যে কারণে সকালে খালি পেটে চা খাবেন না

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে সকালে খালি পেটে চা খাবেন না

সকালে খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই। অনেকে ঘুম থেকে উঠেই আগে এক কাপ চা পান করেন। এছাড়া দিনের মধ্যেও অনেক সময় খালি পেটেই চা খেয়ে ফেলেন। এতে কিন্তু শরীরের অনেক রকম ক্ষতি হতে পারে।

সম্প্রতি লন্ডনের কয়েকজন গবেষক খালি পেটে চা খাওয়ার ফলে শরীরে কী ধরণের প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। সেই গবেষণায় দেখা গেছে, সকালে চা খেলেও তার আগে অন্তত কিছু একটা খেয়ে নেয়া উচিত। একেবারে খালি পেটে চা খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়।

চায়ে ক্যাফেইন নামে এক ধরণের যৌগ আছে। এটি খালি পেটে পাকস্থলিতে প্রবেশ করলে সেখানে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়তে থাকে। দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়।

শুধু তাই নয়, খালি পেটে চা পান করলে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যায়। চায়ে থিয়োফিলিন নামে এক ধরণের যৌগ থাকে যে কারণে এমন হয়ে থাকে। তাছাড়া ঘুমের সময় শরীরে এমনিতেই পানির পরিমাণ কমে যায়। ফলে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চা খেলে বৃক্কের ওপর চাপ পড়তে পারে। কিন্তু চা পানের আগে অল্প কিছু খেয়ে নিলে থিয়োফিলিন শরীরে তেমন প্রভাব ফেলতে পারে না।

আরও পড়ুন:

হোয়াটসঅ্যাপকে রেকর্ড ২২৫ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা

আফগানিস্তান ছেড়ে পালিয়েছে মাসুদ, দাবি তালেবানের

কার্যক্রম চালিয়ে যেতে নগদকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন শর্ত

'সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ২০ বছর পর শিশুদের অশিক্ষিত বানাবে'


এ কারণেই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চা পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বরং ঘুম থেকে উঠে আধা লিটার পানি শরীরের সুস্বাস্থ্যের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ঘরোয়া উপায়ে কমবে পেট ব্যথা

অনলাইন ডেস্ক

ঘরোয়া উপায়ে কমবে পেট ব্যথা

পেটে ব্যথা একটি প্রচলিত সমস্যা। সংক্রমণ, প্রদাহ, অন্ত্রের সমস্যা ইত্যাদি কারণে অনেক সময় পেটে ব্যথা হয়। কিন্তু পেট ব্যথার সে অর্থে কোনো সমাধান নেই। পেটের ভেতর গোলমালগুলো বন্ধ হয়ে গেলে পেট ব্যথা কমে যায়। অনেক সময়ে প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে পেটের সব বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যায় শরীরে থেকে। তাতে পেটে ব্যথা থেকে নিস্তার পাওয়া যায়। কিন্তু এমন কিছু উপায় যদি পাওয়া যায়, যাতে পেটের যন্ত্রণা থেকে খানিক মুক্তি পাওয়া যাবে, তা হলে আর ক্ষতি কী? তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক পেট ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়...

আদা
আদা চা খেতে পারেন বমি ভাব আর পেটে ব্যথা কমাতে। শরীরের সব রকম প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে আদা। রান্না করা, কাঁচা বা চায়ে দেওয়া, যেমনভাবে ইচ্ছা খেতে পারেন আদা

ক্যামোমিল
বদহজম, বমি ভাব, ডায়েরিয়া, পেটে ব্যথা-একগুচ্ছ অসুখে দারুণ কাজে দেয় ক্যামোমিল। ক্যামোমিল ভেষজের গুণ নিয়ে খুব বেশি গবেষণা এখনো পর্যন্ত না হলেও এর নানা রকম উপকারিতার কথা অনেকেই মানেন। তাই পেট ব্যথায় ক্যামোমিল চায়ের ওপর ভরসা করতেই পারেন।

পিপারমেন্ট
আরেক ভেষজ চা পিপারমেন্টও দারুণ কাজে দেয় পেটে ব্যথার সময়ে। যাদের ইরিটেবিল বাওয়েল সিন্ড্রোম রয়েছে, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়েরিয়া, বদহজম ও পেট ব্যথার মতো নানা উপসর্গ লেগেই থাকে। সেগুলো কমাতে সাহায্য করে পিপারমেন্ট।

কাঁচকলা
কাঁচকলা সিদ্ধ করে খেলে তা পেটে ব্যথা এবং পেটের প্রদাহ কমতে সাহায্য করে। কাঁচকলায় রয়েছে ভিটামিন বি৬, ফোলেট এবং পটাশিয়াম। শরীরে কোনো পেশিতে টান লাগলে, ব্যথা হলে বা ক্র্যাম্প হলে তা কমাতে সাহায্য করে এটি।

দই
শরীরে ডিসবায়োসিস হলে, মানে পেটের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যে গন্ডগোল হলেও পেট ব্যথা হতে পারে। তাই দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক খেলে তা এই ভারসাম্য বজায় রেখে পেটে ব্যথা কম করতে পারে। এই কারণেই পেটের সমস্যা হলে দই ভাত বা দই চিরের মতো খাবার খেতে বলেন অনেকেই।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পেটের গ্যাস দূর করবে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

পেটের গ্যাস দূর  করবে যেসব খাবার

পেটে গ্যাসের সমস্যা নেই এমন লোক খুবই কম। দিন দিন মানুষের মধ্যে বাড়ছে এই সমস্যা। পেটে গ্যাস জমলে অর্থাৎ এসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন না এমন মানুষ পাওয়া আজ কঠিন-ই বটে! ছোট-বড় সব বয়সের  মানুষের মাঝেই এই সমস্যাটি এখন প্রকট। অনিয়মিত খাবার গ্রহণ ও উল্টাপাল্টা খাবার খাওয়ার কারণেই তাদেরকে এ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে কিছু ঘরোয় উপায় আছে যেগুলো প্রয়োগ করলে গ্যাস, বুক জ্বালা থেকে সহজেই বাঁচা যায়। পেট থেকে গ্যাস দূর করে এমন কিছু খাবারের নাম জেনে নিন-

দই: দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।
পেঁপে: পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা: কলা খেলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও কলার স্যালুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটো কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

শসা: শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

আরও পড়ুন:

মা কালী সেজে জনগণকে তাক লাগালেন রিখিয়া

আরিয়ানের জামিন শুনানি আজ, টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব


 

কমলা: কমলা পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আদা: আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান সমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যে কারণে খাবেন কামরাঙা

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে খাবেন কামরাঙা

পুষ্টিগুণে ভরপুর কামরাঙা ফলটির উপকারিতার কথা জেনে নিন। 

ভিটামিন এ, ভিটামিন সি-র মতো নানা উপকারী উপাদান রয়েছে কামরাঙায়। প্রতি ১০০ গ্রাম কামরাঙ্গায় আছে ৫০ কিলো ক্যালোরি খাদ্য শক্তি, ০.৫ গ্রাম প্রোটিন, ০.১ গ্রাম ফ্যাট, ৫.১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। এছারাও কামরাঙ্গায় পাওয়া যায় কিছু ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। প্রতি ১০০ গ্রাম কামরাঙ্গায় ৬.১ মি.গ্রাম ভিটামিন সি, ০.৪ গ্রাম খনিজ, ১.২০ মি. গ্রাম আয়রন এবং ১১ মি.গ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

১. আঁশযুক্ত ফল হওয়ায় কামরাঙ্গা কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের প্রতিকারক হিসেবে কাজ করে।

২. খাবারের হজম ঠিক রাখতেও উপকারী কামরাঙ্গা। সেই সাথে খাবারের রুচি বাড়ায় কামরাঙ্গা।

৩. এই ফল শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছারাও এতে কিছু পরিমাণে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম থাকে যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪.ডায়াবেটিস রোগীরা কামরাঙ্গা খেলে উপকার পাবেন।

৫. ক্যান্সার প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করে কামরাঙ্গা।

আরও পড়ুন:


বিয়েতে মাংস বেশি খেয়েছে, নববধূকে তালাক!

নুরের রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ আজ

মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ, শিগগির সামাজিক বৈঠক পুলিশের

কুমিল্লার ঘটনায় পেছনের কারিগরদের খোঁজা হচ্ছে


উপকারিতার পাশাপাশি অপকারিতাও রয়েছে কামরাঙ্গার। ভুলেও খালি পেটে কামরাঙ্গা খাবেন না। এতে বিপুল পরিমাণে অক্সালিক অ্যাসিড রয়েছে যা  কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এজন্য কামরাঙ্গা খালি পেটে খাওয়া যাবে না। কারণ তাতে অক্সালিক অ্যাসিড সরাসরি গিয়ে প্রভাব ফেলে কিডনিতে।

news24bd.tv রিমু   

 

পরবর্তী খবর

সকালে সিদ্ধ ডিম কী দুপুরে ভালো থাকে?

অনলাইন ডেস্ক

সকালে সিদ্ধ ডিম কী দুপুরে ভালো থাকে?

অনেকেই সিদ্ধ ডিম খেতে পছন্দ করেন। এটি সবকিছুর সঙ্গেই খাওয়া যায়। অনেকে আবার অফিসের টিফিনেও ডিমসিদ্ধ নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সকালে সিদ্ধ করা ডিম কি দুপুর পর্যন্ত ভালো থাকে?

সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে প্রায় এক সপ্তাহ ভালো থাকে। কিন্তু ডিম ফ্রিজে রাখা না হলে ডিম সিদ্ধ করার অন্তত দুই ঘণ্টার মধ্যে ডিম খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ সিদ্ধ ডিম খুব তাড়াতাড়িই নষ্ট হয়ে যায়। 

এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা বরাবরই টাটকা খাবার খেতে পরামর্শ দেন। আর ডিমও এর বাইরে নয়।

আরও পড়ুন:

১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলো তুরস্ক

হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে কোকোর স্ত্রী

পুকুরে না, সেই গদা পাওয়া গেল বাড়ির ভেতরে!

ভারতের বিপক্ষে 'রণকৌশল' ফাঁস করলেন শাহিন আফ্রিদি


আর সিদ্ধ ডিম সংরক্ষণ করতে চাইলে সবার আগে তাপমাত্রার দিকটা খেয়াল রাখা উচিত। কারণ ডিম সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্র হওয়া প্রয়োজন। এই তাপমাত্রায় ডিম খোসাসহ ফ্রিজে রেখে দিলে সপ্তাহখানেক ভালো থাকবে। কোনভাবেই খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ ডিম ফ্রিজে রাখা যাবে না।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

যেসব কারণে সকালে কলা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

যেসব কারণে সকালে কলা খাবেন

কলা খাওয়ার যে উপকারিতা তা নিচে তুলে ধরা হলো।

১) মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমে : শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না।

২) শরীর বিষ মুক্ত হয় : শরীরের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই ফলটিতে আছে প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না।

৩) ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! ফাইবার কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪) অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমে : কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্য়াবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মিলতে পারে।

৫) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে কলার ভেতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। তাই পুজার পর থেকে যদি পেটটা ঠিক না যায়, তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।

৬) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : কলায় উপস্থিত পটাশিয়াম শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে নিয়মিত কলা খেলে দেহে নুনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না।

আরও পড়ুন:


ইকবালকে নিয়ে পুলিশের অভিযান, যা পাওয়া গেছে!

আগামীকাল নুরের দলের আত্মপ্রকাশ

পাকিস্তানি সমর্থকদের ওপর ভারতীয় সমর্থকদের হামলা, আহত ২

তিন মাসে মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ!


৭) পুষ্টির ঘাটতি দূর হয় : শরীরের সচলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন পরে শরীরের। আর এইসব উপাদানের যোগান শরীর পায় খাবারের মাধ্যমে। সমস্যাটা হল আজকের প্রজন্ম এতটাই ব্যস্ত যে তাদের হাতে ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। এমন পরিস্থিতি কলা কিন্তু দারুন কাজে আসতে পারে। এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান, যা শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একাদিক যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার অন্দরে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কলার খোসায় থাকা উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সূত্র: ইন্টারনেট 

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর