শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে

শিক্ষার্থীদের পোষাক বানানোর হিড়িক

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ্, গাজীপুর

শিক্ষার্থীদের পোষাক বানানোর হিড়িক

করোনা বদলে দিয়েছে দুনিয়া। বদলে দিয়েছে মানুষের জীবন যাত্রা। দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এর প্রভাব পড়েছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের মাঝেও। আর তারই চিত্র এখন রাজধানীসহ সারাদেশে। ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাণ খুলবে জেনে শিক্ষার্থীরা এখন ড্রেস বানাতে ভীড় করছে দর্জি দোকানে। বন্ধের এই সময়ে শিক্ষার্থীদের গায়ে আটছে না (লাগছে) আগের সেই পোষাক। দীর্ঘ এই সময়ে শারীরিক উচ্চতা বৃদ্ধি ও বাসা-বাড়িতে আটকে থেকে মুটিয়ে যাওয়ার কারণে এ সমস্যায় পড়েছেন স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। আর এমন চিত্র রাজধানীঘেষা গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায়।

গাজীপুর মহানগরের রাণীবিলাসমনি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র তাজিম হাসান জানান, স্কুল বন্ধ থাকায় পোষাকটি যত্নে রেখে দিয়েছিলাম। কিন্তু সেটি এখন আর পড়তে পারছি না। স্কুল খুলছে জানতে পেরে অনেক আনন্দ লাগছে। মাকে বলেছি নতুন পোষাক বানিয়ে দিতে। মঙ্গলবার সকালে ছেলেকে নিয়ে স্কুলড্রেস কিনতে বাজারে আসলেন মা কানিজ ফাতেমা স্মৃতি। দুই দিনের মধ্যে পোষাক বানিয়ে দিবে এই শর্তে অর্ডার করেন শহরের একটি টেইলার্সে। মুরাদ হোসেন পড়ছেন কাপাসিয়ার বরুন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে।

নবম শ্রেণির এই ছাত্র একাই এসেছে বরুন বাজারের সৈকত টেইলার্সে। মুরাদ জানায়, দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকায় আগের পোষাক ছোট হয়ে গেছে। তাই স্কুল খোলার খবর পেয়ে নতুন পোষাক বানাতে টেইলার্সে আসি।

শুধু তাজিম কিংবা মুরাদ নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার খবরে অভিভাবকরা এখন সন্তানের জন্য স্কুল কর্তৃক নির্ধারিত পোষাক কিনতে ও বানাতে ভীড় জমাচ্ছেন জেলার বিভিন্ন মার্কেট ও টেইলার্সে। তবে যারা নতুন পোষাক বানাতে বা কিনতে পাড়ছেন না তাদের মাঝে দেখা দিয়েছে এক ধরনের দুশ্চিন্তা। সন্তানের চাহিদা মেটাতে না পেড়ে অনেকটা কষ্টে আছেন এসব অভিভাবকরা।

আরও পড়ুন:


চীনের ১৯ যুদ্ধবিমান ঢুকল তাইওয়ানে

গাজীপুরে তুরাগ ও বংশী নদীর পানি বৃদ্ধি

খিলগাঁও ও কেরানীগঞ্জ থেকে ফেনসিডিল-গাঁজা উদ্ধার

কারাভোগ শেষে ভারত ফিরল তিনজন


কাপাসিয়া বাজারের হাসান টেইলার্সের মালিক রুহুল আমিন বলেন, হঠাৎ স্কুল খুলে দেওয়ার ঘোষণায় কাজের চাপ বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধা রাত পর্যন্ত স্কুলড্রেসের অর্ডার নিতে হচ্ছে।

কাপড় ব্যাবসায়ী জীবন দাস বলেন, লকডাউনে দোকান বন্ধ ছিল। স্কুল খোলার খবর শুনে শিক্ষার্থীরা ভীড় করছে ড্রেস বানাতে। তাই এখন ব্যাস্ত সময় পার করছি।

কাপাসিয়া কিন্ডার গার্টেনের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান বলেন, করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা মানবেতর জীবন যাপন করেছে। স্কুল খোলায় এখন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।

তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক খালেদ খান বলেন, স্কুল খোলার খবর পেয়েই মেয়ে আমার বায়না ধরেছে নতুন পোষাক কিনে দিতে। তাই সব কাজ বাদ দিয়ে এসেছি মেয়ের জন্য পোষাক কিনতে।

শিক্ষার্থী আবির ও আদিবার অভিভাবক দিলরুবা জাহান বলেন, আমার ছেলে ও মেয়ে জেদ ধরেছে ২ দিনের মধ্যে তাদের নতুন ড্রেস, জুতা, মুজা কিনে দিতে। স্কুল খুলছে জানতে পেড়ে তাদের মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।

এদিকে এরই মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি হিসেবে গাজীপুরে চলছে ধোয়া-মোছার কাজ। রাণীবিলাসমনি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, জকি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, বরুন উচ্চ বিদ্যালয়, হড়িমঞ্জুরি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ভাকোয়াদি উচ্চ বিদ্যালয়, পাবুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ এন্ড বিশ^বিদ্যালয়, টঙ্গী সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, আজিম উদ্দিন কলেজ, পিআরআলী কলেজ, রাজেন্দ্রপুর পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ইকবাল সিদ্দিকী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন চলছে শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের কাজ।

এসব কাজ তদারকি করছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও প্রধান শিক্ষকরা।

ইকবাল সিদ্দিকী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল সিদ্দিকী বলেন, করোনার কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছিলো।

অনেক শিক্ষকরা তাদের পেশাও বদলে ফেলেছিলো। প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণায় এখন প্রাণ ফিরে পাবে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে।

গাজীপুরের কয়েকটি স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে, করোনার কারণে বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো একেবারে নাজেহাল হয়ে আছে। তাই সকল প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, চেয়ার-টেবিল, বেঞ্চসহ সব কিছু পরিষ্কার করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে পরিচ্ছন্নকর্মীরা। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের আশেপাশে এবং মাঠে জমে থাকা আগাছা পরিষ্কার করতেও দেখা গেছে।

কাপাসিয়ার ভাকোয়াদি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হালিম সরকার বলেন, করোনায় আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আমরা এক ধরনের মানষিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণায় প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। শ্রেণিকক্ষ এবং মাঠ পরিষ্কারের কাজ চলছে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে আমরা আমাদের শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করেছি। তাছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের হাত ধোয়ার জন্যও আমরা ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছি।

কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. সালাম বলেন, আমরা গত সোমবার জেলা শিক্ষা অফিসের সমন্বয়ে মিটিং করে মনিটরিং টিম গঠন করেছি। আগামী শুক্রবার, শনিবার সকল প্রতিষ্ঠান সরজমিনে পরিদর্শন করা হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি বা সরকারি নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা তা দেখা হবে।

গাজীপুর জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে ১৯টি সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। গাজীপুরের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসব নির্দেশনা মেনেই প্রতিষ্ঠাণ খোলা হবে বলে জানান তিনি।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় হচ্ছে আরেকটি হাসপাতাল

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় হচ্ছে আরেকটি হাসপাতাল

চট্টগ্রাম মেডিকেলের স্বস্তি ফিরাতে পতেঙ্গায় অচিরেই চালু হচ্ছে আরেকটি হাসপাতাল। বেপজারের ৫ একর জায়গার ওপর নির্মিত তিন ভবনে একশ বেডের হাসপাতাল চালুর অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বন্দর, পতেঙ্গা, ইপিজেড ও হালিশহরের ২০ লাখের বেশি মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে বহুল কাঙ্খিত হাসপাতাল চালুর খবরে খুশি এলাকাবাসী।

চট্টগ্রাম মহানগরীর দক্ষিণাংশ তথা পতেঙ্গা, ইপিজেড ও বন্দরবাসীর সবচেয়ে বড় দুঃখ ছিল একটি হাসপাতাল না থাকা। দীর্ঘ যানজট ভোগান্তি পেরিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে আসতে আসতেই প্রাণ হারিয়েছেন অনেকে। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে অবশেষে হাসপাতাল পাচ্ছেন এই এলাকার মানুষ। সম্প্রতি বেপজার তিনটি ভবনে একশ বেডের সরকারি হাসপাতালের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন


শাকিব খানের সঙ্গে তুরস্কে গিয়ে যে ভালোবাসায় পড়েছিলেন বুবলী (ভিডিও)

কোহলিদের কোচ হচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়, চোখ কপালে উঠার মত বেতন?

প্রেমিকের সঙ্গে পূজা দেখতে গিয়ে অচেতন অবস্থা জঙ্গলে পড়েছিল তরুণী

বরিশালের ক্ষুদে বোলিং যাদুকর সাদিদে মুগ্ধ বিশ্ব, স্বপ্ন বড় হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের


চট্টগ্রাম ১১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ লতিফ জানান, এই হাসপাতালে থাকবে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা। এলাকার ২০ লাখের বেশি মানুষের চিকিৎসা সেবার দুয়ার খুলবে এই হাসপাতাল।

চট্টগ্রাম মেডিকেলে যেখানে ১৩শ শয্যা সেখানে এখন প্রতিদিন রোগী ভর্তি ৩ হাজারের বেশি। এই হাসপাতাল চালু হলে রোগীর চাপ কিছু কমবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। তবে নতুন হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার দাবি এলাকাবাসীর।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

মাহমুদুল হাসান

নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের আয় আগের মতোই থাকলেও রীতিমতো পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। তাই দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে ভালো নেই সাধারণ মানুষ। সপ্তাহের ব্যবধানে লাফিয়ে বেড়েছে আটা চিনি আলুসহ প্রায় সব রকম নিত্যপণ্যের দাম। সাধারণ মানুষ আমিষের চাহিদা পূরণে যে মুরগী ও ডিম খান, তার দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে।

সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজার থেকে পণ্য কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে।

মানুষের আয়ের যে অবস্থা তার সাথে কোনোই মিল নেই বাজার দরের। রাজধানীর কারোয়ান বাজারে সপ্তাহের বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী মো. আরিফ। এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছেন একটু কম দামে যদি পাওয়া যায় নিত্যপণ্য। বলছেন, বাজারের এমন উত্তাপ টের পাচ্ছেন হাড়ে হাড়ে।

কাঁচা সবজির দোকানে দাম কম শুধু পেপে আর পটলের। কিন্তু একই সবজি ঘুফিরে আর কতেই খাওয়া যায়? অন্য প্রায় সব সবজির দামই ৫০ টাকার উপরে। শীতের সবজিও বিক্রির উপেযুক্ত হয়নি এখনও।

গত কিছুদিন ধরে স্থিতিশীল ছিল আলুর দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ৫ কেজি আলুর দাম বেড়েছে ১০ টাকা। আদা- রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা।

এরই মধ্যে  পেঁয়াজ ও চিনি আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে এনবিএর। ফলাফল মোটামুটি স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এই দুই পন্যের দাম।

আরও পড়ুন:


ইউনিয়ন নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা, নিহত ৪ 

আ.লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রি ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর

দেশে সাম্প্রদায়িক হামলাগুলোর মদদ দিচ্ছে সরকার: ফখরুল

সেদিন নীল শাড়িটাই পরবো: মাহি

দ্বিতীয় বিয়ে করে সত্যিই 'সারপ্রাইজ' দিলেন মাহি


 

তবে একেবারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে মুরগি ও ডিমের দাম। গরিব মানুষণ আমিষের চাহিদা পূরণে যে ব্রয়লার মুরগী খান সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ১০ টাকা। আর মিমের ডজন এখন ১১০ টাকা।

তবে চালের দাম আর বাড়েনি। মোটামুটি আগের দামেই বিকিও হচ্ছে মিনিকেট আটাশসহ অন্য চাল।

গরীবের খাদ্য মোটাচাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, আর মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজে

বাজারে ইলিশের বিক্রি বন্ধ থাকায় চোপ পড়েছে অন্য মাছের দামে।

এমন অবস্থায় প্রায় মাথা খারাপ অবস্থা সাধারণ ক্রেতাদের।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

যশোরে শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন

রিপন হোসেন

শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন যশোরের কৃষকরা । আবহাওয়ায় অনুকুলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশাও করছেন তারা। আগাম সবজি চাষে  কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

যশোরে প্রতিবছরই রেকর্ড পরিমাণ সবজি উৎপাদন হয়। এখানকার উৎপাদিত সবজি দেশের মোট চাহিদার ৬৫ ভাগ যোগান দেয়।  বর্তমানে এ জেলার চুড়ামনকাটি, বারীনগর, হৈবতপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের  মাঠ জুড়ে এখন  শীতের সবজি।

আরও পড়ুন:


আওয়ামী লীগ বলেছে, তারা সেদিকে যাবে না: ফখরুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

কুমিল্লার ঘটনায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


শীতকালীন সবজি বাধাঁকপি, ফুলকপি, সিম, মুলা, লাল শাক, পালং শাকসহ নানা ধরনের সবজিতে ভরা ক্ষেত। ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, দীর্ঘ অনাবৃষ্টিতে এবছর সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই আগাম শীতকালীন সবজি আবাদ করছেন কৃষকরা। বাজারে দর চড়া থাকায় খুশি।

শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের কারিগরি সহায়তার পাশাপাশি নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি বিভাগের হিসেবে, যশোর জেলায় এবার প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই পার্শ্বে ৭০ কি.মি. যানজট

আতিক রহমান ও আব্দুস সামাদ সায়েম

সীমাহীন যানজটে নাকাল উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ। সিরাজগঞ্জের নকলা সেতুর সংস্কার কাজ চলায় ৯ ঘণ্টা ধরে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদাল বন্ধ ছিলো। এতে সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্ত মিলে প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট ছড়িয়ে পড়ে। ৩০ মিনিটের পথ পেরুতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, নকলা সেতুর সংস্কার কাজ শেষ হলে কমবে দুর্ভোগ।

এই দৃশ্য বঙ্গবন্ধূ সেতুর পূর্ব প্রান্তের। টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের।

আরও পড়ুন:


আওয়ামী লীগ বলেছে, তারা সেদিকে যাবে না: ফখরুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

কুমিল্লার ঘটনায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমে হাটিকুমরুল মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসহনীয় যানজটের। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম গোলচত্ত্বর থেকে ভূইয়াগাঁতী, হাটিকুমরুল-বনপাড়া সড়কের সলঙ্গা এলাকা ও হাটিকুমরুল-পাবনা সড়কের বোয়ালিয়া পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে গেছে।

মাত্র ৩০ মিনিটের পথ পার হতে এখন দিন পেরিয়ে যাচ্ছে। তীব্র গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে থেকে পণ্যবাহী ট্রাকের কাঁচামাল নষ্ট হতে শুরু করেছে। অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন অনেকে বাস যাত্রী।

সিরাজগঞ্জের নকলা সেতুর সংস্কার কাজ চলায় গাড়ি চলছে এক লেন দিয়ে। ভোর থেকে এতেই সৃষ্টি হয় যানজট। বেলা বাড়ার সাথে সাথ তা আরো দীর্ঘ হতে থাকে। প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানিয়েছে, নকলা সেতুর পশ্চিমাংশে সড়কের ওপরের অংশ তুলে ফেলে সেগুলোও মেরামত করা হচ্ছে। সংস্কার কাজ শেষ হলে দুর্ভোগ কমে আসবে বলে জানান সড়ক জনপদ বিভাগ সিরাজগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী।

মহাসড়কটি দিয়ে প্রতি দিন উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার অন্তত ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে বঙ্গবন্ধ সেতু বন্ধ থাকায় দুই পারে অন্তত ১০ হাজার গাড়ি আটকা পড়েছে বলে ধারনা সংশ্লিষ্টদের।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতির অভয়ারণ্য সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস

সৈয়দ রাসেল, সিলেট

দুর্নীতির অভয়ারণ্য সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস

দ্বিধাহীন দুর্নীতির অভয়ারণ্য হয়ে ওঠেছে সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। নানা অনিয়মের মাঝে যেখানে পাসপোর্টের জন্য জমাকৃত ফাইলের মাঝে অফিসেরই একটি চক্রের দেয়া নির্দিষ্ট ‘মার্কা’ (চিহ্ন) ব্যবহারের মাধ্যমে আদায় হচ্ছে এই মোটা অংকের টাকা। গোপন ‘মার্কা’ ছাড়া ফাইল জমা দিতে গেলেই পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়। ফিরে আসতে হচ্ছে বেশিরভাগ পাসপোর্ট গ্রহীতাকে। আর মার্কা বাণিজ্যে প্রতি মাসে হচ্ছে অন্তত দুই কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন।

সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের ‘মার্কা’ বাণিজ্য এখন ওপেন-সিক্রেট। পাসপোর্টের জন্য জমা দেয়া ৯০ শতাংশ ফাইলেই রয়েছে নির্দিষ্ট গোপন ‘মার্কা’। আর এমন অভিনব দুর্নীতির প্রমাণও মেলে নিউজ টোয়েন্টিফোরের টানা অনুসন্ধানে। মার্কা থাকলে ফাইল জমা হবে না হলে নানা অজুহাতে ফেরত দেয়া হয় পাসপোর্ট গ্রহীতাকে। আর মাঠ পর্যায়ে দালাল বা ট্রাভেল এজেন্সির সাথে যোগাযোগ রাখেন অফিসের নাইটগার্ড, ড্রাইভার ও এমএলএসএসসহ আরও অন্তত ১০ জন।

সিলেট পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন ‘মার্কা’ দেয়া অন্তত সাড়ে চারশ ফাইল প্রতি গড়ে ১৫০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। সে হিসেবে মাসে হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন। আর এই মার্কা বাণিজ্যের সমন্বয়ক হিসেবে সামনে আসছে একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম।

আরও পড়ুন


ঢাকায় এসেছিলেন চাকরির খোঁজে, ফিরতে হল লাশ হয়ে

পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটই উৎপাদনে সক্ষম

বেনাপোলের রেলপথে বাড়ছে পণ্য আমদানি

বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে


তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করলেন সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক এ কে এম মাজহারুল ইসলাম।

এদিকে পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি দমনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সিলেট অঞ্চলের ‘আটাব’ এর সাবেক সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল।

সকাল ৯টায় কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দুর্ভোগ আর দুর্নীতিগ্রস্ত এক অফিসের নাম সিলেট পাসপোর্ট অফিস। তবে সরকারের হস্তক্ষেপে এ অফিসটি একদিন জনবান্ধব হয়ে ওঠবে এমন প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর