সৌরঝড়ের সম্ভাবনা, হুমকির মুখে ইন্টারনেট ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক

সৌরঝড়ের সম্ভাবনা, হুমকির মুখে ইন্টারনেট ব্যবস্থা

পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে সোলার স্টর্ম বা সৌরঝড়। একে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয়, করোনাল ম্যাস ইজেকশান। এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং তা কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আরভিনে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এই অশনিসঙ্কেত দিয়েছে। গবেষণাপত্রটি পিয়ার রিভিউ পর্যায় পেরিয়ে একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকায় প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। গত মঙ্গলবার গবেষণাপত্রটি অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে ১৮৫৯ এবং ১৯২১ সালে আধুনিক বিশ্ব সৌরঝড় দেখেছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। গবেষকেরা বলেন, ‘এমন ভয়ঙ্কর সৌরঝড় বা সিএমই’র পৃথিবীর ওপর আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রতি দশকে থাকে ১ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ। এ বার তেমনই একটি সিএমই’র ঝাপটা সইতে হতে পারে পৃথিবীকে। যার সম্ভাবনা খুব বেশি।’

পৃথিবীর চার পাশে থাকা শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রই আমাদের সৌরঝড়-সহ সূর্য থেকে ছুটে আসা নানা ধরনের পদার্থের হাত থেকে বাঁচায়। দুই মেরুতে চৌম্বক ক্ষেত্র সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী থাকে বলে সৌরকণারা ধেয়ে এলে তাদের বেশির ভাগকেই ফিরিয়ে দেয় দুই মেরুর চৌম্বক ক্ষেত্র। সেই সংঘর্ষেই মেরুজ্যোতির জন্ম হয়। 

পৃথিবীসহ সৌরমণ্ডলের সব গ্রহের দিকেই ধেয়ে যায় এই সৌরঝড়। তবে যেসব গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্র খুবই দুর্বল এবং বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই বললেই চলে সেসব গ্রহকে এই ঝাঁপটা সহ্য করতে হয়। 

মূল গবেষক, আরভিনের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সঙ্গীতা আবদু জ্যোতি বলেছেন, ‘যেটা সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় তা হলো, আমরা মহামারির জন্য যেমন আদৌ প্রস্তুত ছিলাম না, এক্ষেত্রেও তেমনটাই হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, সূর্যের বায়ুমণ্ডলে (করোনা) কখন ভয়ঙ্কর সৌরঝড় উঠবে তার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয় এখনও। তবে এটুকু বলা যায়, সেই ভয়ঙ্কর সৌরঝড়ের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে অন্তত ১৩ ঘণ্টা সময় লাগবে।’

আরও পড়ুন:

টাইগারদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা

ছেলেকে সামলাতে গিয়ে রাতে ঘুম হচ্ছে না নুসরাতের, বেড়েছে ওজনও

সরকার আমলা ও কয়েকজন লোকের উপর নির্ভর করে টিকে আছে: মির্জা ফখরুল

ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার জঙ্গিরা সন্ধান দেয় বসিলার, জেএমবির শীর্ষ নেতা আটক


এবারের সৌরঝড়ে পৃথিবীতে ইন্টারনেট সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর আগে ১৯২১ সালে শেষবার যখন পৃথিবীতে সৌরঝড় আঘাত হানে তখন পৃথিবীতে ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে ইন্টারনেটের ওপর এই প্রভাব সম্পর্কিত কোন তথ্য বিজ্ঞানীদের হাতে নেই।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

লাভবান হচ্ছেন চাষীরা

ঝিনাইদহে দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ড্রাগনের আবাদ

শেখ রুহুল আমিন,ঝিনাইদহ :

ঝিনাইদহে দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ড্রাগনের আবাদ

ঝিনাইদহের মাটি ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে শুরু হয়েছে বিদেশি ফল ড্রগনের আবাদ। ইতোমধ্যেই তা বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন চাষিরা। আর লাভজনক এ ফসলটির আবাদ বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে জানালেন কৃষি বিভাগ।

জানা যায়, ড্রাগন নামে খ্যাত পরিচিত হয়ে উঠেছে ঝিনাইদহে। তারই একটি উদাহরণ কাগমারী গ্রামের গাছে গাছে ঝুলছে বিদেশি ড্রগন ফল আবার কোন গাছে এসেছে ফুল। চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় দিনদিন বেড়েই চলেছে ড্রাগনের চাষ। পুষ্টিমান সম্পন্ন এক বিঘা ড্রাগন চাষ করতে খরচ হয় এক লক্ষ টাকা। বছর শেষে ড্রাগন ফল বিক্রি করে ৫ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। 

ঝিনাইদহ সদর, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর ও কালীগঞ্জসহ ৬টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ব্যাপক ভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এই চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেক তরুণ উদ্যোক্তাসহ চাষিরা।

জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার চাষি হারুন-আর রশিদ মুসা জানান, প্রথমে ৬ বিঘা জমিতে চাষ করে লাভবান হন। এ বছর তিনি বিশ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করেছেন। মুসাই প্রথম ব্যগিং পদ্ধতিতে বারী-ওয়ান ও বারী-৩ নামে উন্নত এ জাতের চাষ করেন। এছাড়াও কালীগঞ্জ উপজেলার সুরোত আলীসহ জেলার অনেকেই এফলের চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। 

আরও পড়ুন:


সোমবার যে আমলটি করলে মনের আশা পূরণ হবে!

ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব: তামিম

ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩


ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এ বছর ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ১৫০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের আবাদ হয়েছে। প্রতি কেজি ড্রগন ফল পাইকারি দরে বাগান থেকেই বিক্রি হয় ২ শত থেকে ৩ শত টাকা করে। আর বাজারের ব্যবসায়ীরা খুচরা দরে বিক্রি করেন ২শত ৫০টাকা থেকে ৩শত ৫০ টাকা দরে। ড্রগন চাষ করে অনেক কৃষক স্বাবলম্বী হয়েছে। 

অন্য যে কোন চাষের চেয়ে ড্রগন চাষ একটি লাভজনক চাষ। পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ এই চাষ বৃদ্ধিতে কৃষকদের বিভিন্ন রকম পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান এফল এক সময় বিদেশে চাষ হতো। এখন চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে। তার মধ্যে ঝিনাইদহ জেলা অন্যতম। নাম ছাড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক মানুষ এখন এফলের বাগান দেখতে আসছেন। তারই উদাহরণ ড্রাগন বাগান দেখতে এসে আগ্রহ প্রকাশ করছেন বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি বিভাগে অধ্যায়নরত এক শিক্ষার্থীসহ অনেকেই। সেই সাথে এ বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন স্থানীয় শ্রমিকরাও। 

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

অনলাইন ডেস্ক

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

হটডগ অনেকেরই পছন্দের একটি খাবার। কিন্তু এই খাবারটি নিয়ে সম্প্রতি শিহরণজাগানিয়া এক রিপোর্ট দিয়েছেন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল স্বাস্থ্য গবেষক। তারা বলছেন, একটি হটডগ আপনার আয়ু কমিয়ে দিতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত।

নেচার ফুড জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি খাবারের প্রভাব দেখিয়েছেন তারা।

 

সিএনএন-কে এই গবেষণাপত্রের সিনিয়র লেখক ও মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের প্রফেসর অলিভিয়ের জুলিয়েট বলেন, ‘আমরা পুরো ডায়েটে খাদ্যের উপকারী এবং ক্ষতিকর প্রস্তাবগুলোর স্বাস্থ্যভিত্তিক মূল্যায়ন করতে চেয়েছিলাম।’

গবেষণায় তারা একটি সূচক নিয়ে আসে যা কয়েক মিনিটে খাদ্য পরিবেশন করার সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্যকর জীবনের নেট উপকারী বা ক্ষতিকারক স্বাস্থ্যের বিষয়টি গণনা করে। এটি ‘গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ’ নামে একটি গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। যা একজন ব্যক্তির পছন্দের খাদ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও অসুস্থতা পরিমাপ করে।

জুলিয়েট বলেন, ‘উদাহরণস্বরূপ, মাংস প্রক্রিয়াজাত করতে ০.৪৫ মিনিট চলে যায়। অথবা ০.১ মিনিট হারায় প্রতি গ্রাম ফল প্রক্রিয়ায়।’

রও পড়ুন:

তৃতীয় স্বামীর কাছ থেকে মুক্তি পেতে মামলা করলেন শ্রাবন্তী

কুড়িগ্রামে ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

অবশেষে ফুঁ দিয়ে আগুন ধরানো সেই সাধুবাবা গ্রেপ্তার

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?


গরুর মাংস দিয়ে তৈরি হটডগের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, এর ৬১ গ্রাম মাংসের প্রক্রিয়াজাতের ফলে ২৭ মিনিটের সুস্থ জীবন নষ্ট হয়। আর যখন সোডিয়াম এবং ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো উপাদানগুলো আনা হয় তখন চূড়ান্ত মানের ৩৬ মিনিট হারিয়ে যায়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সাদা বাঘের বাচ্চার জন্ম (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সাদা বাঘের বাচ্চা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট বাঘটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছে। বৃহস্পতিবার চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের এ খবর জানায়। 

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা থেকে বিস্তারিত জানাচ্ছেন সহকর্মী নয়ন বড়ুয়া জয়।

আরও পড়ুন:


বগুড়ায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই নারী যাত্রী নিহত

জামালপুর থেকে নিখোঁজ ৩ মাদ্রাসাছাত্রীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার

যশোরের ১৮টি রুটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

সুড়ঙ্গে ঢুকে ১০৬ জন নিয়ে উধাও ট্রেন, খোঁজ মেলেনি ১১০ বছরেও

অনলাইন ডেস্ক

সুড়ঙ্গে ঢুকে ১০৬ জন নিয়ে উধাও ট্রেন, খোঁজ মেলেনি ১১০ বছরেও

ঘটনার প্রথম অংশ শুনেই মনে হতে পারে কোন বানানো বা রহস্যজনক গল্প। আসলেই এটি গল্প কিন্তু বানানো বা মিথ্যা নয় সত্যি ঘটনা। ১৯১১ সালের এই ঘটনার সাক্ষী ইটালি। ঠিক ১১০ বছর আগে ইটালির জেনেটি নামে একটি রেল সংস্থা বেশ ধুমধাম করে নতুন ওই ট্রেনের যাত্রা শুরু করেছিল।

উদ্বোধনের দিন বিনা টিকিটে ১০০ জন যাত্রী ও ৬ জন রেলকর্মীকে নিয়ে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। কিন্তু দূর্ভাগ্য ট্রেনটি আর গন্তব্যে পৌঁছায়নি। রসহ্যজনকভাবে পথেই গায়েব হয়ে যায় ট্রেনটি। যার খোঁজ আজ পর্যন্ত মেলেনি।

ট্রেনে থাকা সেই ১০৬ জন মানুষেরও খোঁজ মেলেনি। এতোগুলো মানুষ নিয়ে কিভাবে আন্ত একটি ট্রেন গায়েব হয়ে যেতে পারে যার কারণ অনুসন্ধান করতে পারেনি বিজ্ঞানীরা। শোনা যায়, অনেক খুঁজেও ট্রেনের কোনও চিহ্ন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

ওই ট্রেন যেদিক দিয়ে যাচ্ছিল সেই পথেই ছিল একটি সুড়ঙ্গ। ট্রেন সেই সুড়ঙ্গে তো প্রবেশ করেছিল কিন্তু আর বের হয়নি। পরবর্তীকালে ট্রেনের সন্ধানে সুড়ঙ্গের মধ্যে অনেকেই গিয়েছেন। কিন্তু তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

পাহাড়ের বুক চিরে তৈরি হওয়া ওই সুড়ঙ্গের ভিতর আর কোনও রাস্তাও ছিল না। ট্রেন দুর্ঘটনারও কোনও চিহ্ন মেলেনি।

ট্রেনের মধ্যে মোট ১০৬ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনের সন্ধান পরবর্তীকালে পাওয়া গিয়েছিল। সুড়ঙ্গের বাইরে থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই সময় প্রকাশিত খবর অনুয়ায়ী, অগোছালো কথা বলছিলেন তাঁরা। ওই ঘটনা সম্বন্ধে বিশদে সে ভাবে কিছুই জানাতে পারেননি তাঁরা।

দু’জনের কথার বিষয়বস্তু ছিল একই। সুড়ঙ্গে প্রবেশের মুহূর্তে সাদা ধোঁয়া গ্রাস করেছিল ট্রেনটিকে। সেই সময় নাকি কোনওক্রমে দু’জনে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেন। তার পর আর কিছু মনে ছিল না তাঁদের।

আরও পড়ুন


ভাইরাল সেই মাসুদের খবর জানলেন হাইকোর্ট

আইপিএলের বাকি ম্যাচ খেলতে স্ত্রীকে নিয়ে দুবাই গেলেন মোস্তাফিজ

ইসলামে পরিমিত খাবার গ্রহণের গুরুত্ব

অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় হোটেলেই হাত-পা বেঁধে যৌনকর্মীকে হত্যা


মেক্সিকোর এক চিকিৎসক দাবি করেন, অনেক বছর আগে মেক্সিকোর একটি হাসপাতালে নাকি ওই ১০৬ জন যাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁরা প্রত্যেকেই অসংলগ্ন কথা বলছিলেন। প্রত্যেকেই কোনও একটি ট্রেনের উল্লেখ করেছিলেন। সেই ট্রেনে করেই নাকি তাঁরা মেক্সিকো পৌঁছেছিলেন।

এমনকি ইটালির বিভিন্ন প্রান্তে, জার্মানি, রোমানিয়া এবং রাশিয়াতেও নাকি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ ঠিক ওই রকমই একটি যাত্রিবোঝাই ট্রেন দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করতে শুরু করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রেনের যে বর্ণনা দিয়েছিলেন তা হুবহু ওই অদৃশ্য হওয়া ট্রেনটির মতো ছিল। সেই সময় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ট্রেনটি নাকি টাইম ট্রাভেল করে ১৮৪০ সালের মেক্সিকোয় পৌঁছে গিয়েছিল। সূত্র: আনন্দবাজার

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কাঁসা শিল্পের নাম বিশ্বব্যাপী

মো.রফিকুল আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কাঁসা শিল্পের নাম বিশ্বব্যাপী

বাঙ্গালীর গৃহস্থালী ও সংস্কৃতির সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কাঁসা শিল্পের নাম দেশজুড়ে থাকার পরও উপমহাদেশে এর বিস্তৃতি ছড়িয়ে ছিল। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, মোঘল শাসনামলে এদেশে কাঁসা-পিতলের ব্যবহার শুরু হয়। 

প্রথমে তারা কাঁসা-পিতল দিয়ে ঢাল-তলোয়ারের প্রচলন শুরু করলে সৌখিন রাজা-বাদশাহরা কাঁসার বাসন- কোসনের ব্যবহার শুরু করে। তখন থেকেই এই শিল্পের ব্যবহার বেড়ে যায়, তৈরি হয় নতুন নতুন কারিগর। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কাঁসা শিল্পের নাম ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যাপী। কিন্তু কালের আবর্তে কাঁসা পিতরের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং প্লাষ্টিক, মেলামাইন, ষ্টেইনলেস ষ্টিল ও কাঁচের সামগ্রী দামে কম ও সহজলভ্য হওয়ায় এখন কাঁসা-পিতলের সামগ্রী বেচা-কেনা কমে গেলেও বিয়ে, খাৎনা বা নতুন সন্তান জন্ম হলে এর কদর আজও রয়েছে। 

কারণ এই সব উপলক্ষে এখনও কাঁসার, বাসন কোসন উপহার হিসেবে দেয়া হয়। তবে এখন মেলামাইন ও কাচের জিনিসপত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং কাঁসা-পিতলের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় কাঁসার কারিগররা দুর্দিনের মধ্যে পড়লেও বাপ-দাদার পেশা টিকিয়ে রাখতে জেলায় এখন প্রায় ৩’শ কারিগর সক্রিয় রয়েছে। কিন্তু পূর্বে প্রায় ১০ হাজার কাঁসার কারিগর ছিল বলে জানা যায়। 

কাঁসার জিনিসপত্র তৈরির জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের রামকৃষ্টপুর, শংকরবাটী, আজাইপুর ও রাজারামপুর এলাকা ছিল বিখ্যাত। এই কাঁসা শিল্পীরা নিপুন হাতে তৈরি করতেন থালা, বাটি, গ্রাস, কলস, গামলা, বড় হাঁড়ি বা তামাড়ী, চামচ, বালতি, ফুলদানী, কড়াই, হাঁড়িপাতিল, পিতলের ক্রেষ্ট, স্কুলের ঘন্টা, পানদানিসহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী। 

এছাড়া কাঁসার থালায় ও ক্রেস্টের ওপর নিপুন হাতে তৈরি ঐতিহাসিক সোনামসজিদ, মহানন্দা ব্রীজ ও আম বাগানের মনোরম দৃশ্য সবার নজর কাড়ে। 

আজাইপুরের কাঁসার কারিগর আব্দুস সামাদ জানান, এখন জেলায় প্রায় ৩০টি কারখানা থাকলেও তাঁদের কোন পারমিট নেই। পারমিট রয়েছে ২০/২৫জন মহাজনের কাছে। 

ফলে তাদের কাছে উচ্চমূল্যে কাঁসা পিতল কিনতে হচ্ছে। রামকৃষ্টপুরের কাঁসার কারিগর ইসলাম জানান, তারা বংশানুক্রমকিভাবে প্রায় ৮৫ বছর ধরে কাঁসার কাজ করে আসলেও পারমিট (কাঁসা বহনের অনুমতিপত্র) পাননি।

পেয়েছেন কাঁসার এক শ্রেণীর মহাজনেরা। একই এলাকার আরেক কাঁসার কারিগর আসলাম জানান, তার দাদা ও পিতা কাঁসার শিল্পের নিপুন কারিগর ছিলেন এবং তিনি শত কষ্টেও বাপ-দাদার এ পেশা ছাড়তে পারেননি। 

বটতলাহাটের কাঁসার কারিগর সাদেক জানান, বর্তমানে বাজারে ১৮’শ টাকা কেজি দরে কাঁসার বাসন-কোসন বিক্রি হচ্ছে এবং পুরাতন কাঁসা কেনা হচ্ছে এক হাজার টাকা কেজি দরে। তিনি জানান, একজন কারিগর ২’শ টাকা কেজি দরে বাসন-কোসন তৈরির মজুরি পেয়ে থাকে। 

এদিকে মূল্যবৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও ঐতিহ্য ধরে রাখতে আজও জেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে কাঁসার থালা-বাসনের ব্যবহার দেখা যায়। 

আরও পড়ুন:


ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা

এবার প্রকাশ্যে নতুন স্বামীর জবাব দিলেন মাহী!

গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হিরো আলম

ফ্লাইওভার থেকে বাইক নিয়ে ৪০ ফুট নীচে পড়ে যুবকের মৃত্যু


NEWS24.TV / কেআই

পরবর্তী খবর