত করা হয় বাঘটি ভয়ংকর হলেও যেন এটিকে হত্যা করার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে জীবিত ধরা হয়। 

আরও পড়ুন:

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

ফাইনালে কলকাতা-চেন্নাইয়ের সম্ভাব্য একাদশ, সাকিব থাকছেন কি?

ভিড়ের মধ্যে কান্না করা শিশুকে ঘিরে আসল রহস্য উদঘাটন

আফগানিস্তানে শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ৩০


আহত বাঘটিকে ফাঁদে ফেলতে প্রায় ১০০ জন বনবিভাগের কর্মচারী একটি অভিযান চালায়। যাদের মধ্যে কেরালা টাস্ক ফোর্সের কয়েকজন সদস্য এবং কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রশিক্ষণ দেয়া কয়েকটি হাতিও ছিল।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর