দয়ার টাকায় চলতে চাইলেতো ভিক্ষা করতাম

নাজিম খান

দয়ার টাকায় চলতে চাইলেতো ভিক্ষা করতাম

সেদিন আমার খুব তাড়া, দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে। রিকশা চালককে বললাম একটু জোরে চালান না, তাড়াতাড়ি যেতে হবে।

রিকশা চালক বললো, বাবারে শরীরে কুলায় না। এর চেয়ে জোরেতো পারুম না। 

কথাটা শোনার পর রিকশাওয়ালার দিকে ভালো করে তাকালাম। দেখলাম আসলেই বেচারার শরীরের অবস্থা খুব খারাপ। পরে, আর কিছু বললাম না। চুপ করে বসে রইলাম।

রিকশা থেকে নামার পর ভাড়া দিতে গিয়ে কিছু টাকা বেশি দিলাম। বললাম আপনি ভালো কিছু কিনে খেয়েন। কিন্তু বৃদ্ধ লোকটা বাড়তি টাকাটা নিলো না। 

বললো বাবারে দয়ার টাকায় যদি চলতে চাইতাম তাইলেতো ভিক্ষা করতাম, চাইয়া খাইতাম। কাম করতাম না। এটা বলেই রিকশা নিয়ে সে চলে গেলো। 

কথাটা অনেকক্ষণ কানে বাজছিলো। 

সত্যিই তো, যার আত্মমর্যাদা আছে সে কখনো দয়া বা ভিক্ষা নেয় না। সময়ের সঙ্গে লড়ে যায়। হয়তো সে সুখের মুখ দেখে, হয়তো দেখে না। কিন্তু আয়নার সামনে সে যখন দাঁড়ায় তখন তার যত্নের আত্মমর্যাদা, সাহসের সুতায় শক্ত করে গিঁট বেঁধে রাখা আত্মমর্যাদা তাকে স্বস্তি দেয়। যা কোনো কিছু দিয়েই কেনা যায় না। 

সেই স্বস্তির হিমেল পরশ তাকে আবারো লড়াইটা চালিয়ে যেতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন:

আইএসকে পৃষ্ঠপোষকতার দায়ে আমেরিকাকে জবাবদিহী করতে হবে: ইরান

৭ মিনিটেই স্থগিত! পূর্ণ তিন পয়েন্ট পেতে চলেছে আর্জেন্টিনা

তিন দিন আগেই আমাদের বিদায় করে দিতে পারতো: মেসি

দেশের অর্ধেক ইন্টারনেট টিকটক, লাইকি আর পর্নোগ্রাফিতেই শেষ!


লেখাটি সাংবাদিক নাজিম খানের- এর ফেসবুক থেকে নেওয়া।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

আজ একটি পবিত্র দিন

জ.ই. মামুন

আজ একটি পবিত্র দিন

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী, বাংলাদেশের মুসলিম ভাইয়েরা সানন্দে মিলাদুন্নবীর মিছিল করছেন, প্রার্থনা করছেন, দেখে ভালো লাগছে।

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা, বাংলাদেশের সনাতন ধর্মের ভাই বোন বন্ধুরা যেন আজ একই রকম নিঃশঙ্ক চিত্তে পূজা উদযাপন করতে পারেন, উপাসনা করতে পারেন, আনন্দ করতে পারেন।

আরও পড়ুন


লক্ষ্মীপুরে খোঁজ মিলছে না দুই কিশোরীর

আশুগঞ্জে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় দুই চালকল শ্রমিক নিহত

তিস্তার সব গেট খুলে দেওয়ায় বড় বন্যার আশঙ্কা

প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


আজ পবিত্র প্রবারণা পূর্ণিমা। বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ভাই বোন বন্ধুরা যেন নির্ভয়ে, নিরাপদে তাদের প্রার্থনা করতে পারেন, ফানুস উড়াতে পারেন, উৎসব করতে পারেন।

রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার, কারণ আপনি নাগরিক, আপনিই সরকার, আপনি এই প্রজাতন্ত্রের মালিক।
আজ একটি পবিত্র দিন, আজ মৈত্রীর দিন। আস সালামু আলাইকুম, ওম শান্তি, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক...

জ. ই. মামুন, সিনিয়র সাংবাদিক

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না

শওগাত আলী সাগর

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না

শওগাত আলী সাগর

সরকার তার সক্ষমতা দেখাক, তার আন্তরিকতার প্রমাণ দিক। মানুষের প্রয়োজনে, নাগরিকদের বিপদের সময় রাষ্ট্র পাশে দাঁড়ায়, সরকার সক্রিয় থাকে মানুষের মনে এই বিশ্বাসকে ফিরিয়ে আনুন। 

বক্তৃতাবাজি করে, কে পাশে আছে কে নেই-এসব বলে, আর দোষারুপ করে লাভ কি! চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্রকে, সরকারকে তার দায়িত্ব পালন করতে হয়, সেই পালনে ব্যত্যয় ঘটেছে- এটি তো পরিষ্কার। 

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না। অন্যের দিকে আঙুল তুলেই সরকারের দায়িত্ব পালন সম্পন্ন হয় না।

আরও পড়ুন:


পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস করলে ১০ বছরের জেল: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

গাজীপুর সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন অতিথি

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

পায়রা সেতুর উদ্বোধন ২৪ অক্টোবর


সরকার ক্রিয়াশীল, সরকার তার নাগরিকদের নিরাপত্তায় ক্রিয়াশীল- এই বিশ্বাস পূর্ণ:প্রতিষ্ঠায় মনোযোগ দিতে হয়।

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যৌবনকাল যেভাবে কাটাবেন, বার্ধক্য সেটাই ফিরিয়ে দিবে

রিশাদ হাসান

যৌবনকাল যেভাবে কাটাবেন, বার্ধক্য সেটাই ফিরিয়ে দিবে

রিশাদ হাসান, লেখক, সাংবাদিক

আন্তর্জাতিক অস্টিওপরোসিস ফাউন্ডেশন বলছে, আপনার যৌবনকাল আপনি যেভাবে কাটাবেন বার্ধক্য আপনাকে ঠিক একই জিনিষ ফিরিয়ে দিবে। উদাহরণ দেই, ধরুন আপনি তরুন বয়সে খুব একটা পরিশ্রমী নন। হাটেন না, ব্যায়াম করেন না, ফুড লাভার, বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে খেতে পছন্দ করেন, বাকিটা সময় আড্ডাবাজি করে কাটান। এককথায় আপনি অলস জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

এই সুযোগে আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করবে এক কঠিন রোগ। যার নাম অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়। শুরুতে সুপ্ত অবস্থায় থাকলেও কোনমতে বয়স ৫০ পেরুতেই জেঁকে বসবে এই রোগ। পরবর্তী সময়ে কেড়ে নিবে আপনার চলাফেরার স্বাধীনতা। এমনকি পঙ্গুও বানিয়ে ফেলতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে গেলে ঘুরে ফিরে ব্যায়াম করাবে, হাটাবে, পরিশ্রম করাবে।

বিশ্বব্যাপী প্রতি ৩ জন ৫০+ বয়সের নারীর মধ্যে ১ জন ও প্রতি ৫ জন ৫০+ বয়সের পুরুষের মধ্যে ১ জন এই রোগে ভুগে থাকেন।

তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নিয়মিত হাটা, ব্যায়াম, কায়িকশ্রমের উপর জোর দেন। এবং সেটা তরুন বয়স থেকে শুরু করলে আরও ভালো। কিন্তু সমস্যা হলো আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেই না যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা আমাদের সঙ্গে খুব বাজে ভাবে না ঘটে।


আরও পড়ুন:

টিকা নিতে অস্বীকার করায় কোচকে বহিষ্কার

কাতারে শুরা কাউন্সিলে ২ নারী নিয়োগ

দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে যা বললেন সাকিব

নাইজেরিয়ার বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত


ও আচ্ছা একটা কথা বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম, আজ বিশ্ব অস্টিওপরোসিস দিবস। এবছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হলো, "নিজের হাড়কে ভালোবাসুন, ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন"

তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, হাটুন, ভারোত্তোলন করুন বা পরিশ্রম করুন। সাথে ভালো খাবার খান। সঠিক সমিয়ে ঘুমান। বেঁচে থাকাটাই বড় কথা নয়, সুস্থতা নিয়ে বেঁচে থাকাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ...।

তথ্য সূত্রঃ আন্তর্জাতিক অস্টিওপরোসিস ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইট

রিশাদ হাসান, লেখক, সাংবাদিক

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

বিদ্যা সিনহা মিম

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে স্ট্যাটাসটি দেন তিনি।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা লিখেছেন, কোন ধর্মই কখনো প্রতিহিংসা শেখায় না। তাই ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে সকল সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আরও একটা কথা, দেশটা যদি আমাদের সকলেরই হয়, তাহলে এখানে "সংখ্যালঘু" বলে কোন শব্দ থাকা উচিত না। আর যদি সংখ্যাতেই কথা বলতে হয়, তাহলে পৃথিবীতে শুধুমাত্র ভালো মানুষেরাই "সংখ্যাগরিষ্ঠ" হোক।’

লেখাটি অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে অপমানিত বোধ করছি

রাউফুল আলম

সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে অপমানিত বোধ করছি

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যখন ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা দেয়, বাংলাদেশের মানুষ খুশিতে গদগদ হয়ে যায়। ট্রুডো এই কাজটা মূলত করে কানাডার সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেওয়ার জন‍্য। তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তাদেরকে মানসিক শক্তি যোগান দেয়। একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার দেশের সংখ‍্যালঘুদের সাহস দেওয়াকে সে একটা কর্তব‍্য মনে করে। 

নিউজিল‍্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা যখন মাথায় কাপড় দিয়ে মুসলিম কমিউনিটির অনুষ্ঠানে যায়, মুসলমানদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করে, আমরা তখন বাহবা দেই। জেসিন্ডা মূলত নিউজিল‍্যান্ডের সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেওয়ার জন‍্যই এ কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যখন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টানদের উৎসবে গিয়ে ওদেরকে মানসিক শক্তি যোগাতে যায়—তখনই আমরা মেনে নিতে পারি না। সেসব খবরের লিংকে অশ্রাব‍্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকি।

প‍্যারিসে ধর্মের অবমাননা হলে আমরা ক্ষুদ্ধ হই। ব‍্যথিত হই। অথচ পাশের বাড়ির ভিন্নধর্মালম্বীদের উৎসব মেনে নিতে পারি না। তাদের ধর্মের আচার মেনে নিতে পারি না। অন‍্য ধর্মের আচারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা প্রকাশ করেতে পারি না। 

একটা স্ট‍্যাটাস দিলে বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষককে তড়িৎ গতিতে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জন‍্য যারা দায়ী ও জড়িত—তাদের কি শাস্তি হয়? প্রশাসন শুধু ষড়যন্ত্রই খুঁজে বেড়ায়। ষড়যন্ত্র, ভাবমূর্তি আর অনুভূতি—এই তিনে আবর্তিত এক জাতি।

আরও পড়ুন:


ফতুল্লায় সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডে দুই ঘাতক গ্রেপ্তার

মন্দিরে হামলার ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে প্রশ্ন রিজভীর

প্রেম করে বিয়ে করায় ৪ নাতি ও ২ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা

বড় ভাই শেখ জামালের মতো সেনা অফিসার হতে চাইতো শেখ রাসেল: প্রধানমন্ত্রী


বাংলাদেশের সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে আমি কখনো আলাদা শক্তি পাইনি। আলাদা কোনো সুযোগ পাইনি। বরং একজন চতুর্থ শ্রেণির নাগরিকের চেয়েও বেশি প্রবঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমাদের দেশেটাতে যাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও টাকা আছে—তারাই যাচ্ছেতাই করতে পারে। তারাই সকল সুবিধা ভোগ করে। তাদের জন‍্যই বিচার আছে। অন‍্যান‍্যরা চতুর্থ শ্রেণির নাগরিক হিসেবেই বেঁচে থাকে। কিন্তু আজ যখন অসংখ‍্য হিন্দু ধর্মালম্বীরা কালো ব‍্যাজ ধারণ করেছে, লাঞ্ছিত ও অপমানিত বোধ করছে—সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে তখন নিজেই অপমানিত বোধ করছি।

আজীবন স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশের একজন নাগরিক কখনোই ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাত-জন্মপরিচয়ের জন‍্য কোনোপ্রকার প্রবঞ্চনা ও লাঞ্ছনার শিকার হবে না।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর