সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ | আপডেট ১৬ মিনিট আগে

রোজা রাখা যাদের জন্য আবশ্যক

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

রোজা রাখা যাদের জন্য আবশ্যক

প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের দ্বিতীয় মুসলিম উম্মাহর জন্য রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। এ রোজা পালনে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। যারা এ শর্তের আওতায় থাকবে তাদের জন্য রোজা রাখা ফরজ বা আবশ্যক।

আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা এই (রমজান) মাস পাবে, তারা যেন এ মাসে রোজা পালন করে। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)

বান্দার প্রতি রোজা ফরজ হওয়ার জন্য যে শর্তগুলো থাকা আবশ্যক তা হলো-

মুসলমান হওয়া। অমুসলিমের ওপর রোজার বিধান প্রযোজ্য নয়

বালেগ বা সাবালক তথা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া। অপ্রাপ্ত বয়স্ক নাবালেগদের ওপর রোজা ফরজ নয়

আকল সম্পন্ন হওয়া। পাগল, মস্তিষ্ক বিকৃত লোকের ওপর রোজা ফরজ নয়

রোজা পালনে সামর্থবান হওয়া।

মুসাফির না হওয়া। কারণ মুসাফিরের জন্য রোজা ফরজ নয়।

আবার অনেকের ওপর রোজা ফরজ ওয়ার শর্ত পাওয়া সত্বেও সাময়িক অবস্থার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক রোজা রাখার বিধান স্থগিত থাকে। আর তা হলো-

নারীদের হায়েয বা ঋতুস্রাব। যা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীদের প্রতি মাসে হয়ে থাকে, যদি সে গর্ভবর্তী না হয় এবং

নিফাস (সন্তান জন্মদান পরবর্তী সময়) থেকে পবিত্র থাকা। কারণ নারীরা হাফেজ ও নিফাস চলাকালীন সময়ে অপবিত্র থাকে। আর অপবিত্র থাকা অবস্থায় রোজা রাখা যায় না। 

মনে রাখতে হবে, নারীদের হায়েজ ও নিফাসের কারণে যে কয়টা রোজা ভঙ্গ হবে; ওই রোজাগুলো পরবর্তী সময়ে আদায় করে নিতে হবে। উত্তম হলো পরবর্তী বছর রমজান আসার আগেই তা আদায় করা।

পরিশেষে যারা রোজা পালনের শর্তগুলোর আওতায় থাকবে; তাদের জন্য রোজা পালন করা আবশ্যক। আল্লাহ তা’আলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

অরিন/নিউজ টোয়েন্টিফোর

মন্তব্য