হজ না করার শাস্তি
Breaking News
হজ না করার শাস্তি

হজ না করার শাস্তি

অনলাইন ডেস্ক

হজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম। বয়ঃপ্রাপ্ত, বিবেকবান, সুস্থ, স্বাধীন, মুসলিম সামর্থ্যবান নর-নারীর ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। যে ব্যক্তি হজ ফরজ হওয়াকে অস্বীকার করবে এবং হজকে তুচ্ছজ্ঞান করবে, তার শাস্তি হবে অন্যান্য ইবাদত বর্জনকারীর মতো।  

যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত অলসতাবশত হজ বর্জন করবে, সে পাপী হবে।

পরকালে তার জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তিকে কোনো প্রকাশ্য প্রয়োজন বা অত্যাচারী শাসক কিংবা আবদ্ধকারী অসুস্থতা বাধা দেয়নি, কিন্তু সে হজ না করে মারা গেল, সে ইহুদি বা খ্রিস্টান হয়ে মারা যাক (তার ব্যাপারে আমার কোনো দায়িত্ব নেই)। (মুসলিম : ১/১১, হজ পর্ব) আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘যেসব ব্যক্তি হজে যাওয়ার রাস্তার সামর্থ্য রাখে, সেসব ব্যক্তির ওপর আল্লাহর উদ্দেশে বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ। যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা জগৎসমূহ থেকে অমুখাপেক্ষী। (সুরা : আলে-ইমরান, আয়াত : ৯৭) 

আরও পড়ুন:


ইউটার্ন করেছে দেশের অর্থনীতি

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ চালু হবে আগামী বছর: ওবায়দুল কাদের

অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল ‘নিখোঁজ’ পপিকে


আহলে জাওজাহির সম্প্রদায় বলে, ইচ্ছাকৃত হজ বর্জনকারীকে তাজিরি (লঘু) শাস্তি প্রদান করা হবে। বেশির ভাগ ইসলামী আইনবিদের মতে, হজ বর্জনকারীকে তাজিরি শাস্তি বা আটকাদেশ কোনোটাই করা যাবে না। কারণ হজ জীবনে একবারই ফরজ, তাকে তা আদায়ের জন্য সুযোগ দেওয়া হয়েছে অথবা মৃত্যুর পর বদলি হজ করানোরও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে তা আদায়ের গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে। অনাদায়ের জন্য পরকালে কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে। (আল-বাদায়ে ওয়াস সানায়ে : ২/১০৭৮, মাবসুত  সারাখস : ৪/২-৪)

news24bd.tv নাজিম

;