পিনন-হাদিতে স্বপ্ন বুনছে পাহাড়ি নারীরা

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পিনন-হাদিতে স্বপ্ন বুনছে পাহাড়ি নারীরা

‘পিনন-হাদি’ অর্থাৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের পরিধানে বিশেষ বস্ত্র। তাই এ পোশাক পার্বত্যাঞ্চলে বেশ জনপ্রিয়। তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের ১০টি ভাষাভাষীর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ১৪টি নৃ-গোষ্ঠীর নারীদের প্রধান ও ঐহিত্যবাহী পোশাক এটি।

প্রতিটি সম্প্রদায়ের কাছে ভিন্ন নামে পরিচিত পিনন-হাদি। কালের পরির্বতনে আধুনিকতার ছোয়ায় পোশাকের আকর্ষণ রয়েছে পর্যটকদের কাছে। তাই পার্বত্যাঞ্চলের পর্যটন স্পটগুলো ঘিরে নিজেদের তৈরি পিনন- হাদিতে কুটি শিল্প গড়ে তুলেছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা। কিন্তু সম্প্রতিক বছরগুলোতে করোনার কারণে পিনন হাদি ব্যবসায় ধস নামলেও আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা পাহাড়ি নারীর। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানের গন্ডি ছাড়িয়ে এ পিনন-হাদি রপ্তানি হচ্ছে দেশ- বিদেশে। লকডাউন খুঁলে দেওয়ার পর আবারও পিনন-হাদিতে স্বপ্ন বুনছে পাহাড়ি নারীরা। এরই মধ্যে ব্যবসার প্রসরা সাজিয়েছে অনেকেই। শুধু হাট বাজারে নয়, অন লাইনেও এ ব্যবসা জমে উঠেছে ব্যাপক ভাবে।

আরও পড়ুন: 


যে কারণে ৫ মিনিট চলেই বন্ধ হলো আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ম্যাচ

তিতাসের আরও চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল খেলা শুরু(ভিডিও)

অবশেষে স্থগিত হয়ে গেল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ


জানা গেছে, রাঙামাটির বনরূপায় সাপ্তাহিক হাটবাজার ছাড়াও প্রায় প্রতিদিন বসছে পিনন হাদির হাট। হাটও জমজমাট। তাই ঘরে বসে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারীরা এ ব্যবসার লাভগুনছে। রেশমি সুতার নিখুঁত হাতের কাজ। আকর্ষণীয় ডিজাইন। যে কোনো মানুষকে এ পিনন হাদি আকর্ষণ করে সহজেই। তাই এ পোশাক দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। চাহিদা অনেক। লাভও বেশি। করোনার দখল কাটিয়ে এখন পিনন হাদি তৈরিতে কোমর তাতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা। এ ব্যবসায় অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। আগ্রহ বেড়েছে বেকার নারী-পুরুষদেরও। রাঙামাটি শহরের পর্যটন কেন্দ্র, চাকমা রাজবাড়ি এলাকা ও বনরূপায় ব্যক্তি উদ্যোগে এসব বস্ত্রের গড়ে উঠেছে বিভিন্ন বিক্রয় প্রতিষ্ঠান।

এ ব্যাপারে পিনন হাদি বিক্রেতা মেনটেলা চাকমা বলেন, রাঙামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে এসব কাপড় খুবই প্রিয়। কিন্তু করোনা আর লকডাউনের জন্য দীর্ঘ দিন এ ব্যবসা স্থবির ছিল। অনেকটা বেকার সময় কাটছিল সবার। কিন্তু এখন আবারও ব্যবসা সাজার কাজে  নেমেছি সবাই। পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে আবারও ঘুড়ে দাঁড়াতে পারব।

আর জ্যোতিকা চাকমা বলেন, শুধু পিনন-হাদি নয় আমরা কোমর তাতে তৈরি করে থাকি সুতির, রেশম, মাসলায়স ও জরির কাজের বিভিন্ন ছোট বড়দের পোশাক। যেমন থ্রি পিছ, ফ্লোর ম্যাট, ডিনার ম্যাট, শাল, ব্যাগ, স্কুলবেগ, চাঁদর, রুমাল, গামছা। এক জোড়া পিনন-হাদির সর্বন্মিম ১হাজার থেকে ১০হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

রাঙামাটির রাঙাপানি এলাকার কোমড় তাঁতি কল্পনা চাকমা জানান, নিজেদের প্রয়োজনে এক সময় এ পিনন হাদি তৈরি করা অত্যাবশ্যকীয় ছিল পাহাড়ি নারীদের। কিন্তু এখন আত্মকর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে অনেকে ব্যক্তি উদ্যোগে কোমর তাঁতে পিনন-হাদি তৈরি করছে। একজন নারীর একজোড়া পিনন হাদি তৈরি সময় লাগে দশ থেকে পনের দিন। এখন পাহাড়ের বেশির ভাগ নারী নিজেদের উদ্যোগে পিনন তৈরি ব্যবসা গড়ে তুলেছে। কারণ পিনন-হাদি ঘরে বসে কোমড় তাঁতে তৈরি করা যায়। তার জন্য কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানে যেতে হয় না তাদের। বিশেষ করে অবসর সময়টা কাজে লাগায় তারা এ বস্ত্র তৈরি করতে। একসময় জুমের তুলা থেকে সুতা তৈরি করে তাঁতে বুনন হোত এসব বস্ত্র। এখন এসব সুতা বাজারে পাওয়া যায়। তবে সুতার দাম একটু বেশি। তাই কাপড় তৈরি ব্যবসায় হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেকেই। তাই পিনন-হাদি ব্যবসায় সাথে জড়িত নারীদের দাবি সরকারীভাবে সহায়তা দেওয়া হলে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অনেক বেকার নারী-পুরুষও নিজেদের আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

মাহমুদুল হাসান

নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের আয় আগের মতোই থাকলেও রীতিমতো পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। তাই দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে ভালো নেই সাধারণ মানুষ। সপ্তাহের ব্যবধানে লাফিয়ে বেড়েছে আটা চিনি আলুসহ প্রায় সব রকম নিত্যপণ্যের দাম। সাধারণ মানুষ আমিষের চাহিদা পূরণে যে মুরগী ও ডিম খান, তার দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে।

সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজার থেকে পণ্য কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে।

মানুষের আয়ের যে অবস্থা তার সাথে কোনোই মিল নেই বাজার দরের। রাজধানীর কারোয়ান বাজারে সপ্তাহের বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী মো. আরিফ। এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছেন একটু কম দামে যদি পাওয়া যায় নিত্যপণ্য। বলছেন, বাজারের এমন উত্তাপ টের পাচ্ছেন হাড়ে হাড়ে।

কাঁচা সবজির দোকানে দাম কম শুধু পেপে আর পটলের। কিন্তু একই সবজি ঘুফিরে আর কতেই খাওয়া যায়? অন্য প্রায় সব সবজির দামই ৫০ টাকার উপরে। শীতের সবজিও বিক্রির উপেযুক্ত হয়নি এখনও।

গত কিছুদিন ধরে স্থিতিশীল ছিল আলুর দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ৫ কেজি আলুর দাম বেড়েছে ১০ টাকা। আদা- রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা।

এরই মধ্যে  পেঁয়াজ ও চিনি আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে এনবিএর। ফলাফল মোটামুটি স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এই দুই পন্যের দাম।

আরও পড়ুন:


ইউনিয়ন নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা, নিহত ৪ 

আ.লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রি ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর

দেশে সাম্প্রদায়িক হামলাগুলোর মদদ দিচ্ছে সরকার: ফখরুল

সেদিন নীল শাড়িটাই পরবো: মাহি

দ্বিতীয় বিয়ে করে সত্যিই 'সারপ্রাইজ' দিলেন মাহি


 

তবে একেবারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে মুরগি ও ডিমের দাম। গরিব মানুষণ আমিষের চাহিদা পূরণে যে ব্রয়লার মুরগী খান সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ১০ টাকা। আর মিমের ডজন এখন ১১০ টাকা।

তবে চালের দাম আর বাড়েনি। মোটামুটি আগের দামেই বিকিও হচ্ছে মিনিকেট আটাশসহ অন্য চাল।

গরীবের খাদ্য মোটাচাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, আর মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজে

বাজারে ইলিশের বিক্রি বন্ধ থাকায় চোপ পড়েছে অন্য মাছের দামে।

এমন অবস্থায় প্রায় মাথা খারাপ অবস্থা সাধারণ ক্রেতাদের।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

যশোরে শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন

রিপন হোসেন

শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন যশোরের কৃষকরা । আবহাওয়ায় অনুকুলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশাও করছেন তারা। আগাম সবজি চাষে  কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

যশোরে প্রতিবছরই রেকর্ড পরিমাণ সবজি উৎপাদন হয়। এখানকার উৎপাদিত সবজি দেশের মোট চাহিদার ৬৫ ভাগ যোগান দেয়।  বর্তমানে এ জেলার চুড়ামনকাটি, বারীনগর, হৈবতপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের  মাঠ জুড়ে এখন  শীতের সবজি।

আরও পড়ুন:


আওয়ামী লীগ বলেছে, তারা সেদিকে যাবে না: ফখরুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

কুমিল্লার ঘটনায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


শীতকালীন সবজি বাধাঁকপি, ফুলকপি, সিম, মুলা, লাল শাক, পালং শাকসহ নানা ধরনের সবজিতে ভরা ক্ষেত। ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, দীর্ঘ অনাবৃষ্টিতে এবছর সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই আগাম শীতকালীন সবজি আবাদ করছেন কৃষকরা। বাজারে দর চড়া থাকায় খুশি।

শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের কারিগরি সহায়তার পাশাপাশি নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি বিভাগের হিসেবে, যশোর জেলায় এবার প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই পার্শ্বে ৭০ কি.মি. যানজট

আতিক রহমান ও আব্দুস সামাদ সায়েম

সীমাহীন যানজটে নাকাল উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ। সিরাজগঞ্জের নকলা সেতুর সংস্কার কাজ চলায় ৯ ঘণ্টা ধরে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদাল বন্ধ ছিলো। এতে সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্ত মিলে প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট ছড়িয়ে পড়ে। ৩০ মিনিটের পথ পেরুতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, নকলা সেতুর সংস্কার কাজ শেষ হলে কমবে দুর্ভোগ।

এই দৃশ্য বঙ্গবন্ধূ সেতুর পূর্ব প্রান্তের। টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের।

আরও পড়ুন:


আওয়ামী লীগ বলেছে, তারা সেদিকে যাবে না: ফখরুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

কুমিল্লার ঘটনায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমে হাটিকুমরুল মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসহনীয় যানজটের। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম গোলচত্ত্বর থেকে ভূইয়াগাঁতী, হাটিকুমরুল-বনপাড়া সড়কের সলঙ্গা এলাকা ও হাটিকুমরুল-পাবনা সড়কের বোয়ালিয়া পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে গেছে।

মাত্র ৩০ মিনিটের পথ পার হতে এখন দিন পেরিয়ে যাচ্ছে। তীব্র গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে থেকে পণ্যবাহী ট্রাকের কাঁচামাল নষ্ট হতে শুরু করেছে। অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন অনেকে বাস যাত্রী।

সিরাজগঞ্জের নকলা সেতুর সংস্কার কাজ চলায় গাড়ি চলছে এক লেন দিয়ে। ভোর থেকে এতেই সৃষ্টি হয় যানজট। বেলা বাড়ার সাথে সাথ তা আরো দীর্ঘ হতে থাকে। প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানিয়েছে, নকলা সেতুর পশ্চিমাংশে সড়কের ওপরের অংশ তুলে ফেলে সেগুলোও মেরামত করা হচ্ছে। সংস্কার কাজ শেষ হলে দুর্ভোগ কমে আসবে বলে জানান সড়ক জনপদ বিভাগ সিরাজগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী।

মহাসড়কটি দিয়ে প্রতি দিন উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার অন্তত ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে বঙ্গবন্ধ সেতু বন্ধ থাকায় দুই পারে অন্তত ১০ হাজার গাড়ি আটকা পড়েছে বলে ধারনা সংশ্লিষ্টদের।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতির অভয়ারণ্য সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস

সৈয়দ রাসেল, সিলেট

দুর্নীতির অভয়ারণ্য সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস

দ্বিধাহীন দুর্নীতির অভয়ারণ্য হয়ে ওঠেছে সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। নানা অনিয়মের মাঝে যেখানে পাসপোর্টের জন্য জমাকৃত ফাইলের মাঝে অফিসেরই একটি চক্রের দেয়া নির্দিষ্ট ‘মার্কা’ (চিহ্ন) ব্যবহারের মাধ্যমে আদায় হচ্ছে এই মোটা অংকের টাকা। গোপন ‘মার্কা’ ছাড়া ফাইল জমা দিতে গেলেই পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়। ফিরে আসতে হচ্ছে বেশিরভাগ পাসপোর্ট গ্রহীতাকে। আর মার্কা বাণিজ্যে প্রতি মাসে হচ্ছে অন্তত দুই কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন।

সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের ‘মার্কা’ বাণিজ্য এখন ওপেন-সিক্রেট। পাসপোর্টের জন্য জমা দেয়া ৯০ শতাংশ ফাইলেই রয়েছে নির্দিষ্ট গোপন ‘মার্কা’। আর এমন অভিনব দুর্নীতির প্রমাণও মেলে নিউজ টোয়েন্টিফোরের টানা অনুসন্ধানে। মার্কা থাকলে ফাইল জমা হবে না হলে নানা অজুহাতে ফেরত দেয়া হয় পাসপোর্ট গ্রহীতাকে। আর মাঠ পর্যায়ে দালাল বা ট্রাভেল এজেন্সির সাথে যোগাযোগ রাখেন অফিসের নাইটগার্ড, ড্রাইভার ও এমএলএসএসসহ আরও অন্তত ১০ জন।

সিলেট পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন ‘মার্কা’ দেয়া অন্তত সাড়ে চারশ ফাইল প্রতি গড়ে ১৫০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। সে হিসেবে মাসে হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন। আর এই মার্কা বাণিজ্যের সমন্বয়ক হিসেবে সামনে আসছে একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম।

আরও পড়ুন


ঢাকায় এসেছিলেন চাকরির খোঁজে, ফিরতে হল লাশ হয়ে

পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটই উৎপাদনে সক্ষম

বেনাপোলের রেলপথে বাড়ছে পণ্য আমদানি

বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে


তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করলেন সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক এ কে এম মাজহারুল ইসলাম।

এদিকে পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি দমনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সিলেট অঞ্চলের ‘আটাব’ এর সাবেক সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল।

সকাল ৯টায় কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দুর্ভোগ আর দুর্নীতিগ্রস্ত এক অফিসের নাম সিলেট পাসপোর্ট অফিস। তবে সরকারের হস্তক্ষেপে এ অফিসটি একদিন জনবান্ধব হয়ে ওঠবে এমন প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ই-বর্জ্যের কঠিন ধাতবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে নারী ও শিশুরা

ফখরুল ইসলাম

ই-বর্জ্যের কঠিন ধাতবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে নারী ও শিশুরা

ইলেক্ট্রনিক বা ই-বর্জ্যের কঠিন ধাতবে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দেশের ৩ কোটি মানুষ। এমন তথ্য, গবেষণা সংস্থা এসডোর। পরিবেশ অধিদপ্তরের মতে পরিশোধনের অভাবে ৯৭ ভাগ ই-বর্জ্যই মিশে যাচ্ছে প্রকৃতিতে। যাতে আরো বিপজ্জনক হয়ে উঠছে পরিবেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঝুঁকি থেকে বাঁচতে এখনই নজর দিতে হবে দেশের ইলেক্ট্রনিক্স বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়।

প্রযুক্তির প্রসারের সাথে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা। চাল থেকে চুলো- সবক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যেই নির্ভরশীল হয়ে উঠছে মানুষ। পণ্যের ব্যবহার যত বাড়ছে, সেই সাথে বাড়ছে বর্জ্য। এই ইলেক্ট্রনিক বর্জে্যর ভয়াবহতা অন্য যে কিছুর তুলনায় বেশি বিপজ্জনক। দেশে গত ৫০ বছরে ইলেক্ট্রনিক্স বর্জ্য যা তৈরি হয়েছে, পরিশোধনের অভাবে তার প্রায় সবই মিশে গেছে মাটি পানি কিংবা পরিবেশে। সম্প্রতি বর্জ্য পরিশোধনে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও তাদের সক্ষমতা মাত্র ৩ ভাগ।

প্রকৃতিতে মিশে যাওয়া ৯৭ ভাগ ইলেক্ট্রনিক বর্জে্য থেকে ক্ষতিকর ধাতব উপাদান, লেড, সীসা, কেডমিয়াম, ক্রোমিয়াম ও কপারের বিষ, চক্রাকারে আরো বিষাক্ত করে তুলছে চারপাশ। বিশেষজ্ঞদের মতে সেই বিষই মানব শরীরে প্রবেশ করে বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসেবে দেশে বছরে ই বর্জে্য তৈরি হয় সাড়ে ৫ লাখ টনের বেশি। বছরে ২০ শতাংশ হারে বেড়ে ২০৩৫ সালে দেশে ই বর্জ তৈরি হবে ৪৬ লাখ মেট্রিক টন। গবেষণা বলছে দেশে সবচেয়ে বেশি ই-বর্জ্য তৈরি হয় জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে।

আরও পড়ুন:


বিষ খাইয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর ভাড়াটে খুনি দিয়ে বাবাকে হত্যা করালো মেয়ে

পরকীয়ার জেরে শ্যালিকার বিয়ে ভাঙলেন দুলাভাই, আপত্তিকর ছবি!

মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড: দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিলেন ইলিয়াছ

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরির সুযোগ


ই-বর্জ্যের কঠিন ধাতবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে নারী ও শিশুরা। এমন বাস্তবতায় ই বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে আইন করেছে সরকার। সেখানে বলা হয়েছে ই-পণ্য উৎপাদনকারীকেই আগামী ৫ বছরের মধ্যে ফেরত নিতে হবে দেশের ৫০ ভাগ ই বর্জ্য।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর