শিশুদের টিকার আওতায় আনতে চায় বিভিন্ন দেশ

নাহিদ জিহান

দীর্ঘ ১৮ মাসের বেশির সময় ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে এবার পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি স্কুল-কলেজ খোলার নির্দেশ এসেছে এশিয়ার দেশগুলোতেও। কিন্তু শিশুদের টিকার আওতায় আনা হয়নি বেশিরভাগ দেশে। আর তাই স্কুল খোলার পাশাপাশি শিশুদের ভ্যাকসিন দেয়ার বিষযে চলছে আলোচনা। তবে এ বিষয়ে এখনই অনুমোদন দিতে রাজি হয়নি ব্রিটিশ টিকা বিষয়ক যৌথ কমিটি- জেসিভিআই। 

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অন্যান্য ক্ষতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি এক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে শিক্ষাখাত। দীর্ঘ দুই বছরের মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক নেতিবাচক প্রভাবে পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মীরা।

তবে এই বছরের শুরু থেকে দ্রুত গতিতে টিকাদান কর্মসূচি এগিয়ে চলায় ইউরোপ ও পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি এশিয়ার দেশগুলোতেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে শুরু করেছে। মাস্ক পড়ে ও দূরত্ব বজায় রেখে, পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে স্কুলে ক্লাশ করতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা।

তবে তা স্বত্ত্বেও করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সম্ভবনা থাকায়, শিশুদের টিকাদানের পরিকল্পনা করছে বেশকটি দেশ। এরইমধ্যে ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের মাঝে পরীক্ষামূলকভাবে টিকাদান শুরু হয়েছে ফ্রান্স ও রাশিয়ায়। যুক্তরাজ্যেও শিশুদের মাঝে টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে জোর আলোচনা চলছে। কিন্তু ব্রিটিশ টিকা বিষয়ক যৌথ কমিটি- জেসিভিআই, এই উদ্যোগে এখনো অনুমোদন দেয়নি।

স্কুলগামী শিশুদের ঢালাওভাবে টিকাদানের এখনো সময় আসেনি। শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুকি এবং লাভের মাঝে ভারসাম্য নির্ধারণ করা খুবই শক্ত। তাই এখনই তাদের টিকাদানের সুপারিশ করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:


সপ্তাহে কতদিন ক্লাসের পরিকল্পনা সরকারের, জানালেন শিক্ষা উপমন্ত্রী

পাসপোর্ট অফিসে দালালদের নিয়ন্ত্রণে সিসি ক্যামেরা

১০ হাজার 'ভুয়া' মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল

নভেম্বর-ডিসেম্বরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে নন অনেকেই


 

এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন, ব্রিটেনের শীর্ষ চার চিকিৎসক। শুধু সুস্থ্য শিশুদের টিকাদানের বিষয়ে আলোচনা চললেও, সামগ্রিকভাবে তা কতোটুকু ফলপ্রসু হবে এ বিষয়ে এখনো যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে বলে জানিয়েছে জেসিভিআই।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

অনলাইন ডেস্ক

মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

প্রায়শই আমরা একটা কথা শুনে থাকি “দাঁত ব্রাশ করতে গেলে মাড়ি থেকে রক্ত আসে”, “সকালে ঘুম থেকে উঠে থুথু ফেললে তাতে রক্ত দেখা যায়”, কিন্তু কেন এই রক্ত আসে দাতে? আজ জানবেন মাড়ি থেকে রক্তপাতের আদ্যেপান্ত।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত রোগে ভোগেন। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বুঝতে হবে, আপনার মাড়িতে জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ হয়েছে। আসুন জেনে নিই এমন সমস্যার সম্ভাব্য কিছু কারণ ও প্রতিরোধ।

রক্ত পড়ার কারণ
* মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার প্রধান ও অন্যতম কারণই হচ্ছে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করা। দাঁতের ওপর লেগে থাকা খাদ্যকণাগুলোর সাদা প্রলেপ পড়ে, যাকে আমরা ডেন্টাল প্লাগ বলি। ২৪ ঘণ্টা পর এ ডেন্টাল প্লাগ শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস হয়। এ ক্যালকুলাসই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার অন্যতম কারণ।

* ক্যালকুলাস দাঁত ও মাড়ির মাঝখানে অবস্থান করে এবং প্রতিনিয়ত নরম মাড়ির সঙ্গে ক্যালকুলাসের ঘর্ষণের কারণে খুব সহজেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। মাড়ির ফোলা এবং প্রদাহের কারণও এ ক্যালকুলাস। এটাকে বলা হয় জিনজিভাইটিস।

ক্রমশই জিনজিভাইটিস বেড়ে গিয়ে যখন প্রকট আকার ধারণ করে, তখন একে বলা হয় পেরিওডন্টাইটিস। এ অবস্থায় দাঁতটা ধীরে ধীরে মাড়ি থেকে সরে যায় এবং নড়তে থাকে।

তা ছাড়া আরও কিছু কারণ রক্ত পড়ার জন্য দায়ী হতে পারে। যেমন-

ঠিকমতো ফ্লসিং না করা

লিউকোমিয়া(এক ধরনের রক্তের ক্যানসার)

রক্ত পাতলাকারী ওষুধ

স্কার্ভি, ভিটামিন সি’র ঘাটতি

ভিটামিন কে’র ঘাটতি


প্রতিকার
এ সমস্যা প্রাথমিক যত্নের মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে অনেক সময় যদি ভালো না হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সকালে ঘুম থেকে জেগে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দু’বার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

ভালোমানের পেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘদিন এক টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না।

ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের মাধ্যমে দুই দাঁতের মাঝখানে লেগে থাকা খাদ্যকণা দূর করতে হবে।

নিয়মিত ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- আমলকী, কমলালেবু, বাতাবিলেবু, আমড়া ইত্যাদি।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


সুতরাং আপনার যদি মাড়ি থেকে রক্ত আসার সমস্যা থাকে, তাহলে দেরি না করে নিকটস্থ রেজিস্টার্ড ডেন্টাল সার্জনকে দেখান, পরামর্শ ও চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন। মনে রাখবেন, রোগ যত দ্রুত ধরা পড়ে, তা সেরে যাবার সম্ভাবনা তত বেশি থাকে। ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, চিকিৎসার সময় ও খরচ- দুইয়েরই সাশ্রয় হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মুহূর্তেই কমবে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা

অনলাইন ডেস্ক

মুহূর্তেই কমবে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা

সাধারণত অতিরিক্ত অ্যাসিড থেকে পেটে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা হয়। সঙ্গে থাকে পেট ফোলাভাব বা ফাঁপা ও হজম জনিত সমস্যা। এই সমস্যা দূর করতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা জরুরি। 

পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেট ফুলে ওঠে বা চিনচিন করে ব্যথা করে এমন সমস্যা হলেই মুঠো মুঠো গ্যাস্ট্রিকের বড়ি খান, অথবা অ্যাসিডিটির সিরাপ খান। তাতে খানিকটা আরাম মেলে অবশ্য, কিন্তু সেই সমস্যা যদি আবার হয় তখন?কেমন হয়  যদি ঘরোয়াভাবে এ রোগটি খুব সহজেই প্রতিরোধ করা যায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করা যায়। ঘরোয়া উপায়েই রেহাই পাবেন, দেখে নিন কীভাবে…

কলা খেতে আমরা সকলেই কমবেশি ভালবাসি। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় এর বিকল্প হয় না। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড। এটি অ্যাসিড রিফ্লাক্সের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে একটা করে কলা খান খালি পেটে। কিছুদিনের মধ্যেই আপনি উপকার পাবেন। তবে ১-২ টা কলা ঠিক আছে। কোনও কিছুই বেশি খাওয়া উচিৎ নয়।

মুহূর্তেই আপনার গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমাতে পারে মৌরি। খাওয়ার পরে মৌরি চিবিয়ে খেলে অ্যাসিড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। রাতের বেলা ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানিতে মৌরি ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খালি পেটে খান। কিংবা গরম পানিতে মৌরির সঙ্গে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন। এইভাবেও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


তুলসী পাতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই। তুলসী পাতা পাকস্থলীতে শ্লেষ্মার মতন পদার্থ উৎপাদনে সাহায্য করে। সকালে উঠে আপনি চা খান তো! ওই চায়ের মধ্যে কয়েকটা তুলসী পাতা ফেলে দিন। চায়ের সঙ্গে ফুটতে দিন, খালি পেটে সেই চা খান, এতে চায়ের স্বাদ হবে দারুণ। আর আপনিও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন। কারো যদি সকালে চা খাওয়ার অভ্যাস না থাকে তাহলে তিনি হালকা গরম পানিতে তুলসী পাতা দিয়ে খেতে পারেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রাজধানীর কিছু এলাকা ডেঙ্গুর হটস্পট

অন্তরা বিশ্বাস

রাজধানীর বেশ কিছু জায়গা ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত হয়েছে। অনেকেই জটিল শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কেউ কেউ শকে চলে যাচ্ছেন। তাই সিটি কর্পোরেশন ও সাধারণ মানুষকে আরও বেশি তৎপর ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

মিরপুরের বাসিন্দা হাসানের বয়স ২৪ বছর। ১০ দিন ধরে জ্বর। সাথে নানা জটিলতা। চার দিন ধরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডেকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি। চিকিৎসকরা বলছেন শরীরের ভেতরে  রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

হাসানের সাথে বোন ময়নারও ডেঙ্গু। ২০ বছর বয়সী ময়না গর্ভবতী। হাসান ও ময়না দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে মা পারভীন বেশ বিপাকে আছেন।

হাসান-ময়নার মত এমন অনেকেই ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। কারও কারও শারিরীক অবস্থা জটিল। কোথা থেকে মশা কামড়েছে জানেন না। 

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে বেশিরভাগ রোগী পাওয়া গেল মিরপুর আর মোহাম্মদপুর এলাকার। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের  যাত্রাবাড়ী, দোলাইরপাড়, শনির আখড়া, জুরাইন ও মুরাদপুর ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে জুরাইনের অবস্থা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এবি এম আব্দুল্লাহ বলেন, জ্বর আসলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। না হলে রোগী শকেও চলে যেতে পারেন।

চলতি বছরে ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। আর মারা গিয়েছের অর্ধশতাধিক।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

একযুগে ম্যালেরিয়া কমেছে ৯৩ শতাংশ

অন্তরা বিশ্বাস

ম্যালেরিয়া নির্মূলে স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ দরকার। অনেক বেশি ম্যালেরিয়া টেস্টও করা দরকার। শুধু অর্থ বরাদ্দই নয় তার সঠিক ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতার বিষয়েও জোর দিতে হবে। কালের কণ্ঠ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ম্যালেরিয়ার আখড়া বলা হয়। বর্তমানে বান্দরবান আর খাগড়াছড়িতে ম্যালেরিয়া বাহিত মশা এনোফিলিসের আনাগোনা সবচে বেশি। এই এলাকায় ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের গবেষণা আরও বলছে, দেশের ১৩টি জেলার ৭২টি উপজেলায় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব।

২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে ম্যালেরিয়া নির্মূল করার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। কিন্তু করোনাকালে ম্যালেরিয়ার দিকে মনোযোগ কিছুটা কমেছে।

‘ম্যালেরিয়ায় কোভিডের চ্যালেঞ্জ’ শিরোনামে কালের কণ্ঠ এক গোলটেবিল বৈঠকে উঠে আসে এসব বিষয়। ব্রাকের সহযোগিতায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইডাব্লিউএমজি মিলনায়তনে বক্তারা, ম্যালেরিয়াকে কিভাবে নির্মূল করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করেন।  

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


ম্যালেরিয়ার টেস্ট বাড়ানোর পরামর্শ দেন বক্তারা। আন্ত:মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার নির্মূলের বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার কথাও বলেন তারা।

এক যুগ ব্যবধানে ২০০৮ থেকে ২০২০ এ ম্যালেরিয়া রোগী কমেছে ৯৩ শতাংশ। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হলে বেশি ভয়

অন্তরা বিশ্বাস

দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হলে বেশি ভয়

দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হলে বেশি ভয়াবহ আকার ধারণ করে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। তবে একবার যে ধরণের এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয় পরের বার সেই ধরণের মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয় না বলে জানান তারা। এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সময় ডেঙ্গুর বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ চিকিৎসকদের। 

ডেঙ্গু ভাইরাসের চার ধরনের স্ট্রেইন। ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। ২০০২ সালের পর থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডেন-১ ও ডেন-২ স্ট্রেইন দেখা যেত। কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে ডেন-৩ এ বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকেই দ্বিতীয় বার ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। দ্বিতীয়বার আক্রান্তদের ভয়াবহতা বেশি হবার সম্ভাবনা থাকে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তা নাও হতে পারে। 

ডেঙ্গু হলে কেউ কেউ শকে চলে যান। চামড়া ভেদ করে রক্ত চলে এসে চামড়ার ওপর কালো দাগ পড়া, কালো পায়খানা হওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত ঝরাসহ বেশ বেশ কিছু সমস্যা ডেঙ্গু শকের উপসর্গ। ডেঙ্গু শক হলে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। লিভার ও হার্টের ক্রিয়া ক্ষমতা হ্রাস পায়। ডেঙ্গুকে কোনভাবেই হালকাভাবে নেয়া যাবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। তবে জুলাই থেকে রোগী বাড়ায় গেল সোয়া দুই মাসেই ৫৩ জন মারা গেছেন ডেঙ্গুতে। এ মাসের প্রথম সাতদিনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দুই হাজার তিনশ ছাড়িয়েছে। ২০২১ সালের অগাস্টে এই মৌসুমের সর্বাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আগস্ট মাসে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সাড়ে সাত হাজার ছাড়ায়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর