বিএনপির উন্নয়ন নীতি ও কৌশল ছিল ভ্রান্ত এবং গণবিরোধী: ওবায়দুল কাদের

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির উন্নয়ন নীতি ও কৌশল ছিল ভ্রান্ত এবং গণবিরোধী: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন আর্থ-সামাজিক প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলেই বিএনপির গাত্রদাহ হচ্ছে। বিএনপির শাসনামলে স্থিতিশীল সামষ্টিক অর্থনীতির সফল বাস্তবায়ন হয়েছে বলে বিএনপি নেতাদের দাবী প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন এটা আদৌ সত্য নয়, তাদের এ দাবী অন্যান্য বক্তব্যের মতই অসত্য ও অন্তঃসারশূন্য। 

ওবায়দুল কাদের আজ সকালে সচিবালয়ে তার দপ্তরে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। 

বিএনপির শাসনামলে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ছিলো চরম স্থবিরতা। বাজেট ছিলো পরনির্ভর, ছিলো না বাস্তবায়নে কোন সক্ষমতা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির উন্নয়ন নীতি ও কৌশল ছিলো ভ্রান্ত এবং গণবিরোধী।  

উৎপাদন ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে বিএনপি ধ্বংস করে দিয়েছিলো। দৈনিক ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা লোড শেডিং ছিলো বিএনপির তথাকথিত উন্নয়ন মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের।  

তিনি বলেন, শুধুমাত্র বিদ্যুৎ খাত নিয়ে তুলনা করলেই বিএনপির দাম্ভিকতা চূর্ণ হতে বাধ্য। বিএনপি নেতাদের কাছে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা নিশ্চয়ই ভুলে যায় নি তাদের সময়ে সারের জন্য কৃষকদের প্রাণ দিতে হয়েছিলো, এসব কি স্থিতিশীলতার নজির?

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির মুখোশ পরা অর্থনীতির বিপরীতে টেকসই ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন আজ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্ব অর্থনীতির বিস্ময়।  

শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নবান্ধব নীতি ও কৌশলের কারণে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অর্জিত হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মাথা পিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৭ ডলার।

ক্রমাগত রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, ঈর্ষনীয় প্রবাসী আয়, রপ্তানি আয়,কর্মসংস্থান, দরিদ্র ও অতিদারিদ্র হ্রাস, দেশ-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ প্রতিটি সূচকে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের পথকে মসৃণ করেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সূচক এবং মানব উন্নয়ন সূচকেও বাংলাদেশ দিন দিন উন্নতি করছে। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন বিএনপির সময়কালে অর্থনৈতিক সূচকের পরিবর্তে যে সকল সূচকে তারা উন্নতি করেছিলো তা হচ্ছে - রাজনৈতিক নিপীড়ন, দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপর নির্যাতন, মুদ্রাপাচার, সাম্প্রদায়িক শক্তির শোষণ ইত্যাদি। বলেন, বিএনপি কল্যাণমুখী অর্থনীতির বিপরীতে প্রতিষ্ঠা করেছিলো লুটপাটের অর্থনীতি।

আরও পড়ুন:


আইএসকে পৃষ্ঠপোষকতার দায়ে আমেরিকাকে জবাবদিহী করতে হবে: ইরান

৭ মিনিটেই স্থগিত! পূর্ণ তিন পয়েন্ট পেতে চলেছে আর্জেন্টিনা

কয়েকশ মার্কিন নাগরিক আটকা পড়ে আছে আফগানিস্তানে

দেশের অর্ধেক ইন্টারনেট টিকটক, লাইকি আর পর্নোগ্রাফিতেই শেষ!


দেশের অর্থনৈতিক অন্ধকার গহ্বর থেকে সমৃদ্ধির সোপানে উন্নীত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল অর্থনীতির মর্যাদায় অভিষিক্ত। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের সমৃদ্ধ দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে ইলিশ উৎপাদনে প্রথম ও আউট সোর্সিং এ দ্বিতীয় অবস্থানে, অন্যদিকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয়, প্রবাসী আয়ে ৮ম, ধান উৎপাদনে ৪র্থ, পাট রপ্তানিতে প্রথম এবং উৎপাদনে দ্বিতীয়, মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে। 

বিএনপি দেশকে পরনির্ভরশীল ও নতজানু দেখতে চায়, চায় তাবেদার হয়ে থাকতে উল্লেখ করে কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ দেশকে একটি মর্যাদাশীল এবং সমৃদ্ধ অবস্থানে উন্নীত করতে চায়। বিএনপি নেতারা দুর্নীতির কথা বলেন, অথচ তাদের শাসনামলে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশী দুর্নীতির সময়কাল ছিলো বলেও জানান তিনি। বিএনপির সময়কাল ছিলো দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য এবং যে কারণে পর পর পাঁচ বার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো বাংলাদেশ।  

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ বিএনপি নেতারা মুখরোচক কত কথাই বলেন, অথচ তাদের সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তারেক রহমানের পাচারকৃত টাকা আটক করেছিলো যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস।  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দুঃখ করে বলেন অথচ আজ বিএনপি নেতারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন! 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকার তাঁর কঠোর অবস্থান ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করেছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিএনপি'র শাসনামলে দুর্নীতির অভিযোগে দলীয় কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নজির ফখরুল সাহেবরা দেখাতে পারবেন কি?

news24bd.tv রিমু    

পরবর্তী খবর

কলকাতা প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্রের উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক

কলকাতা প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্রের উদ্বোধন

কলকাতা প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন ও সহযোগিতায় কলকাতা প্রেসক্লাবের মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক।  

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) প্রেসক্লাবে উদ্বোধন হলো ‘বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্র’। এই সংবাদ কেন্দ্র উদ্বোধনকালে প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস সুর, সাধারণ সম্পাদক কিংশুক প্রামাণিক, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান, উপ-দূতাবাসের প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেন এবং প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Kolkata, bongonondhu, hasan mahamud, press club

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যে সময়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশ-ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে, সে সময়ে বঙ্গবন্ধুর নামে কলকাতা প্রেসক্লাবে সংবাদ কেন্দ্র স্থাপন দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের আরেকটি মাইলফলক।

কলকাতা প্রেসক্লাব প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস সুর বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এ সংবাদ কেন্দ্র স্থাপন আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম করায় ভারতে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। এ সংবাদ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার অর্থ বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে প্রকৃত ইতিহাস জানতে নতুন প্রজন্মের জন্য এই কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।’

দিনটি উপলক্ষে এদিন কলকাতার পাঁচজন বর্ষীয়ান সাংবাদিককে ‘মুক্তিযুদ্ধ সুবর্ণজয়ন্তী কলম সেনা’ সম্মাননা দেওয়া হয়। যারা সেই সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের ঘটনা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন। সম্মাননা পেয়েছেন বাংলা স্টেটসম্যানের মানস ঘোষ, মুক্তিযুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহকারী দিলিপ চক্রবর্তী, আনন্দবাজারের সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত, টেলিগ্রাফের তরুণ গাঙ্গুলি ও আনন্দবাজারের পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মন্ত্রী সবার হাতে সম্মামনা তুলে দেন।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের সহায়তায় স্থাপিত এই সংবাদ কেন্দ্রে কম্পিউটার, প্রদর্শনী হল, লাইব্রেরি এবং প্রজেক্টরসহ আধুনিক ডিজিটাল সুবিধাদি রয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়ায় বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হিন্দুদের ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা : জয়

অনলাইন ডেস্ক

হিন্দুদের ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা : জয়

সম্প্রতি দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লা সহ দেশের কয়েকটি জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিযোগ করেন তিনি। এখানে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল…

‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় বিক্ষত বাংলাদেশ।

১৩ অক্টোবর. ২০২১, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটানোর ষড়যন্ত্র হয় কুমিল্লায়। সেদিন সারাদিনে কুমিল্লার প্রায় ৭০টি পূজা-মণ্ডপে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার সর্বোচ্চ অপচেষ্টা করে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সন্ত্রাসীরা। ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরলপ্রাণ অনেক মানুষকেও বিভ্রান্ত করে খেপিয়ে তোলে তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে, ফেসবুক-ইউটিউবের মাধ্যমে উস্কানিমূলক বক্তব্য ও গুজব ছড়াতে থাকে সারা দেশে।

অন্যদিকে বিএনপি নেতৃত্ব সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে না থেকে সরকারের বিরুদ্ধে তাদের প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে, যেখানে তাদের ভূমিকা হওয়ার কথা ছিল ভিন্ন। তাদের কাজ কর্মে এটা স্পষ্ট যে কুমিল্লা থেকে শুরু থেকে সারাদেশে তাণ্ডবের এই ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত আর এ ঘটনাগুলোর মাস্টারমাইন্ড বিএনপি'র সিনিয়র নেতারা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যগুলোও ধীরে ধীরে মুছে দিয়েছে পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দল ও সরকারেরা। বাংলার শান্তিপ্রিয় মানুষের মাঝে ধর্মের মনগড়া ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে, স্বাধীনতার সত্য ইতিহাসকে ধামাচাপা দিয়ে একটি অসহিষ্ণু, বাংলাদশেক অন্ধকারাছন্ন দেশে পরিণত করার চেষ্টা করেছে তারা বারবার। অমুসলিম জনগোষ্ঠীর বিপক্ষে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করে ভাঙচুর ও তাণ্ডবের মাধ্যমে নিজেদের হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য সবসময়ই সচেষ্ট বিএনপি-জামাতের মতো পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। এবারের ঘটনাতেও ব্যতিক্রম নেই’।

গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার একটি মণ্ডপে কুরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে কয়েকটি মন্দিরে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ হয়। এরপর চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কক্সবাজার, ফেনী, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলায়ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা হয়।

এই সব হামলার একটি ভিডিওচিত্র বুধবার রাতে নিজের ফেইসবুক পাতায় পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, যার শিরোনাম ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় বিক্ষত বাংলাদেশ : জেঁকে বসেছে সেই পাকিস্তানী প্রেতাত্মারা’।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন হান্নানসহ আ.লীগ নেতারা: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন হান্নানসহ আ.লীগ নেতারা: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক।

জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন, চার নম্বর পাঠক। এ মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক।

তার আগে এম এ হান্নানসহ আওয়ামী লীগ নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনি জিয়াউর রহমানরা মিথ্যাচার করে ইতিহাসের বিকৃতি করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর কাট্টলী এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

এসময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেছেন, চট্টগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক স্মৃতিবিজড়িত স্থান রয়েছে, যেগুলো এখনো সংরক্ষণ করা হয়নি। কুচক্রী মহল যাতে ইতিহাসকে বিকৃত করতে না পারে, সে জন্য এসব স্থান সংরক্ষণ করা হবে।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


‌‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য যে জায়গা বাছাই করা হয়েছে, সেটা চমৎকার একটা জায়গা। এত সুন্দর স্থান দেখে আমি অভিভূত। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এই এলাকা স্বর্ণের খনিতে রূপান্তর হবে। এ অঞ্চলের গুরুত্ব বাড়বে, ব্যাপক উন্নয়ন হবে।’

চট্টগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক স্মৃতিবিজড়ি স্থান সংরক্ষণের ব্যাপারে তিনি আরো বলেন, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আন্তর্জাতিক মানের করে সংরক্ষণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমাদের প্রথম রাজধানী মুজিবনগরকেও সংরক্ষণের জন্য কাজ চলছে। কিন্তু যেখান থেকে মানুষ প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা শুনতে পেয়েছিল, সেই চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের বিষয়ে আমারা এখন পর্যন্ত কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করিনি। চট্টগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক স্মৃতিবিজড়িত স্থান রয়েছে, সেগুলো এখনো সংরক্ষণ হয়নি। আমরা সেগুলো সংরক্ষণে উদ্যোগ নেব।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

১ বছর মেয়াদ বাড়ল ডিএমপি কমিশনারের

অনলাইন ডেস্ক

১ বছর মেয়াদ বাড়ল ডিএমপি কমিশনারের

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামকে আরও ১ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী মোহা. শফিকুল ইসলামকে তার অবসরোত্তর ছুটি ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে আগামী ৩০ অক্টোবর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর মেয়াদে ডিএমপি কমিশনার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হলো। এ নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ডিএমপির ৩৪তম কমিশনার হিসেবে শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয় সরকার। তার চাকরির বয়স শেষে ৩০ অক্টোবর অবসরে যাওয়ার কথা ছিল।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

জানা গেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামূলক পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করায় তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

চুক্তিতে রাইড শেয়ার বন্ধে কঠোর বার্তা দিলো বিআরটিএ

অনলাইন ডেস্ক

চুক্তিতে রাইড শেয়ার বন্ধে কঠোর বার্তা দিলো বিআরটিএ

রাইড শেয়ারিং অ্যাপস ছাড়া চুক্তিভিত্তিক যাত্রী পরিবহন করলে সংশ্লিষ্ট চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে রাইড শেয়ারিং সেবার নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভাড়ার বেশি নিলে রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিআরটিএ। 

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর)বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং রাইড শেয়ারিং সেবাগ্রহণকারীদের অবহিত করা যাচ্ছে যে, অ্যাপস ভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান এবং গ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা ২০১৭ প্রবর্তন করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী বিআরটিএ থেকে রাইড শেয়ারিং এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট গ্রহণ করে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান ও গ্রহণ এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ভাড়া আদায় করার শর্ত রয়েছে।

কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কতিপয় মোটরযান চালক এ নীতিমালার শর্ত পালন করছেন না। শর্ত পালন না করে চুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যা রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার পরিপন্থি। অ্যাপস ছাড়া চুক্তিভিত্তিতে রাইড শেয়ারিং সেবা গ্রহণ না করার জন্য সেবাগ্রহণকারীদের অনুরোধ করা যাচ্ছে। রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার বিধান অমান্য করে চুক্তিভিত্তিক মোটরযান পরিচালনাসহ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক ও সেবাগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

চুক্তিভিত্তিক যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), রাইড শেয়ারিং শাখা, বিআরটিএ, সদর কার্যালয়, বনানী, ঢাকা-১২১২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১৪৫৫৬৫৭০, ফোন নম্বর: ০২-৫৫০৪০৭৪৫, ইমেইল: [email protected] বরাবর দাখিল করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর