দেড় লাখ জনগোষ্ঠির নিরাপদ পানি নিশ্চিত করেছে নবযাত্রা প্রকল্প
দেড় লাখ জনগোষ্ঠির নিরাপদ পানি নিশ্চিত করেছে নবযাত্রা প্রকল্প

দেড় লাখ জনগোষ্ঠির নিরাপদ পানি নিশ্চিত করেছে নবযাত্রা প্রকল্প

Other

পানির অপর নাম জীবন হলেও এই নিরাপদ সুপেয় পানি পেতে প্রতিদিনই যুদ্ধ করতে হয় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে। জরিপ বলছে, উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় এখনো ৪০ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি সুবিধার বাইরে রয়ে গেছে। তাই সুযোগ রয়েছে এ খাতে পরিকল্পিত বিনিয়োগের। যদিও নির্দিষ্ট কিছু উপজেলায় অবস্থার বড় পরিবর্তন ঘটেছে ইউএসএইডের অর্থায়নে; ওয়ার্ল্ড ভিশন পরিচালিত- নবযাত্রা প্রকল্পের হাত ধরে।

যার সুফল পাচ্ছেন স্থানীয় জনগোষ্ঠী। তবে এলাকাবাসীর মতে, এখনো এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সুপেয় পানি।

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম পানিয়ার গৃহিনী তাহমিনা খাতুন। অতিরিক্ত আয়রণ ও লবণাক্ততার কারণে টিউবওয়েলের পানিতেই রোজ সারেন গৃহস্থালির কাজ। তবে ৫ সদস্যের পরিবারের বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিত করতে তাকে প্রতিদিন হাটতে হয় ২০ মিনিটের পথ। বছরদুয়েক আগে ১ কলস পানি পেতে ব্যয় করতে হতো অন্তত ২ ঘন্টা সময়! বাড়তি ভোগান্তির পরও ডায়রিয়াসহ নানা রকম রোগবালাই ছিল নিত্যসঙ্গী।

তবে সুপেয় পানি পেতে এ গ্রামের শত শত পরিবারের ভরসা এখন নবযাত্রা প্রকল্প। যা পাল্টে দিয়েছে দক্ষিণের চার উপজেলার ৪০টি ইউনিয়নের প্রায় ২ লাখ পরিবারের ভাগ্য। যার আওতায় মা ও শিশুর পুষ্টি, নিরাপদ পানি, দুর্যোগ ঝুঁকি কমিয়ে আনাসহ এমন ৬টি অভিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে এ প্রকল্প। যার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী জেলার সাড়ে ৮ লাখ লোক।

আরও পড়ুন


পরকীয়ায় বলি হযরত, শ্যালিকা-দুলাভাই গ্রেফতার

দারিদ্র ও বৈষম্য দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন ইরান প্রেসিডেন্ট

আব্দুলগনি বারাদার হতে পারেন আফগানিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট

আগামী ৫ দিনের বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের তথ্য বলছে, জাতীয় পর্যায়ে ৩০ মিনিট দুরত্বে নিরাপদ পানি সংগ্রহের সুযোগ আছে প্রায় ৮৩ শতাংশ পরিবারের সেখানে সাতক্ষীরা জেলায় মাত্র ৬১ শতাংশ পরিবার এ সুযোগ পায়। উপজেলাভেদে যা আরো কম। তবে নবযাত্রা প্রকল্পের অধীন ৪টি উপজেলায় এরই মধ্যে প্রায় দেড় লাখ জনগোষ্ঠির জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা হয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে ইউএসএইডের সহযোগীতায় ৭ বছর মেয়াদী এ প্রকল্প সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করছে ওয়াল্ড ভিশন; দুর্যোগ মন্ত্রণালয় ও উইনরক ইন্টারন্যাশনাল। যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২২ সালে।

news24bd.tv রিমু  

;