ছাত্রীদের টয়লেটে পাওয়া গেল নবজাতক

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্রীদের টয়লেটে পাওয়া গেল নবজাতক

তখন কলেজে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে আসা ছাত্রীরা কমনরুমে বসে। এ সময় ছাত্রীদের কমন রুমের টয়লেট থেকে নবজাতকের কান্নার আওয়াজ ভেসে আসে। ছাত্রীরা কর্তৃপক্ষকে খবর দিলে কলেজের অফিস সহায়ক রেনু ধর নবজাতকটি উদ্ধার করেন। পরে তাকে খাগড়াছড়ি মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: 


যে কারণে ৫ মিনিট চলেই বন্ধ হলো আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ম্যাচ

তিতাসের আরও চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল খেলা শুরু(ভিডিও)

অবশেষে স্থগিত হয়ে গেল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ


এ ব্যাপারে কথা হয় খাগড়াছড়ি শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, নবজাতকটির চিকিৎসাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নবজাতকটি বর্তমানে ভালো আছে।

এরই মধ্যে শিশুটিকে দত্তক নিতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু নবজাতকটির কেউ নেই, তাই অভিভাবক নির্ধারণে কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দৃষ্টিহীনদের বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ঢাবির দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শাহীন আলম

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

দৃষ্টিহীনদের বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ঢাবির দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শাহীন আলম

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার অজপাড়াগায়ের ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শাহীন আলম বিনামূল্যে দৃষ্টিহীনদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন।

২০২০ সালের জুলাই মাসে তিনি দৃষ্টিহীনদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিবেন মর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেন। তাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া পড়ে। তার ডাকে সাড়া দেই বাংলাদেশ ও ভারতের ৬০ জন দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থী। শুধু ভারতেরই ২০ জন দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থী। শুরু হয় তার অনলাইন ক্লাসের মধ্যমে প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ। সপ্তাহে ৩ দিন রবি, বুধ ও শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে দেড় ঘণ্টা ক্লাস নেন শাহীন আলম। এর পর চলতি বছর শুরু হয় তার দ্বিতীয় ব্যাচ। এ ব্যাচেও বাংলাদেশ-ভারতের মোট ৫৩জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এখানেও ছিল ২০ জন দৃষ্টিহীন ভারতীয় নাগরিক। জুলাইয়ে শুরু হয় তিনমাস মেয়াদি তৃতীয় ব্যাচ। এখানেও বাংলাদেশ-ভারত থেকে অংশগ্রহণকরী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৫ জন।  ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে তৃতীয় ব্যাচের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। চতুর্থ ব্যাচ শুরুর প্রস্তুতি চলছে।

শাহীন আলম ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার আলমপুর গ্রামের কৃষি শ্রমিক আব্দুল কাদেরের ছেলে। মা মিনারা বেগম গৃহিণী। শহীন আলমসহ তার আরেক ভাই রয়েছে। বড় ভাই ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াকালীন শাহীন টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারায়। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর দৃঢ় মনোবলের কাছে হেরে যায় প্রতিবন্ধকতা। ২০১৩ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর আওতাধীন সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রমের সহায়তায় তুলারামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নড়াইল থেকে এসএসসি পাশ করেন। কলেজে ভর্তির সময় তার বেশ কিছুু বাধা আসে। কলেজের শিক্ষকরা তাকে কলেজে ভর্তি নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে নিজের পড়াশুনার দায়ভার নিজে নিলে কলেজে ভর্তির সুযোগ মিলে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে নিজ এলাকার শামসুল হুদা খান কালেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।

এইচএসসি পাশের পর তার স্বপ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া। কিন্তু অর্থনৈতিক অনটনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রস্তুতির জন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে পারেননি। অন্য বন্ধুদের শীট সংগ্রহ করে মোবাইলে রেকর্ড করে ভর্তি প্রস্তুতি চালিয়ে গেছেন। অবশেষে অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে তার স্বপ্ন পূরণ হয়। সুযোগ পায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়ার। ২০১৯ সালে তার অনার্স সমাপ্ত হয়। বর্তমানে তিনি মাস্টার্স পরীক্ষার্থী।

তিনি নবম শ্রেণিতে থাকাকালীন বেসরকারিভাবে ১২ দিনের একটি কোর্সের মাধ্যমে কম্পিউটার শিখা শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে ঢাকা বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিনমাস মেয়াদী আরো একটি কোর্স করেন। শাহীন আলম দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের যা যা শিখান তা হলো: ফান্ডামেল্টাল অফ কম্পিউটার, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ইত্যাদি।

স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার ব্যবহার তিনি কম্পিউটার পরিচালনা করেন। শিক্ষার্থীরাও এই মাধ্যম ব্যবহার করে কম্পিউটার শিখে। নন ভিজুয়াল ডেক্সটপ এক্সেস (NVDA) ও জাভ এক্সেস উইথস্পিচ এই দুই স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার কম্পিউটার স্ক্রিনে প্রদর্শিত হওয়া সকল তথ্যাদি অডিও ভয়েসের মাধ্যমে দৃষ্টিহীনদের নির্দেশনা প্রদান করে।

শাহীন আলম জানান, বাংলাদেশে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা করে সরকারি কোনো কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই। যার ফলে তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞান থেকে পিছিয়ে পড়ছে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী। তারা যাতে কোনভাবেই তথ্য প্রযুক্তি থেকে পিছিয়ে না পড়ে সেই জন্য তার এই উদ্যোগ।

শাহীন আলম আরো জানান, প্রতিমাসে তার ইন্টারনেট বিল পরিশোধ করা কষ্টকর হচ্ছে। তার নিজস্ব লাইসেন্সকৃত জুম সফটওয়্যার হলে তার এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা সহজতর হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পড়াকালীন তার স্কলারশিপের জমাকৃত অর্থ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ করানোর ক্ষেত্রে ব্যায় করেন। এখন বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে; খরচ বেড়েছে। তার পক্ষে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ব্যাপক কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের শিখার আগ্রহ বেড়ে চলছে।

আরও পড়ুন


গাজীপুর সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন অতিথি

মনোনয়ন ফরমের আগেই ১০ হাজারে কিনতে হচ্ছে উপজেলা আ.লীগের দলীয় ফরম

ট্রলারে করে ঝুঁকি নিয়েই ফিরছে সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকরা

মহেশখালীতে সাবেক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা


শাহীন আলম বলেন, প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয় সকল কিছুর ব্যবস্থা করা হলে দৃষ্টিহীনরা আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং শিখে ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন করতে পারবে। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সম্পর্কেও বেশ পারদর্শিতা রয়েছে শাহীন আলমের। ইতোপূর্বে শাহীন আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী রিসোর্স সেন্টারে খন্ডকালীন কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের একটি প্রকল্পে কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসাবে ছিলেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাকুড়া জেলার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ফাল্গুনী পাল জানান, "আমি শাহীন স্যারের কাছে কম্পিউটার শিখে এখন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ব্যবহার করে চাকুরী করছি। বাংলাদেশের শেরপুর জেলার অপু আহমেদ ঢাকার সরকারি বাংলা কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এই শিক্ষার্থী জানায়, এত সুন্দরভাবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিতে পেরে সে উপকৃত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী গ্রন্থাকার মোঃ সরওয়ার হোসেন খান জানান, "শাহীন আমাদের রিসোর্স সেন্টারে এসে নিজের পড়াশুনার ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যাবহার করত। তার কম্পিউটারের দক্ষতা বুঝতে পেরে আমরা তাকে ২০১৯ সালে খন্ডকালীন কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত করি। সে ১ বছরে ছয়মাস মেয়াদি দুটি ব্যাচে দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শিখিয়েছে। সে অনেক মেধাবী, কম্পিউটারের ভালো পারদর্শী। ভবিষ্যতে সে আরো ভালো কিছু করতে পারবে।"

সরকারের কাছে শাহীন আলমের দাবি, বাংলাদেশে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য যেন আলাদা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরী করা হয় এবং  যোগ্যতার ভিত্তিতে তাকে যেন একটি সরকারি চাকুরী প্রদান করা হয় সেই দাবী জানান।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

গাজীপুর সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন অতিথি

অনলাইন ডেস্ক

গাজীপুর সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন অতিথি

গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে আবারও এসেছে নতুন অতিথি। এরইমধ্যে শাবকটি উঠে দাঁড়িয়েছে। এখন সে মায়ের সামনে ঘোরা ফেরা করছে।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) ভোরে শাবকটির জন্ম হয়। পার্কের কোর সাফারি পার্কে গতকাল সোমবার সকালেই জেব্রার পালে মায়ের সঙ্গে শাবকটিকে দেখা যায়। সদ্য জন্ম নেওয়া এই শাবকটিসহ এ পার্কে মোট জেব্রার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১টি। এর মধ্যে ১৫টি পুরুষ ও ১৬টি মাদি জেব্রা।

পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান জানান, নির্দিষ্ট এলাকায় কয়েকটি পালে জেব্রাগুলো ঘুরে বেড়ায়। সদ্য জন্ম নেয়া শাবকটি সহ এ বছর জেব্রা পরিবারে ৮টি নতুন সদস্য এসেছে। নতুন শাবকটি পুরুষ। মা ও শাবক উভয়েই সুস্থ আছে। মা জেব্রার পুষ্টিমানের কথা বিবেচনা করে খাদ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঘাসের পাশাপাশি মা জেব্রাকে ছোলা, গাজর ও ভূষি দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন


মনোনয়ন ফরমের আগেই ১০ হাজারে কিনতে হচ্ছে উপজেলা আ.লীগের দলীয় ফরম

ট্রলারে করে ঝুঁকি নিয়েই ফিরছে সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকরা

মহেশখালীতে সাবেক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

পূজামণ্ডপ কেন্দ্রিক ‘অপ্রীতিকর ঘটনায়’ ৭১ মামলায় আটক ৪৫০


তিনি জানান, পার্কের প্রাকৃতিক পরিবেশে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের পশুপাখি থেকে নিয়মিত বাচ্চা পাওয়া যাচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এ পার্ক থেকে এক সময় দেশে জেব্রার চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। জেব্রা আমদানির নির্ভরতাও কমে আসবে।

জেব্রাদের প্রধান খাবার ঘাস। আফ্রিকান এসব পুরুষ জেব্রা ৪ বছর বয়সে ও মাদি জেব্রা তিন বছরে প্রজননের উপযোগী হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে এরা ২০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ট্রলারে করে ঝুঁকি নিয়েই ফিরছে সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকরা

অনলাইন ডেস্ক

ট্রলারে করে ঝুঁকি নিয়েই ফিরছে সেন্টমার্টিনে আটকা পর্যটকরা

কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সার্ভিস বোট বন্ধ থাকায় কাঠের বোটে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে যাওয়া প্রায় তিন শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েন।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ট্রলারে করে ঝুঁকি নিয়েই টেকনাফে ফিরছে এসব পর্যটক। জানা গেছে, আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। তবে অনেকেই লাইফ জ্যাকেট পরিহিত থাকলেও ট্রলারে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, গেল কয়েকদিন আগে এসকল যাত্রীরা ট্রলার ও স্পিড বোটে করে সেন্টমার্টিনে আসে। কিন্তু হঠাৎ করে বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের প্রভাবে আবহাওয়া অফিস কক্সবাজারকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলে। যার কারণে টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌরুটে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। 

আরও পড়ুন


মহেশখালীতে সাবেক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

পূজামণ্ডপ কেন্দ্রিক ‘অপ্রীতিকর ঘটনায়’ ৭১ মামলায় আটক ৪৫০

শুধু তামিম নয়, বিশ্বকাপ খেলতে চায়নি আরও একজন: পাপন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী শপথ ভঙ্গ করেছে, তার পদত্যাগ করা উচিত: জিএম কাদের


ইউপি সদস্য আরও জানান, নৌযান চলাচল না করায় ভ্রমণে আসা এসব পর্যটকরা আটকা পড়ে। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ৯টি ট্রলারে করে টেকনাফে উদ্দেশে রওনা দেন পর্যটকরা। যাদের দুপুর ১টার দিকে টেকনাফ পৌঁছার কথা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখন পর্যন্ত কক্সবাজারকে ৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তবে দুপুর নাগাদ এ সংকেত নামিয়ে ফেলা হতে পারে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

মহেশখালীতে সাবেক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

মহেশখালীতে সাবেক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মো: রুহুল কাদের (৩৫) নামের সাবেক এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত রুহুল কাদের মহেশখালী উপজেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০ টার দিকে উপজেলার কালামারছড়ার ইউনিয়নের ফকিরজুমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুহুল ওই এলাকার মোহাম্মদ আমিনের ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুহুল রাত ১০টার দিকে মহেশখালী উপজেলার কালারমার ছড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় ফকিরজুম পাড়ায় পৌঁছলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তাকে সিএনজি থেকে নামিয়ে প্রথমে কুপিয়ে পরে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

আরও পড়ুন


পূজামণ্ডপ কেন্দ্রিক ‘অপ্রীতিকর ঘটনায়’ ৭১ মামলায় আটক ৪৫০

শুধু তামিম নয়, বিশ্বকাপ খেলতে চায়নি আরও একজন: পাপন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী শপথ ভঙ্গ করেছে, তার পদত্যাগ করা উচিত: জিএম কাদের

বিসিবি সভাপতির কাঠগড়ায় তিন 'সিনিয়র' খেলোয়াড়


এসময় স্থানীয়রা রুহুল কাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে কালারমার ছড়া উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পরে আশংকাজনক অবস্থায় চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আব্দুল হাই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এসময় তিনি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটতে পারে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘের খাঁচায় আরো দুই শাবক

নয়ন বড়ুয়া জয়

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘের খাঁচায় আরো দুই শাবক

চট্টগ্রামের চিড়িয়াখানায়  বাঘের খাঁচায় আরো দুই শাবক। মা জয়া নামে বাঘিনীর আদরেই বড় হচ্ছে  এসব শাবক। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, চট্টগ্রামের চিড়িয়াখানায় এখন এক ডজন বাঘ।দর্শনার্থীরাও বাঘ দেখে খুশি। 

বনের বাঘ এখন খাঁচায়, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় একের পর এক জন্ম দেয় বাঘের শাবক। সম্প্রতি আরো দুই শাবক জন্ম দিয়েছে মা জয়া। ২০২০ সালের ১৪ নভেম্বর জয়া বাঘিনী জো বাইডেন নামে ছেলে বাঘ শাবকের জন্ম দেয় ।যা তার প্রথম সন্তান ছিল। জো বাইডেনের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করায় সেটিকে চিড়িয়াখানার তত্ত্বাবধানে লালন পালন করা হয়েছিল।তবে এবার দুই শাবকই মায়ের  আদরেই বড় হচ্ছে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় কোন বাঘ না থাকায় ২০১৬ সালে আফ্রিকা থেকে রাজ-পরি নামে  দুই বাঘ আনা হলেও এখন  নতুন দুই শাবকসহ এই চিড়িয়াখানার বাঘের খাঁচায়  এক ডজন বাঘ।

বাঘের ঝাঁক দেখে খুশি দর্শনার্থীরা। শুধু বাঘ নয় হাতিসহ আরো নতুন নতুন প্রানী যুক্ত করার চেষ্টা করছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। কিছুদিন আগেও বিরল সাদা বাঘ শুভ্রা জন্ম দিয়েছে আরেকটি ফুটফুটে ডোরাকাটা শাবক।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর