গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর পূর্বপাড়া এলাকার (১ সেপ্টেম্বর) বুধবার রাতে মৃত মকবুল হোসেনের বাড়ি থেকে পিয়াস চৌধুরী (২০) নামে এক সন্ত্রাসীকে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করেন থানা-পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার মানায় গ্রামের কাদের মিয়ার ছেলে পিয়াস চৌধুরী (২০)।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানান, উপজেলার সফিপুর  এলাকায় বুধবার রাতে  পিয়াস চৌধুরী তার বাসা বাড়া রুমের ভেতরে অস্ত্র লুকানোর জন্য ওই পিস্তলের মাপে কেচি দিয়ে বইয়ের পাতা কাটতে ছিল। এলাকাবাসী ওই রুমের জানালা দিয়ে বিষয়টি দেখে ফেলে। পরে এলাকাবাসী পু্লিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করেন এবং নবম- দশম শ্রেণির একটি নোট বইয়ের ফিতর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে। আসামি পিয়াসকে বৃহস্পতিবার দুপুরে অস্ত্র  আইনে মামলা দিয়ে গাজীপুর জেল হাজতে প্রেরণ করেন কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।

কালিয়াকৈর  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি)  আবু সিদ্দিক সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামী পিয়াসকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে গাজীপুর  জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পরবর্তী খবর

‘গ্রেপ্তারের সময় বিমর্ষ’ ছিলেন রাসেল

অনলাইন ডেস্ক

‘গ্রেপ্তারের সময় বিমর্ষ’ ছিলেন রাসেল

গ্রেপ্তারের সময় রাসেলকে বিমর্ষিত দেখা গিয়েছিল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলকে।

র‌্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে রাসেলের মোহাম্মদপুরের নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের বাসায় (হাউজ ৫/৫এ, স্যার সৈয়দ রোড) অভিযান চালিয়ে বিকেলের দিকে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) হেফাজতে নেওয়া হয়।

এর আগে রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক অনিন্দ তালুকদার। তিনি বলেন, আরিফ বাকের নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর- ১৯।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আরিফ বাকের গত ২৯ মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে ইভ্যালিতে মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি পণ্য অর্ডার করেন। এগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দেয়নি। ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিয়ে সমাধান পাওয়া যায়নি। অফিসে গিয়ে তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বললে খারাপ ব্যবহার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও রাসেলের সঙ্গেও দেখা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। তার সঙ্গে ইভ্যালি চরম দুর্ব্যবহার করেছে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী আরিফ বাকের বলেন, দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে থানা থেকে জানানো হয় আমার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি হয়েছে। তবে মামলার কপি আমি এখনো হাতে পাইনি।

আরও পড়ুন: 


রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে

স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

চীনে ১০ কি.মি. গভীরতার শক্তিশালী ভূমিকম্পের হানা

দুবলার চর থেকে খুলনা কাঁকড়া পরিবহনে বাধা নেই: হাইকোর্ট


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ইভ্যালির এমডি ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা

অনলাইন ডেস্ক

ইভ্যালির এমডি ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা

দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণা মামলা দায়ের করেছেন এক গ্রাহক।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. আরিফ বাকের এই মামলাটি দায়ের করেছেন।

প্রতারণার এই মামলায় ইভ্যালি এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। ইভ্যালির আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী আরিফ বাকের অভিযোগ করেছেন, ইভ্যালির অনলাইন প্লাটফর্মে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পাননি তিনি। নিরুপায় হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ মে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অভিযোগকারী আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা চলতি বছরের মে ও জুন মাসে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। পণ্যের অর্ডার বাবদ সব মূল্য বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করেন তারা।

আরও পড়ুন


করোনা শুরুর পর প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

পরীর পাহাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করবে জেলা প্রশাসন

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি হচ্ছে রাষ্ট্র

কারওয়ান বাজার ও গুলশান-২ নিয়ে মহাপরিকল্পনা ডিএনসিসির


পণ্যগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারি ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠান সমপরিমাণ টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়সীমার মধ্যে পণ্যগুলো ডেলিভারি না পাওয়ায় বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিকে ফোন করা হয়। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করে অর্ডার করা পণ্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আরিফরা।

একপর্যায়ে ইভ্যালি পণ্য প্রদান ও টাকা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির ধানমন্ডির অফিসে যান আরিফ ও তার বন্ধুরা।

মামলার এজাহারে আরিফ বলেন, ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। একপর্যায়ে অফিসের অভ্যন্তরে থাকা ইভ্যালির রাসেল উত্তেজিত হয়ে তার রুম থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন এবং আমাদের পণ্য অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। আমাদের ভয়ভীতি ও হুমকিসহ চরম দুর্ব্যবহার করেন। এতে আমরা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছি। পণ্যগুলো বুঝে না পাওয়ায় আমি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সিলেটে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে প্রিন্সিপাল আটক

অনলাইন ডেস্ক

সিলেটে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে প্রিন্সিপাল আটক

সিলেটের বিয়ানীবাজারে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক হাফেজ আব্দুর রহিমকে (৫৫) আটক করেছে বিজিবি। তিনি পৌরসভার ফতেহপুর এলাকার হযরত হায়দর শাহ (রহঃ) হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। বুধবার দুপুরে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। রাতে তাকে বিয়ানীবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, বিয়ানীবাজার বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের এক সৈনিকের ছেলে ওই মাদ্রাসার ছাত্র (১৫)। সম্প্রতি সে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়। কারণ জানতে চাইলে সে বলাৎকারের বিষয়টি বাবাকে জানায়। পরে ওই বিজিবি সদস্য ঘটনাটি ৫২ ব্যাটলিয়নের দায়িত্বশীলদের জানালে বুধবার দুপুরে মাদ্রারাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ আব্দুর রহিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজিবি সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। 

পরে ঘটনার সত্যতা ও বলাৎকারের শিকার ওই ছাত্রের মৌখিক জবানবন্দী শেষে গতকাল রাত ৮টার দিকে তাকে বিয়ানীবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় বলেন, বিজিবি মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে থানায় হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় ছাত্রের বাবা থানায় মামলা করেছেন। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আরও পড়ুন:


আইএস বধূ শামীমা বাংলাদেশে নয়, ফিরতে চান ব্রিটেনে

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আবারও ১০ হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু

রদ্রিগোর গোলে ইন্টার মিলানকে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ

চট্টগ্রামের উপকূলে মিলল তিনটি মৃত ডলফিন!


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

সোহাগ পরিবহনের বাস থেকে ৫৮টি স্বর্ণের বার জব্দ

অনলাইন ডেস্ক

দুবাই থেকে বিমানে আসা অবৈধ স্বর্ণের বার বাসে করে নেয়া হচ্ছিল সাতক্ষীরা সীমান্তে। এমন তথ্যে সোহাগ পরিবহনের এক বাসে অভিযান চালিয়ে ৫৮টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছে। বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মালিবাগের এই অভিযানে বাসচালকসহ তিনজনকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। 

সংস্থার মহাপরিচালক জানান, এসব স্বর্ণ বিদেশ থেকে এনে বাংলাদেকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে পাশের দেশে পাচার করা হচ্ছিল।

রাজধানীর মালিবাগ থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশে যাচ্ছিল সোহাগ পরিবহনের ওই বাস। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর সংলগ্ন ট্রাফিক সিগনাল এলাকায় পৌঁছলে শুল্ক গোয়েন্দা টিম গাড়িতে উঠে তল্লাশি শুরু করে। এতে নেতৃত্ব দেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ইফতেখার আলম ভূঁইয়া। 

দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি শেষে আনুমানিক বুধবার সকাল ৯টার দিকে বাসের চালকের সিটের নিচে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ৫৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ছয় দশমিক ৭২ কেজি। আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান সংস্থার মহাপরিচালক। 


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ৩ জনকে। তারা হলেন, গাড়িচালক শাহাদাৎ হোসেন, হেলপার ইব্রাহিম ও গাড়ির সুপারভাইজার তাইকুল ইসলাম। শুল্ক গোয়েন্দার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, এসব স্বর্ণ বিদেশ থেকে এনে বাংলাদেকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে পাশের দেশে পাচার করা হচ্ছিল।

স্বর্ণবার উদ্ধারের ঘটনায় কাস্টমস আইন অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করে নেয়া হবে পরবর্তী ব্যবস্থা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নিখোঁজের চারদিন পর মিলল শিশু মিনহাজের মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক

নিখোঁজের চারদিন পর মিলল শিশু মিনহাজের মরদেহ

কুমিল্লার বরুড়ায় নিখোঁজের চারদিন পর মিলল মোসা. মিনহাজ আক্তার (৭) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ। খালপাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

শিশু মিনহাজ আক্তার চান্দিনা উপজেলার হারং গ্রামের মো. ফজলুল হকের মেয়ে এবং বরুড়া উপজেলার জটাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

আরও পড়ুন: 


সরকারি আটায় রুটি তৈরি করা কারখানায় অভিযান চলছে

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ফজলুল হক আছপিয়া চলে গেলেন

ঘাস সংগ্রহ করতে নাগর নদী পার হচ্ছিল মৃত দুই নারী

নীলফামারীতে বিমান কোস্টার সার্ভিস উদ্বোধন


নিহতের পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের ওড্ডা গ্রামের সরফুল বেগমের স্বামী ফজলুল হকের সাথে প্রায় ৩ বছর আগে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর সরফুল বেগম তার দুই কন্যা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। শিশু মিনহাজ গত ১১ সেপ্টেম্বর বিকেল প্রায় ৩টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এলাকায় মাইকিংসহ বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মেলেনি। বুধবার ওই এলাকার বিশকর্মা নামক খালের পাড়ে মিনহাজের মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, ‌‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। লাশ অর্ধগলিত। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।’

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর