রোববার মাওলানা মামুনুল হককে আদালতে তোলা হবে

অনলাইন ডেস্ক

রোববার মাওলানা মামুনুল হককে আদালতে তোলা হবে

আলোচিত ইসলামী বক্তা ও হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে আগামীকাল রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হবে।

গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪টায় মামুনুল হককে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে খুলনা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় খুলনার জেলা কারাগারের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আদালত চত্বর পর্যন্ত ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে পুলিশ।

খুলনা জেলা কারাগারের সুপার মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে জানান,  খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার একটি বিস্ফোরক মামলায় ২৩(২)২০১৩ এদিন হাজির করা হবে তাকে।

কারাগারের জেলার তরিকুল ইসলাম বলেন, কারাগারে মামুনুল হক বিশেষ নজরদারিতে থাকবেন। পাশাপাশি কারাগারের বাইরের এলাকায় কেএমপি পুলিশ ও র‌্যাবের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন


ভারতের সঙ্গে বিমান চলাচলের সূচি ঘোষণা

সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি, পানিবন্দি কয়েক লাখ মানুষ

নিজের প্রেম, বিয়ে ও ব্রেক আপ নিয়ে যা বললেন প্রভা

কানাডার নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের নিয়ে লাইভ আলোচনা


কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার দেলোয়ার পারভেজ জানান, সোনাডাঙ্গা থানার ২৩(২)২০১৩ নং মামলায় খুলনা অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরার জন্য হেফাজত ইসলামের নেতা মামুনুল হককে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সকালে পুলিশ হেফাজতে তাকে খুলনা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা, পুলিশি কাজে বাধা, ভাঙচুর ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ ২৭টি মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন মামুনুল হক।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ব্যাংক হিসাব তলব সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের অজুহাত: আ স ম রব

অনলাইন ডেস্ক

ব্যাংক হিসাব তলব সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের অজুহাত: আ স ম রব

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে এক বিবৃতি পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেন,‌ ‌‘জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠনের নির্বাচিত শীর্ষ নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনা অস্বাভাবিক, পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলক এবং তা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের অজুহাত। নৈতিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য বা আইনের শাসনের তাড়নায় সাংবাদিক সমাজের বিরুদ্ধে সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

আরও পড়ুন: 


রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে

স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

চীনে ১০ কি.মি. গভীরতার শক্তিশালী ভূমিকম্পের হানা

দুবলার চর থেকে খুলনা কাঁকড়া পরিবহনে বাধা নেই: হাইকোর্ট


ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন, সংবাদমাধ্যমে অঘোষিত সেন্সরশিপ এবং সর্বোপরি নিবর্তনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সরকার সংকুচিত করে দিয়েছে। সাংবাদিকতা এবং সংবাদপত্র এক নজিরবিহীন প্রতিকূলতার মুখে পড়েছে।

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ‘গণমাধ্যমে’র স্বার্থ রক্ষা ও অধিকার আদায়ে সংগ্রামরত সংগঠনগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করার এই অপকৌশলকে অবশ্যই প্রতিহত করতে হবে।

কোনো সাংবাদিক বা ব্যক্তিবিশেষের ব্যক্তিগত দুর্নীতির অবশ্যই তদন্ত হতে পারে কিন্তু যখন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অনেকটাই রুদ্ধ হয়ে পড়েছে, যখন গণমাধ্যম প্রচণ্ড রকমভাবে সংকটগ্রস্ত হয়ে পড়েছে তখন সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব করার পদক্ষেপ কোনোক্রমেই ন্যায় সঙ্গত নয়। এসব সিদ্ধান্ত সরকারের চরম অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ। 

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের দুরভিসন্ধিমূলক পদক্ষেপ অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতাবিহীন সমাজে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়বে, সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতাবোধ গভীর হবে এবং অর্থনৈতিক সংকট সমগ্র রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে।

দুর্নীতি সন্ত্রাস মোকাবেলায় ও রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক ও মানবিক করার প্রয়োজনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।

যতদিন রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে সাংবাদিকসহ পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হবে ততদিন পর্যন্ত সাংবাদমাধ্যমের উপর নির্বতন চলতেই থাকবে। তাই আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় সাংবাদিকসহ পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

সুতরাং রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ অর্থাৎ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিকসহ সকলকে সোচ্চার ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

র‌্যাব হেফাজতে রাসেল-শামীমা

অনলাইন ডেস্ক

র‌্যাব হেফাজতে রাসেল-শামীমা

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে রাসেলের মোহাম্মদপুরের নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের বাসায় (হাউজ ৫/৫এ, স্যার সৈয়দ রোড) অভিযান চালিয়ে বিকেলের দিকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: 


রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে

স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

চীনে ১০ কি.মি. গভীরতার শক্তিশালী ভূমিকম্পের হানা

দুবলার চর থেকে খুলনা কাঁকড়া পরিবহনে বাধা নেই: হাইকোর্ট


তবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি র‍্যাব। বাড়ির গেট দিয়ে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

এর আগে রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা হয়েছে বলে জানান গুলশান থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক অনিন্দ তালুকদার।

বলেন, আরিফ বাকের নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর- ১৯।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দুই সন্তানকে একদিন বাবা আরেকদিন মা সময় দেবেন: হাইকোর্ট

অনলাইন ডেস্ক

দুই সন্তানকে একদিন বাবা আরেকদিন মা সময় দেবেন: হাইকোর্ট

জাপানি দুই কন্যা শিশু নিয়ে টানাপোড়েনের ব্যাপারে বাবা-মায়ের মধ্যে সমঝোতা করার পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

দুই সন্তানকে একদিন বাবা আরেকদিন মা সময় দেবেন বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট।

২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুনানি মূলতবি বলে জানানো হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন: 


রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে

স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

চীনে ১০ কি.মি. গভীরতার শক্তিশালী ভূমিকম্পের হানা

দুবলার চর থেকে খুলনা কাঁকড়া পরিবহনে বাধা নেই: হাইকোর্ট


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে

অনলাইন ডেস্ক

রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে রাসেলের মোহাম্মদপুরের নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের বাসায় অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‌্যাবের দায়িত্বশীল সূত্র।

এর আগে রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা হয়েছে বলে জানান গুলশান থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক অনিন্দ তালুকদার।

বলেন, আরিফ বাকের নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর- ১৯।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন: 


স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

চীনে ১০ কি.মি. গভীরতার শক্তিশালী ভূমিকম্পের হানা

দুবলার চর থেকে খুলনা কাঁকড়া পরিবহনে বাধা নেই: হাইকোর্ট

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

মোহাম্মদ আল-আমীন, গাজীপুর

স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে উপজেলার রশিদপুর এলাকায় (১৫ সেপ্টেম্বর রাতে) স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনার পর থেকে স্বামী ও শ্বশুর পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

নিহত হলেন- গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার রশিদপুর বড়চালা এলাকার মৃত শামীম হোসেনের মেয়ে সাদিয়া আক্তার মিম(২০) এবং একই এলাকার শাহ -আলম সরকারের ছেলে শিমুল সরকারের স্ত্রী।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২বছর আগে সাদিয়া আক্তার মিমের সাথে শিমুলের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পর থেকে স্বামী বিভিন্ন সময় সাদিয়াকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতো। এছাড়া স্বামী সাথে সাথে স্বামীর পরিবারও বিভিন্ন সময় যৌতুক দাবি করতেন এবং নানা রকমের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতেন। এটা এক সময় জীবন নাশের হুমকিতেও পরিণত হয়। এবিষয় নিয়ে দুই পরিবার একাধিক বার বসেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে যৌতুকের দাবিতে মাস খানেক আগে সাদিয়ার বাবার কাছে মোটরসাইকেল কেনার জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে শিমুল ও তার পরিবার। নিহতের পরিবার টাকা দিতে রাজি না হওয়াতে ২দিন ধরে বেধর মারধর করে শিমুল সাদিয়াকে। এসময় কোনো খাবারও দেওয়া হয়নি সাদিয়াকে। এ বিষয় নিয়ে দুই পরিবার বুধবার সন্ধ্যায় মিমাংসা হলেও মনের আক্রোশ মেটাতে রাতে ওই নারীকে হত্যা করে ঘরের মেঝে মধ্যে ফেলে রেখে তার স্বামী ও স্বামীর পরিবার দাবি নিহতের পরিবারের। পরে কৌশল করে পালিয়ে যায় স্বামী ও শ্বশুর। তারা এখনো পলাতক রয়েছে। পরের দিন (১৬ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন: 


চীনে ১০ কি.মি. গভীরতার শক্তিশালী ভূমিকম্পের হানা

দুবলার চর থেকে খুলনা কাঁকড়া পরিবহনে বাধা নেই: হাইকোর্ট


নিহতের স্বজন আবু সাইদ জানান, সাদিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোক মাঝে মাঝে যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল এবং মাঝে মাঝে মারধোর করতো স্বামী ও তার পরিবার। এর মাঝে মোটরসাইকেল কিনবে বলে ৫০হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় মেয়েটিকে খুব মারধর করে। সকালে জানতে পারি সাদিয়া মারা গেছে। আমাদের সন্দেহ ওর স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোক ওকে হত্যা করেছে। তা না হলে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোক পলাতক কেন? আমরা অভিযোগ দিতে চাইছি। তবে পুলিশ বলছে ইউডি মামলা করার জন্য এতে নাকি ময়নাতদন্তের পর সব বেড়িয়ে আসবে।

কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, নিহতে পরিবার ইউডি মামলা করার প্রস্তুতি করছে। আমরা মামলা নিয়ে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। তবে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সাদিয়া নাকি ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে এটা হত্যা না আত্মহত্যা।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর